Connect with us

প্রবন্ধ

‘এক বার পাওয়ার জন্য বহু বিখ্যাত মানুষ তখন পাগল’, অকপট মিস শেফালি

পাপিয়া মিত্র: এসে গেল বাৎসরিক উদযাপন, আন্তর্জাতিক নারী দিবস। এখন কয়েক দিন নারীর অধিকার, নারীর ক্ষমতায়ন ইত্যাদি নিয়ে সেমিনার, আলোচনাসভা হবে। কিন্তু আমি এমন এক জন নারীর কথা শোনাব, যিনি তাঁর সময়ের চেয়ে অনেক এগিয়ে ছিলেন।      Loading videos… যশোর রোডে তাঁর এক চিলতে ফ্ল্যাটে বসে ক্যাবারে নৃত্যশিল্পী ও অভিনেত্রী মিস শেফালির কাছেই শুনছিলাম […]

Published

on

papya_mitraপাপিয়া মিত্র:

এসে গেল বাৎসরিক উদযাপন, আন্তর্জাতিক নারী দিবস। এখন কয়েক দিন নারীর অধিকার, নারীর ক্ষমতায়ন ইত্যাদি নিয়ে সেমিনার, আলোচনাসভা হবে। কিন্তু আমি এমন এক জন নারীর কথা শোনাব, যিনি তাঁর সময়ের চেয়ে অনেক এগিয়ে ছিলেন।     

Loading videos...

যশোর রোডে তাঁর এক চিলতে ফ্ল্যাটে বসে ক্যাবারে নৃত্যশিল্পী ও অভিনেত্রী মিস শেফালির কাছেই শুনছিলাম তাঁর জীবনযুদ্ধের কথা। অকপটে বলছিলেন সব কিছু। শুরু করলেন শৈশব থেকেই।

যখন সে আরতি…

আর পাঁচ জনের মতো সে-ও ছিল আদরের কন্যা। নাম, আরতি। কিন্তু আদরের সেই বালিকা, কিশোরী হওয়ার আগে বুঝতে শুরু করেছিল সুখের পথ থেকে মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছে তাদের জীবন। ও-পার বাংলা থেকে ছোট্টো আরতি চলে এসেছিল এই বাংলায়। বাবা-মা আর ঠাকুমা’র হাত ধরে। নানা ঘাটের জল খেয়েছে আরতিরা, এমনকি রেললাইনের ধারেও থেকেছে। প্রথমে উঠেছিল উত্তর কলকাতার আহিরীটোলায়। পরে বাবা রামকৃষ্ণ দাসের বন্ধুর বাড়িতে। কলকাতায় জন্ম হল এক ভাইয়ের। সেই ভাইয়ের ‘দিদি’ আরতি কবে যে তার ‘মা’ হয়ে গিয়েছিল তা সে নিজেই জানতে পারেনি। এক নিরন্তর সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে জীবনকে কোন পর্যায় নিয়ে গিয়েছিল সেই বালিকা থেকে কিশোরী হয়ে ওঠা আরতি, তার সাক্ষী শুধু সে সময়ের কলকাতা।

বছর ছয়েকের বালিকাটি বারবার ছুটে যেত আউট্রাম ঘাটে। ঘাট আর জল দেখতে দেখতে মনে পড়ে যেত পূর্ব বাংলার নারায়ণগঞ্জের কথা। সেখানে সমৃদ্ধি ছিল, আর এখানে দারিদ্র। চোখের সামনে দেখতে পেত সমবয়সিরা নানা খাবার খাচ্ছে, রকমারি ফ্রক পরছে, আরতিরও খুব ইচ্ছে করত ভালো পোশাক পরতে, ভালো খাবার খেতে। কিন্তু বাড়ি ফিরে ছোট্টো আরতি দেখত শুধুই দৈন্যতা। শোভাবাজারে এক ফলের দোকানে কাজ জুটেছে বাবার। অভাবের সংসারে বয়স গড়িয়ে যখন এগারোর ঘরে, তখন ওরা চলে এল নতুন বাসায়, উলটোডাঙায়। কিন্তু দারিদ্র সহ্য হয় না কিশোরী আরতির। সেখানকার এক দিদিকে দেখত প্রতি সন্ধ্যায় সেজেগুজে বেরিয়ে যেতে। সাহস করে আরতি সেই বাণীদিকে এক দিন বলেই ফেলল কাজের কথা। মায়ের (সুভাষিনীদেবী) মত নিয়ে খাওয়াপরার কাজে লেগে গেল চাঁদনিতে। এই চাঁদনিই কেমন করে যেন বদলে দিল আরতির জীবন।

ষাটের দশকে কি শিশুশ্রম-বিরোধী আন্দোলন ছিল? ভাগ্যিস ছিল না! তাই তো পেলাম এমন এক নৃত্যশিল্পীকে। যিনি পেটের জন্য, সংসার চালানোর জন্য বেশ্যাবৃত্তির পথ বেছে না নিয়ে হয়ে উঠলেন শিল্পী। তাঁর কথায়, “আমার রোজগারের টাকায় সংসার চলত। তাই আমি নানা প্রলোভন থেকে দূরে থাকতাম। নিজেকে কী ভাবে আরও ভালো করে তৈরি করব সেই চেষ্টায় থাকতাম।”

পরিচারিকা থেকে নৃত্যশিল্পী…

বাংলার কন্যা, বুদ্ধিমতী হতেই হবে। চাঁদনি চকের যে বাড়িতে পরিচারিকার কাজে লেগেছিল আরতি, সেটি ছিল এক অ্যাংলো ইন্ডিয়ানের বাড়ি। সেখানে প্রতি দিন সন্ধ্যায় নাচাগানা, খানাপিনা চলত। আর সেই সন্ধ্যাগুলোতে আরতির কাজ ছিল অতিথিদের কাছে কাছে স্ন্যাক্স পৌঁছে দেওয়া। ওদের কথা বুঝত না, কিন্তু আদবকায়দা সব দেখত, আর সেগুলো মনে মনে গেঁথে রাখত। বাড়িতে যখন কেউ থাকত না, তখন ওদের হিলজুতো পরে সেই সব নাচ প্র্যাকটিস করত আর সঙ্গে তাদের কাছ থেকে শোনা ইংরিজি আর হিন্দি বুলি রপ্ত করত। সেই বাড়িতেই কাজ করতে করতে শুনে ফেলল ‘রক অ্যান্ড রোল’, ‘রাম্বা সাম্বা’, ‘ট্যুইস্ট’, ‘ওয়ালস’, ‘হুলা’, ‘চা-চা-চা’, ‘ব্লুজ’, ‘জ্যাজ’ ইত্যাদি নাচের নাম। ওই বাড়ির পার্টিতে ভিভিয়ান হ্যান্ডসান আসতেন গান গাওয়ার জন্য। উনি মোকাম্বো রেস্তোরাঁয় গাইতেন। সুযোগ এসে গেল তাঁকে কিছু বলার। ভিভিয়ান এক দিন জিগগেস করলেন, “তুম ডান্স কর সকতে হো?” ভাঙা হিন্দিতে ইচ্ছে প্রকাশ করায় ভিভিয়ান তাকে জামাকাপড় গুছিয়ে ট্রামলাইনের ধারে দাঁড়াতে বললেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য পিছু ছাড়ল না। পালাতে গিয়ে আরতি ধরা পড়ে গেল মালকিনের হাতে।

আরতিকে অবশ্য আটকে রাখা যায়নি। এই শহর জানে এক রাতে তার পালানোর কথা। ভিভিয়ানের সঙ্গে রাতের অন্ধকারে উঠল শান্তি নামে এক নেপালি মহিলার বাড়িতে। সেই এগারো বছরের অঙ্গে উঠল শাড়ি, চলল মেয়ে নাচতে। গ্র্যান্ডে নিয়ে গিয়েও ভিভিয়ান ফিরিয়ে নিয়ে গেলেন অন্য একটা জায়গায়, নাম ফিরপোজ। সেখানে কথা সেরে আরতির থাকার জায়গা হল গ্রেট ইস্টার্ন-এর পাশে বাংলো টাইপের এক বাড়িতে। বিশাল ঘরের আলোর ঝাড়ে, বাজনার সরঞ্জামে কিশোরী-বুকে তোলপাড় শুরু হল। ট্রেনিং চলল। “কয়েক দিনের মধ্যেই শুরু হল আমার পারফরম্যান্স, হাততালিতে ফেটে পড়ল ঘর। কী নাচ করেছিলাম মনে নেই। চাকরি পাকা হল। মাইনে হল সাতশো, আমি তখন হাওয়ায় উড়ছি।” উত্তেজনায় কাঁপছে আরতি। লাইসেন্সের জন্য লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হলে শেখানো মিথ্যে কথায় ছাড়পত্র মিলল। সেখান থেকে ফেরার পথে মায়ের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ হল। মা আর কলকাতার রাত ছাড়া সে দিন রাতে কেউ তার কান্না শোনেনি।

আরতি থেকে মিস শেফালি…

shefali-1সেই সময় মাত্র দশ-বারো জন অ্যাংলো ইন্ডিয়ান ডান্সার নাচছে ফিরপোজ ও গ্র্যান্ডে। বাঙালি মেয়ের কদর ছিল বেশি। কিন্তু হলে কী হবে? ফ্রি স্কুল স্ট্রিট থেকে যে পোশাকটি এল তার একটি হাত ও একটি পা নেই। “সেটি পরে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কেঁদে ফেললাম। এক হাতে চোখ মুছে ভাবলাম, কাঁদছি কেন? আমার ওপর তো সংসারের দায়িত্ব। আমি তো ডান্সার!” তাই আরতি শিখতে লাগল কত্থক, ভারতনাট্যম, কথাকলি, ফোক-সহ ফ্লোর ডান্স। একটা করে নাচ দিত বলে খুব খারাপ লাগত তার। তৃপ্তি হত না তার। বিশ্রামের দিন ছিল সোমবার। তাই সুযোগ বুঝে এক সোমবার বস রামনাথ কপুরের কাছে দুঃখের কথা বলে ফেলল আরতি। বাংলো টাইপের বাড়িটার কোথাও বলল। বলল, ওই বড়ো ঘরটায় তার খুব ভয় করে। সব কথা শুনে রামনাথ ম্যানেজারকে বলে ২০ নম্বর সার্কাস অ্যাভিনিউয়ের ফ্ল্যাটটি দিলেন।

দিন বদলের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের রুচি কতটা বদলেছে তা নিয়ে আজও প্রশ্ন তোলা যায়। সেই সব মানুষ আজকের সমাজে কোথাও কোথাও হয়তো আছে। এই সমাজ এক দিন তাঁকে ‘বিষকন্যা’, ‘অচ্ছুতকন্যা’ ইত্যাদি নাম দিয়েছিল। এই সব ‘উপাধি’ পাওয়ার আগে আরও এক নাম এসেছিল জীবনে। ফিরপোজের ম্যানেজার মিস্টার ডেভিড ও এক কর্তা মিস্টার ভ্যালে নাম রাখলেন তাঁর ‘লিটিল ফ্লাওয়ার’, মিস শেফালি। আহিরীটোলা থেকে উলটোডাঙা, চাঁদনি চক থেকে ট্রামলাইন হয়ে লালবাজার, সেখান থেকে ফিরপোজ, গ্র্যান্ড। সেই আরতি যে নাচ শেখার বাসনায়, জীবনে কিছু করার তাগিদে রাতের অন্ধকারে মালকিনের বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়েছিল, সেই আরতি হোটেলের বার কাঁপিয়ে রাতের অতিথিদের ঘুম কেড়ে নিয়ে হলেন মিস শেফালি। পৌঁছে গেলেন খ্যাতির চূড়ায়। ষাটের দশকের গোড়ার দিক থেকে যে লড়াই তাঁকে চালাতে হয়েছিল তা মোটেই মসৃণ ছিল না তখনকার সমাজে – “সার্কাস অ্যাভিনিউয়ের ফ্ল্যাটে অনেকেই আসতেন নানা উপহার আর সম্পর্কের কথা পাড়তে। এমন কেউ ছিলেন না যে শেফালিকে চায়নি। আমার ফিগার, আমার বয়স, আমার স্কিন, আমার চুল ‑ একবার পাওয়ার জন্য বহু বিখ্যাত মানুষ তখন পাগল। আমার ছিল সাফ কথা – দেখছ দেখো, প্রাণ ভরে দেখো। কিন্তু ছুঁয়ে দেখার সাহস করো না, হাত বাড়িও না আমার দিকে।” (চলবে) 

প্রবন্ধ

First Man In Space: ইউরি গাগারিনের মহাকাশ বিজয়ের ৬০ বছর আজ, জেনে নিন কিছু আকর্ষণীয় তথ্য

আজ থেকে ঠিক ৬০ বছর আগে ১৯৬১-এর ১২ এপ্রিল মহাকাশে হিয়েছিলেন গাগারিন।

Published

on

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ‘মানুষ চূর্ণিল আজ নিজ মর্ত্যসীমা’ – ১৩ এপ্রিল, ১৯৬১। আনন্দবাজার পত্রিকার প্রথম পাতায় আট কলম জুড়ে ব্যানার হেডিং। মানুষ বিস্মিত, হতচকিত – মহাকাশে পৌঁছে গিয়েছে মানুষ?

তখনকার দিনে ঘরে ঘরে সংবাদ পৌঁছে দেওয়ার সব চেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম ছিল সংবাদপত্র। রেডিও ছিল, তবে তা ঘরে ঘরে ছিল না। আর টিভি তো ক’টা দেশে ছিল, তা হাতে গোনা যায়। তাই সংবাদপত্রই মূলত পৌঁছে দিল সেই খবর।

Loading videos...

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন ভাষার প্রত্যেকটি কাগজে সে দিন প্রথম পাতার খবর – মানুষের মহাকাশ জয়। মানব-ইতিহাসে সব চেয়ে স্মরণীয় ঘটনা।

দিনটা ছিল ১২ এপ্রিল, ১৯৬১। সোভিয়েত নভশ্চর ইউরি গাগারিন মহাকাশযান ভস্তক ১-এ চেপে মর্ত্যের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে পৌঁছে গেলেন মহাকাশে। মহাকাশজয়ী প্রথম মানব হিসাবে স্মরণীয় হয়ে থাকলেন গাগারিন।

যুদ্ধবিমানের বিমানের পাইলট গাগারিন মহাকাশে ছিলেন ১ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট। তাঁর মহাকাশযান উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল অধুনা কাজাখস্তানের বৈকনুর কসমোড্রোম থেকে। পশ্চিম রাশিয়ার সিটি অফ এঞ্জেলস-এর কাছে গাগারিনের মহাকাশযান পৃথিবীর কক্ষপথে প্রবেশ করে। মহাকাশযান থেকে প্যারাশ্যুটে লাফিয়ে পড়েন গাগারিন, নিরাপদে পৌঁছে যান ভূপৃষ্ঠে।

৬০ বছর আগে গাগারিনের সেই মহাকাশ-অভিযান মহাকাশবিজ্ঞান নিয়ে মানুষের গবেষণায় নতুন দিগন্ত খুলে দিল। এর পর থেকে মানুষ মহাকাশ নিয়ে কী করল, সে সব আজ আর কোনো অজানা তথ্য নয়।

ভস্তক ১ মিশন নিয়ে কিছু আকর্ষণীয় তথ্য

(১) বৈকানুর কসমোড্রোম থেকে যে মুহূর্তে ভস্তক ১ যাত্রা শুরু করেছিল, সেই মুহূর্তে গাগারিনের মুখ থেকে একটা শব্দ বেরিয়ে এসেছিল – “পোয়েখালি!” (যাওয়া যাক)।

(২) যে ভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছিল, ঠিক সেই ভাবে চালিত হয়নি মিশন। যে উচ্চতায় কক্ষপথে ভস্তক ১-এর প্রবেশ করার কথা ছিল, তার চেয়ে বেশি উচ্চতায় প্রবেশ করেছিল। এর অর্থ মহাকাশযানটির ব্রেক ফেল করতে পারত। তা হলে আরও বেশি ক্ষণ গাগারিনকে মহাকাশে থাকতে হত। তবে তা হয়নি। ব্রেক ভালো ভাবেই কাজ করেছে এবং ফেরার সময় গাগারিন পরিকল্পনামাফিকই পৃথিবীর কক্ষপথে প্রবেশ করেছেন।

(৩) জানা যায়, ভূপৃষ্ঠ ছোঁয়ার সঙ্গে সঙ্গে গাগারিনকে প্রথম দেখেছিলেন এক কৃষক ও তাঁর কন্যা। সেই সময়টা ছিল ঠান্ডা যুদ্ধের। গাগারিনকে তাঁরা মার্কিন গুপ্তচর মনে করেছিলেন। তাঁদের বোঝাতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছিল গাগারিনকে।

(৪) গোটা মিশনটা নিয়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন চরম গোপনীয়তা অবলম্বন করেছিল। গাগারিন পৃথিবীতে নিরাপদে পৌঁছে যাওয়ার পরে ইউরি গাগারিনের এই অবিস্মরণীয় কৃতিত্বের খবর প্রকাশ করা হয়। সারা বিশ্ব যেন একটা ধাক্কা খায়, বিশ্বাস করে উঠতে পারে না ঘটনাটা – মনে মনে ভাবে, এমনও হয়!

(৫) গাগারিনের মহাকাশ-বিজয় উপলক্ষ্যে উৎসব-সমারোহের আয়োজন করা হয় সেন্ট পিটার্সবার্গে। হাজার হাজার লোক তাতে যোগ দেন। অসংখ্য মডেল রকেট আকাশে ছোড়া হয়। সেই সঙ্গে চলে আতসবাজির নানা খেলা।

Continue Reading

প্রবন্ধ

Bengal Polls 2021: কোচবিহার জেলার ন’টি বিধানসভা কেন্দ্রে লড়াইয়ে কে কোথায়

২০২১-এ প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে গোটা রাজ্যে মাথাচাড়া দিয়েছে বিজেপি। তার নিরিখে বুঝতে হবে কোচবিহারের ফলাফল।

Published

on

তপন মল্লিক চৌধুরী

উত্তর বাংলার কোচবিহার জেলায় ন’টি বিধানসভা কেন্দ্র। ২০১৬-তে ন’টির মধ্যে ৮টি জিতেছিল তৃণমূল, একটিতে বামেরা। ২০১৯-এর লোকসভায় পাশা উলটে যায়। তৃণমূলকে টেক্কা দিয়ে বিজেপি লিড নিয়েছিল মাথাভাঙা, কোচবিহার উত্তর ও দক্ষিণ, দিনহাটা ও নাটাবাড়িতে। ২০২১-এ প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে গোটা রাজ্যে মাথাচাড়া দিয়েছে বিজেপি। তার নিরিখে বুঝতে হবে কোচবিহারের ফলাফল।

Loading videos...

এ বার কোচবিহারে দিনহাটা ও নাটাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্র দু’টি আলোচনায় সব থেকে এগিয়ে। এখানে আগে যাঁরা ছিলেন তৃণমূলে, একুশে তাঁরাই বিজেপির হয়ে ভোটে লড়ছেন। তাঁদের মধ্যে একজন নিশীথ প্রামাণিক, অন্য জন মিহির গোস্বামী। নিশীথ দিনহাটায় তৃণমূলের উদয়ন গুহের বিরুদ্ধে ভোটে লড়ছেন আর মিহির নাটাবাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঘোষের বিরুদ্ধে। তার মানে এখানে জেলা তৃণমূলের দুই প্রাক্তন সভাপতির হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। ২০১৬-র বিধানসভা ভোটে রবিবাবু ১৬ হাজারের বেশি ভোটে জয় পেলেও গত লোকসভায় সাড়ে ১৮ হাজারের বেশি ভোটে পিছিয়ে পড়ে তৃণমূল। তার পর থেকে বিজেপি এখানে সাংগঠনিক শক্তি যথেষ্ট মজবুত করেছে। করোনা পরিস্থিতিতে রবিবাবু দিনরাত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছেন। কিন্তু তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে আসা মিহির গোস্বামীও কম যাচ্ছেন না।

দিনহাটার প্রার্থী উদয়ন বাবা কমল গুহের হাত ধরে রাজনীতি শুরু করে রাজ্যে পালাবদলের পর ফরওয়ার্ড ব্লক ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন। এই কেন্দ্রের বিধায়কও হন। বাম ও ডান, দু’ দলের বিধায়ক হওয়ার অভিজ্ঞতা তাঁর। উদয়নকে কোণঠাসা করতেই যে সাংসদ নিশীথকে বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী করা সেটা সকলেই বুঝছেন। দিনহাটায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মারাত্মক। দলের বিধায়ক-প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে পথে নেমে আন্দোলন করেছে কর্মী-সমর্থকরা। অন্য দিকে সাংসদপদ ছেড়ে বিধায়কপদের জন্য প্রার্থী হওয়া নিশীথকেও খুব সহজে মেনে নিতে পারছে না দিনহাটাবাসী। সুতরাং এ ক্ষেত্রে সংযুক্ত মোর্চার আব্দুর রাউফের (ফরওয়ার্ড ব্লক) সম্ভাবনা রয়েছে।

কোচবিহার দক্ষিণের লড়াইটা তৃণমূলের নবীন প্রার্থী অভিজিৎ দে ভৌমিক বনাম বিজেপির অভিজ্ঞ প্রার্থী নিখিল রঞ্জন দের। কারণ তৃণমূল বিধায়ক মিহির গোস্বামী এ বার দল বদলে নাটাবাড়িতে বিজেপি প্রার্থী। তাঁর জায়গায় তৃণমূল যুব কংগ্রেসের জেলা সভাপতি অভিজিত দে ভৌমিককে (হিপ্পি) লড়তে হচ্ছে বিজেপির প্রাক্তন জেলা সভাপতি নিখিলরঞ্জন দের বিরুদ্ধে। অন্য দিকে বামপন্থী প্রার্থী অক্ষর ঠাকুর এক সময় এই এলাকার বিধায়ক ছিলেন। সব মিলিয়ে এই কেন্দ্রে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা।

প্রসঙ্গত, উত্তর কোচবিহার কেন্দ্রে ২০১৬-তে তৃণমূলের পরিমল বর্মনকে হারিয়ে জয়ী হয়েছিলেন ফরওয়ার্ড ব্লকের নগেন্দ্রনাথ রায়। এ বারও তিনি বামেদের প্রার্থী। ২০১৯-এ এই কেন্দ্র থেকে ২৭ হাজারেরও বেশি ভোটে জিতেছিলেন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যাওয়া নিশীথ প্রামাণিক। এ বার এখানে বিজেপি প্রার্থী দলের জেলা সাধারণ সম্পাদক সুকুমার রায়। উলটো দিকে তৃণমূল মাথাভাঙার বিধায়ক তথা অনগ্রসর শ্রেণিকল্যাণমন্ত্রী বিনয়কৃষ্ণ বর্মনকে প্রার্থী করেছে। সব মিলিয়ে জোরদার লড়াই।

মাথাভাঙা বিধানসভা কেন্দ্রেটি তফশিলি উপজাতির জন্য সংরক্ষিত। ২০১৬ সালে তৃণমূল প্রার্থী বিনয়কৃষ্ণ বর্মন ৩২ হাজারের বেশি ভোটে জয় পেলেও গত লোকসভা নির্বাচনে এখানে ২১ হাজারের বেশি ভোটে পিছিয়ে পড়েছিল তৃণমূল। এ বার বিনয়কৃষ্ণ বর্মনের পরিবর্তে হাইস্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক গিরীন্দ্রনাথ বর্মন হয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী। বিজেপি প্রার্থী করেছে পেশায় কৃষক সুশীল বর্মনকে। সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থী অশোক বর্মন (সিপিএম)। এখানে ভোটের হাওয়া ততটা গরম নয়।  

লোকসভায় কোচবিহারে ভরাডুবি হলেও সিতাইয়ে তৃণমূল বিজেপির থেকে প্রায় ৩৫ হাজার ভোটে এগিয়ে ছিল। কিন্তু জেতার পর এক মাসের বেশি বাড়িছাড়া ছিলেন তৃণমূল বিধায়ক জগদীশ বর্মাবসুনিয়া। এ বারও জগদীশবাবু দলের প্রার্থী। বিজেপি এখানে প্রার্থী করেছে দীপক রায়কে। তাঁকে ঘিরে বিজেপির মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। সংযুক্ত মোর্চর প্রার্থী কেশব রায় (কংগ্রেস)। এখানে প্রচারে হাওয়া গরম হচ্ছে কান্তেশ্বর সেতু কার আমলে তৈরি তা-ই নিয়ে। তৃণমূল বিধায়ক জগদীশবাবুর দাবি সেতুর শিলান্যাস হয় তাঁর হাত দিয়ে। সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থী কেশববাবু বলছেন, তৃণমূল মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে।

তুফানগঞ্জে বিজেপি যথেষ্ট শক্তিশালী। এ বার এখানে প্রার্থী জেলা সভাপতি মালতী রাভা। মালতী দেবী ২০০১ ও ২০০৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে লড়েছিলেন। তিনি সম্প্রতি কোচবিহারে থাকলেও তাঁর আসল বাড়ি তুফানগঞ্জে। অন্য দিকে তৃণমূল এখানে প্রার্থী করেছে প্রণবকুমার দেকে। কিন্তু তিনি আলিপুরদুয়ারের লোক হওয়ায় দলের অন্দরে চাপা ক্ষোভ রয়েছে। সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থী কংগ্রেসের রবিন রায়কেও মানতে নারাজ কংগ্রেস, নিজেদের মধ্যেই চলছে লাগাতার অসন্তোষ।

মেখলিগঞ্জে এ বার ফরওয়ার্ড ব্লকের দুই প্রাক্তন পরেশ অধিকারী বনাম দধিরাম রায়ের লড়াই। মেয়ের চাকরি নিয়ে বড়োসড়ো বিতর্কে জড়ানো পরেশ অধিকারীকে লোকসভায় প্রার্থী করার খেসারত দিয়েছে তৃণমূল। তার পরেও তিনি বিধানসভায় প্রার্থী। উলটো দিকে বিজেপি প্রার্থী দলের মণ্ডল সভাপতি দধিরাম রায়। ২০১৬-র বিধানসভায় তৃণমূল ৬০০০ ভোটে জিতলেও লোকসভা ভোটে পিছিয়ে ছিল। এখানে প্রচারে সেতু কারা তৈরি করল তা নিয়ে প্রধান দুই রাজনৈতিক দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে দ্বন্দ্ব বেঁধেছে। দু’ জনেই দাবি করেন এই সেতু তাঁদের তৈরি। যুক্তফ্রন্টের প্রার্থী গোবিন্দ রায় অন্য জেলার বাসিন্দা হওয়ার দরুন প্রথম থেকে কিছুটা ব্যাকফুটে।

শীতলকুচি কেন্দ্রে মূল লড়াই তৃণমূলের সঙ্গে যুক্তফ্রন্টের। তৃণমূল প্রার্থী পার্থপ্রতিম রায় মানুষকে উন্নয়নের বার্তা দিতে চাইছেন। অন্য দিকে সংযুক্ত মোর্চার সিপিএম প্রার্থী সুধাংশু প্রামাণিক তাঁর বাবা প্রয়াত সুধীর প্রামাণিক ৩০ বছর বিধায়ক থেকে এলাকার উন্নয়নে কত কাজ করেছিলেন সেটাই প্রচারে সামনে রাখছেন। বিজেপি প্রার্থী বরেনচন্দ্র বর্মনও হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক। এই আসনটিতে বিজেপি খুব একটা এগিয়ে যেতে পারবে বলে মনে করছে না রাজনৈতিক মহল।

আরও পড়ুন: Bengal Polls 2021: উত্তরবঙ্গের চা বাগানে অ্যাডভান্টেজ মমতা

Continue Reading

প্রবন্ধ

Bengal Polls 2021: এই ভোটে মুকুল রায় কোথায়?

মুকুল রায়ের এই পরিণতির প্রধান কারণ, শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপিতে যোগ দেওয়া।

Published

on

শৈবাল বিশ্বাস

এই ভোটে কোথাও নেই মুকুল রায়। কৃষ্ণনগর উত্তর আসনে প্রার্থী করে ভোট-ময়দান থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কেন? কারণ অনেকগুলি রয়েছে বটে, তবে প্রধান কারণ মুখ্য প্রচারকের দায়িত্ব থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া। প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে রাজ্য জুড়ে সফর করলে তাঁকে স্টার ক্যাম্পেনারের মর্যাদা দিতেই হতো এবং সেই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসাবে তাঁর নাম প্রথমে উঠে আসত। কিন্তু দিলীপ ঘোষ হয়তো তা চান না। বিজেপি রাজ্য সভাপতি তৃণমূল-ছোঁয়া কোনো লোকের প্রাধান্য মেনে নিতে রাজি নন। আরএসএস-এর কাছে তিনি মুকুল রায়ের কেস হিস্ট্রি এমন ভাবে পেশ করেছেন যে স্বয়ং অমিত শাহর সাধ্য হয়নি মুকুলবাবুকে সমান্তরাল নেতা হিসাবে তুলে ধরতে। কিন্তু তাঁকে ছুড়ে ফেললে সংগঠন দুর্বল হবে তাই ৩০ হাজার ভোটে লোকসভায় লিড নেওয়া কৃষ্ণনগর উত্তর আসনটি দিয়ে তাঁকে কার্যত ছেলে-ভোলানো হল।

Loading videos...

তা বলে বিজেপি সরকার গঠন করলে মুকুলবাবু কি মন্ত্রী হবেন না? না চাইলেও তাঁকে মন্ত্রী হতে বাধ্য করা হবে। শুধু তা-ই নয়, উপমুখ্যমন্ত্রীর পদ দিয়ে তাঁর অভিমান ভাঙানো হতে পারে। সেই ক্ষেত্রে দলের এই সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির সামনে পথ দু’টি। প্রথমত, হয় সারদা মামলার রাজসাক্ষী হওয়ার আর্জি জানিয়ে রাজনীতি-জীবনে সাময়িক বিরতি নেওয়া, নয়তো মন্ত্রিত্বের শপথ নিয়ে রাজনৈতিক কেরিয়ারটা অজানা লক্ষ্যের হাতে ছেড়ে দেওয়া।

মুকুল রায়ের এই পরিণতির প্রধান কারণ, শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপিতে যোগ দেওয়া। এক সময় অভিষেক-মমতার তল্পিবাহক মুকুলবাবুর সঙ্গে শুভেন্দুবাবুর সাপে-নেউলে সম্পর্ক ছিল। ‘যুবা’ সংগঠন খুলে যুব তৃণমূলের সমান্তরালে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ না কি মুকুল রায়ের দেওয়া। এই কারণে যুব তৃণমূলের সভাপতি শুভেন্দু দ্রুত পায়ের তলার মাটি হারাচ্ছিলেন। এই ইতিহাস ভুলে মুকুল রায়কে মেনে নেওয়া তাঁর পক্ষে অসম্ভব। অনেকেই বলেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্য তাঁর শর্তই ছিল, মুকুল রায়ের গুরুত্ব হ্রাস করতে হবে।

বিধানসভা নির্বাচনের পর্ব শুরু হওয়ার আগে মুকুল রায়ের হাত ধরে বহু ছোটোখাটো তৃণমূল নেতা বিজেপি শিবিরে নাম লিখিয়েছিলেন। সেই সঙ্গে তাঁর অনুগামী পুরোনো নেতারা তো আছেনই। এঁদের সবাইকে টিকিট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মুকুল। কিন্তু একটা দু’টো আসন বাদ দিয়ে বাকি আসনে মোদী- শাহরা দিলীপ-কৈলাসের কথা মতোই চলেছেন। মুকুলবাবু টিকিট পাইয়েছেন কলকাতার শ্যামপুকুর কেন্দ্রের প্রার্থী সন্দীপন বিশ্বাস, বীজপুরে শুভ্রাংশু – এ রকম হাতে গোনা কয়েক জনকে। শুধু তা-ই নয়, এর আগে যাঁরা মুকুল রায়ের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন যেমন শোভন-বৈশাখী, মনিরুল ইসলাম ইত্যাদি নেতাদের কোনো টিকিট পাওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠেনি।

পরিস্থিতি বুঝে তৃণমূল শিবিরের পক্ষে মুকুল রায়ের সঙ্গে যোগাযোগের আপ্রাণ চেষ্টা চলেছে। মুখ্যমন্ত্রী তো বলে দিয়েছেন, “মুকুল তত খারাপ নন।” তৃণমূল শীর্ষ নেতারা চেষ্টা চালাচ্ছেন এই ভোটে তাঁকে নিষ্ক্রিয় রাখতে। বিভিন্ন জেলায় তৃণমূলের যে সব নেতা মুকুল রায়ের কথা শুনে বিজেপির কাছে এসেছিলেন তাঁরা যাতে সক্রিয় মমতা-বিরোধিতার রাস্তায় না যান সেটাই লক্ষ্য। তবে মুকুল-সন্ধি করার প্রশ্নে অভিষেক কতটা রাজি সেটা কেউ জানে না। একটা কথা মনে রাখা দরকার, নারদা-কাণ্ডে মুকুল রায় জড়িয়ে পড়েছিলেন। সেই স্ট্রিং অপারেশনের পিছনে হাত ছিল অভিষেকবাবুর খুড়শ্বশুর কেডি সিং-এর। অন্তত তেমনটাই ম্যাথু স্যামুয়েলের দাবি।

আরও পড়ুন: রাজনীতির টার্নিং পয়েন্ট, হুইলচেয়ারেই দুর্গরক্ষক মমতা

Continue Reading
Advertisement
Advertisement
বাংলাদেশ5 hours ago

Bengali new year: সবার আগে মানুষের জীবন, পয়লা বৈশাখের আনন্দ ঘরে বসে উপভোগ করুন: শেখ হাসিনা

রাজ্য8 hours ago

West Bengal Corona Update: ভোটের আবহে ভয়াবহ আকার নিচ্ছে কোভিড পরিস্থিতি, নতুন সংক্রমণ ৫ হাজারের দিকে

রাজ্য9 hours ago

নির্বাচনে জেতার জন্য তৃণমূল, বামফ্রন্ট বহিরাগতদের উপর নির্ভরশীল: অমিত শাহ

রাজ্য9 hours ago

Bengal Polls 2021: এ বার অনুব্রত মণ্ডলকে শোকজ নোটিশ নির্বাচন কমিশনের

দেশ10 hours ago

অভিবাসী শিশুদের অবস্থা জানাতে রাজ্যগুলিকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

রাজ্য11 hours ago

Bengal Polls 2021: শুভেন্দু অধিকারীকে সতর্ক করল নির্বাচন কমিশন

রাজ্য12 hours ago

নজরে বিধানসভা/বরানগর: দেখে নিন ইতিহাস এবং সাম্প্রতিক তথ্য

দার্জিলিং12 hours ago

Bengal Polls 2021: এনআরসি নিয়ে বড়ো ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের

ধর্মকর্ম2 days ago

অন্নপূর্ণাপুজো: উত্তর কলকাতার পালবাড়ি ও বালিগঞ্জের ঘোষবাড়িতে চলছে জোর প্রস্তুতি

ভিডিও2 days ago

Bengal Polls 2021: বিধাননগরে মুখোমুখি টক্কর সুজিত বসু-সব্যসাচী দত্তর, ময়দানে জোট প্রার্থী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

ক্রিকেট1 day ago

IPL 2021: কাজে এল না সঞ্জু স্যামসনের মহাকাব্যিক শতরান, পঞ্জাবের কাছে হারল রাজস্থান

প্রবন্ধ2 days ago

First Man In Space: ইউরি গাগারিনের মহাকাশ বিজয়ের ৬০ বছর আজ, জেনে নিন কিছু আকর্ষণীয় তথ্য

দেশ2 days ago

Kumbh Mela 2021: করোনাবিধিকে শিকেয় তুলে এক লক্ষ মানুষের সমাগম, আজ কুম্ভের প্রথম শাহি স্নান হরিদ্বারে

Rahul Gandhi at Maldah rally
রাজ্য2 days ago

Bengal Polls 2021: পঞ্চম দফার ভোটের আগে রাজ্যে আসছেন রাহুল গান্ধী

বিনোদন2 days ago

ভার্চুয়ালি সাধ খেলেন ‘মম টু বি’ শ্রেয়া ঘোষাল, দেখুন মিষ্টি কিছু মুহূর্ত

রাজ্য2 days ago

Bengal Corona Update: নমুনা পরীক্ষার সঙ্গেই তাল মিলিয়ে বাড়ল বাংলার দৈনিক করোনা সংক্রমণ

ভোটকাহন

কেনাকাটা

কেনাকাটা3 weeks ago

বাজেট কম? তা হলে ৮ হাজার টাকার নীচে এই ৫টি স্মার্টফোন দেখতে পারেন

আট হাজার টাকার মধ্যেই দেখে নিতে পারেন দুর্দান্ত কিছু ফিচারের স্মার্টফোনগুলি।

কেনাকাটা2 months ago

সরস্বতী পুজোর পোশাক, ছোটোদের জন্য কালেকশন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সরস্বতী পুজোয় প্রায় সব ছোটো ছেলেমেয়েই হলুদ লাল ও অন্যান্য রঙের শাড়ি, পাঞ্জাবিতে সেজে ওঠে। তাই ছোটোদের জন্য...

কেনাকাটা2 months ago

সরস্বতী পুজো স্পেশাল হলুদ শাড়ির নতুন কালেকশন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সামনেই সরস্বতী পুজো। এই দিন বয়স নির্বিশেষে সবাই হলুদ রঙের পোশাকের প্রতি বেশি আকর্ষিত হয়। তাই হলুদ রঙের...

কেনাকাটা3 months ago

বাসন্তী রঙের পোশাক খুঁজছেন?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সামনেই আসছে সরস্বতী পুজো। সেই দিন হলুদ বা বাসন্তী রঙের পোশাক পরার একটা চল রয়েছে অনেকের মধ্যেই। ওই...

কেনাকাটা3 months ago

ঘরদোরের মেকওভার করতে চান? এগুলি খুবই উপযুক্ত

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ঘরদোর সব একঘেয়ে লাগছে? মেকওভার করুন সাধ্যের মধ্যে। নাগালের মধ্যে থাকা কয়েকটি আইটেম রইল অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদন লেখার...

কেনাকাটা3 months ago

সিলিকন প্রোডাক্ট রোজের ব্যবহারের জন্য খুবই সুবিধেজনক

খবরঅনলাইন ডেস্ক: নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী এখন সিলিকনের। এগুলির ব্যবহার যেমন সুবিধের তেমনই পরিষ্কার করাও সহজ। তেমনই কয়েকটি কাজের সামগ্রীর খোঁজ...

কেনাকাটা3 months ago

আরও কয়েকটি ব্র্যান্ডেড মেকআপ সামগ্রী ৯৯ টাকার মধ্যে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: আজ রইল আরও কয়েকটি ব্র্যান্ডেড মেকআপ সামগ্রী ৯৯ টাকার মধ্যে অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদন লেখার সময় যে দাম ছিল...

কেনাকাটা3 months ago

রান্নাঘরের এই সামগ্রীগুলি কি আপনার সংগ্রহে আছে?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: রান্নাঘরে বাসনপত্রের এমন অনেক সুবিধেজনক কালেকশন আছে যেগুলি থাকলে কাজ অনেক সহজ হয়ে যেতে পারে। এমনকি দেখতেও সুন্দর।...

কেনাকাটা3 months ago

৫০% পর্যন্ত ছাড় রয়েছে এই প্যান্ট্রি আইটেমগুলিতে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: দৈনন্দিন জীবনের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলির মধ্যে বেশ কিছু এখন পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৫০% বা তার বেশি ছাড়ে। তার মধ্যে...

কেনাকাটা3 months ago

ঘরের জন্য কয়েকটি খুবই প্রয়োজনীয় সামগ্রী

খবরঅনলাইন ডেস্ক: নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় ও সুবিধাজনক বেশ কয়েকটি সামগ্রীর খোঁজ রইল অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদনটি লেখার সময় যে দাম ছিল তা-ই...

নজরে