খবর অনলাইন :  কথা ছিল জলভর্তি ৫০টি ওয়াগন নিয়ে নিয়মিত মালগাড়ি যাবে লাতুরে। কিন্তু প্রথম দফায় গেল ১০টি ওয়াগন, লাতুরে নিয়ে গেল ৫ লক্ষ লিটার জল। আর প্রায় সাড়ে তিনশো কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে মালগাড়ি সময় নিল ১৮ ঘণ্টা। জলহীন লাতুরের জন্য প্রশাসন যে কত চিন্তিত এবং সেই সমস্যা মেটাতে যে তারা কতদূর সক্রিয়, এই উদ্যোগেই তা মালুম।

রবিরার রাত আড়াইটেয় মিরাজ স্টেশনে ওয়াগনে জল ভরা শুরু হয়। চলে সোমবার সকাল ১০টা পর্যন্ত। তার পর ১০টি ওয়াগন নিয়ে মালগাড়ির যাত্রা শুরু ১১টা নাগাদ। ৩৪২ কিলোমিটার পথ যেতে সময় লাগার কথা ১০ ঘণ্টা। কিন্তু পানঢারপুর পৌঁছতেই সময় লেগে যায় সাড়ে ৬ ঘণ্টা। রাত ৯টায় পৌঁছয় কুরুড়ওয়াড়ি, লাতুর তখনও ১৫০ কিলোমিটার দূরে। শেষ পর্যন্ত মঙ্গলবার ভোর ৫টায় পৌঁছয় লাতুর। এত বিলম্ব কেন ? রেলের অফিসারেরা জানান, ওই রুটে ট্র্যাফিকের প্রচণ্ড চাপ, তার ওপর নানা প্রযুক্তিগত ব্যাপার। তাই মালগাড়ি পৌঁছতে এত বিলম্ব। প্রশ্ন উঠতেই পারে, মুষ্টিমেয় কিছু বিত্তশালী মানুষের স্বার্থে রেল যদি দ্রুততম এক্সপ্রেসের যাত্রা নির্বিঘ্ন ও বিলম্বহীন করতে এত তৎপর হতে পারে, তা হলে খরাপীড়িত লাতুরের লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে জল পৌঁছে দিতে প্রশাসন ও রেল কর্তৃপক্ষ এত উদাসীন কেন ?

মিরাজের স্টেশন ম্যানেজার ভি রমেশ জানান, ১০তি ওয়াগন নিয়ে আরও একটি মালগাড়ির আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মিরাজ ছাড়ার কথা। লাতুর স্টেশনের কাছেই একটি ১৩ মিটার চওড়া ও ২৪ মিটার গভীর কুয়ো খোঁড়া হয়েছে। এতে ২২ লক্ষ লিটার জল ধরে। ওই কুয়োতেই জল মজুত করা হচ্ছে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here