রবিবারের ছড়া: অতিবাম হায় রাম!

0

দেবারুণ রায়

নয় নয় করে বাম

এগারোয় তৃণধাম

চাষার বেটার ঘাম

Shyamsundar

গামছায় মুছলাম

হেলেধরা নেতাটাকে হারালাম

কেউটে ধরার তেজ দেখালাম

গর্তে ঢোকার দাম পেইলাম

মন্ত্রীর মসনদে গেইলাম

ভাঙরের ভাঙাবেড়া পোড়ালাম

খোঁড়া পায়ে জাত মান খোয়ালাম।

আরও কত কেনারাম

বাজারে তো হা হারাম

দুদিকেই তোলারাম

গেরুয়া সবুজ খাম

ছিল যত অতিবাম

সোনাচূড়া নন্দীগ্রাম

সিঙ্গুরে টাটার কাম

হাইওয়ে করে জাম

রামধনু জোটে গাড়ি গুজরাত পাঠালাম।

সানন্দ আনন্দধাম

কাকে ভেট? কে দিলাম?

জীবনের গায় গান

নচি কচি নানা নাম

কালীঘাটে লেনিনকে দেখলাম, 

“কী দিলাম!”

বিপ্লব মুফতে মেলে? দাও দাম।

মা মাটিতে হাঁটি হাঁটি পা দিলাম

নবান্নে লাল চা, সঙ্গে লাল সেলাম!’

উনিশের বাংলা, আঠারো আসনে রাম

একশো একুশ সিটে বদনাম।

সেই থেকে ফের শুরু পালাগান

সকালে বিকেলে চান সাম দাম

রামনামে মা মাটিটা ভেজালাম

রামনবমীতে বীর হনুমান।

অবশেষে মে দিবসে সেই নাম

কলার টিউনে কোনো জলদিরাম

ক্ষুদ্রনীল বলেছিল এরই নাম,

নীরব বেওসা তার নিষ্কাম।

দুশো পার এইবার, জয় সিরিরাম!

সুতরাং দরজাটা খুললাম

হাতে তার গুটকার ছিট লাগা ছ’টা খাম।

“আমাকে চেনেন, বি মানে চিনতা হায় কি ভাই,” শুধোলাম।

লাল দাঁত: “হেঁহেঁ কী যে বল দাদা রাম রাম!”

সাড়ে চুয়াত্তর হল মোদী ও মুকুল-সহ শান্তিধাম!

পা বাড়ানো পালোয়ান অতিবাম

সাফ বলে দেন, বিকাশ উন্নয়ন একই কাম, সুতরাং

ছ’টা খাম ভুলে যান

রিংটোন করে দিন, হায় রাম।   

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন