খবর অনলাইন : জলের জন্য হাহাকার মহারাষ্ট্রে। আর তারই আরেক ছবি নাসিকের রামকুণ্ড ঘাট। একেবারে শুকিয়ে গেছে গোদাবরীর এই ঘাট। ১৩৯ বছরে এই প্রথম। আগামিকাল শুক্রবার ‘গুডি পাড়ওয়া’, চৈত্র শুক্লা প্রতিপদ, মরাঠিদের নববর্ষ। কুম্ভমেলার সময়ে গোদাবরীতে স্নান করার জন্য যে ঘাট সব চেয়ে বেশি জনপ্রিয় সেই রামকুণ্ড ঘাটে কাল হাজার হাজার মানুষের স্নান করার কথা। মাথায় হাত নাসিক মিউনিসিপ্যালিটির। নাসিকে গোদাবরীর অবস্থা এমনিতেই খুবই করুণ। নদীতে স্রোতধারা অক্ষুণ্ণ রাখতে গঙ্গাপুর ড্যাম থেকে নিয়মিত জল ছাড়তে হয়। এ বার সেই গঙ্গাপুর ড্যামেও যথেষ্ট জল নেই। যার ফলে রামকুণ্ড ঘাট শুকিয়ে কাঠ। কিন্তু কালকের জন্য কী ব্যবস্থা হবে ? অন্য সূত্র থেকে জল এনে শুক্রবার কাজ চালানোর জন্য মিউনিসিপ্যাল কমিশনার প্রদীপ গেদামকে অনুরোধ করেছেন পুরোহিত সঙ্ঘের চেয়ারম্যান সতীশ শুক্লা। তিনি একটা পথও বাতলেছেন। তিনি বলেছেন, গান্ধী তালাও-এ সমস্ত কাজকর্ম বন্ধ করে তার জল রামকুণ্ডে পাঠানো হোক। কিংবা একমুখী দত্তা মন্দিরের কাছে যে সাতটি কুয়া কংক্রিট দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, সেই কংক্রিট ভেঙে কুয়ার জল নিয়ে আসা হোক রামকুণ্ডে। অতীতে বেশ কিছু মানুষ ওই কুয়াগুলিতে ডুবে যাওয়ায় সেগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়। তা ছাড়া মাটি থেকে জল তুলে যদি রামকুণ্ড ভরানো হয় তাতেও আপত্তি নেই সতীশবাবুর। মিউনিসিপ্যাল কমিশনার জানিয়েছেন, তিনি সব পরামর্শই খতিয়ে দেখছেন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here