পুনে ১৬৩-৬ [স্টোক্স ৫০ (৩২), মনোজ ৪০ নট আউট (২৩), সন্দীপ ২-৩৩]

পঞ্জাব ১৬৪-৪ [ম্যাক্সওয়েল ৪৪ নট আউট (২০), মিলার ৩০ (২৭), ইমরান তাহির ২-২৯, দিন্দা ১-২৬]

ইনদওর : ম্যাক্সওয়েল-তাণ্ডবে উড়ে গেল পুনে, কিন্তু তার মধ্যেও উজ্জ্বল থাকল তাদের বঙ্গব্রিগেড। দল হারলেও এ দিন ব্যাটে রান পেলেন মনোজ তিওয়ারি। অন্য দিকে পঞ্জাব শিবিরে প্রাথমিক ধাক্কা দেন অশোক দিন্দা।

অধিনায়ক হিসেবে প্রথম ম্যাচে টস জিতে শনিবার ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেন পঞ্জাবের গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। এ দিন অবশ্য খোলস ছেড়ে বেরোতে পারেনি পুনের প্রথম দিককার ব্যাটসম্যানরা। ব্যর্থ হন আগের ম্যাচে রান পাওয়া অজিঙ্ক রাহানে, রান আসেনি স্টিভ স্মিথের ব্যাটেও। ব্যর্থ হন ধোনিও। ১১টা বল খেলে মাত্র পাঁচ রান করেন তিনি। কিন্তু এর পরই বেন স্টোক্স এবং মনোজের মধ্যে দুর্দান্ত একটা পার্টনারশিপে ম্যাচে ফেরে পুনে। স্টোক্সের থেকে তুলনায় অনেক বেশি আগ্রাসী ছিলেন মনোজ। তিনটে চার এবং দুটি বিশাল ছক্কায় সাজানো ছিল তাঁর ইনিংস। আরে দু’তিনটে বল খেলার সুযোগ পেলে হয়তো অর্ধশতরানটা করে ফেলতেন তিনি। 

দ্বিতীয় ইনিংসে ক্রমশ বিধ্বংসী রূপ নেওয়া পঞ্জাবের মনন ভোহরাকে ফেরান দিন্দা। আগের ম্যাচে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছিলেন বঙ্গপেসার। এ দিন ভালোই বল করেন তিনি। প্রথম দু’ওভারে চোদ্দ রান দিয়েছিলেন তিনি। ম্যাচে একটা সময়ে পঞ্জাবকে বেশ চাপে ফেলে দিয়েছিল পুনে। কিন্তু সেখান থেকে দলকে বের করে নিয়ে যান ম্যাক্সওয়েল। ২০১৪-এর আইপিএলে দুর্ধর্ষ খেলার পর, পরের দু’টি আইপিএলে সে ভাবে সফল হননি তিনি। এ দিন অবশ্য মনে হল এই আইপিএলে ভালো কিছু করতে তিনি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। ডেভিড মিলারকে সঙ্গে নিয়ে পুনের হাত থেকে ম্যাচ বার করে নিয়ে যান ‘ম্যাড  ম্যাক্স’। এ দিন অবশ্য ৯ বলে ১৪ রানের বেশি করতে পারেননি ঋদ্ধিমান সাহা। তবে তিনটে চারে সাজানো ছিল তাঁর সংক্ষিপ্ত ইনিংস। 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here