ফাইল ছবি

ওয়েবডেস্ক: ঋণে জর্জরিত জেট এয়ারওয়েজ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হতে পারে সোমবারেই। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া (আরবিআই)-র নির্দেশ মেনে অলাভজনক সম্পদ নিয়ে এ দিনের বৈঠকেই চরম সিদ্ধান্ত নিতে পারে ঋণদাতা ব্যাঙ্কগুলি।

জেট এয়ারওয়েজকে ঋণপ্রদানকারী তিনটি ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ এ দিন বৈঠকে বসছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, আরবিআইয়ে গত ৭ জুনের নির্দেশিকা মেনেই সংস্থাটির পুনরুজ্জীবন সম্ভব কি না, অথবা সংস্থাটিকে দেউলিয়া ঘোষণা করা হবে কি না, সে বিষয়েই সিদ্ধান্ত গৃহীত হতে পারে। অর্থাৎ, ঋণপ্রদানকারী ব্যাঙ্কগুলি জেট এয়ারওয়েজ নিয়ে স্থায়ী সমাধানে পৌঁছাতে পারে এ দিনই।

এক ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ স্পষ্টতই জানিয়েছেন, সংস্থা নিয়ে গুরুতর সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় কি না, অথবা সংস্থাটিকে দেউলিয়া ঘোষণা কার্যকরী হবে কি না, সে সব বিষয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হতে চলেছে।

অন্য দিকে সূত্রের খবর, আমেরিকার এক্জিম ব্যাঙ্কের ২০০ কোটি টাকা দেওয়ার প্রস্তাবের বিষয়টিও এ দিনের আলোচ্যসূচিতে থাকছে। জেটের ৬টি বিমানের দায়িত্ব নেওয়ার প্রসঙ্গটিও তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য। তবে এমন একটি সম্ভাবনা যে ক্ষীণ, সে কথাও স্বীকার করে নিয়েছে ওই সূত্রটি।

বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন করে অর্থ বিনিয়োগ বা জেটের বিমানগুলিকে বাজেয়াপ্ত করার পথও খোলা নেই বলে জানিয়েছে একটি ঋণদাতা ব্যাঙ্ক। কারণ, বিমানগুলির মালিকানা নিয়ে স্বচ্ছ ধারণা নেই, এমনকী আগত সময়ে হয়তো এ ব্যাপারেও তদন্ত হতে পারে।

প্রসঙ্গত, স্টেট ব্যাঙ্কের নেতৃত্বে ঋণদাতাদের কনসর্টিয়ামের কাছে জেটের বকেয়া প্রায় ৮,০০০ কোটি টাকা। অন্য দিকে পাওনাদাররা পায় ১০,০০০ কোটি টাকা। সংস্থার সিএমডি নরেশ গয়ালের পদত্যাগের পর থেকেই পুনরুজ্জীবনে নেওয়া হয়েছে একাধিক পদক্ষেপ। কিন্তু কার্যকরী হয়নি কোনোটাই। পুঁজির অভাবে গত ১৭ এপ্রিল পরিষেবা বন্ধ করেছে জেট। সংস্থাটির রাশ এখন ঋণদাতাদের হাতেই।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here