রবীন্দ্রজীবনে মৃত্যু

0

কৈশোরের প্রান্তে মায়ের বিদায়। যৌবনে চলে গেলেন কবির সমস্ত ভুবন জুড়ে থাকা নতুন বৌঠান। এর পর একে একে দুই ভাইপো, স্ত্রী, পুত্র-কন্যা, বাবা, একমাত্র নাতি এবং আরও অনেকে – পরিবারে পরের পর মৃত্যু সয়েছেন রবীন্দ্রনাথ তাঁর সারা জীবন ধরে। লিখছেন শম্ভু সেন

মৃত্যুকে যে ভাবে দেখেছেন রবীন্দ্রনাথ, নিজের জীবনে মৃত্যুকে যে ভাবে আলিঙ্গন করতে হয়েছে কবিকে, চোখের সামনে একের পর এক প্রিয়জনকে যে ভাবে হারাতে হয়েছে, তা বেশির ভাগ মানুষের জীবনেই এক বিরল অভিজ্ঞতা। তাই বোধহয় কবি অত সহজে বলতে পেরেছিলেন – আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, বিরহদহন লাগে।/তবুও শান্তি, তবুও আনন্দ, তবুও অনন্ত জাগে।।

ছোটোভাই বুধেন্দ্রনাথ

বলতে গেলে রবীন্দ্রনাথের জীবনই শুরু মৃত্যু-অভিজ্ঞতা দিয়ে। তবে সেই মৃত্যু তাঁর একেবারেই শৈশবে – তাই সেই মৃত্যু তাঁর জীবনে কোনো দাগ কাটেনি। মারা গিয়েছিল ছোটোভাই বুধেন্দ্রনাথ।

মা সারদাসুন্দরী দেবী

মায়ের মৃত্যুও রবীন্দ্রনাথের হঠাৎ শোনা আর দেখা। তখন তাঁর বয়স ১৩ বছর ১০ মাস। অসুস্থ হওয়ার পর তিনতলার ঘরে থাকতেন মা সারদাদেবী। এক দিন গভীর রাতে পুরোনো এক দাসীর চিৎকারে ঘুম ভেঙে গেল কিশোর রবির। কিন্তু কিছুই বুঝলেন না।

পরের দিন সকালে পেলেন মায়ের মৃত্যুসংবাদ। বাইরে বারান্দায় এসে দেখলেন, সুন্দর করে সাজানো মায়ের দেহ প্রাঙ্গণে শোয়ানো। মায়ের মৃত্যু নিয়ে রবীন্দ্রনাথ ‘জীবনস্মৃতি’তে লিখেছেন, “প্রভাতে উঠিয়া যখন মা’র মৃত্যুসংবাদ শুনিলাম তখনো সে কথাটার অর্থ সম্পূর্ণ গ্রহণ করিতে পারিলাম না। বাহিরের বারান্দায় আসিয়া দেখিলাম, তাঁহার সুসজ্জিত দেহ প্রাঙ্গণে খাটের উপর শয়ান। কিন্তু মৃত্যু যে ভয়ংকর সে-দেহে তাহার কোনো প্রমাণ ছিল না; সেদিন প্রভাতের আলোকে মৃত্যুর যে রূপ দেখিলাম তাহা সুখসুপ্তির মতোই প্রশান্ত ও মনোহর। জীবন হইতে জীবনান্তের বিচ্ছেদ স্পষ্ট করিয়া চোখে পড়িল না।”

শুধু মায়ের দেহ যখন সদর দরজার বাইরে আনা হল, সবাই যখন শ্মশানের পথে তাঁর অনুগামী হল, কিশোর রবিও যখন সেই পথ ধরলেন, তখনই যেন হঠাৎ অনুভব করলেন মায়ের শূন্যতা। রবীন্দ্রনাথের ভাষায়, “শোকের সমস্ত ঝড় যেন একেবারে এক দমকায় আসিয়া মনের ভিতরটাতে এই একটা হাহাকার তুলিয়া দিল যে, এই বাড়ির এই দরজা দিয়ে মা আর-একদিনও তাঁহার নিজের এই চিরজীবনের ঘরকরনার মধ্যে আপনার আসনটিতে আসিয়া বসিবেন না।”

নতুন বৌঠান কাদম্বরী  

প্রকৃত পক্ষে কবি মৃত্যুর স্বরূপ প্রথম চিনতে পেরেছিলেন তাঁর নতুন বৌঠান কাদম্বরীর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে। কবির কথায়, “আমার চব্বিশবছর বয়সের সময় মৃত্যুর সঙ্গে যে-পরিচয় হইল তাহা স্থায়ী পরিচয়।” কবি চব্বিশবছর লিখলেও তখনও তাঁর ২৩ পূর্ণ হয়নি। ১৮৮৪ সালের ১৯ এপ্রিল। অভিমানে আফিম খেয়ে আত্মঘাতী হলেন জ্যোতিরিন্দ্রনাথের স্ত্রী কাদম্বরী দেবী। নতুন বৌঠান ছিলেন কবির সমস্ত ভুবন জুড়ে। তাঁর বৌদ্ধিক আদানপ্রদানের সঙ্গী, তাঁর হাসিখেলা, সুখবেদনার সঙ্গী এক নিমিষে মিলিয়ে গিয়ে কবিকে দিয়ে গেলেন অপরিসীম বিচ্ছেদশোক। “তাহা তাহার পরবর্তী প্রত্যেক বিচ্ছেদশোকের সঙ্গে মিলিয়া অশ্রুর মালা দীর্ঘ করিয়া গাঁথিয়া চলিয়াছে”, লিখেছিলেন কবি।

ভ্রাতুষ্পুত্র বলেন্দ্রনাথ

এর পর রবীন্দ্রনাথের পরিবারে মারা যান তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্র, বীরেন্দ্রনাথের একমাত্র সন্তান, বলেন্দ্রনাথ। বরাবরের রুগ্‌ণ ছিল বলেন্দ্রনাথ। মাত্র কয়েক দিনের জ্বরবিকারে চলে গেল সে। বলুর মৃত্যুটা মেনে নিতে পারেননি কবি। মৃণালিনী দেবী তখন শিলাইদহে। বন্ধু প্রিয়নাথ সেনকে এক চিঠিতে রবীন্দ্রনাথ লেখেন, “বলুর মৃত্যু হইয়াছে। কলিকাতায় থাকা আমার পক্ষে কষ্টকর হইয়াছে। বিশেষতঃ আমার স্ত্রী শিলাইদহে অত্যন্ত শোক অনুভব করিতেছেন, বলুর প্রতি তাঁহার একান্ত স্নেহ ছিল।”

ভ্রাতুষ্পুত্র নীতীন্দ্রনাথ

এর পর আরও এক মৃত্যু ঠাকুর পরিবারে। আবার এক ভ্রাতুষ্পুত্রের মৃত্যু। রবীন্দ্রনাথের ‘বড়োদাদা’ দ্বিজেন্দ্রনাথের তৃতীয় সন্তান নীতীন্দ্রনাথ ঠাকুর মারা গেলেন মাত্র ৩৪ বছর বয়সে। তিনি যক্ষ্মায় ভুগছিলেন। ৬-৭ বছরের ছোটো নীতীন্দ্রনাথকে পুত্রের মতো ভালোবাসতেন রবীন্দ্রনাথ। বয়সে ৬-৭ বছরের বড়ো হওয়া সত্ত্বেও নীতীন্দ্রনাথকে একই ভাবে স্নেহ দিতেন মৃণালিনী দেবীও।

স্ত্রী মৃণালিনী দেবী

এই মৃত্যুর পর চার মাস যেতে না যেতেই রবীন্দ্রনাথ হারালেন তাঁর সব চেয়ে কাছের মানুষটিকে, তাঁর স্ত্রী মৃণালিনী দেবীকে। দিনটা ছিল ২৩ নভেম্বর, ১৯০২।

১৮৯২-এর জুন। জমিদারি দেখাশোনার কাজে সাজাদপুরে রয়েছেন রবীন্দ্রনাথ। স্ত্রী মৃণালিনীকে মাঝেমাঝেই চিঠি লেখেন। একদিন লিখলেন এক গনতকারের কথা। তিনি কবিকে বলেছেন, নিজের জীবনে কবি মোটেই সঞ্চয়ী হবেন না, তাঁর স্ত্রী-টি বেশ ভালো, যাঁদের উপকার করেছেন তাঁরাই তাঁর অপকার করবে। আর শেষে মোক্ষম ভবিষ্যদ্বাণী – কবির আয়ু বড়জোর ষাট অথবা বাষট্টি বছর। সে বয়স কোনো মতে কাটাতে পারলেও কবির জীবন নাকি সত্তরের গণ্ডি কিছুতেই পেরোবে না। মৃণালিনীকে লিখেছিলেন কবি, “শুনে ত আমার ভারী ভাবনা ধরিয়ে দিয়েছে। এই ত সব ব্যাপার। যা হোক তুমি তাই নিয়ে যেন বেশি ভেবো না. এখনো কিছু না হোক, ত্রিশ চল্লিশ বছর আমার সংসর্গ পেতে পারবে।” ত্রিশ চল্লিশ বছর তো দূরের কথা, উনিশটা বছরও পেলেন না কবির সংসর্গ। চলে গেলেন ২৯ বছরের মৃণালিনী।

মাধুরীলতা, রথীন্দ্র, রেণুকা, মীরা, শমীন্দ্র — পাঁচ সন্তানের মা মৃণালিনীর শরীর তখন সংসার আর শান্তিনিকেতনে কবির আশ্রম-বিদ্যালয় সামলিয়ে একেবারে ভেঙে গেছে। শান্তিনিকেতন থেকে তাঁকে নিয়ে আসা হল জোড়াসাঁকোয়। ডাক্তারদের সঙ্গেই হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা করছেন রবীন্দ্রনাথ নিজেই। শান্তিনিকেতন থেকে রথী এলেন, মায়ের কাছে থাকবেন।

একদিনের ঘটনা। মৃণালিনীর কথা বলার শক্তি নেই। রথীন্দ্রনাথকে ডেকে মায়ের বিছানার পাশে বসালেন রবীন্দ্রনাথ। মৃণালিনীর চোখ দিয়ে তখন শুধুই অঝোর জলের ধারা।

সে রাতে রথী আর বাড়ির ছোটোদের পুরোনো বাড়ির তেতলায় পাঠিয়ে দিলেন রবীন্দ্রনাথ। আশংকায় তাদের সারা রাত নির্ঘুম কাটল।পর দিন ২৩ নভেম্বর, ১৯০২। চলে গেলেন মৃণালিনী। ভোররাতেই রথী বুঝলেন, তাঁদের মা আর নেই।

শোকে পাথর রবীন্দ্রনাথ। জোড়াসাঁকোর বাড়িতে স্বজন-বন্ধু-প্রতিবেশীদের ভিড় ফাঁকা হয়ে গেলে মৃণালিনীর চটিজুতো-জোড়া তুলে দিলেন রথীন্দ্রনাথের হাতে। বললেন, “এটা তোর কাছে রেখে দিস, তোকে দিলুম।”

ঠিক বাইশ বছর পর, ২ নভেম্বর ১৯২৪। আন্দেজ জাহাজে বসে কবি মৃণালিনীকে স্মরণ করে লিখলেন, “…তোমার আঁখির আলো. তোমার পরশ নাহি আর,/ কিন্তু কী পরশমণি রেখে গেছ অন্তরে আমার -/ …সঙ্গীহীন এ জীবন শূন্যঘরে হয়েছে শ্রীহীন,/ সব মানি – সবচেয়ে মানি, তুমি ছিলে একদিন।”

প্রথম সন্তানশোক, মারা গেল রেণুকা

মৃণালিনী মারা যাওয়ার পর বছর না ঘুরতেই চলে গেল কবির তৃতীয় সন্তান তথা দ্বিতীয় কন্যা রেণুকা। রেণুকায় যক্ষ্মায় ভুগছিলেন। তখন সে খুবই অসুস্থ। জোড়াসাঁকোয় রেণুকার খোঁজখবর নিতে প্রায়ই যান রবীন্দ্রনাথের বন্ধু রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী। তেমনই একদিন দিন। রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলার পর রামেন্দ্রসুন্দর জানতে চাইলেন, রেণুকা কেমন আছে। রবীন্দ্রনাথ বললেন, “আজ সকালে সে মারা গেছে।” রবীন্দ্রনাথের মুখের দিকে তাকিয়ে স্থির হয়ে গেলেন রামেন্দ্রসুন্দর। তার পর নিঃশব্দে নেমে এলেন সিঁড়ি বেয়ে। দিনটা ছিল ১৯০৩ সালের সেপ্টেম্বর।

বাবা দেবেন্দ্রনাথ

এর বছর দেড়েক পর রবীন্দ্রনাথ হারান পিতা দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরকে। রবীন্দ্রনাথ তাঁর পিতাকে আদর্শ মানতেন। এক দিক থেকে দেখতে গেলে কিশোর রবির শিক্ষাগুরুও ছিলেন মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। ছোটোবেলা থেকেই ব্রহ্মদর্শনের সঙ্গে পুত্রের পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন দেবেন্দ্রনাথ।

কনিষ্ঠ পুত্র শমীন্দ্র

পিতার মৃত্যুর বছর দুয়েক পরে রবীন্দ্রনাথ হারালেন তাঁর কনিষ্ঠ পুত্র শমীন্দ্রনাথকে। শমীন্দ্রনাথ মারা যান কলেরায়। এই মৃত্যুর পর রবীন্দ্রনাথ প্রকাশ্যে শোকপ্রকাশ করা প্রায় পরিত্যাগ করলেন। কাদম্বিনী দত্তকে লিখেছিলেন, “ঈশ্বর আমাকে বেদনা দিয়াছেন কিন্তু তিনি ত আমাকে পরিত্যাগ করেন নাই – তিনি হরণও করিয়াছেন পূরণও করিবেন। আমি শোক করিব না – আমার জন্যও শোক করিয়ো না।” 

জ্যেষ্ঠা কন্যা মাধুরীলতা

রেণুকার মতোই যক্ষ্মায় আক্রান্ত হলেন জ্যেষ্ঠা কন্যা মাধুরীলতা। রবীন্দ্রনাথ-মৃণালিনীর প্রথম সন্তান মাধুরীলতা ফুল ভালবাসতেন। তাই রবীন্দ্রনাথ আদর করে তাঁকে ডাকতেন ‘বেলি’ নামে। ১৬ মে, ১৯১৮। মাত্র ৩১ বছর বয়সে চলে গেলেন মাধুরীলতা। রথীন্দ্রনাথ তাঁর রোজনামচায় লিখেছিলেন, দিদিকে দেখতে যাওয়ার আগে সে দিন বাড়ির ডাক্তারকে রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন মৃত্যুভয় তাঁর আর নেই, তিনি তৈরি আছেন। মেয়েকে দেখতে গিয়ে, যা হওয়ার তা হয়ে গেছে বুঝে, ডিহি-শ্রীরামপুর রোডে মেয়ের বাড়ির সামনে থেকে গাড়ি ঘুরিয়ে বাড়ি ফিরে এলেন সেই রবীন্দ্রনাথ।

একে একে আরও অনেকে

এর পর একে একে চলে গেলেন রবীন্দনাথের দুই দাদা সোমেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জ্যোতিরিন্দ্রনাথ। রবীন্দ্রনাথের বড়োদাদা দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর মারা যান এর পরেই। এর পর প্রয়াত হলেন দ্বিজেন্দ্রনাথের পুত্র সুধীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

একমাত্র নাতি নীতীন্দ্রনাথ

আত্মজনের মৃত্যু দেখতে দেখতে কবির বয়স তখন ৭০ ছাড়িয়েছে। পেলেন প্রচণ্ড শোক, মাত্র ২১ বছর বয়সে চলে গেল কবির একমাত্র নাতি নীতীন্দ্রনাথ। কনিষ্ঠ কন্যা মীরার পুত্র নীতীন্দ্রনাথ। বড়োদাদা দ্বিজেন্দ্রনাথের পুত্র নীতীন্দ্রনাথকে সন্তান স্নেহে ভালোবাসতেন কবি ও কবিপত্নী। তাই কন্যা অতসীলতা তথা মীরার যখন পুত্রসন্তান হল তখন সেই নীতীন্দ্রনাথকে স্মরণ করে নাতির নাম রাখলেন নীতীন্দ্রনাথ। মীরার সঙ্গে নগেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিয়েটা সুখকর হয়নি। আর নগেনকে যে হেতু কবি নিজে বেছে নিয়েছিলেন, তাই মীরার এই মানসিক অশান্তির জন্য নিজেকেই দায়ী করতেন কবি। পুত্র রথীকে কবি বলেছিলেন, “ওর (মীরার) জীবনের প্রথম দণ্ড তো আমিই ওকে দিয়েছি। ভাল করে না ভেবে না বুঝে আমিই ওর বিয়ে দিয়ে দিয়েছি।”

এই কারণেই হয়তো নাতির প্রতি কবির দুর্বলতাও ছিল সব চেয়ে বেশি। ১৯৩১-এ নীতুকে জার্মানি পাঠালেন রবীন্দ্রনাথ। সেখানে অসুস্থ হয়ে পড়ল সে। বছর কাটলেও সুস্থ হল না সে। বাধ্য হয়ে মীরা গেলেন জার্মানি। কিন্তু মাসখানেকের মধ্যেই, মাত্র একুশ বছর বয়সে মারা গেলেন নীতীন্দ্রনাথ। কলকাতায় বসে শোকাতুর কবি চিঠিতে মেয়েকে লিখেছিলেন, “নীতুকে খুব ভালোবাসতুম…আমার শোকের দায় আমিই নেব— বাইরের লোকে কি বুঝবে তার ঠিক মানেটা।”

এর পরেও সমানে চলেছে প্রিয়জনদের মৃত্যুযাত্রা। চলে গেছেন ভাই গুণেন্দ্রনাথের পুত্র গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও দাদা সত্যেন্দ্রনাথের পুত্র সুরেন্দ্রনাথ ঠাকুর।

কবির প্রিয় নাতি নীতীন্দ্রনাথ মারা যান ১৯৩২-এর ৭ অগস্ট, ১৩৩৯ বঙ্গাব্দের ২২ শ্রাবণ। এর ন’ বছর বাদে আর এক বাইশে শ্রাবণে প্রয়াত হন কবি।

আরও পড়তে পারেন

গীতাঞ্জলির রবীন্দ্রনাথ

মজার মানুষ রবীন্দ্রনাথ

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন