Connect with us

প্রবন্ধ

ভরা ব্রিগেডের জনসভা কি প্রত্যাশা পূরণের কোনো ইঙ্গিত দিতে পারল?

ব্রিগেড ভরানো চাট্টিখানি কথা নয়। কিন্তু দিশা মিলল কি?

Published

on

সভ্যতার সংকট, মেহনতি মানুষের বাঁচার লড়াই নিয়ে কথা হয়নি, কোনো দিশাও মেলেনি। শুধুই ‘শ্রমজীবী ক্যান্টিন’ নিয়ে নিজেদের পিঠ চাপড়ানো। এ সব কথা না বলে শুধু জোট করে ভোটে দাঁড়িয়েছেন বলেই ভোট চাইলে ভোটারদের সহজলভ্য বলে ধরে নেওয়া হয় না কি? লিখছেন নীলাঞ্জন দত্ত

ব্রিগেড ভরানো সোজা কথা নয়। তাও আবার বামফ্রন্টের সভায়, যারা নাকি পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে ইদানিং ‘অপ্রাসঙ্গিক’ হয়ে পড়েছিল। তারাই ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে ব্রিগেডে প্রথম সভা করল — আর মাঠ ভরিয়ে দিল!

Loading videos...

এই কৃতিত্ব অবশ্য তাদের একার নয়, কংগ্রেস আর নতুন পার্টি ‘ইন্ডিয়ান সেকিউলার ফ্রন্ট’ বা আইএসএফ ছিল সঙ্গে। তবুও, ফেব্রুয়ারির শেষ দুপুরে এই সভা হওয়ার আগের ক’দিন বিশেষ করে সিপিআই(এম) দলের যে প্রবল প্রচার পথেঘাটে দেখা গেছে, তাতে এই জমায়েতের পেছনে তাদেরই গরজ সবচেয়ে বেশি ছিল বলে মনে করাই স্বাভাবিক। এই প্রচারে বিশেষ করে চোথে পড়েছে একঝাঁক তরতাজা নতুন মুথ। এদের দেথে অনেকেই অবাক হয়েছেন, আবার অনেকের মনে একটু আশাও জেগেছিল, এ রাজ্যের মসনদে কোনো পরিবর্তন হবে কি না জানি না, কিন্তু বাংলার জং-ধরা বাম রাজনীতিতে হয়ত এ বার সত্যিই পরিবর্তন আসতে চলেছে। এ বিষয়ে আলোচনা ক্রমশ ফিসফিস থেকে গুনগুনে পরিণত হচ্ছিল, এবং তা কেবল বাম সমর্থকদের মধ্যে নয়। ভরা ব্রিগেডের জনসভা কি সেই প্রত্যাশা পূরণের কোনো ইঙ্গিত দিতে পেরেছে?

এ প্রশ্ন হয়ত এখন অনেকের কাছে অবান্তর ঠেকতে পারে। কারণ, বড়ো বড়ো রাজনীতিবিদ এবং কলমজীবীদের কমেন্টারি এবং বড়ো মিডিয়াগুলির সমস্বর প্রচার ইতিমধ্যেই ডিসকোর্স অন্য দিকে ঘুরিয়ে দিয়েছে। তারা আমাদের বিশ্বাস করাতে শুরু করেছে, আসল ইসুটা হল ফুরফুরা শরিফের অন্যতম ‘পিরজাদা’ আব্বাস সিদ্দিকি পরিচালিত আইএসএফ-এর বাম-কংগ্রেস জোটের সঙ্গে যোগ দেওয়া এই নির্বাচনে ‘গেম চেঞ্জার’ হয়ে উঠবে কি না, এবং তাদের দাবি মতো আসন ছাড়া নিয়ে কংগ্রেসের টানাপোড়েন কোন দিকে মোড় নেবে।

মালদহ-মুর্শিদাবাদের যেসব অঞ্চলে কংগ্রেসের এখনও খানিকটা প্রভাব আছে, সেখানে আইএসএফ-এর দাবি মতো আসন ছাড়া নিয়ে তার রাজ্য নেতাদের অনীহার কারণ বোঝা যায়। কিন্তু দলের জাতীয় নেতাদের মধ্যে যারা আইএসএফ-এর সঙ্গে সমঝোতাকে তার ‘কোর আইডিয়লজি’ বা মূল মতাদর্শ ধর্মনিরপেক্ষতাকে জলাঞ্জলি দেওয়া বলে মনে করেছেন, তাঁদের এই হঠাৎ মাথাব্যথা অবাক করে।

অসম নির্বাচনে কংগ্রেসের সঙ্গী অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট আইএসএফ-এর মতোই একটি মুসলমানপ্রধান দল। আর এই দু’টি দলের নামে অন্তত ধর্মীয় পরিচয় প্রকট না হলেও, কেরলে কংগ্রেস তো একেবারে ইন্ডিয়ান ইউনিয়ান মুসলিম লিগ বা আইইউএমএল-এর সঙ্গেই গাঁটছড়া বেঁধে রয়েছে। আবার উল্টোদিকে, আইইউএমএল ভেঙে ১৯৮০-র দশকের গোড়ায় যখন অল ইন্ডিয়া মুসলিম লিগ তৈরি হয়েছিল, তখন সিপিএম-এরও তাদের সঙ্গে জোট সরকার গড়তে দ্বিধা হয়নি। এরা পরে আবার আইইউএমএল-এই মিশে যায় — সেটা অন্য কথা। সুতরাং, এই ধরনের নির্বাচনী সমঝোতা একেবারেই নতুন কিছু নয়, যা নিয়ে ‘শুদ্ধতাবাদীদের’ মর্মাহত হতে হবে, এবং মিডিয়াকে এত শোরগোল করতে হবে।

যে কথাটা বরং বলা যেত, তা হল, ফুরফুরা শরিফ কোনো খলিফার আসন বা নিদেন পক্ষে জামা মসজিদও নয় এবং আব্বাস সিদ্দিকিও সাবেক কালের শাহী ইমাম নন, যে এরা যে দিকে বলবেন রাজ্যের সব মুসলমান সেদিকেই ভোট দেবে। তাছাড়া, সব মুসলমান রকম রাজনৈতিক চিন্তা করে এবং ভোটের সময় একই আচরণ করে, এ কথা কবে সত্যি ছিল জানি না, তবে বর্তমানে যে সত্যি নয় এইটুকু জানি। যারা এ কথা মানতে চান না, তাঁরা হয় বাস্তবের থেকে চোখ ফিরিয়ে থাকেন অথবা কোনো অভিসন্ধি নিয়ে তর্ক করেন। পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানদের অধিকাংশ যদি এ বার সত্যিই ‘পরিবর্তন’ চান এবং বিদ্যমান শাসক দলের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন — যেমন ২০১১ সালে বামফ্রন্টের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন — তবে তা হবে তাঁদের আশাভঙ্গের সম্মিলিত প্রকাশ, কোনো নতুন নেতা, দল বা জোটের প্রতি আস্থার সূচক ততটা নয়।

সেদিন ব্রিগেডে আব্বাস সিদ্দিকির কনফিডেন্স দেখে অবশ্য মনে হয়েছে যে তিনি এর উল্টোটাই বিশ্বাস করেন — রাজ্যের মুসলমানরা খুবই দুর্দশায় আছে, এই দুর্দশা থেকে উঠে আসার পথ দেখানোর জন্য তাঁর মতো এক পরিত্রাতার অপেক্ষাতেই তারা ছিল, এবং যখন তাঁকে পেয়েই গেছে, তখন ভোটের ময়দানে তাঁর পেছনে জড়ো হওয়া তাদের অবশ্যকর্তব্য। নাই বা থাকুক তাঁর বক্তৃতার মধ্যে সেই উত্থান কী ভাবে হতে পারে তার কোনো দিকনির্দেশ। আগে ভোট তো দিন, তার পর সব দেখা যাবে।

কিন্তু, এই তরুণ নেতার এমন সাবেকি মুরুব্বিদের মতো আচরণ নিয়ে রাজনৈতিক ভাষ্যকারেরা কিছু বলছেন বলে শুনিনি। তিনি অতীতে কবে কোথায় কতখানি ‘সাম্প্রদায়িক’ কথা বলেছেন আর তাঁর সঙ্গে হাত মিলিয়ে বামদের চরিত্র কতটা নষ্ট হয়েছে, এই চর্চা শুনতে শুনতে ক্লান্ত হচ্ছি কেবল। তেমনি এই প্রশ্নটাও উঠতে দেখলাম না, বাম নেতারা এর থেকে আলাদা কিছু বার্তা দিলেন কি?

এই যে একঝাঁক নতুন মুখ এবারের নির্বাচনকে উপলক্ষ করে অনেক দিন পরে বাম শিবিরে জড়ো হল, তাদের দু-এক জনকে কয়েক মুহূর্তের জন্য মঞ্চে তুলে উৎসাহ দেওয়ার একটা চেষ্টা দেখা গেল। এমন কিছু মুখ প্রার্থীদের মধ্যেও দেখা যাবে। পাওয়া গেল না তাদের জন্যে নতুন কোনও পথের সন্ধান। তাদের নিজস্ব একমাত্র যে বিষয়টা নিয়ে নেতাদের দুয়েকবার কথা বলতে শোনা গেল, তা হল বেকারত্ব। কাজ নেই, কাজ দাও। কেন কাজ নেই, পুঁজিবাদী অর্থনীতির পথে চলতে চলতে বিশ্বের বহু দেশের মতোই ভারতও কেমন গাড্ডায় পড়েছে, তা থেকে উঠে আসতে গেলে যে পুঁজিবাদকে উচ্ছেদ করা দরকার, এ সব কথা আজ পৃথিবী জুড়ে এমনকি অ-মাকর্সবাদীদের মুখেও শোনা যাচ্ছে যাক, এখানকার বামপন্থীদের তা বলর কোনো ইচ্ছে নেই। তোমরা আমাদের ভোট দাও, আমরা তোমাদের কাজ দেব।

বোধহয় এই প্রথম বার, ব্রিগেডের ময়দানে লাল ইত্যাদি পতাকার পাশাপাশি সমকামী আর রূপান্তরীদের রামধনুরঙা পতাকা সগর্বে উড়তে দেখা গেল। এক নেতা সোৎসাহে তাঁর বক্তৃতায় তা উল্লেখও করলেন। কিন্তু তাঁদের অধিকার নিয়ে একটি শব্দও শোনা গেল না। তাঁরা এসেছিলেন কি শুধু মাঠ ভরাতে? অবশ্য তাঁদের কাছে এর বেশি কিছু হয়ত আশাও করা যায় না, যারা এই বিশাল জনসভায় বয়স নির্বিশেষে নারীদের অগ্রগণ্য উপস্থিতি সত্ত্বেও কেবল “মা-বোনদের” সম্ভাষণ করেই ক্ষান্ত হয়েছেন, তাঁদের অধিকার, তাদের সংগ্রাম নিয়ে কোনো কথাই বলেননি।

যেমন এই কঠিন করোনাকালে সভ্যতার সংকট, মেহনতি মানুষের বাঁচার লড়াই নিয়ে কথা হয়নি, কোনো দিশাও মেলেনি। ‘শ্রমজীবী ক্যান্টিন’ চালানোর জন্য নিজেদের পিঠ চাপড়ানো হয়েছে কেবল। এ সব কথা না বলে শুধু জোট করে ভোটে দাঁড়িয়েছেন বলেই ভোট চাইলে ভোটারদের সহজলভ্য বলে ধরে নেওয়া হয় না কি? ইংরেজিতে যাকে ‘টেকন ফর গ্রান্টেড’ বলে?

আরও পড়তে পারেন: বামফ্রন্ট-কংগ্রেস-আইএসএফ জোটের ব্রিগেড

Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

প্রবন্ধ

First Man In Space: ইউরি গাগারিনের মহাকাশ বিজয়ের ৬০ বছর আজ, জেনে নিন কিছু আকর্ষণীয় তথ্য

আজ থেকে ঠিক ৬০ বছর আগে ১৯৬১-এর ১২ এপ্রিল মহাকাশে হিয়েছিলেন গাগারিন।

Published

on

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ‘মানুষ চূর্ণিল আজ নিজ মর্ত্যসীমা’ – ১৩ এপ্রিল, ১৯৬১। আনন্দবাজার পত্রিকার প্রথম পাতায় আট কলম জুড়ে ব্যানার হেডিং। মানুষ বিস্মিত, হতচকিত – মহাকাশে পৌঁছে গিয়েছে মানুষ?

তখনকার দিনে ঘরে ঘরে সংবাদ পৌঁছে দেওয়ার সব চেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম ছিল সংবাদপত্র। রেডিও ছিল, তবে তা ঘরে ঘরে ছিল না। আর টিভি তো ক’টা দেশে ছিল, তা হাতে গোনা যায়। তাই সংবাদপত্রই মূলত পৌঁছে দিল সেই খবর।

Loading videos...

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন ভাষার প্রত্যেকটি কাগজে সে দিন প্রথম পাতার খবর – মানুষের মহাকাশ জয়। মানব-ইতিহাসে সব চেয়ে স্মরণীয় ঘটনা।

দিনটা ছিল ১২ এপ্রিল, ১৯৬১। সোভিয়েত নভশ্চর ইউরি গাগারিন মহাকাশযান ভস্তক ১-এ চেপে মর্ত্যের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে পৌঁছে গেলেন মহাকাশে। মহাকাশজয়ী প্রথম মানব হিসাবে স্মরণীয় হয়ে থাকলেন গাগারিন।

যুদ্ধবিমানের বিমানের পাইলট গাগারিন মহাকাশে ছিলেন ১ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট। তাঁর মহাকাশযান উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল অধুনা কাজাখস্তানের বৈকনুর কসমোড্রোম থেকে। পশ্চিম রাশিয়ার সিটি অফ এঞ্জেলস-এর কাছে গাগারিনের মহাকাশযান পৃথিবীর কক্ষপথে প্রবেশ করে। মহাকাশযান থেকে প্যারাশ্যুটে লাফিয়ে পড়েন গাগারিন, নিরাপদে পৌঁছে যান ভূপৃষ্ঠে।

৬০ বছর আগে গাগারিনের সেই মহাকাশ-অভিযান মহাকাশবিজ্ঞান নিয়ে মানুষের গবেষণায় নতুন দিগন্ত খুলে দিল। এর পর থেকে মানুষ মহাকাশ নিয়ে কী করল, সে সব আজ আর কোনো অজানা তথ্য নয়।

ভস্তক ১ মিশন নিয়ে কিছু আকর্ষণীয় তথ্য

(১) বৈকানুর কসমোড্রোম থেকে যে মুহূর্তে ভস্তক ১ যাত্রা শুরু করেছিল, সেই মুহূর্তে গাগারিনের মুখ থেকে একটা শব্দ বেরিয়ে এসেছিল – “পোয়েখালি!” (যাওয়া যাক)।

(২) যে ভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছিল, ঠিক সেই ভাবে চালিত হয়নি মিশন। যে উচ্চতায় কক্ষপথে ভস্তক ১-এর প্রবেশ করার কথা ছিল, তার চেয়ে বেশি উচ্চতায় প্রবেশ করেছিল। এর অর্থ মহাকাশযানটির ব্রেক ফেল করতে পারত। তা হলে আরও বেশি ক্ষণ গাগারিনকে মহাকাশে থাকতে হত। তবে তা হয়নি। ব্রেক ভালো ভাবেই কাজ করেছে এবং ফেরার সময় গাগারিন পরিকল্পনামাফিকই পৃথিবীর কক্ষপথে প্রবেশ করেছেন।

(৩) জানা যায়, ভূপৃষ্ঠ ছোঁয়ার সঙ্গে সঙ্গে গাগারিনকে প্রথম দেখেছিলেন এক কৃষক ও তাঁর কন্যা। সেই সময়টা ছিল ঠান্ডা যুদ্ধের। গাগারিনকে তাঁরা মার্কিন গুপ্তচর মনে করেছিলেন। তাঁদের বোঝাতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছিল গাগারিনকে।

(৪) গোটা মিশনটা নিয়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন চরম গোপনীয়তা অবলম্বন করেছিল। গাগারিন পৃথিবীতে নিরাপদে পৌঁছে যাওয়ার পরে ইউরি গাগারিনের এই অবিস্মরণীয় কৃতিত্বের খবর প্রকাশ করা হয়। সারা বিশ্ব যেন একটা ধাক্কা খায়, বিশ্বাস করে উঠতে পারে না ঘটনাটা – মনে মনে ভাবে, এমনও হয়!

(৫) গাগারিনের মহাকাশ-বিজয় উপলক্ষ্যে উৎসব-সমারোহের আয়োজন করা হয় সেন্ট পিটার্সবার্গে। হাজার হাজার লোক তাতে যোগ দেন। অসংখ্য মডেল রকেট আকাশে ছোড়া হয়। সেই সঙ্গে চলে আতসবাজির নানা খেলা।

Continue Reading

প্রবন্ধ

Bengal Polls 2021: কোচবিহার জেলার ন’টি বিধানসভা কেন্দ্রে লড়াইয়ে কে কোথায়

২০২১-এ প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে গোটা রাজ্যে মাথাচাড়া দিয়েছে বিজেপি। তার নিরিখে বুঝতে হবে কোচবিহারের ফলাফল।

Published

on

তপন মল্লিক চৌধুরী

উত্তর বাংলার কোচবিহার জেলায় ন’টি বিধানসভা কেন্দ্র। ২০১৬-তে ন’টির মধ্যে ৮টি জিতেছিল তৃণমূল, একটিতে বামেরা। ২০১৯-এর লোকসভায় পাশা উলটে যায়। তৃণমূলকে টেক্কা দিয়ে বিজেপি লিড নিয়েছিল মাথাভাঙা, কোচবিহার উত্তর ও দক্ষিণ, দিনহাটা ও নাটাবাড়িতে। ২০২১-এ প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে গোটা রাজ্যে মাথাচাড়া দিয়েছে বিজেপি। তার নিরিখে বুঝতে হবে কোচবিহারের ফলাফল।

Loading videos...

এ বার কোচবিহারে দিনহাটা ও নাটাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্র দু’টি আলোচনায় সব থেকে এগিয়ে। এখানে আগে যাঁরা ছিলেন তৃণমূলে, একুশে তাঁরাই বিজেপির হয়ে ভোটে লড়ছেন। তাঁদের মধ্যে একজন নিশীথ প্রামাণিক, অন্য জন মিহির গোস্বামী। নিশীথ দিনহাটায় তৃণমূলের উদয়ন গুহের বিরুদ্ধে ভোটে লড়ছেন আর মিহির নাটাবাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঘোষের বিরুদ্ধে। তার মানে এখানে জেলা তৃণমূলের দুই প্রাক্তন সভাপতির হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। ২০১৬-র বিধানসভা ভোটে রবিবাবু ১৬ হাজারের বেশি ভোটে জয় পেলেও গত লোকসভায় সাড়ে ১৮ হাজারের বেশি ভোটে পিছিয়ে পড়ে তৃণমূল। তার পর থেকে বিজেপি এখানে সাংগঠনিক শক্তি যথেষ্ট মজবুত করেছে। করোনা পরিস্থিতিতে রবিবাবু দিনরাত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছেন। কিন্তু তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে আসা মিহির গোস্বামীও কম যাচ্ছেন না।

দিনহাটার প্রার্থী উদয়ন বাবা কমল গুহের হাত ধরে রাজনীতি শুরু করে রাজ্যে পালাবদলের পর ফরওয়ার্ড ব্লক ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন। এই কেন্দ্রের বিধায়কও হন। বাম ও ডান, দু’ দলের বিধায়ক হওয়ার অভিজ্ঞতা তাঁর। উদয়নকে কোণঠাসা করতেই যে সাংসদ নিশীথকে বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী করা সেটা সকলেই বুঝছেন। দিনহাটায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মারাত্মক। দলের বিধায়ক-প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে পথে নেমে আন্দোলন করেছে কর্মী-সমর্থকরা। অন্য দিকে সাংসদপদ ছেড়ে বিধায়কপদের জন্য প্রার্থী হওয়া নিশীথকেও খুব সহজে মেনে নিতে পারছে না দিনহাটাবাসী। সুতরাং এ ক্ষেত্রে সংযুক্ত মোর্চার আব্দুর রাউফের (ফরওয়ার্ড ব্লক) সম্ভাবনা রয়েছে।

কোচবিহার দক্ষিণের লড়াইটা তৃণমূলের নবীন প্রার্থী অভিজিৎ দে ভৌমিক বনাম বিজেপির অভিজ্ঞ প্রার্থী নিখিল রঞ্জন দের। কারণ তৃণমূল বিধায়ক মিহির গোস্বামী এ বার দল বদলে নাটাবাড়িতে বিজেপি প্রার্থী। তাঁর জায়গায় তৃণমূল যুব কংগ্রেসের জেলা সভাপতি অভিজিত দে ভৌমিককে (হিপ্পি) লড়তে হচ্ছে বিজেপির প্রাক্তন জেলা সভাপতি নিখিলরঞ্জন দের বিরুদ্ধে। অন্য দিকে বামপন্থী প্রার্থী অক্ষর ঠাকুর এক সময় এই এলাকার বিধায়ক ছিলেন। সব মিলিয়ে এই কেন্দ্রে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা।

প্রসঙ্গত, উত্তর কোচবিহার কেন্দ্রে ২০১৬-তে তৃণমূলের পরিমল বর্মনকে হারিয়ে জয়ী হয়েছিলেন ফরওয়ার্ড ব্লকের নগেন্দ্রনাথ রায়। এ বারও তিনি বামেদের প্রার্থী। ২০১৯-এ এই কেন্দ্র থেকে ২৭ হাজারেরও বেশি ভোটে জিতেছিলেন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যাওয়া নিশীথ প্রামাণিক। এ বার এখানে বিজেপি প্রার্থী দলের জেলা সাধারণ সম্পাদক সুকুমার রায়। উলটো দিকে তৃণমূল মাথাভাঙার বিধায়ক তথা অনগ্রসর শ্রেণিকল্যাণমন্ত্রী বিনয়কৃষ্ণ বর্মনকে প্রার্থী করেছে। সব মিলিয়ে জোরদার লড়াই।

মাথাভাঙা বিধানসভা কেন্দ্রেটি তফশিলি উপজাতির জন্য সংরক্ষিত। ২০১৬ সালে তৃণমূল প্রার্থী বিনয়কৃষ্ণ বর্মন ৩২ হাজারের বেশি ভোটে জয় পেলেও গত লোকসভা নির্বাচনে এখানে ২১ হাজারের বেশি ভোটে পিছিয়ে পড়েছিল তৃণমূল। এ বার বিনয়কৃষ্ণ বর্মনের পরিবর্তে হাইস্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক গিরীন্দ্রনাথ বর্মন হয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী। বিজেপি প্রার্থী করেছে পেশায় কৃষক সুশীল বর্মনকে। সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থী অশোক বর্মন (সিপিএম)। এখানে ভোটের হাওয়া ততটা গরম নয়।  

লোকসভায় কোচবিহারে ভরাডুবি হলেও সিতাইয়ে তৃণমূল বিজেপির থেকে প্রায় ৩৫ হাজার ভোটে এগিয়ে ছিল। কিন্তু জেতার পর এক মাসের বেশি বাড়িছাড়া ছিলেন তৃণমূল বিধায়ক জগদীশ বর্মাবসুনিয়া। এ বারও জগদীশবাবু দলের প্রার্থী। বিজেপি এখানে প্রার্থী করেছে দীপক রায়কে। তাঁকে ঘিরে বিজেপির মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। সংযুক্ত মোর্চর প্রার্থী কেশব রায় (কংগ্রেস)। এখানে প্রচারে হাওয়া গরম হচ্ছে কান্তেশ্বর সেতু কার আমলে তৈরি তা-ই নিয়ে। তৃণমূল বিধায়ক জগদীশবাবুর দাবি সেতুর শিলান্যাস হয় তাঁর হাত দিয়ে। সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থী কেশববাবু বলছেন, তৃণমূল মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে।

তুফানগঞ্জে বিজেপি যথেষ্ট শক্তিশালী। এ বার এখানে প্রার্থী জেলা সভাপতি মালতী রাভা। মালতী দেবী ২০০১ ও ২০০৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে লড়েছিলেন। তিনি সম্প্রতি কোচবিহারে থাকলেও তাঁর আসল বাড়ি তুফানগঞ্জে। অন্য দিকে তৃণমূল এখানে প্রার্থী করেছে প্রণবকুমার দেকে। কিন্তু তিনি আলিপুরদুয়ারের লোক হওয়ায় দলের অন্দরে চাপা ক্ষোভ রয়েছে। সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থী কংগ্রেসের রবিন রায়কেও মানতে নারাজ কংগ্রেস, নিজেদের মধ্যেই চলছে লাগাতার অসন্তোষ।

মেখলিগঞ্জে এ বার ফরওয়ার্ড ব্লকের দুই প্রাক্তন পরেশ অধিকারী বনাম দধিরাম রায়ের লড়াই। মেয়ের চাকরি নিয়ে বড়োসড়ো বিতর্কে জড়ানো পরেশ অধিকারীকে লোকসভায় প্রার্থী করার খেসারত দিয়েছে তৃণমূল। তার পরেও তিনি বিধানসভায় প্রার্থী। উলটো দিকে বিজেপি প্রার্থী দলের মণ্ডল সভাপতি দধিরাম রায়। ২০১৬-র বিধানসভায় তৃণমূল ৬০০০ ভোটে জিতলেও লোকসভা ভোটে পিছিয়ে ছিল। এখানে প্রচারে সেতু কারা তৈরি করল তা নিয়ে প্রধান দুই রাজনৈতিক দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে দ্বন্দ্ব বেঁধেছে। দু’ জনেই দাবি করেন এই সেতু তাঁদের তৈরি। যুক্তফ্রন্টের প্রার্থী গোবিন্দ রায় অন্য জেলার বাসিন্দা হওয়ার দরুন প্রথম থেকে কিছুটা ব্যাকফুটে।

শীতলকুচি কেন্দ্রে মূল লড়াই তৃণমূলের সঙ্গে যুক্তফ্রন্টের। তৃণমূল প্রার্থী পার্থপ্রতিম রায় মানুষকে উন্নয়নের বার্তা দিতে চাইছেন। অন্য দিকে সংযুক্ত মোর্চার সিপিএম প্রার্থী সুধাংশু প্রামাণিক তাঁর বাবা প্রয়াত সুধীর প্রামাণিক ৩০ বছর বিধায়ক থেকে এলাকার উন্নয়নে কত কাজ করেছিলেন সেটাই প্রচারে সামনে রাখছেন। বিজেপি প্রার্থী বরেনচন্দ্র বর্মনও হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক। এই আসনটিতে বিজেপি খুব একটা এগিয়ে যেতে পারবে বলে মনে করছে না রাজনৈতিক মহল।

আরও পড়ুন: Bengal Polls 2021: উত্তরবঙ্গের চা বাগানে অ্যাডভান্টেজ মমতা

Continue Reading

প্রবন্ধ

Bengal Polls 2021: এই ভোটে মুকুল রায় কোথায়?

মুকুল রায়ের এই পরিণতির প্রধান কারণ, শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপিতে যোগ দেওয়া।

Published

on

শৈবাল বিশ্বাস

এই ভোটে কোথাও নেই মুকুল রায়। কৃষ্ণনগর উত্তর আসনে প্রার্থী করে ভোট-ময়দান থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কেন? কারণ অনেকগুলি রয়েছে বটে, তবে প্রধান কারণ মুখ্য প্রচারকের দায়িত্ব থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া। প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে রাজ্য জুড়ে সফর করলে তাঁকে স্টার ক্যাম্পেনারের মর্যাদা দিতেই হতো এবং সেই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসাবে তাঁর নাম প্রথমে উঠে আসত। কিন্তু দিলীপ ঘোষ হয়তো তা চান না। বিজেপি রাজ্য সভাপতি তৃণমূল-ছোঁয়া কোনো লোকের প্রাধান্য মেনে নিতে রাজি নন। আরএসএস-এর কাছে তিনি মুকুল রায়ের কেস হিস্ট্রি এমন ভাবে পেশ করেছেন যে স্বয়ং অমিত শাহর সাধ্য হয়নি মুকুলবাবুকে সমান্তরাল নেতা হিসাবে তুলে ধরতে। কিন্তু তাঁকে ছুড়ে ফেললে সংগঠন দুর্বল হবে তাই ৩০ হাজার ভোটে লোকসভায় লিড নেওয়া কৃষ্ণনগর উত্তর আসনটি দিয়ে তাঁকে কার্যত ছেলে-ভোলানো হল।

Loading videos...

তা বলে বিজেপি সরকার গঠন করলে মুকুলবাবু কি মন্ত্রী হবেন না? না চাইলেও তাঁকে মন্ত্রী হতে বাধ্য করা হবে। শুধু তা-ই নয়, উপমুখ্যমন্ত্রীর পদ দিয়ে তাঁর অভিমান ভাঙানো হতে পারে। সেই ক্ষেত্রে দলের এই সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির সামনে পথ দু’টি। প্রথমত, হয় সারদা মামলার রাজসাক্ষী হওয়ার আর্জি জানিয়ে রাজনীতি-জীবনে সাময়িক বিরতি নেওয়া, নয়তো মন্ত্রিত্বের শপথ নিয়ে রাজনৈতিক কেরিয়ারটা অজানা লক্ষ্যের হাতে ছেড়ে দেওয়া।

মুকুল রায়ের এই পরিণতির প্রধান কারণ, শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপিতে যোগ দেওয়া। এক সময় অভিষেক-মমতার তল্পিবাহক মুকুলবাবুর সঙ্গে শুভেন্দুবাবুর সাপে-নেউলে সম্পর্ক ছিল। ‘যুবা’ সংগঠন খুলে যুব তৃণমূলের সমান্তরালে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ না কি মুকুল রায়ের দেওয়া। এই কারণে যুব তৃণমূলের সভাপতি শুভেন্দু দ্রুত পায়ের তলার মাটি হারাচ্ছিলেন। এই ইতিহাস ভুলে মুকুল রায়কে মেনে নেওয়া তাঁর পক্ষে অসম্ভব। অনেকেই বলেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্য তাঁর শর্তই ছিল, মুকুল রায়ের গুরুত্ব হ্রাস করতে হবে।

বিধানসভা নির্বাচনের পর্ব শুরু হওয়ার আগে মুকুল রায়ের হাত ধরে বহু ছোটোখাটো তৃণমূল নেতা বিজেপি শিবিরে নাম লিখিয়েছিলেন। সেই সঙ্গে তাঁর অনুগামী পুরোনো নেতারা তো আছেনই। এঁদের সবাইকে টিকিট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মুকুল। কিন্তু একটা দু’টো আসন বাদ দিয়ে বাকি আসনে মোদী- শাহরা দিলীপ-কৈলাসের কথা মতোই চলেছেন। মুকুলবাবু টিকিট পাইয়েছেন কলকাতার শ্যামপুকুর কেন্দ্রের প্রার্থী সন্দীপন বিশ্বাস, বীজপুরে শুভ্রাংশু – এ রকম হাতে গোনা কয়েক জনকে। শুধু তা-ই নয়, এর আগে যাঁরা মুকুল রায়ের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন যেমন শোভন-বৈশাখী, মনিরুল ইসলাম ইত্যাদি নেতাদের কোনো টিকিট পাওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠেনি।

পরিস্থিতি বুঝে তৃণমূল শিবিরের পক্ষে মুকুল রায়ের সঙ্গে যোগাযোগের আপ্রাণ চেষ্টা চলেছে। মুখ্যমন্ত্রী তো বলে দিয়েছেন, “মুকুল তত খারাপ নন।” তৃণমূল শীর্ষ নেতারা চেষ্টা চালাচ্ছেন এই ভোটে তাঁকে নিষ্ক্রিয় রাখতে। বিভিন্ন জেলায় তৃণমূলের যে সব নেতা মুকুল রায়ের কথা শুনে বিজেপির কাছে এসেছিলেন তাঁরা যাতে সক্রিয় মমতা-বিরোধিতার রাস্তায় না যান সেটাই লক্ষ্য। তবে মুকুল-সন্ধি করার প্রশ্নে অভিষেক কতটা রাজি সেটা কেউ জানে না। একটা কথা মনে রাখা দরকার, নারদা-কাণ্ডে মুকুল রায় জড়িয়ে পড়েছিলেন। সেই স্ট্রিং অপারেশনের পিছনে হাত ছিল অভিষেকবাবুর খুড়শ্বশুর কেডি সিং-এর। অন্তত তেমনটাই ম্যাথু স্যামুয়েলের দাবি।

আরও পড়ুন: রাজনীতির টার্নিং পয়েন্ট, হুইলচেয়ারেই দুর্গরক্ষক মমতা

Continue Reading
Advertisement
Advertisement
বাংলাদেশ2 hours ago

Bangladesh: বাংলা একাডেমির সভাপতি শামসুজ্জামান খান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আবদুল মতিন খসরুর প্রয়াণ

বাংলাদেশ2 hours ago

Bangladesh Lockdown: দেশ জুড়ে কঠোর লকডাউন, পথে পথে তল্লাশি চৌকি, মুভমেন্ট পাশ ছাড়া চলাচল বন্ধ

ক্রিকেট2 hours ago

IPL 2021: আরসিবির হয়ে জ্বলে উঠলেন বাংলার শাহবাজ, তীরে এসে তরী ডোবাল হায়দরাবাদ

রাজ্য4 hours ago

Bengal Polls 2021: পঞ্চম দফায় ভোটগ্রহণ শনিবার, দেখে নিন ৪৫ কেন্দ্রে কোন দলের প্রার্থী কে

AstraZeneca-twiter
বিদেশ5 hours ago

অ্যাস্ট্রাজেনেকা কোভিড ভ্যাকসিনের ব্যবহার স্থায়ী ভাবে বন্ধ করল ডেনমার্ক

রাজ্য6 hours ago

নজরে কোভিড পরিস্থিতি, ভোটের প্রচারে বড়ো জমায়েত নিয়ে বামফ্রন্টের নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত

রাজ্য6 hours ago

Bengal Corona: ভয়াবহ পরিস্থিতি! একদিনেই আক্রান্ত প্রায় ছ’হাজার

দেশ6 hours ago

ফের লকডাউনের আশঙ্কায় ভীত-সন্ত্রস্ত অভিবাসী শ্রমিকরা, কন্ট্রোল রুমে ফোনের পর ফোন ঝাড়খণ্ডে

ক্রিকেট2 days ago

IPL 2021: কাজে এল না সঞ্জু স্যামসনের মহাকাব্যিক শতরান, পঞ্জাবের কাছে হারল রাজস্থান

প্রবন্ধ2 days ago

First Man In Space: ইউরি গাগারিনের মহাকাশ বিজয়ের ৬০ বছর আজ, জেনে নিন কিছু আকর্ষণীয় তথ্য

দেশ3 days ago

Kumbh Mela 2021: করোনাবিধিকে শিকেয় তুলে এক লক্ষ মানুষের সমাগম, আজ কুম্ভের প্রথম শাহি স্নান হরিদ্বারে

ক্রিকেট3 days ago

IPL 2021: সাড়ে ৭টায় খেলা শুরু হওয়া নিয়ে তীব্র অসন্তুষ্ট মহেন্দ্র সিংহ ধোনি

দেশ2 days ago

Vaccination Drive: এসে গেল তৃতীয় টিকা, স্পুটনিক ফাইভে অনুমোদন দিয়ে দিল কেন্দ্র

দেশ3 days ago

Corona Update: এক ধাক্কায় সক্রিয় রোগীর সংখ্যায় প্রায় ১ লক্ষের বৃদ্ধি, তবে দৈনিক মৃত্যুহার ০.৫৩ শতাংশ

দেশ2 days ago

Election Commission of India: নতুন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুশীল চন্দ্র, মঙ্গলবার থেকে দায়িত্ব নিচ্ছেন

দেশ2 days ago

Sputnik V: এপ্রিলের শেষে ভারতের বাজারে চলে আসবে টিকা, জানাল রাশিয়া

ভোটকাহন

কেনাকাটা

কেনাকাটা4 weeks ago

বাজেট কম? তা হলে ৮ হাজার টাকার নীচে এই ৫টি স্মার্টফোন দেখতে পারেন

আট হাজার টাকার মধ্যেই দেখে নিতে পারেন দুর্দান্ত কিছু ফিচারের স্মার্টফোনগুলি।

কেনাকাটা2 months ago

সরস্বতী পুজোর পোশাক, ছোটোদের জন্য কালেকশন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সরস্বতী পুজোয় প্রায় সব ছোটো ছেলেমেয়েই হলুদ লাল ও অন্যান্য রঙের শাড়ি, পাঞ্জাবিতে সেজে ওঠে। তাই ছোটোদের জন্য...

কেনাকাটা2 months ago

সরস্বতী পুজো স্পেশাল হলুদ শাড়ির নতুন কালেকশন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সামনেই সরস্বতী পুজো। এই দিন বয়স নির্বিশেষে সবাই হলুদ রঙের পোশাকের প্রতি বেশি আকর্ষিত হয়। তাই হলুদ রঙের...

কেনাকাটা3 months ago

বাসন্তী রঙের পোশাক খুঁজছেন?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সামনেই আসছে সরস্বতী পুজো। সেই দিন হলুদ বা বাসন্তী রঙের পোশাক পরার একটা চল রয়েছে অনেকের মধ্যেই। ওই...

কেনাকাটা3 months ago

ঘরদোরের মেকওভার করতে চান? এগুলি খুবই উপযুক্ত

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ঘরদোর সব একঘেয়ে লাগছে? মেকওভার করুন সাধ্যের মধ্যে। নাগালের মধ্যে থাকা কয়েকটি আইটেম রইল অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদন লেখার...

কেনাকাটা3 months ago

সিলিকন প্রোডাক্ট রোজের ব্যবহারের জন্য খুবই সুবিধেজনক

খবরঅনলাইন ডেস্ক: নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী এখন সিলিকনের। এগুলির ব্যবহার যেমন সুবিধের তেমনই পরিষ্কার করাও সহজ। তেমনই কয়েকটি কাজের সামগ্রীর খোঁজ...

কেনাকাটা3 months ago

আরও কয়েকটি ব্র্যান্ডেড মেকআপ সামগ্রী ৯৯ টাকার মধ্যে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: আজ রইল আরও কয়েকটি ব্র্যান্ডেড মেকআপ সামগ্রী ৯৯ টাকার মধ্যে অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদন লেখার সময় যে দাম ছিল...

কেনাকাটা3 months ago

রান্নাঘরের এই সামগ্রীগুলি কি আপনার সংগ্রহে আছে?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: রান্নাঘরে বাসনপত্রের এমন অনেক সুবিধেজনক কালেকশন আছে যেগুলি থাকলে কাজ অনেক সহজ হয়ে যেতে পারে। এমনকি দেখতেও সুন্দর।...

কেনাকাটা3 months ago

৫০% পর্যন্ত ছাড় রয়েছে এই প্যান্ট্রি আইটেমগুলিতে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: দৈনন্দিন জীবনের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলির মধ্যে বেশ কিছু এখন পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৫০% বা তার বেশি ছাড়ে। তার মধ্যে...

কেনাকাটা3 months ago

ঘরের জন্য কয়েকটি খুবই প্রয়োজনীয় সামগ্রী

খবরঅনলাইন ডেস্ক: নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় ও সুবিধাজনক বেশ কয়েকটি সামগ্রীর খোঁজ রইল অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদনটি লেখার সময় যে দাম ছিল তা-ই...

নজরে