নিজস্ব সংবাদদাতা: এখনও দু’বছর হয়নি পথ চলা শুরু করেছে সে। কিন্তু এই অল্প সময়ের মধ্যেই বাংলার সাহিত্যজগতে একটা জায়গা করে নিয়েছে সাহিত্যপত্রিকা ‘বনপলাশি’। 

শনিবার এই ‘বনপলাশি’র জন্য এক খুশির খবর এল। এই প্রথম বার কোনো প্রাতিষ্ঠানিক গ্রাহক পেল এই পত্রিকাটি। গ্রাহক হয়েছে সোদপুর হাইস্কুল। সার্ধশতবর্ষ পেরোনো এই স্কুলের পক্ষ থেকে গ্রাহক হন স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুদীপ চৌধুরী।

উল্লেখ্য, ‘বনপলাশি’র সঙ্গে অঙ্গাঙ্গী ভাবে যাঁরা জড়িত, তাঁরা কখনোই একে শুধুমাত্র পত্রিকা হিসেবে দেখতে রাজি নন। তাঁদের মতে, এটা একটা পরিবার, যেখানে তিনটে প্রজন্ম এক সঙ্গে হাতে হাত ধরে এগিয়ে যায়। ঠিক সেই বক্তব্য ফুটে ওঠে এই পত্রিকার উপদেষ্টামণ্ডলীর অন্যতম সদস্য সুশান্ত রায় কর্মকারের কথায়। তিনি বলেন, “বনপলাশি একটি সাহিত্য পরিবার, যেখানে তিনটে প্রজন্ম হাতে হাত ধরে চলার চেষ্টা করছি। আমরা জানি আমরা সফল হবই”।

সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে বনপলাশির শারদীয়া সংখ্যাটি। এই পত্রিকায় তিন প্রজন্মের সাহিত্যচর্চাই স্থান পায়। অনেকগুলি বিভাগের মধ্যে এ বারের সংখ্যায় অন্যতম আকর্ষণীয় বিভাগটি হল ‘প্রেম অন্তহীন।’ এখানে স্থান পেয়েছে রবীন্দ্রনাথ, শরৎচন্দ্র, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, শচীনন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, বিমল কর, বুদ্ধদেব গুহ, জীবননানন্দ দাশ-সহ বাংলার সাহিত্যের একাধিক মহীরুহের ছোটো গল্প।

এ ছাড়াও এ বারের সংখ্যায় ‘কথিকা’, ‘কবিতা’, ‘প্রবন্ধ’, ‘’জীবনকথা’, ‘গল্প’, ‘নাটক’, ‘নিবন্ধ’, ‘পুরাণ কথা’, ‘রম্য রচনা’, ‘স্মৃতি কথা, ‘ভ্রমণ কথা’, ‘নান্দনিক চিত্রকথা’ এবং ‘আলোকচিত্র’ বিভাগ রয়েছে।  এ ছাড়াও শুধুমাত্র শিশুদের জন্য একটি বিভাগ রয়েছে পত্রিকায়, ‘ছোটোদের অমলতাস।’ খুদেদের লেখা গল্প, কবিতা, কমিক্স, নান্দনিক চিত্রকথা ফুটে উঠেছে এখানে।

মাত্র অল্প সময়ের মধ্যে ‘বনপলাশি’ বাংলার সাহিত্যজগতে একটা বিশেষ স্থান যে করে নিয়েছে সেটা বলাই যায়। এর মধ্যেই শনিবার নতুন পালক উঠল তাদের মুকুটে।

পত্রিকার সম্পাদক ভার্গবী বসু বলেন, “১৮৫৩ সালে স্থাপিত সার্ধশতবর্ষ পেরোনো এই ঐতিহ্যবাহী স্কুল আজ প্ৰথম প্রাতিষ্ঠানিক গ্রাহক। বড়ো আনন্দের দিন আজ। স্কুল লাইব্রেরির দৌলতে অমলতাসের বন্ধু বাড়বে এমনটাই আশা বনপলাশির।”

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন