46P/Wirtanen

ওয়েবডেস্ক: প্রায় পাঁচ বছর কেটে গিয়েছে তাই আবার তার ফিরে আসার সময় হয়েছে। চলতি সপ্তাহের শেষেই দেখা যাবে একটি ধূমকেতু। এর নাম ‘খ্রিস্টমাস’ ধূমকেতু। ১৪ থেকে ১৮ ডিসেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরশাহির আকাশে দেখা যাবে এটি। এটি পৃথিবী থেকে মোটামুটি ১ কোটি ১৫ লক্ষ কিলোমিটার দূর দিয়ে ছুটে যাবে। তবুও এটি দূরত্বের দিক থেকে পৃথিবীর দশম নিকটবর্তী ধূমকেতু হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে। শুধু তা-ই নয় এই বছরে দেখা যাওয়া ধূমকেতুগুলির মধ্যে এটি সব চেয়ে বড়ো।

ধূমকেতুটির বৈজ্ঞানিক নাম ‘কমেট ৪৬পি/ওয়িরটানেন’। উল্লেখ্য, ক্যারল ওয়িরটানেন ১৯৪৮ সালের ১৭ জানুয়ারি ‘কমেট ৪৬পি এই ধূমকেতুটি আবিষ্কার করেছিলেন। বিশাল একটি উজ্জ্বল লেজ দেখা যাবে আকাশের অনেকখানি জুড়ে। এর ব্যাস প্রায় ১.২ কিলোমিটার। প্রতি সাড়ে পাঁচ বছরে দেখা যায় এটি। বিশেষজ্ঞরা এটিকে হাইপার অ্যাকটিভ অর্থাৎ অতি সক্রিয় ধূমকেতু হিসাবে চিহ্নিত করেছেন। এতে প্রচুর পরিমাণ বরফ রয়েছে। সূর্যের তাপে সেই বরফ গোলে মেঘের সৃষ্টি করছে তার চার পাশে। এই মেঘই বিশালাকৃতি মাথার আকার নিচ্ছে।

আরও পড়ুন : ভারতের সব থেকে ভারী উপগ্রহ জি স্যাট ১১-এর সফল উৎক্ষেপণ, বাড়তে পারে ডেটা সার্ভিসের গতিও

দুবাইয়ের মহাকাশবিজ্ঞান গবেষণার প্রধান হাসান আলো হারিরি বলেন, ১২ ডিসেম্বর থেকেই এটি সূর্যের কাছাকাছি আসতে শুরু করবে। আর পৃথিবীর সব চেয়ে কাছাকাছি আসবে ১৬ তারিখ।

মহাকাশ বৈজ্ঞানিকরা বলছেন, এটি খালি চোখেই আকাশে দেখা যাবে। তবে শহরের অতিরিক্ত আলোকোজ্জ্বল আকাশে দেখার জন্য দূরবীন বা ডিজিট্যাল ক্যামেরার সাহায্য নিতে হতে পারে, জানিয়েছে ইউনিভার্সিটি অব ম্যারিল্যান্ড কমেট ওয়িরটানেন অবজার্ভিং ক্যাম্পেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আকাশ পরিষ্কার থাকলে এর পর দেখা যাবে ‘জেমিনি উল্কাবৃষ্টি’। এটি খুবই উজ্জ্বল আর বেশি সংখ্যক দেখা যাবে এই বছর। মিনিটে একটিরও বেশি উল্কা পড়তে দেখা যাবে। অর্থাৎ কিনা ঘণ্টায় ১০০টিরও বেশি উল্কাপাত দেখা যাবে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here