খবর অনলাইন: মন্ত্রিমশাই আসছেন। তার জন্য হেলিপ্যাড বানাতে হবে। কিন্তু হেলিপ্যাডের জন্য তো জল দরকার। তাতে কী! জলের জন্য যতই হাহাকার উঠুক লাতুরে, পানীয় জল যতই কেন না পাঠানো হোক মালগাড়িতে, মন্ত্রিমশাইকে তো নিরাপদে নামানোর ব্যবস্থা করতে হবে। তার জন্য রাতারাতি বানানো হেলিপ্যাড হেলিকপ্টার অবতরণের জন্য সুপক্ক করতে ১০ হাজার লিটার জল ঢালতে হল।

খরাপীড়িত লাতুরে জলের মালগাড়িকে ‘বরণ’ করার জন্য মন্ত্রিমশাই উপস্থিত ছিলেন স্টেশনে। হাজার হোক তিনি মহারাষ্ট্রের ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী। কিন্তু এই মওকায় তো বেলকুণ্ডের জলপ্রকল্পটা দেখে আসা যায়। তাই একনাথ খাড়সে ঠিক করেছিলেন জলপ্রকল্পের কাজ কেমন চলছে দেখতে বেলকুণ্ড যাবেন। লাতুর থেকে সড়কপথে বেলকুণ্ড ৪০ মিনিটের পথ। কিন্তু মন্ত্রিমশাই ব্যস্ত মানুষ। অত সময় নষ্ট করার মতো সময় তাঁর হাতে নেই। তাই ঠিক হল হেলিকপ্টারে যাবেন। তাতে অন্তত মিনিট ২০ সময় বাঁচবে। কিন্তু বেলকুণ্ডে তো হেলিপ্যাড নেই। তাতে কী! এক দিনেই তৈরি হয়ে গেল হেলিপ্যাড। ঢালা হল ১০ হাজার লিটার জল। যে জলে একটা গোটা গ্রামের সারা দিনের পানীয় জলের প্রয়োজন মিটে যায়। মন্ত্রিমশাইয়ের কাণ্ডে ঝড় উঠেছে নিন্দা ও সমালোচনার। যদিও তাঁর কৃতকর্মের সাফাই দিয়ে মন্ত্রিমশাই বলেছেন, “১০ হাজার লিটার নয়, কপ্টার নিরাপদে নামানোর জন্য যতটুকু জল ঢালা দরকার ততটুকুই ঢালা হয়েছে।” নিন্দুকেরা বলছেন, ধরে নেওয়া গেল, তাঁর কথাটা সত্যি। কিন্তু যে অঞ্চলের জন্য ৪০০ কিমি দূর থেকে পানীয় জল পাঠাতে হয়, সেখানে সামান্যতম জল নষ্ট করেও কি হেলিপ্যাড বানানো খুব জরুরি ছিল ?”

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here