সিপিএমের ভোট গেল, আর মুকুল-অর্জুন? পচা শামুকে পা কাটছে কার?

সিপিএম-ভোট বিজেপিতে যাচ্ছে, বিনা প্রশ্নে এই বাস্তবতাও না হয় মেনে নেওয়া গেল। কিন্তু মুকুল থেকে অর্জুন কোন দলের? তাঁদের তাবৎ শাখাপ্রশাখা? তাঁরা কারা?

0
nrs on 16th june
তখন চলছে কর্মবিরতি। এনআরএস-এ। ছবি রাজীব বসু।
debarun roy
দেবারুণ রায়

পাওয়ারফুল হলেও চাওয়ার শেষ হয় না। যার যত ক্ষমতা, তার তত বেশি ক্ষমতা পাওয়ার চেষ্টা। যেমন পাঁচ বছরই ক্ষমতায় বসার স্বপ্ন সফল হওয়ার পর মানুষ ভাবে, আরও একটা মেয়াদ থাকলে হাতে নেওয়া কাজগুলো, ঘোষিত ও অঘোষিত অ্যাজেন্ডাগুলো শেষ ও কার্যকর করা যেত। সেটা করা হলে ভাবে, এ বার একটু মানুষের স্বার্থের কথা ভাবি। একটু দেশ ও দশের সেবা করি। কোনো দিন যা করা যায়নি বা হয়নি। কারণ ইতিহাসে দাগ রেখে যেতে হলে সত্যি সত্যিই আত্মত্যাগের মতো কিছু চাই। না হলে ভবিষ্যৎ ছেড়ে কথা বলবে না। বলবে, যা করেছি কুর্সির জন্যে। নেতা হওয়ার জন্যে। সুতরাং আরও অন্তত পাঁচটা বছর সরকারে থাকলে তবেই ইতিহাসে সুনাম লেখানো যায়। এ ভাবেই পাঁচ পাঁচ করে একক, দশক, এবং শেষ অব্দি আরও পাঁচ বছর করে বেড়েই চলে ক্ষমতায় থাকার উদগ্র আকাঙ্ক্ষা অথবা ক্ষমতা থেকে ছিটকে পড়ার ভয়। মেয়াদের পর মেয়াদ রাজত্ব করার পরেও মনে হয়, যা করার কথা ছিল তা অসমাপ্ত রয়ে গিয়েছে। কাজের কাজ কিছুই করা হয়নি। শুধু ক্ষমতার নেশাতেই এতটা সময় পার। 

আরও পড়ুন বিজেপির ছিপে ‘মাছ’ উঠছে, তবে জল বড্ড বেশি ঘুলিয়ে যাচ্ছে

অবশেষে সময় শেষের শেষ ঘণ্টা বাজার আগে একটু চোখ বুলিয়ে নেওয়া খেরোর খাতায়। এই দেখা এমনই, যে এতে ভুল বেরোয় না। অথবা নিজের চোখে ধরা পড়বে নিজের ভুল, সেই ভাবে দেখাটা তো কখনও শেখায়নি কেউ। মানে সত্যি কথা বলতে কি, এটা সিলেবাসেই ছিল না। ব‍্যাস। প্রশ্ন জাগে, রাজনীতি কি আদৌ বিবেকবান মানুষের জন্যে? কারণ, বিবেক থাকলে সেই সব ভুল বা তার চেয়েও বেশি অন্যায় যারা করেছে ও করে চলেছে, অন‍্যের ভুল ধরতে, অনেক কম অন‍্যায়ের বিরুদ্ধে রব তুলতে তাদের চোখের পাতা পড়ে না! এই নৈতিকতার শোভনতার গভীর সমস্যা বোধহয় রাজনীতিতেই। শাস্ত্রবাক‍্যও অনৈতিক হতে শেখাচ্ছে। বহু প্রাচীন প্রবচন, যুদ্ধে আর প্রেমে কোনো কিছুই অন‍্যায় নয়। এই দুই চরম পরিস্থিতিতে যে যা-ই করুক কার্যসিদ্ধি করতে, তাতে কোনো দোষ নেই। সাতখুন মাফ।

এই নৈতিক মানকে মনে রেখেই চলেন রাজনীতির লোকেরা। তাই পথের কাঁটা যে, তাকে বিপদে পড়তে দেখলে প্রতিপক্ষ খুশি হয়। ভাবে না, ঠিক একই দিন বা আরও খারাপ দিন অপেক্ষা করছে তার জন্যও। চির দিন কাহারও সমান নাহি যায়…। ক্ষমতা এমনই সিমেন্ট যা তিলে তিলে হাতে আসার সময়, অর্থাৎ নির্মাণের দিনে লোকে তত্ত্বকথা বলেও না, শোনেও না। সিমেন্টের বেচাকেনা নিয়ে ভাবেও না। কিন্তু সেই ক্ষমতার ইমারত থেকে এক একটা ইট যখন খসে পড়ে তখন যত প্রশ্ন মনে পড়ে। আপনাআপনিই মাথায় আসে যুক্তি তক্কো আর গপ্পো। যে চেয়ার দখলের জন্যে দিন রাত ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে তাকে রুখতে না পেরে পূর্বসূরিকে দলে টানতে চায়। কিন্তু পোড় খাওয়া পৃর্বসূরি কেন তার দলে আসবেন? তাঁকে তো এক দিন আরও অপমানের সঙ্গে বিদায় দেওয়া হয়েছে। যারা আজ বিরোধী তারাও সে দিন ছিল ঢোল সহরতে। দিল্লির মসনদিবাবু থেকে জঙ্গলের জঙ্গি, সব হাত ধরাধরি করে রামধনু এঁকেছিল বাংলার ক‍্যানভাসে। সাত সমুদ্দুর পার থেকে বঙ্গোপসাগরে এসে আছড়ে পড়েছিল উল্লাসের ঢেউ। জনাদেশ নিয়ে শিল্পায়ন ছিল সরকারের অ্যাজেন্ডা। জমি নেওয়ায় মুষ্টিমেয়র আপত্তিকে মূলধন করে ঘরে-বাইরে যত বিরোধী এক হয়ে বলেছিল, তেরে মেরে ডান্ডা করে দেব ঠান্ডা। করেও দেখিয়েছিল বন্ধু ও শত্রুদের প্রকাশ‍্য ও গোপন মহাজোট। ছিল সবুজ, তেরঙা, গেরুয়া এবং অবুঝ, ফিকে লাল। এমন জোট যখন জাতীয় সড়কে, তখনও দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার সরকার গণতান্ত্রিক দুর্বলতায় অবরোধ সরানোর চাপ অগ্রাহ্য করেছে। ট্রাকে চেপে হার্মাদের হানাদারি হয়নি।

প্রসঙ্গত প্রশ্ন জাগে, এনআরএসের ‘বহিরাগত’দের মাথা ভেঙে দিতে দু’ ট্রাক ভর্তি কারা এসেছিল? ওরাই কি খোলসছাড়া হার্মাদ, না জেলখাটা জল্লাদ? দাঙ্গা বাঁধানোর চেষ্টা করলে মাথা ভেঙে দেব, বলেছিলেন ২০০৭-এর মুখ‍্যমন্ত্রী। মহিষাসুরের কান্নায় বাতাস ভারী হয়ে উঠেছিল। সবাই পবিত্র জিহ্বা চেঁচে, গঙ্গাজলে কান শুদ্ধ করে বলেছিল, কী হিংসা, কী হিংসা! কী হিংস্র, উদ্ধত মুখ‍্যমন্ত্রী! ব‍্যক্তিগত জনপ্রিয়তায় পিছিয়ে পড়া ডানদের কথায় ভানপন্থীরাও ঘাড় নেড়েছিল, ছি ছি, এ কী অপশব্দ! এখন কালে কালে জব্দ জনতা ফের সরব মাথা ভাঙা নিয়ে। তবে এ মাথা নিরীহ, নীরবে সেবাব্রতী তরুণ উজ্জ্বল ডাক্তারের। মোটেও দাঙ্গাবাজের নয়। এবং সেটা ছিল দুষ্কৃতীকে শাসকের কড়া হুঁশিয়ারি। আজ এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে মুখ‍্যমন্ত্রী বলুন তো, দাঙ্গাবাজদের রুখতে ওই মৌখিক কড়া হুঁশিয়ারি কি আদৌ অপশব্দ ছিল? বিশেষ করে দাঙ্গার মতো অপকর্মের প্রতিরোধে হাতে না মেরে মুখে ভয় দেখানো শাসকের পক্ষে কী ভাবে অন‍্যায়?

বুদ্ধদেবের জমানায় শিল্পায়নের পক্ষে জনাদেশের প্রসঙ্গে উনি বলেছিলেন ২৩৫/৩৫ আসনের কথা। বলতে চেয়েছিলেন, এ ক্ষেত্রে সরকার কোন মতামত অনুযায়ী চলবে? জনাদেশ তো স্পষ্ট। এবং গণতন্ত্র তো গরিষ্ঠেরই শাসন। সেখানে এতটা বিশাল ফারাক পক্ষে-বিপক্ষে। ব‍্যাস, অমনি মহাভারত অশুদ্ধ হওয়ার মতো রব উঠল। সেই আমরাওরা প্রচার আজও চলছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ডাক্তারদের বিরোধের মধ্যেও বলা হচ্ছে, মুখ‍্যমন্ত্রীও আমরা-ওরা করছেন। কিন্তু ২০০৭-এর ওই শব্দবন্ধ যেমন ভুল ছিল না, তেমনি আজও ভুল নয়। 

আরও পড়ুন সিঙুরের ভুল, অকূল ও মুকুল,মোদীর মুলুকে ভুলের ফুল

শুধু রাজ‍্যের দিদিভক্ত জনগণের প্রশ্ন, পরিবর্তনের নেত্রীর এই পরিবর্তন কেন? মানুষের নাড়ি দেখতে তাঁর কি কোনো উপদেষ্টা লাগে? নব্বইয়ের দশক থেকে বাংলা দেখেছে, কোথাও কিছু অঘটন ঘটলেই প্রথম হাজির দিদি। তার পর অন্যরা। সেই তিনি সর্বত্র গেলেও এনআরএসের গুরুতর আহত ডাক্তার পরিবহকে দেখতে যেতে এত দেরি হল? যখন প্রাণসংকট তখন গেলেন না, তার পরও নয়। ডাক্তারদের ধর্মঘট ওঠার পর তিনি গেলেন। ছেলেটির করোটি কোটরে ঢুকেছে হাড়ের ভাঙা টুকরো। দু’দিন যমে মানুষে টানাটানির পর কোমা কেটে গিয়ে প্রাণ ফিরলেও ভবিষ্যতে পুরো স্বাভাবিক হয়তো হবে না কোনো দিনই। অনেক কিছু কার্যকলাপ এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ফিরে আসবে কিনা ডাক্তাররা বলতে পারছেন না। মানে হয়তো বা বলতে চাইছেন না অপ্রিয় কথাগুলো। এবং সবটা জেনেও বহু অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মোকাবিলা করায় এখনও রাজ‍্যের এক নম্বর জনপ্রিয় জননেত্রী অকুস্থলে যাওয়া তো দূর, কেন প্রথম ক’ দিন আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতেও আগ্রহ দেখালেন না। পরে অভিযোগ করলেন, ডাক্তাররা তাঁর ফোন ধরেননি। ডাক্তাররা তা অস্বীকার করলেন। জেদে তাঁরাও কম যাননি। বিশেষ করে ৩০/৩৫ বছর আগের যাঁরা এখন অধ‍্যাপক সেই তাঁদের তারুণ্যের পুরাকালে পাশে ছিলেন তো দিদিই। তখন জুনিয়রদের নেতা ছিলেন নির্মল, আজ মন্ত্রী হয়ে সমাজসংসার বদলানোর বদলে নিজেই বদলে গেছেন। তার পর দুটো প্রজন্ম দিদির ছত্রছায়ায়।

জুনিয়র ডাক্তাররা নানা আন্দোলনে সরকারের ঘাম ছুটিয়ে দিয়েছেন, দিদির আশীর্বাদ তো তখন ছিল। তখন জ‍্যোতি বসু বলতেন, দাবিদাওয়া ঠিক আছে। কিন্তু হাসপাতাল কারখানা নয়, এটা মনে রাখতে হবে। আজকের মুখ‍্যমন্ত্রী কি অন্য কিছু বলছেন? নিশ্চয়ই না। বলবেন কেন, অথবা কী করে? রাজ‍্যে অভাবী মানুষের প্রাণ বাঁচাবে সরকারি হাসপাতাল ছাড়া কে? যাদের কিছুটা সঙ্গতি আছে তারাও তো মাল্টিস্পেশ‍্যালিটির বিল থেকে বাঁচতে কলকাতার, বাংলার ভালো ডাক্তার, ভালো ছাত্রদের চিকিৎসা আর সেবা পেতে চান। জানেন, ব‍্যবসা নয়, রুগীর রোগ সারানোই ওদের ব্রত। সেই সঙ্গে আছে মেধাবী জুনিয়র ও দিকপাল সিনিয়রদের মেলবন্ধনের প্রক্রিয়ায় সঠিক রোগ নির্ণয়ের সুযোগ।

মাঠে নেই, কিন্তু র‍্যামপার্টে দাঁড়িয়ে রাম রাম করছে বিজেপি। আপাতত আঠারো মানে সাবালক হয়ে বাংলার বিবেক। মুকুল কূল পাচ্ছেন না, অমিত-আশা পূরণ করতে। ধীরে ধীরে লুচি আলুরদম লাইনে বঙ্গ মুকুলিত হচ্ছে। ডায়াবেটিস সত্ত্বেও আলু খেয়ে যাচ্ছেন সব‍্যসাচীর মতো রুই-কাতলাকে রাতারাতি কাত করতে। ওয়েটিংয়ে আছেন ই কানন। চাতকের মতো চেয়ে মেদিনীপুরের দিকে। যে দিন ও দিকে বৃষ্টি হবে, সে দিন কলকাতার আকাশে ঘনঘটা অনিবার্য। কাজলকালো ঘিরলো গো, সব নাও তিরে এসে ভিড়লো গো…। এমন দিনে তারে ছাড়া যায়? মানে ডাক্তারবাবুদের? এই শিক্ষিত কৌম ক্ষণিকের অতিথি। দু’ ট্রাক জল্লাদের দাপট মুহূর্তে মগের মুলুক বানিয়ে ছেড়েছে হাসপাতাল চত্বর। আর মৃতদেহ যখন মুসলমানের অতএব ব‍্যাপারটা বিজেপি চুম্বকের মতো চুম্বন করেছে। এই তো তাদের অভাবনীয় প্রাণপদ্ম। কী অপূর্ব মেরুকরণ চার দিন ধরে। তাণ্ডব নৃত্য সোশ্যাল মিডিয়ায়। রাজ‍্যের শাসকদলেরই বা ক্ষতি হবে কেন? সেই মোদীর গুরু আডবাণীর একটা কথা মনে পড়ছে। কংগ্রেস সরকারকে সতর্ক করে বলছেন, “ইসসে হমারি তো ফায়দা হোগি, মগর দেশ কা ভারি নুকসান হোগা।” সেটা দু’ তরফেই ঘটছে, কিন্তু এ কথা স্বীকার করার মতো কেউ নেই। আমাদের মুখ‍্যমন্ত্রীর মতো তুখোড় রাজনীতিবিদ অবশ্যই আগাগোড়া সবটা বোঝেন। তাই শেষ পর্যন্ত কিছুটা নমনীয় হয়েছেন। ডাক্তারদের নমনীয় হওয়ার অপেক্ষায় না থাকলে আরও কিছু মানুষ প্রাণে বাঁচত। তা ছাড়া রাজনীতির নানা চোরাস্রোতের মধ্যে নিস্প্রভাব দাঁড়িয়ে থাকার মতো পরিণতমনস্ক হওয়া জুনিয়র ডাক্তারদের পক্ষে অসম্ভব।

আরও পড়ুন বাংলা যদি গুজরাত হয়ে যায়, সব থেকে ক্ষতি কার?

কিন্তু যে নেত্রী সাড়ে তিন দশকের বিরোধী শাসন সত্ত্বেও হাতে গোনা ক’জন সহকর্মীর সঙ্গে প্রায় লাগাতার জিতেছেন, বিরোধী দলে থাকতে চিরকাল সংসদেই দাঁড়িয়েছেন, বিধানসভায় নয়, এবং ২২ বছর অবিভক্ত কংগ্রেসের ও ১২ বছর বিভক্ত অংশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন, রাজ‍্যের ক্ষমতা থেকে দূরে থাকলেও কেন্দ্রে ‘৯১ থেকে বারবার মন্ত্রিত্ব করেছেন দুই মেরুর সরকারে, কংগ্রেস, এনডিএ ও ইউপিএ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দফতর সামলেছেন, অন্যতম নীতি নির্ধারক থেকেছেন কোয়ালিশন পরিচালনায়, তাঁর মতো এই বিপুল প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা তাঁর দলে দ্বিতীয় কারও নেই। সুতরাং এক দিকে অ্যাজিটেটর (আন্দোলনকারী) আর অন‍্য দিকে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর (প্রশাসক) হিসেবে অভিজ্ঞ তাঁকে কে শেখাবে কখন নমনীয় হতে হয় আর না হয়। তা ছাড়া এ রাজ্যে যে শ্রেণির জনগণ ও রাজনৈতিক নেতানেত্রীর কাছে বিজেপি এখনও অজানা রহস্য মুখ‍্যমন্ত্রী তাঁদের গোত্রের নন। আরএসএসের অলিগলির প্রায় সব নুক্করই ওঁর কাছে আলোকিত। তবু কেন, কোন ঔদাসীন‍্যে গেরুয়া গড়ের জমি ছাড়ছেন? সিপিএম-ভোট বিজেপিতে যাচ্ছে, বিনা প্রশ্নে এই বাস্তবতাও না হয় মেনে নেওয়া গেল। কিন্তু মুকুল থেকে অর্জুন কোন দলের? তাঁদের তাবৎ শাখাপ্রশাখা? তাঁরা কারা? 

এর পরও মুকুলিত বিজেপির অনর্গল উদগার অবাধে শোনা যাচ্ছে। পাইপলাইনে অসংখ্য নাম। এবং কার্যকারণে ছদ্মবেশ খুলে যাচ্ছে। পদ্মে এত মধু? আর পদ্মপুকুরে পচা শামুকে পা কাটছে কার, পুলিশমন্ত্রীকে অবশ্যই বলে দিতে হবে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here