Connect with us

অনুষ্ঠান

সাবর্ণ পরিবার আয়োজিত ইতিহাস উৎসবের অন্যতম ফোকাল থিম মা সারদা, শুরু রবিবার

নিজস্ব প্রতিনিধি: পনেরো বছরে পড়ল সাবর্ণ রায় চৌধুরী পরিবার পরিষদ আয়োজিত আন্তর্জাতিক ইতিহাস উৎসব। এ বারের উৎসবের অন্যতম ফোকাল থিম মা সারদা। মা সারদার কিছু দুর্লভ স্মৃতিচিহ্ন প্রদর্শিত হবে এই উৎসবে। যেমন, মা সারদার হাতে তৈরি আমসত্ত্বর জন্য ব্যবহৃত কাপড় বা মায়ের মৃত্যুর পর পা মুছিয়ে দেওয়া কাপড়।

এ ছাড়াও এ বছরের উৎসবে আরও একটি বিশেষ আকর্ষণ কালীঘাটের ৪৫০ বছরের ইতিহাস। ১৫৭০ সালে সতীখণ্ড প্রতিষ্ঠার প্রথম বর্ষ এবং আত্মারাম ঠাকুরের জপের মালা প্রদর্শিত হবে ইতিহাস উৎসবে।

সাবর্ণ রায় চৌধুরী পরিবার পরিষদের তরফে সম্পাদক ও মুখপাত্র দেবর্ষি রায় চৌধুরী জানিয়েছেন, এ বারের উৎসবের থিম কান্ট্রি ফ্রান্স। তাই উৎসবে থাকছে ফ্রান্স নিয়ে বিশেষ গ্যালারি। এ ছাড়াও ফরাসি সরকারের সহযোগিতায় ভারত-ফ্রান্স সম্পর্কের নানা অজানা ইতিহাসও উৎসবে জানা যাবে।

দেবর্ষিবাবু জানান, উৎসবে দুষ্প্রাপ্য ছবির প্রদর্শনী থাকছে, পাশাপাশি চলবে কুইজ। উৎসবের তৃতীয় দিন অর্থাৎ ৪ ফেব্রুয়ারি প্রণব রায় দিবস হিসাবে পালিত হবে। ওই দিন চলবে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কলকাতার ইতিহাস নিয়ে ওপেন হাউস সেশন।

উৎসবের আরও একটি আকর্ষণ ৪০০ বছরের ঘটির সংগ্রহ। রেট্রোস্পেকটিভ বিভাগে থাকছে প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী শ্যামল মিত্র এবং চলচ্চিত্র পরিচালক অরবিন্দ মুখোপাধ্যায়কে নিয়ে প্রদর্শনী। উল্লেখ্য, গত বছরেই পালিত হল অরবিন্দবাবুর জন্মশতবর্ষ।    

আন্তর্জাতিক ইতিহাস উৎসব শুরু হচ্ছে ২ ফেব্রুয়ারি, রবিবার, সকাল ১০টায়। চলবে বুধবার ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। বড়িশা বড়বাড়িতে সাবর্ণ সংগ্রহশালায় এই উৎসব চলবে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত।

উপস্থিত থাকবেন সাহিত্যিক তপন বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিনেতা জয় বদলানি, সুদীপ মুখোপাধ্যায়, নীলাদ্রি লাহিড়ী, অরুণ বন্দ্যোপাধ্যায়, বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়, জয়তী চক্রবর্তী, সৈকত মিত্র, ফ্রান্সের কনসাল জেনারেল সহ আরও অনেকে।

এই উৎসবেই সাবর্ণ পরিবারের ঐতিহ্যপূর্ণ হাতে লেখা পত্রিকা ‘সপ্তর্ষি’র একত্রিংশত্তম সংখ্যা প্রকাশ করা হবে।     

অনুষ্ঠান

অনলাইনে ২৭ দিনব্যাপী শাস্ত্রীয় নৃত্যের অনুষ্ঠান, আয়োজনে অগ্নিবীণা ডান্স অ্যাকাডেমি

স্মিতা দাস

করোনাভাইরাসের অতিমারির কারণে বাতিল হয়েছে বহু অনুষ্ঠান থেকে পার্বণ। মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাও গিয়েছে বদলে। নিউনর্মালে নতুন করে সব কিছু ভাবতে বাধ্য হচ্ছে মানুষকে। বাধ্য হচ্ছে নতুন অনেক কিছুকেই মেনে নিতে। তা বলে শিল্প কখনও থেমে থাকে না। তাই এখন শিল্পীরাও অনলাইনকে সম্বল করেই যাবতীয় আয়োজন করছেন। তেমনই একটি প্রচেষ্টা আগ্নিবীণা ডান্স অ্যাকাডেমির। প্রায় এক মাস ধরে চলছে তাদের রথযাত্রা উৎসব। রথযাত্রা থেকে প্রতিদিন নিয়ম করে চলছে নৃত্যানুষ্ঠান তাও অনলাইনে।

বীরভূমের রামপুর হাটের একটি প্রতিষ্ঠান অগ্নিবীণা ডান্স অ্যাকাডেমির। তার কর্ণধার প্রশান্ত (অঞ্চল) পাল। তিনি অনলাইনে এই এক মাস ব্যাপী নৃত্যানুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। অনুষ্ঠানটি শুরু হয়েছে ১৭ জুন থেকে চলবে ১৪ জুলাই পর্যন্ত।

প্রশান্ত বলেন, ইতিমধ্যেই হাজার হাজার ভিউ হয়েছে এই অনুষ্ঠানের। প্রচুর শুভ কামনায় ভরে গিয়েছে পেজ।

প্রশান্ত বলেন, আসলে পরিকল্পনা ছিল ভারতের সমস্ত শাস্ত্রীয় নৃত্যকে এক মঞ্চে তুলে ধরার। তাও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শিল্পীদের মাধ্যমে। কিন্তু তার পরই এই অতিমারির আবহ তৈরি হয়। আর সমস্ত পরিকল্পনাই আটকে যায়। শেষে অনলাইনে অনুষ্ঠানটি এই ভাবে নামানোর কথা মাথায় আসে। সঙ্গে সঙ্গে সেই মতোই আয়োজন শুরু হয়।

বলেন, ঠিক হয় রথযাত্রায় পরম প্রভু শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের শ্রীচরণকে স্মরণ করেই এই অনুষ্ঠান হবে। তার জন্য অনলাইনে প্রচার করা হয়। শিল্পীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা, তাঁদের নাচের ভিডিও চেয়ে পাঠানো এবং তার এডিটিং শুরু হয়। অনুষ্ঠানটির নাম দেওয়া হয়, ‘নৃত্যমালিকা’।

দিল্লি, কলকাতা, অসম, হলদিয়া, শান্তিনিকেতন, বহরমপুর, জামসেদপুর, রামপুরহাট, দুর্গাপুর, সিউড়ী ও বারাসাত থেকে প্রায় ৩৫ জন নৃত্যশিল্পী এই অনুষ্ঠানে মিলিত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন একাধিক সম্মানে সম্মানিত দূরদর্শনের শিল্পী ও আন্তর্জাতিক স্তরের বিশিষ্ঠ শিল্পী এবং আন্তর্জাতিক সম্মানে সম্মানিত নৃত্যশিল্পীও।

তাঁদের মধ্যে রয়েছেন, ড: সুমিত বসু, ড: অর্কদেব ভট্টাচার্য, কৃষ্ণেন্দু রায়, শৌভিক চক্রবর্তী, দীপ্তাংশু পাল, সুস্মিতা রায়, শুভ জেনা, শ্রীদীপ কর্মকার, অরিন্দম ব্যানার্জি, সন্দীপ বোস, বিল্টু সরকার, কুশল ভট্টাচার্য, দেবব্রত বড়ুয়া-সহ আরও অনেকেই।

পরিবেশিত হচ্ছে ভরতনাট্যম, কত্থক, মণিপুরী, কথাকলি, কুচিপুড়ি, মোহিনীআট্যম, গৌড়ীয় নৃত্য, ওড়িশি-সহ সকল ভারতীয় শাস্ত্রীয় নৃত্য।

অনুষ্ঠানটি দেখা যাচ্ছে প্রতি দিন বিকেল ৫টা থেকে। আগ্নিবীণা ডান্স অ্যাকাডেমির ফেসবুক পেজে।

আরও পড়ুন – ঘরোয়া আমেজে অনলাইনে রবীন্দ্রসংগীতের পেড প্রোগ্রাম করলেন মনোজ ও মনীষা মুরলী নায়ার

Continue Reading

অনুষ্ঠান

ঘরোয়া আমেজে অনলাইনে রবীন্দ্রসংগীতের পেড প্রোগ্রাম করলেন মনোজ ও মনীষা মুরলী নায়ার

প্রথমে প্রচার, তার পর টিকিট বিক্রি আর তার পর অনুষ্ঠান।

স্মিতা দাস

করোনাভাইরাস বদলে দিল জীবন। মঞ্চ শিল্পীরাও এখন অনলাইন কনসার্ট করছেন। রবীন্দ্রসংগীত শিল্পীরাও পিছিয়ে নেই। সম্প্রতি রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী মনোজ মুরলী নায়ার ও মনীষা  মুরলী নায়ার অনলাইন কনসার্টের আয়োজন করেছিলেন। অনুষ্ঠানের নাম ছিল ‘শ্রাবণেরও দিন যায়’। প্রথমে প্রচার, তার পর টিকিট বিক্রি আর তার পর অনুষ্ঠান ও তাতে দর্শক শ্রোতাদের উপস্থিত হওয়া – এই সবটাই হয়েছে অনলাইনে। সাড়া কেমন পেলেন? তার উত্তর দিয়েছেন শিল্পী নিজে।

জনপ্রিয় শিল্পী মনোজ ও মনীষা। শিল্পী মনোজ মুরলী নায়ার বলেন, জীবনের এই মোড়ে এসে সবটাই কেমন বদলে গিয়েছে। এমনটা কেউ কখনওই ভাবেনি। অথচ সব বদলে গেল। এখন জীবন জীবিকার তাগিদে প্রায় চার মাস পরে এসে এ বার ভাবতেই হচ্ছে এমন কিছু নিয়েই। তাই অবশেষে এমন একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন। এখন প্রযুক্তিকে সঙ্গে নিয়ে সকলেই এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। তাঁরাও করেছেন।

মনোজ বলেন, মঞ্চে হাজার হাজার মানুষের সামনে তাঁদের প্রত্যক্ষ প্রতিক্রিয়া দেখে অনুষ্ঠান করতে অভ্যাস তাঁদের। বিশেষ করে বিষয়টি যখন রবীন্দ্রসংগীত, সেখানে দর্শক শ্রোতাদের প্রতিক্রিয়া, ঘাড়নাড়া ইত্যাদিই গান গাইতে উৎসাহ যোগায়। সেখানে অনলাইনে তার কিছুই উপলব্ধি হয় না। তবে, হ্যাঁ নতুন অভিজ্ঞতাও মন্দ নয়।

এটি ছিল তাঁদের প্রথম অনলাইন পেড প্রোগ্রাম। সোশ্যাল মাধ্যমেই সব কিছু। লাইভ, ভিডিও ক্লিপিং দিয়ে প্রচার করেছেন। তিনি বলেন, বহু বয়স্ক মানুষ আছেন যাঁরা রবীন্দ্রসংগীতের অনুরাগী কিন্তু স্মার্টফোন বা সোশ্যালমাধ্যমগুলিতে অভ্যস্ত নন। তাঁদের খুবই অসুবিধা হয়। অন্যের সাহায্যের অপেক্ষায় থাকতে হয়। তবুও তেমন ভাবেও বহু শ্রোতা এই অনুষ্ঠানে এসেছিলেন। সেই নিরিখে শিল্পী হিসাবে তিনি খুবই খুশি।

টিকিটের দাম কী রকম ছিল

মনোজ মুরলী নায়ার জানান, ভারতীয়দের জন্য ১০০ টাকা। এ ছাড়া বিদেশে ১০ ডলার, বা পাউন্ড ইত্যাদি। সব মিলিয়ে প্রায় ৩১৫টি মতো টিকিট বিক্রি হয়েছিল। কারণ এটাই ছিল প্রথম বার। তিনি বলেন, মঞ্চে কনসার্ট হলে একটা টিকিটে একজনই আসেন। কিন্তু অনলাইনে তা সম্ভব নয়। একটা টিকিটে সারা বাড়ির সকল সদস্যই দেখতে পারেন। ফলে এ ক্ষেত্রে একটা প্রতিকূলতা তো রয়েইছে। সুতরাং খুব একটা যে লাভবান বিষয় তা কিন্তু নয়।

সমস্যা কিছু হয়নি?

মনোজ মুরলী নায়ার বলেন, মিউজিশিয়ান নিয়ে এই রকম অনুষ্ঠান করলে সেখানে খরচ অনেক বেশি হয়। এটা যে হেতু রবীন্দ্রনাথের গান, আর মানুষ যে কোনো পরিস্থিতিতে, এমনকি এই সময় এই যুগেও তা শুনতে ভালোবাসেন তাই সম্ভব হয়েছিল ঘরোয়া আমেজে শোনানো। কিন্তু অন্য ধরনের গান হলে তা সম্ভব নয়।

কতগুলি গান ছিল

প্রায় ২০টি গান ছিল। একক আর দ্বৈত মিলিয়ে। তার মধ্যে ছিল ‘ধরণীর গগনের’, ‘মেঘের পরে মেঘ জমেছে’, ‘আজি ঝরঝর মুখর বাদল দিনে’, ‘মধু গন্ধে ভরা’ ইত্যাদি।

ভবিষ্যতে কি এমন অনুষ্ঠান আবার করবেন

শিল্পী দৃঢ় প্রত্যয়ে জানালেন, নিশ্চয়ই করবেন। তাঁর কথায়, আবার তাঁরা এই ভাবেই অনুষ্ঠান করবেন। এটা ছিল শুরু।  

দেখুন – ৮০-র পরেও নতুন অভিজ্ঞতার ‘শ্যামা’য় তিনি অভিভূত, বললেন সত্তরোর্ধ্ব নৃত্যশিল্পী পলি গুহ

Continue Reading

অনুষ্ঠান

৮০-র পরেও নতুন অভিজ্ঞতার ‘শ্যামা’য় তিনি অভিভূত, বললেন সত্তরোর্ধ্ব নৃত্যশিল্পী পলি গুহ

স্মিতা দাস

মঞ্চের উত্তম-সুচিত্রার উত্তম আজ আর নেই, কিন্তু সুচিত্রা ৭৩ বছর বয়সে এসেও আজও দর্শকের মন জয় করে চলেছেন। এমনকি নিউ নর্মালের সমস্ত গণ্ডীর মধ্যে থেকেও নিজেকে খাপ খাইয়ে নিয়ে শিল্পকে একচুলও বঞ্চিত করেননি বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী পলি গুহ।

শুধু তিনি নন সম্প্রতি গুরুপূর্ণিমা উপলক্ষ্যে অনলাইনে মুক্তি পাওয়া ‘পরিশোধ’ অবলম্বনে ‘শ্যামা’ নৃত্যনাট্যটিতে রয়েছেন প্রদীপ্ত নিয়োগী, কোহিনূর সেন বরাট। এই নৃত্যানাট্যের প্রযোজনা করেছেন পলি গুহের কন্যা সেঁজুতি গুহ রায়।

এক ঘণ্টারও বেশি সময়ের এই নৃত্যনাট্যটি ছোটো পরিসরের মুঠো ফোনের দর্শকদের ব্যস্ততার কথা মাথায় রেখেই সম্পাদনা করে নামানো হয়েছে প্রায় ২৫ মিনিটে। সেই ২৫ মিনিটের পরিসরে শারীরিক দূরত্ব মেনে নিজের নিজের বাড়ি থেকে শুটিং করে কাজ করার এক নতুন অভিজ্ঞতার কথা জানালেন পলি গুহ।

তিনি বলেন, মঞ্চ দাপিয়ে বেড়িয়েছেন একটা সময়, এমন করেও যে একই কাজ করা যায় তা কখনও ভাবেননি। সম্পূর্ণ ভিন্ন অভিজ্ঞতা। স্টেজ, ব্যাকগ্রাউন্ড, নাচের পরিসর, বিভিন্ন সুযোগসুবিধে, আলো ইত্যাদির সঙ্গে এর কোনো তুলনাই চলে না। প্রথমে কাজটি করতে একটু অসুবিধে মনে হলেও পরে কাজটি করতে গিয়ে বেশ মজা লাগে তাঁর। বেশ উপভোগও করেছেন। তিনি জানান, সেঁজুতি প্রতি পদক্ষেপে তাঁর সঙ্গে যেমন পরামর্শ করেছেন, তেমনই এই কাজে তাঁকে প্রতি মুহূর্তে সাহায্যও করেছে্ন।

প্রসঙ্গত, পলি গুহ ৮০ বারেরও বেশি ‘শ্যামা’ চরিত্রে কাজ করেছেন। এ ছাড়াও রয়েছে অন্যান্য অগুনতি পরিবেশনা। জীবনের বিভিন্ন সময়ে বহু পুরস্কার তিনি পেয়েছেন। তার মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ২০০৫ সালে শ্রেষ্ঠ নৃত্যশিল্পী পুরস্কার, ২০০৭ সালে পথের পাঁচালির পক্ষ থেকে একটি বিশেষ পুরস্কার, ২০১১-য় ইন্দো অক্সিডেন্টাল সিমবায়োসিস (আইওএস) থেকে লাইফ টাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড, ২০২০ সালে টেগর রিসার্চ ইনস্টিটিউট থেকে রবীন্দ্রনৃত্য খ্যাতনামা নৃত্যশিল্পী হিসাবে পুরস্কার।

সেঁজুতি গুহ রায় বলেন, তাঁর জীবনে আদর্শ নৃত্যশিল্পী হলেন তাঁর বাবা-মা। তাই সে ক্ষেত্রে তাঁদের ধ্যানধারণা বা রুচির সম্পূর্ণটাই তাঁর কাছে বরণীয়। তাই সেটিকে অবলম্বন করে ঐতিহ্যকে তিনি বহন করে নিয়ে যেতে চান। সে ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনৃত্যের সম্পূর্ণ নিজস্বতাকে তিনি অস্বীকার করতে পারেন না। তবে নতুন ভাবধারার মানুষের সঙ্গে মূলগত কিছু পার্থক্য থেকেই গিয়েছে এই কাজে। তিনি পোশাকের ক্ষেত্রে নাচের আঙ্গিকের ক্ষেত্রে রাবীন্দ্রিক ভাবধারাকেই প্রাধান্য দিয়েছেন। ভারতীয় শাস্ত্রীয় নৃত্যের কোনো রকম প্রভাব থেকে তিনি নৃত্যনাট্যটিকে মুক্ত রেখেছেন। সব সময় মায়ের পরামর্শকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন।

তিনি বলেন, গল্পের স্বার্থে সম্পাদনার পরিসর একটু বেশি মনে হলেও এখানে বেশ একটা নতুনত্ব রয়েছে। তা মূল ‘শ্যামা’য় নেই। তা হল যৌবন ও বৃদ্ধ বয়সের শ্যামা ও বজ্রসেন চরিত্র। অর্থাৎ গল্পের শেষে ফ্ল্যাশ ব্যাক। তিনি কবিগুরুর ‘পরিশোধ’ নাটক অবলম্বনে ‘শ্যামা’য় গল্প নির্বাচন ও সম্পাদনা করেছেন। সেই অনুসারেই এই দু’টি বয়সকে ধরা হয়েছে, এটি সম্পূর্ণ নতুন একটি ভাবনা।  

উত্তীয়র ভূমিকায় কাজ করেছেন কোহিনূর সেন বরাট। তিনি বলেন, অনলাইনে কাজ অনেক করলেও এই ভাবে শারীরিক দূরত্ব মেনে কাজ করার অভিজ্ঞতা একদম আলাদা। বেশ উপভোগ করেছেন। পলি গুহর সঙ্গে অনেক বার কাজ করেছেন তিনি। কিন্তু এই কাজের অভিজ্ঞতা আলাদা। সব থেকে বড়ো ব্যাপার হল, নতুন প্রজন্ম যে এই পুরোনো সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে আগ্রহী এবং তারা তা বহন করে নিয়ে চলছে, এই ব্যাপারটি খুবই আনন্দের। তিনি আরও বলেন, ডিজিট্যালে কাজ মঞ্চে কাজ করার থেকে আলাদা। মঞ্চের ক্ষেত্রে দর্শকরা সদা জাগ্রত, তৎক্ষণাৎ প্রতিক্রিয়া হাততালির মাধ্যমে জানিয়ে দেন, এই সমস্তই বেশ উৎসাহ জোগায় । ডিজিট্যালে সেটা না হলেও শিল্প যে কখনও থেমে থাকে না, তার উদাহরণ হল এই ডিজিট্যাল মাধ্যম। তাই এটির গুরুত্ব আর কাজের উৎসাহকেও অস্বীকার করা যায় না।   

অভিনেতাই যেখানে বাদক, পশ্চিমী গানে তবলার প্রয়োগ নিয়ে ভিডিও প্রকাশ করতে চলেছেন সৌম্যরূপ সাহা

Continue Reading
Advertisement
ক্রিকেট3 hours ago

ক্রিকেটের প্রত্যাবর্তনে ঐতিহাসিক জয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের

বাংলাদেশ5 hours ago

জাল করোনা-শংসাপত্র চক্রের অন্যতম পাণ্ডা ধৃত ও চাকরি থেকে বরখাস্ত

রাজ্য7 hours ago

রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ হাজার পার, কমছে মৃত্যুহার

রাজ্য7 hours ago

রাজ্যের লক্ষ্য দৈনিক ১ লক্ষ করোনা নমুনা পরীক্ষা করা, আসছে নতুন যন্ত্র

পরিবেশ7 hours ago

একুশ শতকে প্রথম মুক্ত অবস্থায় ঘুরে বেড়াতে দেখা গেল সোনালি বাঘকে

দেশ7 hours ago

কেরল সোনা পাচারকাণ্ড: এনআইএ-র হাতে গ্রেফতার স্বপ্না সুরেশ, উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

indian post
শিল্প-বাণিজ্য9 hours ago

দেখে নিন পোস্ট অফিসের ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্পগুলিতে সর্বশেষ সুদের হার

দেশ10 hours ago

ঘোড়া আস্তাবল থেকে পালালে তবেই কংগ্রেসের ঘুম ভাঙবে? সচিন পায়লট প্রসঙ্গে বিস্ফোরক মন্তব্য কপিল সিবালের

কেনাকাটা

কেনাকাটা3 days ago

ঘরের একঘেয়েমি আর ভালো লাগছে না? ঘরে বসেই ঘরের দেওয়ালকে বানান অন্য রকম

খবরঅনলাইন ডেস্ক : একে লকডাউন তার ওপর ঘরে থাকার একঘেয়েমি। মনটাকে বিষাদে ভরিয়ে দিচ্ছে। ঘরের রদবদল করুন। জিনিসপত্র এ-দিক থেকে...

কেনাকাটা5 days ago

বাচ্চার জন্য মাস্ক খুঁজছেন? এগুলোর মধ্যে একটা আপনার পছন্দ হবেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিউ নর্মালে মাস্ক পরাটাই দস্তুর। তা সে ছোটো হোক বা বড়ো। বিরক্ত লাগলেও বড়োরা নিজেরাই নিজেদেরকে বোঝায়।...

কেনাকাটা6 days ago

রান্নাঘরের টুকিটাকি প্রয়োজনে এই ১০টি সামগ্রী খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক : লকডাউনের মধ্যে আনলক হলেও খুব দরকার ছাড়া বাইরে না বেরোনোই ভালো। আর বাইরে বেরোলেও নিউ নর্মালের সব...

কেনাকাটা1 week ago

হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৩১ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

অনলাইনে খুচরো বিক্রেতা অ্যামাজন ক্রেতার চাহিদার কথা মাথায় রেখে ঢেলে সাজিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সম্ভার।

নজরে