অভিজিৎ ব্যানার্জি

ছোটবেলায় ক্লাসে যে নামতা পড়ানো হত, তা আমরা অনেকেই ফাঁকি দিয়েছি। কিন্তু চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতির ক্ষেত্রে দেখা যায়, যদি নামতা মুখস্থ থাকত, তা হলে কত ভালো হত। গুণ করে করলে কিন্তু বেশি সময় লাগবে, সেই কারণ কথাটা বললাম। কিছু গুণ করার পদ্ধতি আছে, একটি উদাহরণ দিয়ে শেখাই —

২৫x২৫=৬২৫ কিন্তু ৩৫x৩৫=?

এ ভাবে কর-    

৩৫

 ৩৫

১২২৫

৫x৫=২৫ একেবারে বসিয়ে দাও। তার পর বামপাশে ৩-এর সঙ্গে ১ যোগ কর। যোগ করে ৪ হল, তারপর ৪X৩=১২ বসিয়ে দাও। এই ভাবে ৪৫X৪৫, ৫৫X৫৫,৬৫X৬৫ অভ্যাস করো। এ রকম আরও পদ্ধতি আছে।

সংখ্যা তৈরি হয় অঙ্ক দিয়ে। যেমন, ১২ দুই অঙ্গের সংখ্যা। সংখ্যা ও অঙ্ক সম্পর্কেও জ্ঞান থাকতে হবে।

অঙ্ক করার সময় যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ অনেক সময় ভুল হয়। আর ভুল হলেই অঙ্ক ভুল। অতএব তোমাকে অতি সাবধানে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ করতে হবে। অনেকে মনে করে এটা ভুল হতে পারে না। কিন্তু অঙ্কের উত্তরগুলি এমন ভাবে দেওয়া হয় যে তুমি অনেক সময় একটি ভুল অপশনে উত্তর করে আত্মতৃপ্তিতে থাকবে।

শর্ট কাট মেথড শিখেই যে তুমি অঙ্ক করতে পারবে, তা কিন্তু নয়। আগে ওই অঙ্ক সম্পর্কে তোমার যথাযথ জ্ঞান থাকতে হবে। কারণ অত শর্ট কাট পদ্ধতি তুমি মনে রাখতে পারবে না বা গুলিয়ে যাবে। বাজারে শর্ট কাট পদ্ধতির যে বইগুলো আছে, কেবলমাত্র সেগুলো কিনে অঙ্ক শিখতে যেও না। অঙ্কের ধারণাগুলি আগে পরিষ্কার কর, তার পর শর্ট কাট পদ্ধতি অনুসরণ কর।

অঙ্কের জন্য দীর্ঘ অভ্যাসের প্রয়োজন, নইলে জানা অঙ্ক ভুলে যাবে। চাকরির পরীক্ষার অঙ্ক করার জন্য পঞ্চম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণির বইগুলো যদি তুমি অনুসরণ কর, তা হলে ভালো হয়। তবে সেইগুলোই যথেষ্ট নয়। যেমন, সূচক, করণী, বিন্যাস-সমবায় ইত্যাদি জানতে হলে তোমাকে উচ্চ মাধ্যমিকের অঙ্ক বই অথবা ভালো প্রতিযোগিতামূলক অঙ্ক বই থেকে অঙ্ক করা অভ্যাস করতে হবে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here