ছন্দবন্ধনের ২৫তম পর্বে অনন্য নিবেদন ‘নহ মাতা নহ কন্যা’

0

নিজস্ব প্রতিনিধি: সমাজে নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নারীর যে নিরন্তর সংগ্রাম তাকে রবীন্দ্রনাথ সামনে এনেছেন তাঁর সাহিত্যের মাধ্যমে। তিনি নারীশক্তির জয়গান গেয়েছেন।  রবীন্দ্রচেতনায় নারীর স্থান ঠিক কোথায়, সেটিই ছন্দবন্ধন তুলে ধরল তাদের ২৫তম পর্বে। সম্প্রতি ফেসবুক লাইভে সম্প্রচারিত হল নৃত্য-গীত-পাঠ সমন্বিত ছন্দবন্ধনের অনুষ্ঠান – শিরোনাম ‘নহ মাতা নহ কন্যা’।

রবীন্দ্রনাথের গান, কবিতা, গল্প, নাটক থেকে বিষয়বস্তু চয়ন করে সে দিন যে মালা গাঁথা হল তার পরিকল্পনায় ছিলেন সুচিত্রা মিত্রের স্নেহধন্যা ছাত্রী ও শিল্পী-শিক্ষক নমিতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায়ও ছিলেন তিনি। তাঁর এবং সহ-শিল্পীদের সুদক্ষ পরিবেশনা সমগ্র অনুষ্ঠানটিকে মনোগ্রাহী করে তুলেছিল।

ছন্দবন্ধনের পরিবারে রয়েছেন বাহারিন থেকে শুভ সরকার, মৌমিতা ভট্টাচার্য ও সুজয় গোস্বামী, কানাডা থেকে মানালি ভট্টাচার্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে সফিক আহমেদ। বিভিন্ন গুণীজনকে নিয়ে তাঁরা নানা অনুষ্ঠান করে চলেছেন নিয়মিত। সে দিন অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার আগে ছন্দবন্ধনের পক্ষ থেকে মৌমিতা ভট্টাচার্য শ্রোতা-দর্শকদের সঙ্গে শিল্পীদের পরিচয় করিয়ে দেন।  

নমিতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও অনুষ্ঠানে যোগ দেন কলকাতা থেকে সংগীতশিল্পী পিয়ালি কর কবিরাজ ও অনুতোষ মুখোপাধ্যায় এবং লেখক-সাংবাদিক-বাচিকশিল্পী পাপিয়া মিত্র, ঢাকা থেকে সংগীতশিল্পী সঞ্চিতা রাখী, আসানসোল থেকে বাচিকশিল্পী অভিজিৎ চন্দ ও পিঙ্গলা চন্দ, বেঙ্গালুরু থেকে নৃত্যশিল্পী অন্বেষা ঘোষ এবং মুম্বই থেকে বাচিকশিল্পী মলি দত্ত।

‘নিদ্রাহারা রাতের এ গান/বাঁধব আমি কেমন সুরে’ – নমিতা দেবীর কণ্ঠের গান দিয়ে শুরু হয় এ দিনের অনুষ্ঠান। রবীন্দ্রনাথের লেখায় যে ভাবে নারীর প্রতিবাদের কথা, নারীর সংগ্রামের কথা উঠে এসেছে, তাতে অনুপ্রাণিত হয়েছেন অনেকেই। এ প্রসঙ্গে হেমন্তবালা দেবীর কথা বললেন নমিতা দেবী। ময়মনসিংহের গৌরীপুরের জমিদার-কন্যা হেমন্তবালা দেবীর বিয়ে হয় নাটোরের জমিদার ব্রজেন্দ্রকান্ত রায়চৌধুরীর সঙ্গে। বিবাহিত জীবন সুখের হয়নি হেমন্তবালা। বৈষ্ণবধর্মে দীক্ষিত হয়েছিলেন তিনি। তত দিনে পড়ে ফেলেছেন রবীন্দ্রনাথের ‘যোগাযোগ’ আর ‘শেষের কবিতা’।

হেমন্তবালা দেখেছিলেন, রবীন্দ্রনাথ তাঁরই মতো এক নারীর কথা লিখেছেন তাঁর রচনায়। নানা ছদ্মনামে কবিকে চিঠি লিখতে শুরু করলেন। পর পর আটটি চিঠি লিখে ফেললেন হেমন্তবালা। এর পর ৩৭ বছরের হেমন্তবালা আর ৭১ বছরের রবীন্দ্রনাথের মধ্যে পত্রালাপ চলতেই লাগল, কবির জীবনের শেষ দিক পর্যন্ত। ছদ্মনামে লেখা প্রথম দিকের এক চিঠিতে কবিকে হেমন্তবালা লিখেছিলেন, “আমার মনে অনেক অশান্তি জমিয়াছিল, কাহারো কাছে মনের সুখ দুঃখের কথা উদ্ঘাটন করিবার, কাহারো নিকট হইতে একটু সান্ত্বনার বাণী শুনিবার প্রয়োজন ছিল।” রবীন্দ্রনাথ উত্তরে লিখেছিলেন, “আমি বুঝতে পারি, আমাকে লেখা তোমার আন্তরিক প্রয়োজন আছে…”। এ ভাবেই রবীন্দ্রনাথ তাঁর লেখার মাধ্যমে নারীদের মনের আন্তরিক প্রয়োজন মেটাতেন।

হেমন্তবালা দেবী ও রবীন্দ্রনাথ।

নমিতা দেবীর পাঠের মধ্যেই পিয়ালি কর তাঁর সুললিত কণ্ঠে উপস্থাপনা করলেন, ‘আমার প্রাণের মাঝে সুধা আছে, চাও কি’।

নমিতা দেবী ফিরে এলেন পাঠে – কবি যেমন প্রাণের সুধার কথা বলেছেন, তেমনি নারীর বিদ্রোহের কথা বলেছেন, মুক্তির পথ দেখিয়েছেন। ‘চণ্ডালিকা’র কাহিনিতে, ‘চিত্রাঙ্গদা’র কাহিনিতে তো তারই কথা আছে। মণিপুরের রানি ‘চিত্রাঙ্গদা’র যে দৃপ্ত প্রকাশ তা আরও বেশি স্পষ্ট হয়ে উঠল নমিতা দেবীর কণ্ঠে – ‘আমি চিত্রাঙ্গদা, আমি রাজেন্দ্রনন্দিনী/আমি দেবী, নহি সামান্যা নারী’।

আর অন্বেষা ঘোষের নৃত্য উপস্থাপনা নারীর বিদ্রোহের ডাককে আরও প্রাণবন্ত করে তুলল। ‘ওরে ঝড় নেমে আয়/আয় রে আমার শুকনো পাতার ডালে’ গানের সঙ্গে অন্বেষা পরিবেশন করলেন অনবদ্য নৃত্য।

অনাহারি পরিবারের শিক্ষাবঞ্চিত নারীও যে প্রতিবাদে অনন্যা হয়ে উঠতে পারে তার প্রমাণ ‘রতন’ – রবীন্দ্রনাথের ছোটোগল্প ‘পোস্টমাস্টার’-এর বারো-তেরো বছরের বালিকা রতন, কলকাতা থেকে আসা পোস্টমাস্টারের একমাত্র সঙ্গী। ‘পোস্টমাস্টার’ দাদাবাবুর হঠাৎ গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়া মেনে নিতে পারেনি রতন, এমনই বন্ধনে জড়িয়ে পড়েছিল সে। সে তার মতো করে তার প্রতিবাদ করেছিল।

‘পোস্টমাস্টার’ গল্প থেকে পাঠ করে শোনালেন পাপিয়া মিত্র। তাঁর দরদী পাঠ চোখের কোণে যেন এক ফোঁটা জল এনে দিল। সমস্ত রকম সংকোচ কাটিয়ে উঠে দাদাবাবুর পায়ে পড়ে রতন বুঝিয়ে দিয়েছিল, সে দাদাবাবুকে যেতে দিতে চায় না।

অনুতোষ মুখোপাধ্যায়ের কণ্ঠে ‘সংকোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমান’ গানের পর পাপিয়া শোনালেন রবির সৃষ্টি আরেক লড়াকু মেয়ের কাহিনি – ‘খাতা’ গল্পের উমার কথা। লিখতে জানা উমার বিয়ে হয়ে গেল ন’ বছর বয়সে। তার যশির (বাড়ির পুরোনো দাসী) দৌলতে উমার সঙ্গী খাতাখানিও সঙ্গে গেল। শ্বশুরবাড়িতে ঘরের দরজা বন্ধ করে নিজের মনের কথা লিখতে গিয়ে ঘটল বিপত্তি। তিন ননদ আড়ি পেতে ধরে ফেলল। খবর চলে গেল তার স্বামী প্যারীমোহনের কাছে, যার মনে নব্যভাব ‘কিছুমাত্র প্রবেশ করিতে পারে নাই’। এই ঘটনায় প্যারীমোহন বেশ চিন্তিত হল। স্ত্রীজাতির লেখাপড়া সম্পর্কে তার একটি সূক্ষ্ম তত্ত্ব ছিল, যা থেকে সে নির্ণয় করেছিল, লেখাপড়া করলে রমণী বিধবা হয়। সুতরাং যা হওয়ার তা-ই হল। উমা আর ফেরত পেল না সেই খাতা।

তৎকালীন সামাজিক চিন্তাভাবনার শিকার হয়ে উমাকে তার স্বাধীন ইচ্ছা কী ভাবে জলাঞ্জলি দিতে হয়েছিল, পাপিয়া মিত্র তাঁর পাঠে তা সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুললেন।

পাপিয়া মিত্রের পাঠের পরেই সঞ্চিতা রাখির কণ্ঠে গান ‘আমি তোমারই মাটির কন্যা, জননী বসুন্ধরা’ মন ভরিয়ে দিল।

এ বার মলি দত্তের পাঠ। রবীন্দ্রনাথের ‘নষ্টনীড়’ কী ভাবে নারীর গড়ে ওঠা, উঠে দাঁড়ানো ও প্রতিবাদের সেরা গল্প হয়ে উঠেছে তা মলি দত্ত বুঝিয়ে দিলেন তাঁর পাঠে। এ কাহিনি খেলা ভাঙার খেলার কাহিনি। সাংসারিক বিপর্যয়ের করুণ চিত্র। সুখের সন্ধান করেছিল চারু। চারুর জগতে প্রবেশ করতে অনেক দেরি করে ফেলেছিল স্বামী ভূপতি। আর দেওর অমলও তাঁর মনোজগতে চারুকে স্থান দেয়নি।

চারুর বেহাল দশার ছবিটা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে রবীন্দ্রনাথের রচনায় ও  মলি দত্তের পাঠে – “চারু আপনাকে আর খাড়া রাখিতে পারে না। কাজকর্ম পড়িয়া থাকে, সকল বিষয়েই ভুল হয়, চাকরবাকর চুরি করে; লোকে তাহার দীনভাব লক্ষ্য করিয়া নানাপ্রকার কানাকানি করিতে থাকে, কিছুতেই তার চেতনা মাত্র নাই।…অবশেষে ভূপতিও সমস্ত দেখিল, এবং যাহা মুহূর্তের জন্য ভাবে নাই তাহাও ভাবিল –  সংসার একেবারে তাহার কাছে বৃদ্ধ শুষ্ক জীর্ণ হইয়া গেল”। মলি দত্তের পাঠে মূর্ত হয়ে উঠল ‘নষ্টনীড়’-এর নির্যাস।

‘যা হারিয়ে যায় তা আগলে বসে রইব কত আর’ – ‘নষ্টনীড়’-এর কাহিনির পরেই সুপ্রযুক্ত গানটি শোনালেন সঞ্চিতা রাখি তাঁর আবেগমথিত কণ্ঠে।

এ বার আসরে এলেন অভিজিৎ চন্দ এবং পিঙ্গলা চন্দ। ‘স্ত্রীর পত্র’ গল্পের মৃণাল ও শরতের কথোপকথন দিয়ে শুরু হল তাঁদের শ্রুতিনাটক। বিন্দুর আত্মহত্যার খবরে ব্যথিত মৃণালের এ বার শপথ নেওয়ার পালা। সংশয়ের দুয়ারটুকু পেরিয়ে এগিয়ে যেতে চায় মৃণাল। অভিজিৎ-পিঙ্গলার পাঠের মাঝে অনুতোষ মুখোপাধ্যায়ের গান ‘কেন রে এই দুয়ারটুকু পার হতে সংশয়’ অনুষ্ঠান আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।

পাঠে ফিরে আসেন বাচিকশিল্পীজুটি। বিন্দুর আত্মহননের মধ্যে দিয়ে মৃণাল কী ভাবে মুক্তির দিশা খুঁজে পায়, তা তাঁর অনবদ্য পাঠে বুঝিয়ে দেন পিঙ্গলা। ঘর ছেড়ে অচেনার পথে পা বাড়ায় মৃণাল। মৃণালের চিঠির শেষাংশ পাঠ করেন পিঙ্গলা দৃপ্ত ভঙ্গিমায়, বুঝিয়ে দেন মৃণালের দৃঢ়প্রতিজ্ঞ সিদ্ধান্তের কথা। মৃণাল লিখেছিল, “২৭ নম্বর মাখন বড়ালের গলিতে আর ফিরব না”। মৃণালের দৃঢ়চিত্ত মনোভাবই যেন ফুটে উঠল পিয়ালি করের গানে – ‘আমি ফিরব নারে, ফিরব না, আর ফিরব নারে’।

১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয় রবীন্দ্রনাথের ‘রক্তকরবী’ নাটক। রবীন্দ্রনাথ তার প্রস্তাবনায় লেখেন, “আমার নাটকও একই কালে ব্যক্তিগত মানুষের আর মানুষগত শ্রেণীর”। ‘রক্তকরবী’ সম্পর্কে মলি দত্ত বললেন, ‘রক্তকরবী’র সমস্ত পালা নন্দিনী বলে একটি মানবীর ছবি। চারিদিকের পীড়নের মধ্য দিয়ে তার আত্মপ্রকাশ।

সঞ্চিতা রাখির কণ্ঠে ‘ভালোবাসি, ভালোবাসি’ শোনার পর শ্রোতা-দর্শকরা আবার চলে এলেন মলি দত্তের পাঠে। এ বার তিনি চলে গেলেন রবীন্দ্রনাথের ‘শেষের কবিতা’য়। বললেন কবির কথা। বললেন, রবীন্দ্রনাথ বলেছেন, মিলনে প্রেম ম্লান হয়। ‘শেষের কবিতা’য় অমিতের প্রতি লাবণ্যের ভালোবাসা অম্লান রাখতে চেয়েছেন কবি। লাবণ্যও ভালোবাসাকে সামাজিকতা দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করেনি। বিয়ের ফাঁদে পড়ে ভালোবাসা নষ্ট হয়ে যাক, এমনটা চায়নি সে, তাই দূরে সরে গেছে। তার পর ‘শেষের কবিতা’র শেষ কবিতা ‘হে বন্ধু, বিদায়’ আবৃত্তি করে মলি দত্ত শেষ করেছেন পাঠ।

সমগ্র অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা ও ভাবনায় ছিলেন নমিতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

রবীন্দ্রনাথ তাঁর লেখা বিভিন্ন নারীপ্রধান গল্পে কী ভাবে পুরুষতন্ত্রের প্রতি ধিক্কার জানিয়েছেন তাঁর উল্লেখ করেছেন নমিতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নমিতা দেবীর কথায়, মুক্তিপথের দিশা যে পুরুষেরই হাত ধরে এসেছে তাও দেখিয়েছেন কবিগুরু। নমিতা শুনিয়েছেন ‘হে সখা মম হৃদয়ে রহো’। শ্রোতা-দর্শকদের মন ভরে গেছে।

অনুষ্ঠানের একেবারে শেষ লগ্নে অভিজিৎ-পিঙ্গলা শ্রোতা-দর্শকদের নিয়ে গেলেন রবির জীবনে নতুন বৌঠানের প্রভাব প্রসঙ্গে। পিঙ্গলার কথায়, কাদম্বরী দেবীর স্নেহসঙ্গ ও প্রণোদনায় রবির চেতনা আলোকিত হচ্ছে নারীর শ্রী ও শক্তির বিষয়ে। সেই নতুন বৌঠানের মৃত্যু দিয়ে মৃত্যুর সঙ্গে স্থায়ী পরিচয় ঘটল রবির।

নতুন বৌঠানের মৃত্যু নিয়ে রবীন্দ্রনাথের ভাবনা কী ছিল। ‘জীবনস্মৃতি’ থেকে পড়ে শোনালেন অভিজিৎ – “…ইতিপূর্বে মৃত্যুকে আমি কোনো দিন প্রত্যক্ষ করি নাই।…আমার চব্বিশবছর বয়সের সময় মৃত্যুর সঙ্গে যে-পরিচয় তাহা স্থায়ী পরিচয়।   তাহা তাহার পরবর্তী প্রত্যেক বিচ্ছেদশোকের সঙ্গে মিলিয়া অশ্রুর মালা দীর্ঘ করিয়া গাঁথিয়া চলিয়াছে।”

পিঙ্গলার কথায়, রবীন্দ্রনাথ তাঁর যে জগতের রূপমাধুরী, মনীষা, শক্তি ও শ্রী নিয়ত খুঁজেছেন, পেয়েছেন ও উদযাপন করেছেন নারীদের মধ্যে, জগদীশ্বরের কাছে সেই নারীদের প্রার্থনা, ‘না বাঁচাবে আমায় যদি, মারবে কেন তবে’ কিংবা আরও সকরুণ আবেদন ‘আরো আরো প্রভু আরো আরো/এমনি করে আমায় মারো’।  

কবি আবার এই উৎকণ্ঠার বলয় থেকেই স্ত্রীজাতির উত্থান আর মুক্তির কথা শুনিয়েছেন এক অপরূপ গানে – ‘এই আকাশে আমার মুক্তি আলোয় আলোয়’। গানের সঙ্গে অন্বেষা ঘোষের নৃত্য পরিবেশনা শ্রোতা-দর্শকদের নিয়ে গেল এক অন্য জগতে। অন্বেষার নৃত্য থেকে বাস্তব জগতে ফিরতে বেশ কিছুটা সময় লাগল তাঁদের।

বিষয় নির্বাচন, পরিকল্পনা, পাঠের সঙ্গে গানের যথার্থ নির্বাচন এবং মনোগ্রাহী নৃত্য ছন্দবন্ধনের সে দিনের অনুষ্ঠানকে এক অন্য মাত্রায় নিয়ে গিয়েছিল।

আরও পড়তে পারেন

‘ছন্দবন্ধন’-এর একগুচ্ছ নিবেদনে আপ্লুত শ্রোতা-দর্শকরা

রবিবারের পড়া: এক ভিন্ন আঙ্গিকে রবীন্দ্র-স্মরণ শিল্পী নমিতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন