টার্গেট ‘টপ’, একই শহরে পাঁচ মাসে আত্মহত্যা ছয় ছাত্র-ছাত্রীর

0

খবর অনলাইন: ‘আই উইল বি দ্য টপ। দ্য টপ। দ্য টপ।’ সত্যজিত রায়ের নায়ক ছবির সেই ডায়ালগ যেন আষ্টেপিষ্টে বেঁধে ফেলছে ‘জেন ওয়াই’-কে। এই ‘টপ’ হওয়ার পেছনে ছুটতে গিয়ে গত চার মাসে রাজস্থানের কোটায় পাঁচ জন ছাত্র-ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। সেই সংখ্যায় আরও এক যোগ হল গত শনিবার।

সতের বছর বয়সী কেশব মীনা হোস্টেলে ঘরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। চাষির সন্তান কেশব কোটায় স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারে গত তিন বছর ধরে মেডিক্যাল এন্ট্রান্স পরীক্ষা দেওয়ার জন্য পড়াশুনা করছিল। পুলিশ জানিয়েছে, গত ১ মে সে মেডিক্যাল এন্ট্রান্স পরীক্ষা দেয়।

পরীক্ষা ভাল না হওয়ার জন্য সে আত্মহত্যা পথ বেছে নিয়েছে বলে অনুমান পুলিশের। গত শনিবার আরও এক বি-টেক শেষ বর্ষের ছাত্র মারা যায়। গত বৃহস্পতিবার সে বিষ খেয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গত মাসে ১৭ বছরের এক ছাত্রী কোটা শহরের একটি বহুতলের পাঁচতলা থেকে ঝাঁপ দেয়। আত্মহত্যা করার আগে সে জানতে পারে আইআইটি এন্ট্রান্স পরীক্ষায় সে পাশ করেছে। কিন্তু ছাত্রীটি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে চায়নি।তাই সে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় বলে পুলিশ তদন্ত জানতে পারে।

জয়পুর থেকে ২৫০ কিমি দুরে এই কোটা শহরে প্রচুর ছাত্র-ছাত্রী মেডিক্যাল এবং ইঞ্জিনিয়ারিং পরীক্ষা দেবার জন্য কোচিং-এ পড়তে আসে। গত চার মাসে এখানে ছাত্র-ছাত্রী মিলিয়ে পাঁচ জন আত্মহত্যা করেছে।

একের পর এক আত্মহত্যার ঘটনা কপালে ভাঁজ ফেলেছে প্রশাসনের। গত সপ্তাহে কালেক্টর রবি কুমার সুপপুর, কোচিং-এ পড়তে আসা দেড় লাখ ছাত্র-ছাত্রীর বাবা-মা চিঠি পাঠিয়ে আবেদন করেছেন, ‘ছাত্র-ছাত্রীদের উপর যেন বাবা-মার ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষাকে চাপিয়ে না দেওয়া হয়’।

কিন্তু এই চিঠিতে কি আদৌ কোনও কাজ হবে?

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন