খবর অনলাইন: কানহাইয়া-উমর-অনির্বাণ সহ জেএনইউ-এর শাস্তিপ্রাপ্ত ছাত্ররা শাস্তি মানবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। তাঁরা জরিমানা দেবেন না, হোস্টেলও ছাড়বেনও না। উলটে শাস্তির আদেশ প্রত্যাহার করার দাবিতে তাঁরা বুধবার থেকে অনির্দিষ্ট কালের জন্য অনশনে বসবেন।

জেএনইউ ছাত্র সংসদের প্রেসিডেন্ট কানহাইয়া কুমার বলেছেন, “প্রথম দিন থেকেই আমরা বলে আসছি, তথাকথিত হাই-লেভেল এনকোয়ারি কমিটি অগণতান্ত্রিক এবং পক্ষপাতদুষ্ট। সুতরাং এই কমিটির অনুসন্ধানের ভিত্তিতে যে শাস্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তা মানার প্রশ্নই ওঠে না।”

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ উমর খালিদকে এক সেমিস্টার ও কাশ্মীরি ছাত্র মুজিব গাট্টুকে দুই সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করে, অনির্বাণ ভট্টাচার্যকে পাঁচ বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনও কোর্স করতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় এবং কানহাইয়াকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে। আরও ১৩ জন ছাত্রকে জরিমানা করা হয়। জরিমানার পরিমাণ এক এক জনের ক্ষেত্রে এক এক রকম। দুই প্রাক্তন ছাত্রী বনজ্যোৎস্না লাহিড়ী ও দ্রৌপদীর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে ঢোকা নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং দু’ জন ছাত্রের এক জনকে ১ বছর ও অন্য জনকে ৩ মাসের জন্য হোস্টেল ছেড়ে যেতে বলা হয়েছে।

ছাত্র সংসদের ভাইস-প্রেসিডেন্ট শহেলা রশিদ শোরা বলেছেন, এই তদন্ত কমিটিতে তাঁদের কোনও আস্থা নেই। তাই তাঁদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়কে শাস্তির আদেশ তুলে নিতে হবে। কোনও ছাত্র জরিমানা দেবেন না বা হোস্টেল ছাড়বেন না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে শীর্ষ স্থানীয় এক অফিসার অবশ্য বলেন, শাস্তির আদেশে আপত্তি থাকলে ছাত্ররা চিফ প্রোক্টরের কাছে আবেদন করতে পারেন। আবেদন করা হলে বিশ্ববিদ্যালয় তাঁদের বক্তব্য শুনবে। তবে আবেদন করা না হলে এখনই হোস্টেল ছাড়তে হবে এবং ১৭ মে-র মধ্যে জরিমানা দিতে হবে।

শাস্তিপ্রাপ্ত ছাত্ররা যদি কিছুই না করেন তা হলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কী করবে জানতে চাওয়া হলে ওই অফিসার কোনও মন্তব্য করেননি।


মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here