খবর অনলাইন : ভুরি ভুরি অভিযোগ। কোথাও কেন্দ্রীয় বাহিনী বুথে নিষ্ক্রিয় হয়ে দাঁড়িয়ে, কোথাও বা ভোটের ৩৬ ঘণ্টা আগে থেকেই টহলদারি বন্ধ। কোথাও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা বাজার করছেন। ও-দিকে বুথ দখল হয়ে যাচ্ছে। বুথের ঠিক বাইরে কোনও জটলা হলেও কেন্দ্রীয় বাহিনী কোনও গুরুত্বই দিচ্ছে না। আর বহু জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর দেখাই নেই। শাসক দলের এজেন্ট ভোটারদের বলে দিচ্ছেন কোথায় ভোট দিতে হবে, প্রিসাইডিং অফিসার নিষ্ক্রিয় হয়ে বসে আছেন। নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিয়েছিল, ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে রাজনৈতিক দলের ক্যাম্প তো দূরের কথা, স্থানীয় থানার পুলিশকেও থাকতে দেওয়া হবে না। মেদিনীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বেনিয়া প্রাথমিক স্কুল ভোটকেন্দ্রে কোতোয়ালি থানার দুই পুলিশকে তদারকি করতে দেখা গেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগ, গোপীবল্লভপুর বিধানসভা কেন্দ্রে নাহারিয়া নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের কাছেই শাসকদলের কর্মীরা ক্যাম্প করে বসে ভোটারদের মুড়ি-চানাচুর-ছোলা খাওয়াচ্ছেন। ভোটের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে বহু জায়গায় আক্রান্ত হয়েছেন বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্টাররা। সোমবার পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার ভোট শুরু হওয়ার চার ঘণ্টার মধ্যেই রাজ্যের সব ক’টি বিরোধী দলের তরফ থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরে ভুরি ভুরি অভিযোগ জমা পড়েছে। বিরোধী দলের অভিযোগ, ভোটের নামে এ হাস্যকর প্রহসন। এ ভাবেই ভোটপর্ব সমাধা হল জঙ্গলমহলের ১৮ বিধানসভা কেন্দ্রে। এগুলি হল, পুরুলিয়া জেলার বান্দোয়ান, বলরামপুর, বাঘমুণ্ডি, জয়পুর, পুরুলিয়া, মানবাজার, কাশীপুর, পাড়া ও রঘুনাথপুর, বাঁকুড়া জেলার রানিবাঁধ, রাইপুর ও তালড্যাংরা এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার নয়াগ্রাম, গোপীবল্লভপুর, ঝাড়গ্রাম, শালবনি, মেদিনীপুর ও বিনপুর।
এ দিকে অসম বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় আজ ৬৫টি কেন্দ্রে ভোট নেওয়া হল।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here