বাঁকুড়ার আকুই গ্রামে অনুষ্ঠিত হল তিনদিনব্যাপী নাট্যোৎসব

0
নাট্যোৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।

ইন্দ্রাণী সেন,বাঁকুড়া: তিনদিনব্যাপী আঠারোতম নাট্যোৎসবের সমাপ্তি হল বাঁকুড়ার ইন্দাসের আকুই গ্রামে। শুরু হয়েছিল শুক্রবার, শেষ হল রবিবার।

শুক্রবার স্থানীয় হাইস্কুল মাঠ-সংলগ্ন প্রয়াত হরিসাধন ঘোষাল ও সুনীতিদেবী স্মৃতিমঞ্চে নাট্যোৎসবের উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব কৌশিক চট্টোপাধ্যায়। নাট্যমঞ্চটি উৎসর্গ করা হয়েছিল আকুই সংস্কৃতি সমিতির সদ্যপ্রয়াত সদস্য সুনীল ভট্টাচার্যের নামে। নাট্যোৎসবের প্রথম দিনে তাঁকে স্মরণ করা হয়।

প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করছেন সমিতির সভাপতি রমাপ্রসাদ সেন।

২৮ ফ্রেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ পর্যন্ত তিন দিনে মোট পাঁচটি নাটক মঞ্চস্থ হওয়ার পাশাপাশি ব্লক, জেলা ও রাজ্যে সংশ্লিষ্ট সমিতির কৃতী শিল্পীদের সন্মাননা প্রদান করা হয়। উপস্থিত বিশিষ্ট জনদের সমিতির পক্ষ থেকে স্মারক সন্মাননা প্রদান করা হয়।

সংস্থার সম্পাদক তুহিন দলুই জানান, নাট্যোৎসবের প্রথম দিনে নদিয়ার শান্তিপুর সংস্কৃতির ‘রক্ত উপাখ্যান’, দ্বিতীয় দিনে আকুই সংস্কৃতি সমিতির ‘বারাব্বাস’, উত্তর চব্বিশ পরগনা ইচ্ছাপুর আলেয়ার ‘৬:১’ এবং তৃতীয় তথা শেষ দিনে আকুই সংস্কৃতি সমিতির ‘অমল তিয়াস’ ও বীরভূম আননের ‘মহাজ্ঞানী’ নাটক মঞ্চস্থ হয়। নাটকের পাশাপাশি তিন দিনই বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় এবং নাটকবিষয়ক আলোচনাসভাও বসে।

উল্লেখ্য, ইন্দাস এলাকার সুস্থ সাংস্কৃতিক বিকাশে দীর্ঘদিন ধরে মুখ্য ভূমিকা পালন করে চলেছে আকুই সংস্কৃতি সমিতি। রাজ্যে ছাত্র-যুব উৎসবে জেলা স্তরে নাটক প্রতিযোগিতায় সেরার সেরা সন্মান এদের ঝুলিতে। শ্রেষ্ঠ নির্দেশনা, অভিনেতা ও অভিনেত্রী এবং সেরা শিশুশিল্পীর সম্মান অর্জন করেছেন এই সমিতির সদস্যরা। প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে থেকেও এক দশকেরও বেশি সময় ধরে নাট্যোৎসব চালিয়ে এসে এই সমিতি রাজ্যে স্তরে বিশেষ ভাবে প্রশংসিত ও সমাদৃত।

আরও পড়ুন: প্রভাস এবং দীপিকাকে জুটি বাঁধতে দেখা যাবে রুপালি পর্দায়

সংস্থার সভাপতি রমাপ্রসাদ সেন বলেন, “এই বছর আমরা আমাদের অত্যন্ত প্রিয় বিশিষ্ট নট ও নাট্যকার সুনীল ভট্টাচার্যকে হারিয়েছি। এক প্রতিকূল পরিবেশে সমিতির সদস্যদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় নাট্যোৎসব সম্পন্ন হল।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন