Connect with us

ঐতিহ্য ও প্রথা

কালীর অন্ধকার, দীপাবলির আলো: সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য

আরও পড়ুন : প্রসঙ্গ মা কালী কথা  কালীপূজার এই বির্বতনের পথেই যুক্ত হয়েছে দীপাবলি উৎসব। কালী, দুর্গার মতো উর্বরতা কাল্টের ঐতিহ্যকে বহন করেনি, সে উপস্থিত হয়েছে অন্য ব্যঞ্জনায়। শুরুতে কুশিক (অনার্য মানবগোষ্ঠী) বা শবরদের টোটেম হিসেবে থাকলেও আর্যকরণের মধ্য দিয়ে অন্য অর্থ লাভ করে। কালীকে মৃত্যুর দেবীরূপে কল্পনা করার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে দীপাবলি উৎসব। ‘পরলোকগত’ স্বজন ও বন্ধুরা ‘ভয়ংকর’ এবং ‘অন্ধকার’ পরলোকের পথে নির্বিঘ্নে যেতে পারেন, তাই অমাবস্যা ও তার আগের দিন নদীর জলে বা পুকুরের জলে জ্বলন্ত প্রদীপ ভাসানো হয় বা আকাশ-প্রদীপ জ্বালানো হয়। আসলে অমাবস্যার ভয়ংকর অন্ধকারকে মানুষ ভয় পেত, তাই ঘন ঘোর অন্ধকারে আলো জ্বালিয়ে মানুষ তার ভয় দূর করত। এর সঙ্গে থাকত নানা ধরনের আওয়াজ করা – যার মধ্যে দিয়ে ‘ভূত-প্রেত’ তাড়ানোর মানসিকতা প্রকাশিত হত। আদিমকাল থেকেই কাঠকুটো জ্বালিয়ে আলো আর আগুন তৈরি করা হয়। পাথর-টাথর ফেলে দল বেঁধে চেঁচামেচি করে বিকট শব্দ করা – এই ছিল আত্মরক্ষার আদিম পদ্ধতি। কয়েক হাজার বছর অতিক্রম করে তা পরিণত হয়েছে কালীপূজার আতসবাজি পোড়ানোতে। ঘটনা হল ভূত-প্রেতে বিশ্বাস কেবল আদিম মানুষের নয়, বাঙলার প্রায় ঘরে ঘরে এই বিশ্বাস এখনও যথেষ্ট শক্তিশালী। ফলে আদিম মানুষের ভয়ের গল্পের সঙ্গে বর্তমানের মানুষের অন্ধত্ব ও কুসংস্কারের কথা ভুললে চলবে না। তাই আগুন জ্বালানো ও শব্দবাজির সঙ্গে ভূত তাড়ানোর গল্পটি কম প্রাসঙ্গিক নয়।

গ্রন্থপঞ্জি

চক্রবর্তী, চিন্তাহরণ, ১৩৭৭ বাংলা। হিন্দুর আচার অনুষ্ঠান, কলিকাতা: লেখক সমবায় সমিতি চক্রবর্তী, চিন্তাহরণ, ২০১০। তন্ত্র। কলকাতা : গাঙচিল দাশগুপ্ত, কল্যাণকুমার। ২০০০। প্রতিমা শিল্প হিন্দু দেবদেবী, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি বন্দ্যোপাধ্যায়, অমলকুমার। ১৯৮৫। পৌরাণিকা। কলিকাতা : ফার্মা কেএলএম প্রাইভেট লিমিটেড বাস্কে, ধীরেন্দ্রনাথ, ২০০৬। বঙ্গ সংস্কৃতিতে প্রাক-বৈদিক প্রভাব, কলকাতা: সুশীল বাস্কে (পরিবেশক-সুবর্ণরেখা) ভট্টাচার্য, হংসনারায়ণ, ১৯৯৭। হিন্দুদের দেবদেবী-উদ্ভব ও ক্রমবিকাশ। তৃতীয় পর্ব। কলিকাতা: ফার্মা কেএলএম প্রাইভেট লিমিটেড সেনগুপ্ত, পল্লব, ২০০১, পূজা-পার্বনের উৎসকথা, কলকাতা : পুস্তক বিপণি Doniger, Wendy, 2011 The Hindus- An Alternative History, New Delhi, Penguin Books]]>

উৎসব

রাখিবন্ধন নিয়ে এই ঐতিহাসিক কাহিনি দু’টি কি জানেন?

history

খবরঅনলাইন ডেস্ক: পুরাণের পাতা ওলটালে যেমন রাখিবন্ধনের বেশ কিছু উল্লেখ পাওয়া যায়, ঠিক তেমনই ইতিহাসের পাতা ওলটালেও রাখিবন্ধনের কিছু ঘটনার কথা জানা যায়। যেমন –

আলেকজান্ডার ও পুরুর ঘটনা –

৩২৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দে আলেকজান্ডার ভারত আক্রমণ করেছিলেন, এই কথা সবাই জানি। এরই সঙ্গে রয়েছে আর একটি ঘটনাও। আলেকজান্ডারের স্ত্রী রোজানার কাহিনি। রোজানা রাজা পুরুকে একটি পবিত্র সুতো পাঠিয়েছিলেন। এর পর তিনি পুরু রাজাকে আলেকজান্ডারের ক্ষতি করতে মানা করেছিলেন। হিন্দু রাজা পুরু। তিনি রাখির মাহাত্ম্য বোঝেন ও তাকে সম্মান করেন। তাই রোজানার কথা রাখতে আর সেই পবিত্র সুতোর বন্ধনকে সম্মান দিতে যুদ্ধক্ষেত্রে তিনি নিজে আলেকজান্ডারকে আঘাত করেননি।

রানি কর্ণবতী ও মুঘল সম্রাট হুমায়ুনের কাহিনি –

ইতিহাসে আরও একটি কাহিনি পাওয়া যায় রাখিবন্ধনকে কেন্দ্র করে। ঘটনা ১৫৩৫ সালের। মুঘলসম্রাট হুমায়ুনকে একটি রাখি পাঠান চিতোরের রানি কর্ণবতী। গুজরাতের সুলতান বাহাদুর শাহ এই সময় চিতোর আক্রমণ করেছিলেন। তাতে বিধবা রানি অসহায় বোধ করেছিলেন। সেই পরিস্থিতিতেই তিনি রাখি পাঠিয়েছিলেন সম্রাটকে ও সাহায্য প্রার্থনা করেছিলেন।

হুমায়ুন এই বিষয়টির গুরুত্ব বুঝতেন। তাকে সম্মান জানিয়েই রানির সুরক্ষার জন্য সৈন্য প্রেরণ করেছিলেন। কিন্তু তাতে কিছুটা দেরি হয়ে গিয়েছিল। ততক্ষণে বাহাদুর শাহ চিতোর দখল করে নিয়েছিলেন। এই অবস্থায় নিজের সম্মান বাঁচাতে ১৩ হাজার পুর-নারীকে নিয়ে জহরব্রত পালন করেন রানি। তাঁরা ১৫৩৫ সালের ৮ মার্চ আগুনে আত্মহুতি দেন।

এর পর হুমায়ুন চিতোরে পৌঁছোন। তখন আর রানি নেই। শেষে বাহাদুর শাহকে চিতোর থেকে উৎখাত করে কর্ণবতীর পুত্র বিক্রমজিৎ সিংহকে সিংহাসনে অভিষিক্ত করেন। কিন্তু এই ঘটনাটি নিয়ে মতপার্থক্য আছে। অনেক ঐতিহাসিকের লেখায় এর উল্লেখ পাওয়া যায় না। অথচ মধ্য সপ্তদশ শতকের রাজস্থানি লোকগাথায় এর উল্লেখ পাওয়া যায়।

Continue Reading

উৎসব

রাখিবন্ধনের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে মহাভারতের কৃষ্ণ ও যমুনার কাহিনি

খবরঅনলাইন ডেস্ক: কলকাতায় রাখিবন্ধন উৎসব শুরু করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ২০ জুলাই বঙ্গভঙ্গের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করার পর জাতি বর্ণ নির্বিশেষে সকলেই আন্দোলন প্রতিবাদে মুখর হয়ে ওঠে। ১৬ অক্টোবর বঙ্গভঙ্গের দিন ঠিক হয়। সেই দিন হিন্দু মুসলমান একে অপরের হাতে সৌভ্রাতৃত্বের প্রতীক হিসাবে বেঁধে দেন রাখি। সেই থেকে চল হয় রাখি উৎসবের। তবে বাঙালি ছাড়া মূলত অবাঙালি সম্প্রদায় পঞ্জাবি ও মারোয়াড়িদের মধ্যে এই রাখিপূর্ণিমার উৎসব খুব ধুমধাম করে পালিত হয়। তবে রাখি পরানোর বিষয়টির সঙ্গে যোগ রয়েছে বেশ কিছু পৌরাণিক কাহিনিরও।  

কৃষ্ণ ও দ্রৌপদী

মহাভারতের কাহিনি থেকে জানা যায়, একটি যুদ্ধের সময় শ্রীকৃষ্ণের হাতের কবজিতে আঘাত লাগে। সেই ক্ষত থেকে রক্তপাত হতে শুরু হয়। তা দেখতে পেয়ে দ্রৌপদী নিজের শাড়ির আঁচল ছিঁড়ে কৃষ্ণের হাতে বেঁধে দেন। তার পর থেকেই শ্রীকৃষ্ণ দ্রৌপদীকে নিজের বোন সখী হিসাবে মানতে শুরু করেন। এই উপকারের প্রতিদান দেওয়ারও অঙ্গীকার করেন কৃষ্ণ। এর পর পাশা খেলায় পাণ্ডবরা সর্বস্ব খুইয়ে যখন দ্রৌপদীকে কৌরবদের হাতে তুলে দিতে বাধ্য হয়, দ্রৌপদীর চরম বিপদ এসে পড়ে। দুঃশাসন তাঁর বস্ত্রহরণ করতে গেলে দ্রৌপদী শ্রীকৃষ্ণকে প্রাণ ভরে স্মরণ করেন। দ্রৌপদীর সম্মানরক্ষা করে সেই শ্রীকৃষ্ণ সেই প্রতিদান দেন। সেই সময় থেকে এই ভাবেই রাখিবন্ধন উৎসবের প্রচলন হয়।

যম ও যমুনা

পুরাণ কথা অনুযায়ী, এক বার যমুনা নদী যমরাজকে রাখি পরিয়েছিলেন। তাতে খুশি হয়েছিলেন যমরাজ। তিনি যমুনা নদীকে অমরত্বের আশীর্বাদ দেন। তার পর থেকেই এটাই প্রচলিত বিশ্বাস যে, যদি কোনো বোন বা দিদি ভাই বা দাদার হাতে রাখি বাঁধে তা হলে সে অমরত্ব প্রাপ্ত হবে।

Continue Reading

উৎসব

শিখে নিন এই দু’ রকমের রাখি বানানোর পদ্ধতি

rakhi

খবরঅনলাইন ডেস্ক: দু’ দিন পরেই রাখিপূর্ণিমা। কিন্তু পরিস্থিতি অনুকূল নয় যে পাঁচটা দোকান ঘুরে পছন্দের রাখিটি সংগ্রহ করবেন। তা হলে উপায়? উপায় একটা আছে। রাখি যদি নিজের হাতে বানিয়ে পরানো যায়, তা হলে? একটা অন্য রকম ভালো লাগার অনুভূতি ভরে যায় যিনি পরাচ্ছেন আর যিনি পরছেন দু’ জনের মনেই। কি তা-ই না? তা ছাড়া এখন ডু ইট ইয়োরসেলফের যুগ। তাই বাড়িতেই নিজে হাতে বানিয়ে ফেলুন রাখি। দু’ রকম রাখি বানানোর পদ্ধতি নিচে বলা হল।

উলের রাখি

তার জন্য লাগবে পছন্দের রঙের উলগোলা। নানা রঙের বানাতে হলে একাধিক রঙের উল ব্যবহার করতে হবে।

(১) প্রথমে বাঁ হাতের চারটি আঙুল এক সঙ্গে করে উলের মুখটি নিয়ে আঙুলের মধ্যে বেশ খানিকটা পেঁচিয়ে নিতে হবে।

(২) তার পর উলটি কাঁচি দিয়ে কেটে গোলা থেকে আলাদা করতে হবে।

(৩) এ বার হাত থেকে উল ওই অবস্থায় রেখেই খুলে ফেল আনতে হবে।

(৪) সেই উল এক টুকরো ছোটো উল দিয়ে ঠিক মাঝ বরাবর বেঁধে নিতে হবে।

(৫) এ বার উলের চার দিকটা কাঁচি দিয়ে কেটে গোল আকার দিতে হবে।

(৬) এই ভাবে দুই থেকে তিনটি রঙের উল নিয়ে ছোটো গোল ফুলের মতো করে নিতে হবে। তবে নজর রাখতে হবে সব ক’টি যেন এক মাপের না হয়। কোনোটা ছোটো কোনোটা বড়ো বানাতে হবে।

(৭) এর পর বড়ো মাপের উলের গোল ফুলগুলি আঠা দিয়ে পর পর বসিয়ে নিতে হবে।

(৮) এর পর হাতে বাঁধার মতো মাপ করে একটি উলের টুকরো নিয়ে এই উলের ফুলটির নীচে আঠা দিয়ে বসিয়ে দিতে হবে। তার জন্য ব্যবহার করতে হবে একটি ছোটো কাগজের টুকরো। ফুলটির পেছনে উলের টুকরোটি মাঝ বরাবর বসিয়ে আঠা দিয়ে তার ওপর কাগজের টুকরোটি সাঁটিয়ে দিতে হবে।

(৯) এ বার ফুলটি উলটে নিয়ে সোজা পিঠে কিছু নকশা করা যেতে পারে। তার জন্য বাজারচলতি পুঁতি বা রংবেরঙের স্টোন ব্যবহার করা যেতে পারে। এই সবই পছন্দমতো ব্যবহার করা যাবে। সবটাই আঠা দিয়ে ফুলটির ওপর আটকাতে হবে। ব্যাস তৈরি উলের রাখি।

সুতোর রাখি

শিফন সুতোর রাখি

পদ্ধতি একই। খালি উলের বদলে ব্যবহার করতে হবে নানান রঙের শিফন সুতো।

(১) বেঁধে নেওয়ার পর ছোটো ব্রাশ দিয়ে ফুলটিকে ভালো করে আছড়ে নিতে হবে।

(২) এর পর চার দিকটা সমান ভাবে গোল করে কেটে নিতে হবে। পেছনে একটি রঙিন রিবন ব্যবহার করা যায়। তা কাগজের মাধ্যমে আঠা দিয়েই আটকাতে হবে।

(৩) এর পর সাজানোর পালা। সাজানোর জন্য বাজারে নানান রকমের পুঁতি ও স্টোন বা জরি পাওয়া যায়। সেগুলিকে আঠার মাধ্যমে রাখির ওপর বসিয়ে সুন্দর করে সাজিয়ে নেওয়া যায়। তা হলেই তৈরি শিখন সুতোর রাখি।

Continue Reading
Advertisement
দেশ13 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ৫২৫০৯, সুস্থ ৫১৭০৬

গাড়ি ও বাইক6 hours ago

পেট্রোলচালিত গাড়ি ‘এস-ক্রস’ বাজারে নিয়ে এল মারুতি সুজুকি

দেশ11 hours ago

রুপোর ইট দিয়ে রামমন্দিরের শিলান্যাস করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

ক্রিকেট1 day ago

বিতর্কের মধ্যেই আইপিএলের সঙ্গত্যাগ করল চিনা সংস্থা ভিভো

রাজ্য2 days ago

লকডাউনের সূচি ফের বদলাল রাজ্যে

দেশ3 days ago

কমল নতুন আক্রান্তের সংখ্যা, বাড়ল সুস্থতার হার, রোগীবৃদ্ধির হারও সর্বনিম্ন স্তরে

ক্রিকেট11 hours ago

আইপিএলের নিয়মাবলি: গুচ্ছের টেস্টিং, চলা-ফেরায় নিয়ন্ত্রণ, একটি দলের জন্য একটি হোটেল

ক্রিকেট13 hours ago

অঘটন! ৩২৯ তাড়া করে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারাল আয়ারল্যান্ড

রবিবারের খবর অনলাইন

কেনাকাটা

things things
কেনাকাটা5 days ago

করোনা আতঙ্ক? ঘরে বাইরে এই ১০টি জিনিস আপনাকে সুবিধে দেবেই দেবে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনা পরিস্থিতিতে ঘরে এবং বাইরে নানাবিধ সাবধানতা অবলম্বন করতেই হচ্ছে। আগামী বেশ কয়েক মাস এই নিয়মই অব্যাহত...

কেনাকাটা1 week ago

মশার জ্বালায় জেরবার? এই ১৪টি যন্ত্র রুখে দিতে পারে মশাকে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: একে করোনা তায় আবার ডেঙ্গুর প্রকোপ শুরু হয়েছে। এই সময় প্রতি বারই মশার উৎপাত খুবই বাড়ে। এই বারেও...

rakhi rakhi
কেনাকাটা2 weeks ago

লকডাউন! রাখির দারুণ এই উপহারগুলি কিন্তু বাড়ি বসেই কিনতে পারেন

সামনেই রাখি। কিন্তু লকডাউনের মধ্যে মনের মতো উপহার কেনা একটা বড়ো ঝক্কি। কিন্তু সেই সমস্যা সমাধান করতে পারে অ্যামাজন। অ্যামাজনের...

কেনাকাটা2 weeks ago

অনলাইনে পড়াশুনা চলছে? ল্যাপটপ কিনবেন? দেখে নিন ৪০ হাজার টাকার নীচে ৬টি ল্যাপটপ

ইনটেল প্রসেসর সহ কোন ল্যাপটপ আপনার অনলাইন পড়াশুনার কাজে লাগবে জেনে নিন।

কেনাকাটা2 weeks ago

করোনা-কালে ঘরে রাখতে পারেন ডিজিটাল অক্সিমিটার, এই ১০টির মধ্যে থেকে একটি বেছে নিতে পারেন

শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বুঝতে সাহায্য করে এই অক্সিমিটার।

কেনাকাটা3 weeks ago

লকডাউনে সামনেই রাখি, কোথা থেকে কিনবেন? অ্যামাজন দিচ্ছে দারুণ গিফট কম্বো অফার

খবরঅনলাইন ডেস্ক : সামনেই রাখি। কিন্তু লকডাউনের মধ্যে দোকানে গিয়ে রাখি, উপহার কেনা খুবই সমস্যার কথা। কিন্তু তা হলে উপায়...

laptop laptop
কেনাকাটা3 weeks ago

ল্যাপটপ কিনবেন? দেখে নিন ২৫ হাজার টাকার মধ্যে এই ৫টি ল্যাপটপ

খবরঅনলাইন ডেস্ক : কোভিভ ১৯ অতিমারির প্রকোপে বিশ্ব জুড়ে চলছে লকডাউন ও ওয়ার্ক ফ্রম হোম। অনেকেই অফিস থেকে ল্যাপটপ পেয়েছেন।...

কেনাকাটা3 weeks ago

হ্যান্ডওয়াশ কিনবেন? নামী ব্র্যান্ডগুলিতে ৩৮% ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনাভাইরাস বা কোভিড ১৯ এর সঙ্গে লড়াই এখনও জারি আছে। তাই অবশ্যই চাই মাস্ক, স্যানিটাইজার ও হ্যান্ডওয়াশ।...

কেনাকাটা4 weeks ago

ঘরের একঘেয়েমি আর ভালো লাগছে না? ঘরে বসেই ঘরের দেওয়ালকে বানান অন্য রকম

খবরঅনলাইন ডেস্ক : একে লকডাউন তার ওপর ঘরে থাকার একঘেয়েমি। মনটাকে বিষাদে ভরিয়ে দিচ্ছে। ঘরের রদবদল করুন। জিনিসপত্র এ-দিক থেকে...

কেনাকাটা4 weeks ago

বাচ্চার জন্য মাস্ক খুঁজছেন? এগুলোর মধ্যে একটা আপনার পছন্দ হবেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিউ নর্মালে মাস্ক পরাটাই দস্তুর। তা সে ছোটো হোক বা বড়ো। বিরক্ত লাগলেও বড়োরা নিজেরাই নিজেদেরকে বোঝায়।...

নজরে

Click To Expand