ফাইল ছবি

ওয়েবডেস্ক: গত শুক্রবার কেন্দ্রীয় সাধারণ বাজেট ২০১৯ পেশের দিনেই ইঙ্গিত মিলেছিল। সে দিন শেয়ার বাজারের দুই সূচক সেনসেক্স এবং নিফটি প্রায় ১ শতাংশের কাছাকাছি পতনে শিকার হয়। মাঝে শনিবার এবং রবিবার বন্ধ থাকার পর সোমবার বাজার খোলার পর থেকেই পাহাড়প্রমাণ ধসের মুখোমুখি এ দেশের শেয়ার বাজার।

এ বারের কেন্দ্রীয় বাজেটের মূল লক্ষ্যই আগামী ২০২৪ সালের মধ্যে ভারতের অর্থনীতিতে ৫ ট্রিলিয়নে পৌঁছে দেওয়া। কিন্তু অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই লক্ষ্যমাত্র পূরণ করতে হলে যে সমস্ত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, তার ছিটেফোঁটাও উল্লেখ করা হয়নি প্রস্তাবিত বাজেটে।

এক দিকে ৪০০ কোটি টার্নওভারের উপর বাড়তি করের বোঝা চাপানো, শেয়ার বাজারে বিদেশি বিনিয়োগের উপর বাড়তি কর, সোনা-সহ মূল্যবান ধাতুর আমদানিতে শুল্ক বাড়িয়ে সাড়ে ১২ শতাংশে বৃদ্ধি-সহ ইত্যাদি “নেতিবাচক” পদক্ষেপের ফল ভুগছে শেয়ার বাজার। সঙ্গে রয়েছে ২০১৮-১৯ আর্থিক বছরে রাজকোষের ঘাটতি বৃদ্ধি। যা বেড়ে প্রায় এক লক্ষ কোটি টাকায় ঠেকেছে। স্বাভাবিক ভাবেই সেই ঘাটতি মিটিয়ে কী ভাবে লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাবে জিডিপি, তা নিয়েই সংশয় দেখা দিয়েছে বিশেষজ্ঞদের মনে।

শেয়ার বিনিয়োগকারীদেরও একই আশঙ্কা। কেনার থেকে স্টক বিক্রি করে দেওয়ার হিড়িক সম্ভবত সেই কারণেই। সোমবারের শেয়ার বাজারে প্রায় ২ শতাংশের কাছাকাছি পতন দেখা যায় ৩০ স্টকের শেয়ার সূচক সেনসেক্সে। ৭৯৩ পয়েন্টের উপর পড়ে যাওয়ার পর হতাশা ছাড়া কিছুই নেই। অন্য দিকে আর এক সূচক নিফটি ফিফটির পতনও এ দিন ২ শতাংশের কাছাকাছি।

এ দিন সব থেকে বেশি নিম্নগামী ব্যাঙ্ক, অটো মোবাইল এবং তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রের স্টকগুলি। সব মিলিয়ে শুক্রবার ঠিক যেখানে শেষ করেছিল শেয়ার অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের বাজেট পেশ-পরবর্তী ‘রিঅ্যাকশন’ এ দিনও অব্যাহত!

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here