ট্রাভেল রাইটার্স ফোরামের ভ্রমণ লিখনশৈলী কর্মশালা

0

কলকাতা: ভ্রমণ নিয়ে লেখালেখি করতে অনেকেই ভালোবাসেন। কিন্তু নিজের লেখার উন্নতিতে সঠিক পথপ্রদর্শন অনেকেই পান না।

ইচ্ছুকদের সেই সঠিক পথ দেখিয়ে দেওয়ার জন্য গত তিন বছর ধরেই একটি লিখনশৈলী কর্মশালার আয়োজন করছে ভ্রমণ লেখকদের সংস্থা ট্রাভেল রাইটার্স ফোরাম। রবিবার ১৬ ফেব্রুয়ারি, তৃতীয় বছরের কর্মশালাটির আয়োজন করল তারা।

আগের দু’বছরের মতো এই কর্মশালার মূল মন্ত্র একই ছিল। ফোরামের সদস্য নন, এমন ইচ্ছুকরা যাতে কর্মশালাটি উপভোগ করতে পারেন, তার আয়োজনও ছিল।

এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছিলেন ১৫ জন। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিল তিন জন। তাঁরা হলেন সাহিত্যিক চিরঞ্জয় চক্রবর্তী, আনন্দবাজার পত্রিকার দুই অবসরপ্রাপ্ত সাংবাদিক অরণি বন্দ্যোপাধ্যায় (বর্তমানে ‘উত্তরবঙ্গ সংবাদ’-এ কর্মরত) আর শম্ভু সেন (বর্তমানে নিউজ পোর্টাল খবর অনলাইনের প্রধান উপদেষ্টা)।

আরও পড়ুন আগামী এক সপ্তাহ বসন্তের মনোরম আবহাওয়া দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে

বাংলা লেখার বিভিন্ন দিক নিয়ে এই কর্মশালায় আলোচনা হয়। কিছু লিখতে গেলে আগে দেখতে হবে। সেই চোখে দেখা জিনিসটাকে কী ভাবে কলমে আনা হবে, সেই বিষয়ে বলেন চিরঞ্জয়বাবু। লিখতে গেলে কী ভাবে অপ্রয়োজনীয় আর অবাঞ্ছিত বিষয় বাদ দেওয়া হবে, সেই ব্যাপারে বলেন অরণিবাবু। আর বাংলা লেখায় সাধারণ ভুলভ্রান্তির বিষয়গুলি তুলে ধরেন শম্ভুবাবু। কর্মশালায় যোগদানকারীদের লেখা সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরও দেন তিন বিশেষ অতিথি।

অনুষ্ঠানের এক ফাঁকে অতীতের ভ্রমণকাহিনি লেখকদের নিয়ে নানা তথ্য তুলে ধরেন বিশিষ্ট অতিথিরা। তাঁরা নিজেদের ভ্রমণ-অভিজ্ঞতারও কাহিনি শোনান।

এ ছাড়া ট্রাভেল রাইটার্স ফোরাম-এর বার্ষিক ভ্রমণপত্রিকা ‘ভ্রমী’তে প্রকাশিত একটি লেখা নিয়ে কর্মশালায় বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রথমে নিজের ওই লেখা পাঠ করেন শর্বা ঘোষ নাথ। তার পর ওই লেখা নিয়ে শ্রোতাদের নানা প্রশ্ন জবাব দেন লেখিকা।

কর্মশালার আরেকটি অঙ্গ ছিল ‘বসে লেখা’। যাঁরা এ দিন কর্মশালায় যোগ দেন, তাঁদের বলা হয়, বাড়ি থেকে কর্মশালায় আসা পর্যন্ত যে ভ্রমণ হয়েছে, তা নিয়ে একটি ভ্রমণকাহিনি লিখে ফেলতে। পরে যোগদানকারীদের ওই লেখাগুলি নিয়ে কাটাছেঁড়া করেন তিন বিশেষ অতিথি।

সকালে কর্মশালার সূচনা করেছিলেন ফোরামের সভাপতি রতনলাল বিশ্বাস। তিনি তাঁর বক্তৃতায় ফোরামের কর্মকাণ্ড সংক্ষেপে বর্ণনা করেন।

কর্মশালা শেষে প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীকে শংসাপত্র তুলে দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে স্মারক হিসেবে একটি করে ক্যাকটাস গাছও দেওয়া হয়। সকলকে ধন্যবাদ দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক রথীন চক্রবর্তী। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সুচারু রূপে সঞ্চালনা করেন বিদ্যুৎ দে।

------------------------------------------------
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.