ঢাকঢোল পিটিয়ে উদ্বোধন হলেও দর্শক টানতে ‘ব্যর্থ’ নেতাজি মিউজিয়াম

0

ওয়েবডেস্ক: পুরীর গোপালবল্লভ রোডে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর পৈতৃক বাড়িটিকে নেতাজি মিউজিয়াম হিসাবে উদ্বোধন করা হয়েছিল গতবছর। কিন্তু এটির যথাযোগ্য প্রচারে প্রশাসনের অনীহার কারণেই দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করতে ব্যর্থ হয়ে চলেছে এমন একটি ঐতিহাসিক স্থান।

দীর্ঘ আইনি জটিলতার পরে, ২০১৯ সালে তৎকালীন ওড়িশার রাজস্ব এবং বিপর্যয় ব্যবস্থাপনামন্ত্রী মহেশ্বর মোহান্তি উদ্বোধন করেছিলেন মিউজিয়ামটির।

এ ব্যাপারে উৎকল বিকাশ যুব পরিষদের প্রধান দেবীপ্রসাদ প্রুস্তির মত,পবিত্র শহরটি প্রতিদিন বিশ্বজুড়ে হাজার হাজার দর্শনার্থীর আগমন প্রত্যক্ষ করে। পর্যটকেরা সমুদ্র সৈকত এবং আশেপাশের পর্যটনকেন্দ্রগুলিও ঘুরে দেখেন, তবে খুব কমই মিউজিয়ামটি দেখতে যান। এটাকে জনপ্রিয় করার জন্য জেলা প্রশাসনের কাজ পর্যাপ্ত নয়।

একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, “এটা দুর্ভাগ্যজনক। রাজ্য সরকার এখনও মিউজিয়ামটিকে সমস্ত শ্রেণীর পর্যটকদের কাছে আকর্ষণ করার সম্ভাবনার বিষয়টা বুঝতেই পারেনি”।

মিউজিয়ামের উদ্বোধনের সময় তৎকালীন পর্যটনমন্ত্রী অশোকচন্দ্র পন্ডা বলেছিলেন, নেতাজির জীবনযাত্রার বৈশিষ্ট্যযুক্তমিউজিয়ামটি বিশেষত পুরী বাসিন্দাদের জন্য ওড়িশার উপহার, কারণ এটি পবিত্র শহরের পর্যটন মানচিত্রে আরও একটি পৃষ্ঠা যুক্ত করেছে। সরকারি সেই উদ্যোগের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রুস্তি বলেন, সেই উদ্যম আর বেশি দূর এগোয়নি।

মিউজিয়াম সূত্রের খবর, উদ্বোধনের সময় সেখানে দিনে ১৫ জনের কাছাকাছি দর্শনার্থীকে দেখা যেত।পরে বেশ কিছুটা বাড়ে। দিনে ৩০-৩৫ জন দর্শনার্থীর আনাগোনা লেগেছিল। যদিও এখন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। এখন কোনো কোনো দিন একজন মাত্র দর্শনার্থীর জন্যেও হাপিত্যেশ করে বসে থাকতে হয়। তবুও দেখা মেলে না।

মিউজিয়ামে চারজন আউটসোর্স স্টাফ রয়েছেন। এক কর্মী বলেন, “গত ডিসেম্বরে একদিনে ৫৫ জন দর্শনার্থী এখানে এসেছিলেন। এটা ছিল এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ ভিড়। অনেক দিন ধরেই কেউ মিউজিয়ামে আসেন না”।

আরও পড়ুন: সিএএ-বিরোধী লড়াইয়ে নেতাজিকে কী প্রয়োজন কংগ্রেসের?

তিনি জানান, মিউজিয়ামে প্রবেশ মূল্য ১০ টাকা। মোট আটটি ঘর এবং একটি হলঘরকে ব্যবহার করা হয়েছে। একটিতে নেতাজির ব্যবহৃত জিনিসপত্র রয়েছে। নীচের তলায় নেতাজির শুরুর জীবন, তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মি (আইএনএ) গঠনের উপর পৃথক গ্যালারি রয়েছে। শিশুদের জন্য একটি বিনোদন হল-ও আরেকটি বড়ো আকর্ষণ।

------------------------------------------------
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.