বোলপুরের মঞ্চ মুগ্ধতায় ভরিয়ে দিল বাগুইআটি নৃত্যাঙ্গন ও আন্তরিক

0
বাগুইআটি নৃত্যাঙ্গনের নৃত্য পরিবেশনা।

নিজস্ব প্রতিনিধি: পঁচিশ বছর পূর্ণ হতে চলেছে বাগুইআটি নৃত্যাঙ্গন ও আন্তরিক সাংস্কৃতিক সংস্থার। তার প্রাক্কালে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা উপহার দিল ওই দুই সংস্থা। শনিবার সন্ধ্যায় বোলপুর পুরসভার উৎসর্গ মঞ্চে ওই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।   

‘তোমার পরশে এলাম পঁচিশে’ নামাঙ্কিত ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বভারতীর সংগীত ভবনের অধ্যাপিকা স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। বোলপুর পুরসভার উপ-পুরপ্রধান নরেশ বাউরী বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও সংগীতশিল্পী চন্দ্রবলী রুদ্র দত্ত, প্রদীপ দত্ত, মনীষা মুরলী নায়ার-সহ বাগুইআটি নৃত্যাঙ্গন ও আন্তরিক সাংস্কৃতিক সংস্থার কর্ণধার ও শিল্পীরা।

প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে অনুষ্ঠানের সূচনা।

অনুষ্ঠানটিতে আনুমানিক ৬০ জন শিল্পী অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের সূচনা হয় সমবেত কণ্ঠে ‘পৌষ তোদের ডাক দিয়েছে আয়রে ছুটে আয়’ গানটির সঙ্গে ধামসা-মাদল-বাঁশি সহযোগে সাঁওতালি নাচ এবং শুভময় সেনের কণ্ঠে ‘প্রাণের মানুষ আছে প্রাণে’ ও ‘হৃদমাঝারে রাখব’ গানের সঙ্গে বাউলের প্রবেশ ও তার সঙ্গে একক নৃত্য পরিবেশনায়।

তার পর প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে মূল অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন নরেশ বাউরী ও অধ্যাপিকা স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়।

সংগীত ভবনের ছাত্রছাত্রীদের সংগীত পরিবেশনা।

নাচে-গানে-কবিতায় সাজানো হয়েছিল ওই অনুষ্ঠান। রবীন্দ্রসংগীত, রবীন্দ্রনৃত্য, আধুনিক গান, একক আবৃত্তি ও সমবেত আবৃত্তি পরিবেশন করেন শিল্পীরা।  

বাগুইআটি নৃত্যাঙ্গন ও আন্তরিক সাংস্কৃতিক সংস্থার পক্ষ থেকে জয়িতা বিশ্বাস ও মধুমিতা বসু জানান, সামনের বছর তাঁদের দুই সংস্থার ২৫ বছর। সেই উপলক্ষ্যেই বোলপুরে এ দিন এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আগামী দিনে এর থেকেও বড়ো ধরনের অনুষ্ঠান করার ইচ্ছা তাঁদের রয়েছে।

সমগ্র অনুষ্ঠানটিতে সহযোগিতা করে বোলপুরের ‘উপনিষদ’।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.