প্রথম পাতা প্রচ্ছদ

খুলনা সেক্টরে ১৫-১৬ ডিসেম্বরের যুদ্ধ, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার এইচ এস লাম্বা অভিজ্ঞতায়

0
Battle of Siramani

ওয়েবডেস্ক: ১৯৭১ সালের ভারত-পাক যুদ্ধ। ‘দ্য ট্রিবিউন’-এ ১৫-১৬ ডিসেম্বরের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার কথা লিখেছেন অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার এইচ এস লাম্বা। তিনি লিখেছেন, বাংলাদেশের খুলনা সেক্টরে ভারত-পাকিস্তানের লড়াই চলছিল। পাকিস্তানের ৯ ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের সঙ্গে ভারতের ৯ ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের লড়াই। মেজর জেনারেল দলবীর সিং-এর নেতৃত্বে লড়াই করেছিল ভারতীয় সশস্ত্রবাহিনী। অবশেষে পাকিস্তান সৈন্য কৌশলী চালে যশোর থেকে সরে এসেছে এবং খুলনা সেক্টরে শিরোমণিকে রক্ষা করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ভারতীয় সেনারা তিন বার তিনটি ব্যাটেলিয়ন পাঠিয়ে শিরোমণি দখলের চেষ্টা করেছে। কিন্তু পরিণামে এসেছে মৃত্যু আর ক্ষয়ক্ষতি।

ব্রিগেডিয়ার এইচ এস লাম্বার ভাষায় সে দিনের কাহিনি – “জেনারেল অফিসার কমান্ডিং শেষ পর্যন্ত ১৩ ডোগরা বাহিনীকে দিনের আলোয় আক্রমণ চালানোর নির্দেশ দিলেন। পুরো আর্টিলারি ডিভিশন (গোলন্দাজ বাহিনী) তাদের মদত দেবে। ১৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ১৩ ডোগরার কমান্ডিং অফিসার (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল নায়ার ‘ও’ গ্রুপকে একটা ভাঙাচোরা কুঁড়েঘরে ডাকলেন। ভৈরব নদী আর লক্ষ্যবস্তুর মাঝে সড়ক তথা রেললাইন বরাবর যে জায়গা, সেখানে শেষ ৪০০ গজ জায়গা ছাড়া বাকি সবটাই ঘন জঙ্গল। লক্ষ্যবস্তু দেখা যাচ্ছিল না। এমন পরিস্থিতিতে সিও নির্দেশ জারি করার ব্যাপারে নিজের অক্ষমতা প্রকাশ করলেন। আমি তখন সিনিয়ার কোম্পানি কমান্ডার। আমি সিওকে আশ্বস্ত করে বললাম, কোনো নির্দেশের দরকার নেই। কারণ শত্রুরা অস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়বে এবং তখনই লক্ষ্যবস্তু স্পষ্ট হয়ে যাবে। আমি তাঁকে এ-ও পরামর্শ দিলাম যে আমাদের এই অভিযানের সাফল্যের কোড হওয়া উচিত ‘ফাকিয়ন’।

ব্রিগেডিয়ার লাম্বার ভাষায়, “১৬ তারিখ সকাল সাড়ে ৯টা। সেনার যে বাহিনী আঘাত হানবে তারা এফইউপি (ফরমিং আপ প্লেস) ছেড়ে এগিয়ে গেল। বাঁ দিকে আলফা কোম্পানি (আমার কোম্পানি) এবং ডান দিকে চার্লি কোম্পানি। ব্রাভো আর ডেল্টা থাকল রিজার্ভ হিসাবে। জঙ্গুলে জায়গাটা ছেড়ে বেরিয়ে এসে বাহিনী ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ল। আর্টিলারি ডিভিশনের মদত সুনিশ্চিত থাকলেও তাঁদের একটা গোলাও সে দিন নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছোয়নি। দিনের আলোয় শত্রুপক্ষ কমান্ডারদের লক্ষ করে যথেচ্ছ আক্রমণ চালায়। ফলে হতাহত হয়। আমাদের প্রায় প্রতিটি পদক্ষেপই ব্যর্থ হচ্ছিল। সব সময় কেউ না কেউ পড়ে যাচ্ছে, হয় আহত হচ্ছে, আর না হয় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে। আর আমরা দেখছি।”

সে দিনের ঘটনা লিখেছেন ব্রিগেডিয়ার লাম্বা – “আমার গলার নীচের অংশে গুলি লাগল। আমিই প্রথম আহত হলাম, তবে সৌভাগ্যবশত অক্ষম হয়ে পড়িনি। চোখের সামনে নিহত হলেন ক্যাপ্টেন কুলকার্নি। আর্টিলারির কাছ থেকে কেন ঠিকমতো সাহায্য পাচ্ছি না, সেটাই যখন ফরোয়ার্ড অবজারভেশন অফিসার ক্যাপ্টেন কুলকার্নিকে চিৎকার করে বলছি, ঠিক তখন শত্রুশিবিরের মেশিনগান থেকে গুলি এসে লাগে ক্যাপ্টেনের থাইয়ে। তিনি পড়ে গেলেন এবং সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যু। রেডিওর মাধ্যমে সিও-র সঙ্গে যোগাযোগ করি। তিনি জানান, পরিকল্পনামাফিক শত্রুদের ওপর গোলাবর্ষণ করা হচ্ছে, কিন্তু তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে যেখানে ৪ শিখ বাহিনীর জওয়ানরা আছে, সেখানে পড়ছে, ফলে তারা এগোতে পারছে না। আমি তাঁদের পরামর্শ দিলাম দিক পরিবর্তনের। বললাম, সড়ক আর রেললাইনের পুব দিকে গোলা ফেলতে যাতে অগ্রবর্তী সেনারা ঠিকমতো কভার পায়। ঠিক সেই সময় ক্যাপ্টেন টিক্কাম নামে এক জন প্লেটুন কমান্ডার আহত হলেন। কিন্তু সমস্ত বাধা উপেক্ষা করে সাহসী ডোগরারা এগিয়ে চলল।”

“এত হতাহত দেখে একটা সময় মনে হচ্ছিল সে দিনের মতো আক্রমণ পরিত্যক্ত ঘোষণা করতে হবে। যখন এই ভাবনা চলছে মনের মধ্যে ঠিক সেই সময়  নায়েব সুবেদার রোশন আর মূলরাজ আমাদের উৎসাহিত করে তুললেন। আমি আরও বাহিনী চাইলাম। সেই সময় মেজর ভোলা, যিনি ব্রাভো কোম্পানির কম্যান্ডার ছিলেন, জঙ্গুলে জায়গা থেকে বেরিয়ে এলেন আর গুলি লেগে সঙ্গে সঙ্গে মারা গেলেন।”

শেষ পর্যন্ত জয় এল কী ভাবে? ব্রিগেডিয়ার লাম্বার ভাষায়, “ব্রাভো কোম্পানিকে আমার কাছে পাওয়া সমস্যার হয়নি। সেটা সম্ভব হয়েছিল কোম্পানির সিনিয়ার জেসিও সাব বুধি সিং-এর জন্য। তাঁকে বাধাই দিতেই হয়। তিনি অসম সাহসিকতা আর বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়ে তাঁর সেনানিদের আমার কোম্পানির কাছে নিয়ে এলেন। ইতিমধ্যে আমার ডান দিকে যে চার্লি কোম্পানি ছিল তারা শত্রুশিবিরের চাপে আরও ডান দিকে সরে গিয়েছে। কিন্তু ব্রাভো কোম্পানির সৈনিকরা আমাদের সঙ্গে যোগ দেওয়ার পর আমরা চূড়ান্ত আঘাত হানলাম এবং শত্রুদের লোকালিটি গুঁড়িয়ে দিতে লাগলাম। পাশাপাশি চার্লি আর ডেল্টা কোম্পানির সেনারা উত্তর দিক থেকে শত্রুদের লোকালিটির ওপর হামলা চালাল। ক্যাপ্টেন তারা সিং যে অসামান্য সাহস আর বীরত্বের পরিচয় দিয়েছিলেন তার প্রশংসা করতেই হয়। শেষ পর্যন্ত ব্যাটেলিয়ন সদর দফতরে সাফল্যের সিগন্যাল ‘ফাকিয়ান’ রেডিওর মাধ্যমে আমি পৌঁছে দিলাম। সাফল্যের আলো জ্বলে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে জেনারেল অফিসার কমান্ডিং মেজর জেনারেল দলবীর সিং আমাদের কাছে এসে পৌঁছোন। আমাকে তাঁর জিপে করে নিয়ে গেলেন। সেখান থেকে যশোর হয়ে এলাম ব্যারাকপুরের সেনা হাসপাতালে। সে দিনের যুদ্ধে ১৩ ডোগরা বাহিনী পাকিস্তানি বাহিনীর চার অফিসার, এক জন  জেসিও ও ১৮ জন আরও-কে বন্দি করে। আর প্রচুর অস্ত্র ও গোলাবারুদ আটক করা হয়। ওই ব্যাটেলিয়নকে সম্মানসূচক শিরোমণি দেওয়া হয়েছিল।”

 

জয়নগরে শ্যুটআউটে মৃত সারফুদ্দিন খান কে?

0

নিজস্ব সংবাদদাতা, জয়নগর: বৃহস্পতিবার জয়নগরের পেট্রোল পাম্পে দুষ্কৃতীদের ছোড়া এলোপাথাড়ি গুলি ও বোমায় নিহত হয়েছেন তিন জন। এঁদের মধ্যে এক জন সারফুদ্দিন খান (৩২), যিনি স্থানীয় জয়নগর-মজিলপুর টাউন জয়হিন্দ বাহিনীর সভাপতির পদে ছিলেন। আর একজন সেলিম খান (২৪) ওরফে বাবু (যাঁকে গাড়ির চালক হিসাবে বলা হচ্ছে), অন্য জনের নাম আমিন গাজি (৩২) ওরফে তোতন বলে দাবি করা হয়েছে পুলিশের তরফে। স্থানীয় বিধায়ক বিশ্বনাথ দাস দাবি করেছেন, ওই গাড়িটি সারা দিনই তিনি নিজের কাজে ব্যবহার করেছিলেন। ফলে তিনিই ছিলেন দুষ্কৃতীদের টার্গেট। তবে স্থানীয় মানুষ বলছেন অন্য কথা!

জয়নগর-মজিলপুর পুরসভার ৬নম্বর ওয়ার্ডের হাসানপুরের বাসিন্দা সারফুদ্দিন। তাঁর পরিবারের গেঞ্জি প্রিন্টিংয়ের ব্যবসা রয়েছে। তবে দীর্ঘ দিনের পুরনো এসইউসি কর্মী হিসাবেই তাঁকে চিনতেন বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা জানাচ্ছেন, গত ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনের পর তিনি শিবির বদল করে তৃণমূলে যোগ দেন। তবে সে সময় তিনি যে তৃণমূল নেতার হাত ধরে শিবির বদল করেছিলেন, বর্তমানে তিনি আর সেই শিবিরে ছিলেন না বলেও দাবি করেছে তৃণমূলেরই একাংশ। তিনি গত ২ জুন জয়নগর-মজিলপুর টাউন জয়হিন্দ বাহিনীর সভাপতি হিসাবে মনোনীত হন।

ঘটনার পরই তৃণমূল বিধায়ক বিশ্বনাথ দাস সংবাদ মাধ্যমের কাছে দাবি করেন, তাঁর উপর হামলা টালাতেই এসেছিল দুষ্কৃতীরা। এর পিছনে বিরোধীরা রয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর। কিন্তু স্থানীয় সূত্রে খবর, ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে শাসক দলের গোষ্ঠীকোন্দল। তবে দলের জেলা সভাপতি শুভাশিস চক্রবর্তী এ ধরনের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর দাবি, এর পিছনে বিরোধীদের হাত রয়েছে।

অন্য দিকে স্থানীয় সূত্রে খবর, কয়েক বছর আগে একটি খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত হয়ে জেল খেটেছিলেন সারফুদ্দিন।

ছবি: ফেসবুক থেকে

৪৭ বছর পর ডুকলি গ্রামে ‘এক্কা’দের স্মৃতি সৌধ গড়ে তোলা হল

0
Vijay Diwas

আগরতলা: শ্রীপল্লি গ্রামের ডুকরা এলাকার কেউ জানেই না সেই ঐতিহাসিক দিন আর মৃত্যুর কথা। ল্যান্সনায়েক অ্যালবার্ট এক্কা হলেন ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের শ্রেষ্ঠ নায়ক। এই যুদ্ধে তাঁর বীরত্বের জন্য তাঁকে মরণোত্তর পরমবীরচক্র দেওয়া হয়েছিল। ৪৭ বছর আগের ঘটনা। ৩ আর ৪ ডিসেম্বর। সে দিন তিনি মাত্র ১৪ জন সহযোগীকে নিয়ে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। রক্ষা করেছিলেন আগরতলাকে। বর্তমানে এলাকার সকলেই ভাসা ভাসা কিছু জানেন ওই ঘটনা আর এক্কার ব্যাপারে। কিন্তু মৃত্যুদিন কবে তা ছিল অজানা। তাই অবশেষে ৪৭ বছর পর শ্রীপল্লির ডুকলি গ্রামে সেই জায়গায় স্মৃতিসৌধ গড়ে তোলা হল। ৭৫ বছরের ভুবন দাস কিছু স্থানীয় মানুষ আর এলাকার সৈনিকদের সাহায্যে একটি স্মৃতিসৌধ গড়ে তোলেন। প্রসঙ্গত মৃত্যুদিবসের সকালে লিচুবাগান এলাকার অ্যালবার্ট এক্কা পার্কে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। তাতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির বিধায়ক দীলিপ দাস।

এক্কা জন্মেছিলেন ১৯৪২ সালের ২৭ ডিসেম্বর। খ্রিস্টান পরিবারের মানুষ তিনি। বাড়ি বর্তমান ঝাড়খণ্ডের জারি গ্রামে। ২০ বছর বয়সে বিহার রেজিমেন্টে যোগ দেন। ২০১৬ সালে এক্কার পরিবার ডুকলি গ্রামের সেই জায়গায় এসেছিল। সেখানকার মাটি সংগ্রহ করে। তখনই বিষয়টি জানতে পারেন সবাই।

Lance Naik Albert Ekka

৩ ডিসেম্বর পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর সঙ্গে সেই রুদ্ধশ্বাস যুদ্ধ হয়। পাক সৈন্যরা অতর্কিতে আগরতলা আক্রমণ করে। আগরতলা থেকে সাড়ে ছয় কিলোমিটার দূরে গঙ্গাসাগর রেলস্টেশনের কাছে এই যুদ্ধ হয়। যুদ্ধ হয় ভারতীয় সেনার ১৪ গার্ড রেজিমেন্টের সৈনিকদের সঙ্গে পাক সেনার। তৎকালীন ভারত-পূর্ব পাকিস্তান সীমান্তের কাছে এটি ছিল সব থেকে নিকটবর্তী রাজধানী। বাঙলা দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যতম পরিকল্পনাগারও বলা যায় একে। কারণ সেই সময়ে দু’ বার ঘুরে গিয়েছেন বাংলাদেশের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমন। ফলে এই জায়গাটিকে দখল করতে পারলে পাকিস্তানের পক্ষে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে চলে যাওয়া সহজ হত। পাকিস্তানের সেই আগ্রাসন আর অধীনতা থেকে দেশকে বলা ভালো আগরতলাকে রক্ষা করেছে এক্কা আর তাঁর ১৪ জন সঙ্গীর প্রাণপণ করা এই লড়াই।

 

দুঃখের বিষয় হল এত ঘটনা অজানা এলাকার বেশির ভাগ বাসিন্দাদের কাছেই। ডুকলি গ্রামের বাসিন্দা দীপঙ্কর সরকার বলেন, এখানে সে দিন এক্কা আর তাঁর দলবল মিলে কী কাণ্ড করেছিলেন। দিনটা মনে করতে না পারলেও কিছুটা তো মনে আছেই। বাসিন্দা শান্তি দাস ঘটনাটি জানলেও দিনক্ষণ শহিদের নাম ইত্যাদি কিছুই জানেন না। এমনকি কার স্মৃতিসৌধ তা-ও জানেন না।

কিন্তু বলতে পারলেন সমীর দেব। দিনক্ষণ, ঘটনা, শহিদদের নাম পুঙ্খানুপুঙ্খ বলে গেলেন তিনি। তিনি বলেন স্থানীয়দের, বয়স্কদের এই ব্যাপারে এগিয়ে আসা উচিত।

Vijay Diwas

ভুবন দাস বলেন, যে দিন এক্কা আর বাকি দশ জনের মরদেহ নিয়ে আসা হয়েছিল সে দিন তিনি সামনেই ছিলেন। তখন তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ একটি সংস্থায় কর্মী হিসাবে কাজ করতেন। সে দিন পাক সেনাদের ভয়ে কেউই সামনে আসেননি। তিনি বলেন, এক্কার মতো মহান সৈনিককে উপযুক্ত সম্মান জানানো উচিত। ত্রিপুরার ইতিহাসে তিনি কেন্দ্রীয় চরিত্র।

অন্য এক জন বাসিন্দা গোপাল চন্দ্র দাস। স্মৃতিসৌধের পাশেই তিনি বাড়ি করেছেন। বলেন, তিনি জানতেন না কে কেন কী হয়েছিল এখানে ইত্যাদি। পরে যখন এক্কার পরিবার এসে তাঁর বাড়ির এলাকা থেকে মাটি সংগ্রহ করে নিয়ে গেলেন তখনই জানতে পারেন। গোটা ঘটনাটি জেনে তিনি খুবই গর্বিত।

উল্লেখ্য ৩ তারিখের ওই সংঘর্ষে শহিদ হয়েছিলেন যে ১১ জন জওয়ান, তাঁরা হলেন ল্যান্সনায়েক এক্কা, গুলাব সিংহ, কাশীনাথ শাহু, ডেভিড তিজ্ঞা, মালকিয়াত সিংহ, উধো সিংহ, রামদেও সাহিন, কেশর দেব, ডাল সিংহ, জোশেপ টপনো, শিবনারায়ণ, দুর্গা প্রসাদ।

সাতদিন পর বলে পা ছোঁয়ালেন সনি, কথা বললেন ডার্বি নিয়ে

0

কলকাতা: ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে ডার্বি। লিগ তালিকায় দল অনেকটা পেছনে। অথচ সনি নর্দে অনুশীলন করছেন না বল নিয়ে। বাগান জনতার হৃদপিন্ড হাতে এসে যাওয়ার মতো অবস্থা হয়েছিল। পরিস্থিতি বদলে গেল বৃহস্পতিবার।

এদিন সাতদিন পর বল পায়ে অনুশীলন করলেন হাইতিয়ান মিডিও। অনুশীলন শেষে গাড়িতে ওঠার সময় বললেন এতদিন বাঁ পায়ের থাইয়ের পেশিতে লাগছিল, এখন আর সেই ব্যথা টা নেই। ডার্বিতে তাঁকে পাওয়া যাবে, জানিয়ে দিলেন তাও।

মোহনবাগানের ফুটবল সচিব বাবুন ব্যানার্জি জানান, এর আগে এমআরআই করে সনির বাঁ পায়ের ওপরের দিকের পেশিতে সমস্যা পাওয়া গিয়েছিল কিন্তু বুধবারের এমআরআই-তে কিছু মেলেনি। বাবুন বলেন, এই চোট নিয়ে সনি ইতিমধ্যে আর্জেন্তিনায় নিজের চিকিৎসকের সঙ্গেও কথা বলেছেন।

জয়নগরে শ্যুটআউট, তৃণমূল বিধায়কের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি-বোমা, মৃত ৩

0
Police

জয়নগর: তৃণমূলের বিধায়ক বিশ্বনাথ দাসের গাড়ি (ভাড়ার) লক্ষ্য করে বেধড়ক গুলি-বোমা ছুড়ল এক দল দুষ্কৃতী। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জয়নগরের এই ঘটনায় চাঞ্চল্য পুরো এলাকা জুড়ে।

বিধায়ক জানান, জয়নগর কৃষিমেলা-সহ একাধিক সভায় অংশ নেওয়ার পর গাড়িটি নিয়ে ফেরেন, সেখান থেকেই জয়নগর পেট্রোল পাম্পের উদ্দেশে চলে যায়। সেখানে তিনি চা খেতে নামেন। তার পর সেখান থেকেই চলে যান বহড়ু পার্টি অফিসে। মন্দিরবাজারের দিক থেকে দৌড়ে এসে পেট্রোল পাম্পে ওই গাড়িটিকে লক্ষ্য করে বোমা-গুলি ছোড়ে।

গুলি-বোমার আঘাত মৃত্যু হয় গাড়ির চালক, একজন স্থানীয় মানুষ এবং তৃণমূলের এক ব্লক নেতা।

বিশ্বনাথবাবু বলেন, এ মুহূর্তে তাঁর পক্ষে এই হামলার ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয়। তবে এই ঘটনার পিছনে দুষ্কৃতীদের হাত রয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন পুলিশ সুপার।

বিশ্বনাথবাবু বলেন, তিনিই ছিলেন টার্গেট। কিন্তু চা খাওয়ার জন্য তিনি যে গাড়ি থেকে নেমে গিয়েছিলেন, তা দুষ্কৃতীরা আন্দাজ করতে পারেনি। দুষ্কৃতীরা প্রায় জনা ১২ ছিল। তারা মোটর বাইকে করে আসে। তবে পেট্রোল পাম্প থেকে কিছুটা দূরে বাইক রেখে দৌড়ে এসে হামলা চালায়।

বিস্তারিত আসছে…

মধ্যপ্রদেশে কমল নাথ, বাকি দু’টি রাজ্যে কারা মুখ্যমন্ত্রী?

0
jubilation at WBPCC office
কলকাতায় প্রদেশ কংগ্রেস অফিসে উল্লাস। ছবি রাজীব বসু।

নয়াদিল্লি: নবীন মুখের দাবি থাকলেও, শেষ পর্যন্ত প্রবীণদের ওপরেই ভরসা করছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী।মধ্যপ্রদেশে মুখ্যমন্ত্রিত্বের দায়িত্ব তুলে দিলেন কমল নাথের ওপর। রাজস্থান এখনও অনিশ্চিত, যদিও পাল্লা ভারী অশোক গহলৌতের। ছত্তীসগঢ়ের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন টি এস সিংহদেও।

সারা দিন ধরে নাটক চলার পর কংগ্রেসের তরফ থেকে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে জানিয়ে দেওয়া হয়, কমল নাথই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন। নব নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী দিল্লিতে ইন্ডিয়া টুডে-কে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “আমি প্রমাণ করেছি, মোদী-শাহ অভেদ্য নন।” তিনি বলেন, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, দিগ্বিজয় সিংহ-সহ সব নেতাকে মন্ত্রিসভায় নেওয়া হবে। এক প্রশ্নের উত্তরে ভাবী মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কংগ্রেস কৃষকদের ঋণ মকুব করার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তা সরকারের গড়ার ১০ দিনের মধ্যে পূরণ করা হবে।

কমল নাথ, মধ্যপ্রদেশ।

গো-বলয়ে বিজেপিকে হারিয়ে ক্ষমতা দখলের পরে কংগ্রেসের কাছে এখন প্রধান সমস্যা হয় মুখ্যমন্ত্রীদের বাছাই করা।মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থানে ছিল নবীন-প্রবীণ লড়াই। যদিও মধ্যপ্রদেশে প্রথম থেকেই পাল্লা ভারী ছিল কমল নাথের। সব থেকে বেশি সমস্যা রাজস্থানে। সেখানে সচিন পায়লট এবং অশোক গহলৌতের সমর্থকদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়েছে বলেও খবর। সমস্যা রয়েছে ছত্তীসগঢ়েও। সেখানে লড়াই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ভুপেশ বাঘেল এবং অত্যন্ত প্রভাবশালী ঠাকুর নেতা টি এস সিংহদেওর মধ্যে।

অশোক গহলৌত, রাজস্থান।

মুখ্যমন্ত্রীর ব্যাপারে এই জট কাটানোর জন্য বৃহস্পতিবার কংগ্রেসের পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন রাহুল। সেই বৈঠকে যাওয়ার আগে তিনি বলেন, “আমাদের বিধায়ক এবং কর্মীদের মত নিয়েই মুখ্যমন্ত্রীর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তাড়াতাড়িই মুখ্যমন্ত্রীদের নাম জানতে পারবেন।”

টিএস সিংহ দেও, ছত্তীসগঢ়।
শেষ পর্যন্ত মধ্যপ্রদেশের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হল। কিন্তু বাকি দু’টি রাজ্য? শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

প্রভিডেন্ট ফান্ড থেকে টাকা তোলার নতুন নিয়ম জারি করল কেন্দ্র

0
Employees' Provident Fund EPF

ওয়েবডেস্ক: শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রক গত ৬ ডিসেম্বর দিনাঙ্কিত একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এমপ্লয়ি প্রভিডেন্ট ফান্ড (ইপিএফ) প্রকল্পে একটি সংশোধন নিয়ে এসেছে। যেখানে বলা হয়েছে, ইপিএফের কোনো সদস্য যদি এক মাসের বেশি সময় বেকার থাকেন, তা হলে তিনি ইপিএফে স়ঞ্চিত অর্থ তুলে নিতে পারবেন। তবে সে ক্ষেত্রেও মেনে চলতে হবে নির্দিষ্ট সীমা। নতুন এই নিয়মটি কার্যকর হয়েছে গত ৬ ডিসেম্বর থেকেই।

তব গত জুন মাসেই ইপিএফের নিয়ন্ত্রক সেন্ট্রাল বোর্ড অব ট্রাস্টি (সিবিটি)-র বৈঠকে এই নতুন নিয়মটি গৃহীত হয়েছিল। কিন্তু সরকারি ঘোষণার জন্য অপেক্ষা চলছিল। ফলে সরকারি ভাবে নতুন নিয়ম বিজ্ঞপ্তি আকারে জানিয়ে দেওয়ায় তা আইনে রূপান্তরিত হল বলেই ধরে নেওয়া যেতে পারে।

কী আছে ওই নতুন নিয়মে?

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী জানা গিয়েছে, ইপিএফের কোনো সদস্য তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে জমা টাকার ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত  অর্থ তুলে নিতে পারেন, তবে তাঁর বেকারত্বের সময়সীমা যেন এক মাসের কম না হয়।

এটাকে বলা হচ্ছে অফেরতযোগ্য অগ্রিম। অর্থাৎ সদস্য টাকা তাঁর অ্যাকাউন্টটি বন্ধ না করেই ওই টাকা তুলতে পারবেন সর্বোচ্চ ৭৫ শতাংশ (জমা টাকার) পর্যন্ত। তবে তুলে নেওয়া এই টাকা যেমন ফেরত দেওয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই, তেমনই এক বারে সমস্ত টাকা তোলারও কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

আরও পড়ুন: এটিএম কার্ডে জালিয়াতির শিকার হলে অভিযোগ জানাবেন কী ভাবে?

নতুন এই নিয়মে ইপিএফ সদস্য যথেষ্ট খুশি। জমা টাকার এক তৃতীয়াংশ টাকা তুলে নেওয়ার সুয়োগ থাকায় অবসর নেওয়ার আগেই যে কেউ বহুবিধ প্রয়োজনে ওই টাকা ব্যবহারের সুযোগ নিতে পারেন।

আসছে ১০০ টাকার নতুন কয়েন, থাকছে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রীর ছবি

0
Rupees coin

ওয়েবডেস্ক: খুব শীঘ্রই বাজারে আসছে নতুন ১০০ টাকার কয়েন। বৃহস্পতিবার সরকারি ভাবে জানানো হয়, নতুন ওই কয়েনের বিপরীত দিকে থাকবে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর ছবি।

জানা গিয়েছে, ওই নতুন কয়েনে বাজপেয়ীর ছবির সঙ্গেই দেবনাগরীতে লেখা থাকবে তাঁর জন্ম এবং মৃত্যুর সাল (১৯২৪, ২০১৮)। ছবির ঠিক নীচেই থাকবে ওই জন্ম-মৃত্যুর সাল।

atal bihari vajpayee

কয়েনের উপরের দিকে থাকবে অশোকস্তম্ভ এবং দেবনাগরীতে লেখা থাকবে সত্যমেব জয়তে। স্তম্ভের বাঁ দিকে দেবনাগরীতেই লেখা থাকবে ভারত, এবং ডান দিকে ইংরাজিতে লেখা থাকবে ইন্ডিয়া।

উল্লেখ্য, গত ১৬ আগস্ট ৯৩ বছর বয়সে মারা যান প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী। ১৯৯৬ সালে তিনি ১৩ দিন, ১৯৯৮ সালে ১৩ মাস এবং ১৯৯৯ সালে পূর্ণ মেয়াদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে আসীন ছিলেন।

আরও পড়ুন: এটিএম কার্ডে জালিয়াতির শিকার হলে অভিযোগ জানাবেন কী ভাবে?

বাজপেয়ীর মৃত্যুর পর একাধিক জায়গার নাম তাঁর নামেই পরিবর্তন করা হয়েছে। এমনকী হিমালয়ের চারটি চূড়ার নামও রাখা্ হয়েছে তাঁর নামেই। বিভিন্ন বিজেপি শাসিত রাজ্য সরকারও একাধিক স্থান ও প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করেছে বাজপেয়ীর নাম।

বিজয় দিবসের স্মরণে আনা হয়েছে বিজয় দিবস ট্রফি

0
Vijay-Diwas-trophy

কলকাতা: বিজয় দিবসকে স্মরণ  করে একটি ট্রফি তৈরি করা হয়ছে সেনাবাহিনীর কর্মীদের জন্য। সেই ট্রফিটির প্রতীকী ট্রফি দেওয়া হবে টিএসকে ২৫কে ম্যরাথন প্রতিযোগিতার বিজয়ী দলকে। এই প্রতিযোগিতা হয় ভারতীয় নৌ, বিমান আর সেনাবাহিনীর মধ্যে। বিজয় স্মারক হিসাবে এটি প্রদান করা হবে। তবে আসল ট্রফিটি রাখা থাকবে ফোর্ট উইলিয়ামে কমান্ড হেড কোয়ার্টারে। এই ম্যারাথন প্রতিযোগিতাটি হবে ১৬ ডিসেম্বর। স্থান কলকাতা। প্রতিযোগীদের দৌড়োতে হবে ২৫ কিলোমিটার পথ। স্থল, নৌ এবং বিমান, প্রত্যেক বাহিনী থেকে পাঁচ বা ছয়টি দল থাকবে। প্রত্যেক দলে তিন জন সদস্য থাকবে। এক একটি দলের প্রত্যেক সদস্যের মোট সময়ই নির্ধারণ করবে বিজয়ী কে।

এই ট্রফির উন্মোচন করে লেফটনেন্ট জেনারেল এম এম নরভানি এভিএসএম, এসএম, ভিএসএম, জিওসিএনসি ইস্টার্ন কমান্ড বলেন, ভারতীয় খেলাধুলোর জগতে ভারতীয় সেনাবাহিনী স্তম্ভ স্বরূপ। ইস্টার্ন কমান্ড এই ট্রফি উন্মোচন করতে পেরে খুবই গর্বিত। ট্রফিটির তৈরির ক্ষেত্রে সহযোগিতা করেছে টাটা স্টিল।

এই ট্রফি ১৯৭১ সালের সেনাবাহিনীর সেই বীরত্ব আর বিজয়কে স্মরণ করিয়ে দেয়। সেই বিজয়ের হাত ধরেই এসেছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা। এ দিনের প্রতিযোগিতা ৭১ সালের দিনটিতে সেনাবাহিনীর আত্মত্যাগকে স্মরণ করেই।

তিনি বলেন, দিনটির গুরুত্ব বুঝে এই ট্রফি তৈরিতে এগিয়ে আসার জন্য তিনি টাটা স্টিলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন।

হিলিতে বিজয় দিবস পালন করল ভারতীয় সেনাবাহিনী

0
Vijay Diwas

বালুরঘাট: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে হিলি এলাকায় ‘যুদ্ধ স্মৃতি দিবস’ পালন করল ভারতীয় সৈনিকরা। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালে পাক সেনাবাহিনীর সঙ্গে ভারতীয় সৈনিকদের সাহসিকতা আর লড়াইয়ের কথা স্মরণ করে এই দিবস পালন করা হয়। বুধবার এই উপলক্ষ্যে শহিদদের স্মরণে সকাল ১০টায় অনুষ্ঠান শুরু হয়।

ভারতীয় সেনার ১০০ রেজিমেন্টের নায়েব সুবেদার রাজ কুমার, কমানডেন্ট টি এস রাঠোর, ভারতীয় সেনার অবসরপ্রাপ্ত স্কোয়াড্রন লিডার আর দক্ষিণ দিনাজপুরের সৈনিক বোর্ডের সেক্রেটারি সত্যব্রত চক্রবর্তী-সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি আর এলাকার পঞ্চায়েতের সদস্যরা এই অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন।

স্কুলের পড়ুয়ারা মৃত সৈনিকদের উদ্দেশে নানা রকমের অনুষ্ঠান করে। তাঁদের অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে দিনটি বর্ণাঢ্য হয়ে ওঠে। শহিদ সৈনিকদের উদ্দেশে অর্পণ করা হয় পুষ্পস্তবকও।

সত্যব্রত চক্রবর্তী বলেন, ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এই এলাকাটির স্মৃতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সে দিনের ঘটনাটির প্রেক্ষিতে ভারতীয় সেনাদের কাছে দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয়ও।

উল্লেখ্য ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ১২ ডিসেম্বর পাকিস্তান হঠাৎ আক্রমণ করে ভারতীয় সেনাদের ওপর। অতর্কিত আক্রমণে প্রাণ হারান প্রায় ৪০০ জন ভারতীয় সৈনিক। কিন্তু তা হলে কী হবে? শেষ হাসিটা হেসেছিলেন ভারতীয় সৈনিকরাই। ওই বছর ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি সেনা ভারতীয় সেনাদের কাছে পরাজয় স্বীকার করে। বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। পরে সেই জায়গাতেই একটি শহিদ বেদি তৈরি করা হয় শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের জন্য।

সাম্প্রতিক