কমনওয়েল্‌থ গেমস্‌: যে দশ জনের ওপরে সব থেকে বেশি ভরসা থাকবে ভারতের

0
492
common wealth games

ওয়েবডেস্ক: দু’দিন পর অস্ট্রেলিয়ার গোল্ড কোস্টে শুরু হতে চলেছে কমনওয়েল্‌থ গেমস্‌। ঐতিহাসিক ভাবে এই প্রতিযোগিতায় ভারত যথেষ্ট ভালো প্রদর্শন করে। এ বারও অনেক পদকের আশা নিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছেন ২২৫ জন প্রতিযোগী।

২০০৬-এর কমনওয়েল্‌থ গেমসে্‌ ভারত জিতেছিল ৫০টি মেডেল, ২০১০-এ ঘরে এসেছিল ১০১ এবং ২০১৪-এ ভারতের ভাগ্যে জুটেছিল ৬৪টি মেডেল।

মেডেল আনার ব্যাপারে যে দশ জনের ওপরে ভারত সব থেকে বেশি ভরসা করতে পারে তাদের দেখে নিন –

পিভি সিন্ধু (ব্যাডমিন্টন)

যিনি অলিম্পিকে রুপো জিততে পারেন তিনি যে কমনওয়েল্‌থে সোনা আনবেন সে ব্যাপারে ভারতীয় ভক্তরা কার্যত নিশ্চিত। এ বার সিন্ধুর সব থেকে বড়ো প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারেন মিশেল লি এবং ক্রিস্টি গ্ল্যামর। ২০১৪-এর গ্লাসগো প্রতিযোগিতায় যথাক্রমে সোনা এবং রুপো জিতেছিলেন এই দু’জন। অন্য দিকে সেই প্রতিযোগিতায় সিন্ধু জিতেছিলেন ব্রোঞ্জ। সেই ব্রোঞ্জকে এ বার সোনায় রূপান্তরিত করার জন্য মুখিয়ে থাকবেন সিন্ধু।

সাক্ষী মালিক (কুস্তি)

প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে কুস্তিতে অলিম্পিক মেডেল জিতে তাক লাগিয়ে দেন সাক্ষী মালিক। চার বছর আগে কমনওয়েল্‌থেও ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন তিনি। ২০১৭ তাঁর কাছে ভালো খারাপ মিশিয়ে গিয়েছে। এক দিকে যখন কমনওয়েল্‌থ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে তিনি সোনা জিতেছেন, ঠিক তখনই বিশ্ব কুস্তি চ্যাম্পিয়নশিপে হতাশ করেছেন তিনি।

নীরজ চোপড়া (জ্যাভলিন)

নীরজের ওপরে ভারতবাসী আশা রাখতেই পারেন। গত বছর এশিয়ান অ্যাথলেটিক চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জেতেন নীরজ। এর পরে এশিয়ার গ্র্যান্ড প্রিকে রুপো বাগান তিনি।

মেরি কম (বক্সিং)

শেষ বারের মতো ফিরে এসেছেন তিনি। নিজের প্রিয় খেলাকে আনুষ্ঠানিক বিদায় জানানোর আগে একটা জবরদস্ত কিছু করতে বদ্ধপরিকর তিনি। গত বছর প্রতিযোগিতামূলক বক্সিং-এ ফিরে আসার পরেই এশিয়ার সেরা হন মেরি। এ বার কমনওয়েল্‌থে যদিও তিনি ‘ফেভারিট’ নন, তবুও কে বলতে পারেন সমস্ত হিসেব উলটেও দিতে পারেন তিনি।

সাইনা নেহয়াল (ব্যাডমিন্টন)

ভারতের এক নম্বর মহিলা ব্যাডমিন্টন খেলার শিরোপা হয়তো সিন্ধুর কাছে হারিয়েছেন সাইনা, তবুও এখনও তিনি সেরাদের মধ্যেই রয়েছেন। ২০১৭-এ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে রুপো, গ্র্যান্ড প্রিকে সোনা জিতেছেন তিনি। ফাইনালে সিন্ধুকে হারিয়ে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের সোনাও এখন তাঁর মাথায়। তাই কমনওয়েল্‌থে তারও মেডেল আনার সম্ভাবনা রয়েছে।

জিতু রাই (শুটিং)

কমনওয়েল্‌থে শুটিং ভারতকে মেডেল এনে দিয়েছে সব সময়ে। এখনও পর্যন্ত কমনওয়েল্‌থে ভারতের ৫৬টি সোনা রয়েছে শুটিং বিভাগে। এ বারের প্রতিযোগিতায় ভারতের শুটিং বিভাগের নেতৃত্বে জিতু। ২০১৬-এর রিও অলিম্পিকের হতাশা মুছে দিতে তিনি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

কিদম্বি শ্রীকান্ত (ব্যাডমিন্টন)

রিও অলিম্পিকে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত উঠে যাত্রা শুরু করেছিলেন কিদম্বি। তার পর থেকে উঠেই চলেছেন তিনি। গত বছর চারটে সুপারসিরিজের ফাইনাল জিতেছেন তিনি। গোপীচাঁদের অ্যাকাডেমি থেকে উঠে আসা এই প্রতিযোগীর এ বার মেডেল জেতার সম্ভাবনা অনেকটাই।

সঞ্জিতা চানু (ভারোত্তলক)

গত বারের কমনওয়েল্‌থে সোনা জিতেছিলেন তিনি। ২০১৭-এ কমনওয়েল্‌থ ভারোত্তলন প্রতিযোগিতাতেও সোনা বাগিয়েছেন তিনি। এ বারও তিনি সোনা আনতে পারেন এমনই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মেহুলি ঘোষ (শুটিং)

মাত্র ১৭ বছর বয়সে কমনওয়েল্‌থে অভিষেক করছেন এই বঙ্গকন্যা। ভারতের উঠতি প্রতিভা তিনি। গত বছর মেক্সিকোয় শুটিং বিশ্বকাপে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন তিনি। ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে চমক দিতে পারেন তিনি।

বিকাশ কৃষ্ণন (বক্সিং)

পুরুষদের বক্সিং বিভাগে ভারতের সব থেকে বড়ো আশা ২৬ বছরের বিকাশ। ২০১২-এর লন্ডন অলিম্পিকে অল্পের জন্য মেডেল হাতছাড়া হয় তাঁর। কিন্তু চার বছর আগের এশিয়ান গেমসে্‌ সোনার জিতেছিলেন তিনি।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here