Car
প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: সবে মাত্র কেনা হয়েছে, অর্থাৎ এখনও পর্যন্ত পার্মানেন্ট রেজিস্ট্রেশন নম্বর মেলেনি, এমন গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়লে কি বিমার টাকা পাওয়া যাবে? কখনও কখনও তো ওই স্থায়ী নিবন্ধন নম্বর পেতে বেশ কিছুটা সময় লাগে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত যদি সেই সময়েই কিছু একটা হয়ে যায়? এমন প্রশ্নটা মাথায় আসা অস্বাভাবিক কিছু নয়।

সমস্ত গাড়িই রেজিস্ট্রেশন আইনের মধ্যে পড়ে। তবে কোনো গাড়ি কেনার সঙ্গে সঙ্গে স্থায়ী নিবন্ধন নম্বর না-মিললেও দেওয়া হয় টেম্পোরারি রেজিস্ট্রেশন নম্বর। ডিলাররা এই নম্বর দিয়ে থাকেন। যেটির মেয়াদ এক মাস। এই অবস্থাকে বলা হয় এ/এফ। কী এই এ/এফ?

মোটর ভেহিক্যালস অ্যাক্ট, ১৯৮৯-এর আইনানুযায়ী, প্রত্যেকটি গাড়ির রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক। সদ্য কেনা গাড়ির নম্বর প্লেটে এ/এফ লেখা থাকে। এর অর্থ- অ্যাপ্লায়েড ফর। অর্থাৎ, পার্মানেন্ট রেজিস্ট্রেশন নম্বরের জন্য আবেদন যে করা হয়েছে, সেটাই উল্লেখ থাকে সদ্য কেনা গাড়ির নম্বর প্লেটে। তবে অস্থায়ী রেজিস্ট্রেশন নম্বর না থাকলে কোনো গাড়িই রাস্তায় বের করা নিষেধ।

বিমা বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, যদি সদ্য কেনা কোনো গাড়ি এ/এফ থাকে অথবা একটি অস্থায়ী নিবন্ধন নম্বর থাকে, তা হলে ওই গাড়ি কোনো দুর্ঘটনার কবলে পড়ল বিমার টাকা দাবি করা যায়। তবে দুর্ঘটনা বিমার টাকা দাবি করার আগে অবশ্যই যদি বিমা করানো থাকে। সেটা কী ভাবে?

তাঁদের যুক্তি, কোনো নতুন গাড়ির প্রথম বিমা করানোর সময় প্রয়োজন হয় ওই গাড়ির ইঞ্জিন এবং চেসিস নম্বর। এই দুই নম্বর দিয়েই সদ্য কেনা গাড়ির প্রথম বিমাটি করিয়ে নেওয়া যায়। এর পর বিমা সংস্থা গাড়ির মালিকের সঙ্গে পরবর্তী আপডেটের জন্য যোগাযোগ করে থাকে। অর্থাৎ, ইঞ্জিন এবং চেসিস নম্বরের সাহায্যে নতুন গাড়ির প্রথম বিমা করানোর কিছু দিন পরই গাড়ির মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন বিমা সংস্থার প্রতিনিধি। পার্মানেন্ট রেজিস্ট্রেশন নম্বর পাওয়া গেলে ওই বিমাও পুনর্নবীকরণ করে দেওয়া হয়।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here