জলপাইগুড়ি,নিজস্ব প্রতিনিধি:-এসে গেছে বড়োদিন। সেজে উঠছে কেকের পসরা। তার মাঝেই শোভা পাচ্ছে বিশাল এক হাঁড়ি রসগোল্লা! সান্তাক্লজ বাড়িয়ে ধরেছে সেই রসোগোল্লার হাড়ি।

সান্তার হাতে রসগোল্লার হাড়ি!!

শুনতে কেমন লাগছে? এ স্পঞ্জ রসগোল্লা বা গুড়ের রসগোল্লা নয়।এ হল কেক-রসগোল্লা।এবারের বড়োদিনে জলপাইগুড়ি শহরের একটি (লর্ডস)বেকারির বিশেষ উপহার।

এই বেকারিটি প্রতিবছর তাদের কেকের পসরায় চমক আনে। এর আগে তাজমহল বা নোটবন্দির সময় রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার আদলে কেক বানিয়ে সাড়া ফেলেছিল তারা।

এবার তাদের চমক বাংলার রসগোল্লা। সান্তার হাতে  বিশাল এক হাঁড়ি বাংলার রসগোল্লা।আদতে এটি সুস্বাদু কেক। রসগোল্লার আদলে বানানো। হাড়িটিও কেক।

কিছুদিন আগেই উড়িষ্যাকে টেক্কা দিয়ে রসগোল্লার জিআই স্বীকৃতি ছিনিয়ে নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ।তাকে তুলে ধরতেই এই উদ্যোগ,জানিয়েছেন বেকারির কর্ণধার রঞ্জনা সাহা।

১৫কেজি ময়দা, ১১কেজি চিনি ছাড়াও ৩কেজি কাজু,কিসমিস,মোরব্বা দিয়ে বানানো হয়েছে রসগোল্লা,তার হাড়ি, সঙ্গে রয়েছে সান্তাক্লজ। ওজন সব মিলিয়ে ৪০পাউন্ড। টানা ৪৮ঘন্টা লেগেছে কেক-রসগোল্লাটি বানাতে। জানিয়েছেন, বেকারির কারিগর অমল সরকার।

রবিবার এটিকে  সাধারণ মানুষের সামনে আনা হয়।যাতে সবাই দেখে উপভোগ করতে পারেন।অনেকে কিনতে চাইলেও এদিন সেটি বিক্রি করা হয়নি। বেকারির কর্ণধার রঞ্জনা সাহা জানিয়েছেন, আগে মানুষ দেখে আনন্দ পাক।তারপর ব্রিক্রি করা হবে।সোমবার সন্ধ্যায় এটিকে চড়ানো হবে নিলামে।ন্যূনতম দাম রাখা হয়েছে ১৫০০০। যে যত বেশি দাম হাঁকবে,তার ভাগ্যেই রয়েছে রসগোল্লার হাঁড়ি।তারপর বাড়ি নিয়ে গিয়ে..উঁহু টপাটপ নয়….ছুড়ি দিয়ে কেটে মুখে পুরতে হবে রসগোল্লারূপী কেকের টুকরো।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here