জলপাইগুড়ি: বেলা ১টা। জলপাইগুড়ি শহরের ব্যাস্ততম এলাকা লক্ষন মৌলিক সরনি। আচমকাই সেখানকার মানুষজন দেখতে পান এক যুবক আর এক যুবককে ব্যাপক মারধর করছেন। তাকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন এক তরুণীও। চোট লেগে তার চোখ দিয়ে রক্ত ঝরতে থাকে। লোকজন এগিয়ে আসতেই চম্পট দেয় হামলাকারী যুবক। 

জানা যায় হামলাকারী যুবক পেশায় ট্যাক্সিচালক। ফ্যাশন ডিজাইনিং-এর ছাত্রী, আক্রান্ত ওই তরুণী জানান, রাস্তায় গাড়ি সাইড দেওয়ার সময় ওই ট্যাক্সিচালক তাকে কটুক্তি করে। তখন তিনি ও তার বন্ধু তার প্রতিবাদ করেন। এরপরেই গাড়ি থেকে নেমে তাদের ওপর হামলা চালায় ওই ট্যাক্সিচালক। চোখে গুরুতর আঘাত নিয়ে ওই তরুণী জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতালে ভর্তি। তার সঙ্গী যুবককে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়।

jal-arrest2

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে শহর জুড়ে। সমালোচনার ঝড় ওঠে সব মহলেই। তবে অভিযোগ পাওয়ার পরই তৎপর হয়ে ওঠে পুলিশ।অভিযুক্ত ট্যাক্সিচালক যাতে শহর ছেড়ে পালিয়ে যেতে না পারে তার জন্য বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নাকাবন্দী করা হয়। অবশেষে “সোর্স” মারফত খবর পেয়ে এক বন্ধুর বাড়ি থেকে সন্ধ্যায় অভিযুক্ত বান্টি সাহাকে গ্রেপ্তার করে জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার পুলিশ। জেলা পুলিশ সুপার অমিতাভ মাইতি জানিয়েছেন শ্লীলতাহানি সহ আরো বেশ কয়েকটি জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেপ্তার ট্যাক্সিচালক বান্টিকে শুক্রবার জলপাইগুড়ি বিশেষ আদালতে তোলা হবে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here