Connect with us

গান-বাজনা

শ্রোতা-দর্শকদের হৃদকমলেই থাকল দেবের ‘সহজিয়া’ আর সৌমিত্রর ‘ভূমি’

Published

on

নিজস্ব প্রতিনিধি: সে দিন ছিল ‘হৃদকমল’-এর পঞ্চম বর্ষ পূর্তি উৎসব। সেই উপলক্ষ্যে রবীন্দ্র সদন প্রেক্ষাগৃহে আয়োজিত ‘হৃদকমলে রাখবো’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে সম্মাননা জানানো হল বাংলা ব্যান্ড ‘ভূমি’র প্রধান সৌমিত্র রায়কে। এ ছাড়াও সম্মানিত করা হল বিশিষ্ট রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞ ও গবেষক অরুণাভ লাহিড়ী, নাট্য পরিচালক আইনজীবী হীরক কুমার ঘোষকে। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কবি অরুণ চক্রবর্তী, নাট্য পরিচালক চিকিৎসক তপনজ্যোতি দাস এবং অভিনেত্রী সাওন সেন।

স্বাগত ভাষণে ‘হৃদকমল’-এর সাধারণ সম্পাদক প্রবীর চৌধুরী সকলকে ধন্যবাদ জানালেন। সংস্থার সভাপতি প্রতিমা রায় স্মরণ করলেন প্রয়াত সাহিত্যিক নবনীতা দেবসেনকে। তিনি জানালেন, ‘হৃদকমল’-এর প্রথম তিন বছরের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নবনীতা দেবসেন।          

Loading videos...

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ছিল দেব চৌধুরী ও তাঁর ‘সহজিয়া’ এবং সৌমিত্র রায় ও তাঁর ‘ভূমি’র পরিবেশনা। ‘সহজিয়া’র পরিবেশনায় কী ছিল না! বাউল, ফকির, দরবেশি, গোয়ালপাড়ি, ঝুমুর, কাওয়ালি, বিহু – লোকসংগীতের ঐতিহ্যশালী ভাণ্ডার একেবারে উজাড় করে দিল শ্রোতা-দর্শকদের কাছে। আর ‘ভূমি’ মঞ্চে হাজির হয়েছিল তাদের জনপ্রিয় সব গানের ডালি নিয়ে।

‘শ্যাম অঙ্গে অঙ্গ দিয়া আছো গো রাই ঘুমাইয়া’ – উদাত্ত গলায় ধরলেন দেব, সভাগৃহ ‘ভোরাই’-এর সুরে তখন মাতোয়ারা। অনুষ্ঠানের শুরুতে ‘ভূমি’কে স্মরণ করে দেব বললেন, “আজ বারান্দায় রোদ্দুরের সঙ্গে এক মঞ্চে গাওয়া। সেই ছোটোবেলা থেকেই ‘ভূমি’র গান শুনছি।” দেবের দ্বিতীয় গান ও-পার বাংলার – ‘দিল না দিল না নিল মন দিল না, এত যে নিঠুর বঁধু জানা ছিল না’। একের পর এক গান পরিবেশনের ফাঁকে দেব জানিয়ে দিয়েছিলেন, “আজ একটু অন্য ধরনের গান পরিবেশন করব।”

ও-পার বাংলার লালনের পরেই দেবের গলায় এ-পার বাংলার হাউরে গোঁসাইয়ের ‘খ্যাপা তোর কোন বিন্দুতে মদন অচেতন’ অনুষ্ঠানে অন্য মাত্রা যোগ করল। তার পরেই দেব চলে গেলেন প্রতিমা বড়ুয়ার গাওয়া সেই জনপ্রিয় গোয়ালপাড়ি গানে – ‘তোমরা গেইলি কি আসিবেন মোর মাহুত বন্ধুরে’।

রবীন্দ্র সদনে ‘হৃদকমলে রাখবো’ অনুষ্ঠানে।

বৈচিত্র্যে ভরপুর ছিল এ দিন সহজিয়া তথা দেবের পরিবেশনা। গোয়ালপাড়ির পরে দেবের উপস্থাপনা বাংলা কাওয়ালি। গান শুরু করার আগে দেব নিজেই জানালেন, “এখন যে গান গাইছি সচরাচর গাই না।” তার পরেই ধরলেন ‘ধন্য ধন্য মেরা সেলসেলা এল, দিল্লিতে নিজামুদ্দিন আউলিয়া এল’। গোটা প্রেক্ষাগৃহ কাওয়ালির তালে যেন নেচে উঠল।

এর দেব পরিবেশন করলেন ১৬০০ পদের সৃষ্টিকর্তা শাহ আবদুল করিমের গান – ‘আমার মাটির পিঞ্জিরায় সোনার ময়নারে’। এর মাঝে সহজিয়ার তরুণ চৌধুরী পরিবেশন করলেন সত্যজিৎ রায়ের ‘হীরক রাজার দেশে’র সেই বহুল প্রচারিত গান – ‘কতই রঙ্গ দেখি দুনিয়ায়’ – আজকের দিনে এর চেয়ে বড়ো সত্যি আর কিছু নেই। এর পরের পরিবেশনা শ’ দেড়েক বছর আগে রাধারমণ দত্ত পুরকায়েতের লেখা ‘ভ্রমর কইয়ো গিয়া’।

এ বার সেই বিপুল জনপ্রিয় গান ‘লাল পাহাড়ির দেশে যা’র রচয়িতা কবি অরুণ চক্রবর্তীর লেখা আরেকটি কবিতা অবলম্বনে গান ‘মন দে যৈবন দে’। কবি স্বয়ং মঞ্চে হাজির হয়ে ‘সহজিয়া’র সঙ্গে গলা মেলালেন, উদ্বেল হয়ে উঠল সভাগৃহ।

লোকসংগীতের নানা ধারা ছুঁয়ে দেব এলেন দরবেশি গানে। গান পরিবেশন করার আগে দেব শোনালেন সেই কাহিনি, কী ভাবে আলাপ হয়েছিল সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত লোকগীতির দরবেশি ধারার কিংবদন্তি শিল্পী কালাচাঁদ দরবেশের সঙ্গে আর সেই আলাপ তাঁর সংগীতজীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। দেব উপস্থাপন করলেন কালাচাঁদের গান – ‘তুমি জানো না সে বন্ধুর বাড়ি আছে কোন জাগায়’।

‘সহজিয়া’র শেষ পরিবেশনা অসমের সেই বিখ্যাত গান ‘ফাগুনের পসুয়ায়’। এরই সুরে ‘ভূমি’র গান ‘ফাগুনের মোহনায়’। ‘সহজিয়া’ ও ‘ভূমি’র যৌথ পরিবেশনা প্রেক্ষাগৃহে এক দারুণ পরিবেশ সৃষ্টি করল, মুগ্ধতায় ভরিয়ে দিল শ্রোতা-দর্শকদের। এ দিন দেব ছাড়া ‘সহজিয়া’র পক্ষে মঞ্চে ছিলেন তরুণ (বাঁশি), দীপ (কিবোর্ড), তিলক মহারাজ (খোল), ইন্দ্র (ড্রামস), অর্ণব (পারকাশন), রাজদীপ (বেস গিটার) এবং শংকর (ঢোল)।

আরও পড়ুন: বোলপুরের মঞ্চ মুগ্ধতায় ভরিয়ে দিল বাগুইআটি নৃত্যাঙ্গন ও আন্তরিক

‘সহজিয়া’র পরে মঞ্চে এল ‘ভূমি’, ‘ভূমি’ শুধু একটা ব্যান্ডের নাম নয়, ‘ভূমি’ বাংলা সংগীত জগতে একটা আন্দোলন। এই আন্দোলনের পথিকৃৎ সৌমিত্র রায় ৪০ বছর বয়সে সাংবাদিকতা পেশা ছেড়ে গানকেই পাথেয় করে নিয়েছিলেন। ‘ভূমি’র চলার পথে অনেক ঘাত-প্রতিঘাত, ভাঙা-গড়া এসেছে, কিন্তু তারা থেমে যায়নি, বরং এগিয়ে চলেছে আরও উঁচু শিখর ছোঁয়ার জন্য। তাদের মুকুটে অনেক পালক – ‘ভূমি’ এশিয়ার একমাত্র ব্যান্ড যারা নিউ ইয়র্কে রাষ্ট্রপুঞ্জের সদর দফতরে অনুষ্ঠান করার সুযোগ পেয়েছে। ১৯৯৯-এ তাদের প্রথম অ্যালবাম ‘যাত্রা শুরু’ দিয়ে পথ চলা শুরু। আজ প্রকাশিত হয়েছে ১৪টা অ্যালবাম, রাজ্য-দেশ-বিদেশের নানা প্রান্তে ‘ভূমি’ করেছে ১৭৭৮টা লাইভ প্রোগ্রাম।

এ দিন মঞ্চে ‘ভূমি’ এল তাদের অত্যন্ত পরিচিত গানের সম্ভার নিয়ে। ‘বারান্দায় রোদ্দুর’, ‘পচা কাকা’, ‘কান্দে শুধু মন’, ‘লালে লালেশ্বরী’র উন্মাদনায় মেতে উঠলেন উপস্থিত শ্রোতা-দর্শকরা।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি কথায় ও আবৃত্তিতে সুচারু ভাবে বেঁধে রেখেছিলেন বাচিক শিল্পী শোভনসুন্দর বসু।        

গান-বাজনা

চলে গেলেন রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী মিতা হক

Published

on

ঋদি হক: ঢাকা

আবার দুঃসংবাদ! এ বারে চলে গেলেন প্রতিথযশা রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী মিতা হক। সকালবেলা বিছানা ছাড়ার পরেই টিভিতে নিউজ চ্যানেলের স্ক্রলে সংবাদ নজরে এল। প্রয়াত রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী মিতা হক। তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর।

Loading videos...

বুড়িগঙ্গার দক্ষিণ তীরে কেরাণীগঞ্জ এলাকা, যেখানে মা-বাবা এবং চাচা দেশের সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অগ্রপথিক, বরেণ্য রবীন্দ্র গবেষক এবং ছায়ানটের প্রতিষ্ঠাতা ওয়াহিদুল হক স্থায়ী বসতি গড়েছেন। সেই কেরাণীগঞ্জেই শেষ ঘুমে গেলেন মিতা। মা-বাবার কবরের পাশেই তাঁকে সমাহিত করা হয়েছে।

পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ‘ছায়ানট’-এর শিল্পীদের নিয়ে ৬০ দশকে ঢাকার রমনা বটমূলে ‘এসো হে বৈশাখ এসো’ অনুষ্ঠান শুরু করেছিলেন বরেণ্য রবীন্দ্রগবেষক, গায়ক, সংগঠক এবং সাংবাদিক ওয়াহিদুল হক। ‘ছায়ানট’-এর প্রতিষ্ঠাতাও তিনি। বাংলাদেশে রবীন্দ্রচর্চা এবং শুদ্ধ রবীন্দ্রসংগীতের প্রসারে আমৃত্য নিবেদিত ছিলেন ওয়াহিদুল হক। সেই ওয়াহিদুল হকের ভ্রাতুষ্পুত্রী মিতা হক। চাচার কাছেই সংগীতে হাতেখড়ি মিতার।  

রবিবার সকাল ৬টা ২০ মিনিটে প্রয়াত হন মিতা। কয়েক দিন আগে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে সর্বশেষ দিন চারেক আগে করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। কিডনির রোগে আক্রান্ত মিতা হকের নিয়মিত ডায়ালিসিস হত। তবে ‘ছায়ানট’-এ নিয়মিতই আসতেন। রবিবার ভোর রাতে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভরতি করা হয়। সেখানেই চিচিৎসাধীন অবস্থায় প্রয়াত হন মিতা।

কথা অনুযায়ী বেলা ১১টা নাগাদ তাঁর মরদেহ নিয়ে আসা হয় ‘ছায়ানট’-এ। খবর পেয়ে এখানেই ছুটে আসেন তাঁর গুণমুগ্ধরা। তাঁরা ফুল আর অশ্রুতে শেষ বিদায় জানান মিতা হককে। ‘সুরতীর্থ’ নামের একটি সংগীতপ্রতিষ্ঠান ছিল তাঁর। সেখানে পরিচালক ও প্রশিক্ষক হিসেবে যুক্ত ছিলেন। তবে ‘ছায়ানট’ ছিল তাঁর হৃদস্পন্দন। এই সংগঠনটির ছায়াতেই নিজের বিকাশ ও বেড়ে ওঠা। এক পর্যায়ে ‘ছায়ানট’-এর রবীন্দ্রসংগীত বিভাগের প্রধান ছিলেন তিনি। দায়িত্ব পালন করেছেন রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদের সহ-সভাপতি হিসেবে।

শিল্পীর জন্ম ১৯৬৩ সালে। প্রথমে চাচা ওয়াহিদুল হক এবং পরে ওস্তাদ মোহাম্মদ হোসেন খান ও সনজীদা খাতুনের কাছে গান শেখেন। ১৯৭৪ সালে তিনি বার্লিন আন্তর্জাতিক যুব ফেস্টিভালে যোগ দেন। ১৯৭৭ সাল থেকে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারে নিয়মিত সংগীত পরিবেশন করেছেন। তাঁর স্বামী অভিনেতা ও নির্দেশক খালেদ খান বেশ ক’ বছর আগে প্রয়াত হন। একমাত্র মেয়ে জয়িতাও রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী। তাঁর স্বামী অভিনেতা মুস্তাফিজ শাহিন।

১৯৯০ সালে ‘বিউটি কর্নার’ থেকে প্রকাশিত হয় মিতা হকের প্রথম রবীন্দ্রসংগীতের অ্যালবাম ‘আমার মন মানে না’। সংগীতায়োজনে ছিলেন সুজেয় শ্যাম। সব মিলিয়ে প্রায় ২০০টি রবীন্দ্রসংগীতে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি। তাঁর একক অ্যালবামের সংখ্যা ২৪টি, যার ১৪টি ভারত থেকে ও ১০টি বাংলাদেশ প্রকাশ পায়। শিল্পী মিতা হক ২০১৬ সালে শিল্পকলা পদক লাভ করেন। সংগীতে অসামান্য অবদানের জন্য ২০২০ সালে একুশে পদক পান।

আরও পড়ুন: বরেণ্য সাংবাদিক হাসান শাহরিয়ার আর নেই

Continue Reading

গান-বাজনা

মাস পেরিয়ে সমান তালে চলছে বাওবা টিভির অনুষ্ঠান

আমাদের অনেককে করে তুলেছে মানসিক বিকারগ্রস্থ। কিন্তু এই বিষের মাঝেও আমাদের করে তুলেছে আত্মনির্ভর, শিখিয়েছে অনেক কিছু।

Published

on

বাওবা টিভি

নিজস্ব প্রতিনিধি: একুশে নতুন ভাবে পথ চলতে আমরা সবাই, পেছন ফিরে তাকালে ২০২০ সবার কাছেই যেন এক আতংকের নাম। আমাদের অনেককে করে তুলেছে মানসিক বিকারগ্রস্থ। কিন্তু এই বিষের মাঝেও আমাদের করে তুলেছে আত্মনির্ভর, শিখিয়েছে অনেক কিছু।

কারুর সাহায্য ছাড়াই প্রতিকূলতার মধ্যে আমাদের থেমে না থাকা, এগিয়ে চলার শক্তি সঞ্চার করেছে আমাদের মধ্যে। এই সময় নিজেকে না থামিয়ে রেখে সবার সামনে মেলে ধরেছে নিজেদের প্রতিভা।

Loading videos...

ডিজিটাল মাধ্যমের মধ্যে দিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে বাওবা টিভি। দুই বাংলার সঙ্গীত ও বাচিক শিল্পীদের এক সেতু । এক মাস অতিক্রম করে স্বগৌরবে দর্শকদের মনোরঞ্জন করে চলেছে বাওবা টিভি।

ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুর থেকে সম্প্রচারিত ফেসবুকের পাতায় অন্তর্জালের এই সম্পূর্ণ বাংলা সঙ্গীত ও আবৃত্তি র অনুষ্ঠান “মনের মিলন” শুধুমাত্র জনপ্রিয়তাই নয়, চর্চার মাধ্যম হিসেবে ১৭ টি পর্বেই পাতার লাইক পেয়েছে ৫০০ টি ।

প্রতি সপ্তাহে শুক্র, শনি ও রবিবার ভারতীয় সময় রাত ৮ টায় এপার-ওপার মিলেমিশে একাকার করে দিতে ভারত ও বাংলাদেশের শিল্পীদের নিয়ে হাজির থাকছেন অনিন্দ্যকুমার মিত্র ।

এখনো পর্যন্ত যেসকল মননশীল শিল্পীরা যুক্ত হয়ে দর্শকদের মন জয় করেছেন এই সময় তাঁদের নাম না নিলেই নয়

✓ অনিমিত ভট্টাচার্য (আমেরিকা)

✓ পলি পারভীন (বাংলাদেশ)

✓ জয়দীপ চট্টোপাধ্যায় (ভারত)

✓ গোলাম হায়দার (বাংলাদেশ)

✓ মৌসুমী সাহা (ভারত)

✓ অলোক রায় ঘটক (ভারত)

✓ আংকিতা নন্দী (বাংলাদেশ)

✓ অজন্তা মৈত্র (অস্ট্রেলিয়া)

✓ দীধিতি চক্রবর্তী (ভারত)

✓ সুস্মিতা চৌধুরী (বাংলাদেশ)

✓ দেবাশীষ ঘোষ (ভারত)

✓ মাসুদ আহম্মেদ (বাংলাদেশ)

✓ অপর্ণা দে (ভারত)

✓ দেবী সাহা (অস্ট্রেলিয়া)

✓ শর্মিষ্ঠা মুখোপাধ্যায় (ভারত)

✓ কাজী মাহতাব সুমন (বাংলাদেশ)

✓ সুজাতা কর্মকার (ভারত)

✓ সঞ্চিতা রাখী (বাংলাদেশ)

✓ পরিমল চক্রবর্তী (ভারত)

✓ সুমিত্রা বিশ্বাস (বাংলাদেশ)

✓ নন্দিনী লাহা (ভারত)

✓ অভি মোস্তাফিজ (বাংলাদেশ)

✓ পারমিতা দাশগুপ্ত (ভারত)

✓ প্রিয়াংকা ভট্টাচার্য্য (বাংলাদেশ)

✓ পীতম ভট্টাচার্য (ভারত)

✓ মাহমুদা সিদ্দিকা সুমি (বাংলাদেশ)

✓ রাজা চৌধুরী (ভারত)

✓ কাবেরী দাশ (আমেরিকা)

✓ অমিত চক্রবর্তী (ভারত)

✓ এস. কে. সুদীপ তন্ময় (বাংলাদেশ)

✓ জয়দীপ চট্টোপাধ্যায় (ভারত)

✓ অপর্ণা খান (বাংলাদেশ)

✓ সোমা চৌধুরী (ভারত)

✓ দিলসাদ জাহান পিউলি (বাংলাদেশ)

✓ অন্তরা মুখার্জী (ভারত)

✓ তাপস কুমার বড়ুয়া (বাংলাদেশ)

✓ সঞ্চিতা মহাপাত্র

বাওবা টিভি-র এই উদ্যোগের ডিজিটাল মুদ্রন সহযোগী খবর অনলাইন।

Continue Reading

গান-বাজনা

শান্তিনিকেতনের উৎসর্গ মঞ্চে বসন্ত উৎসবের সূচনা

পাঁচটি সম্মেলক সংগীত পরিবেশনের পাশাপাশি প্রায় ৩০ জন শিল্পী বসন্তের গান উপহার দেন রবিসন্ধ‍্যায়।

Published

on

নিজস্ব প্রতিনিধি: বসন্ত তার রঙ দিয়ে যায় মাটির বুকে। সেই রঙ দিয়ে আঁকা হয় কৃষ্ণচূড়া পিয়ালের বন। সেই রঙ দিয়ে আঁকা হয় বনের নবীন পাতার করতালি। শুষ্ক রুক্ষ বনভূমির কোলে বসন্তের গানে গুনগুন করে মৌপিয়াসি অলিরা।

দীর্ঘ মহামারির ঘরবন্দি জীবনে বসন্ত উদযাপন দিয়ে দ্বার খোলা হল মঞ্চের। গত বছর উৎসবের সলতে পাকানোর কাজ শুরু হলেও তা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

Loading videos...

‘ছায়াবীথি’ নিবেদিত ‘বসন্ত তার গান লিখে যায়’ শীর্ষক এক বসন্ত উৎসব সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হল বোলপুর শান্তিনিকেতনের উৎসর্গ মঞ্চে। পাঁচটি সংগীত গোষ্ঠীর পরিবেশনের পাশাপাশি প্রায় ৩০ জন শিল্পী বসন্তের গান উপহার দেন রবিসন্ধ‍্যায়। সংযোজনায় ছিলেন তমালী ঘোষ ও বিংশতি বসুমুখোপাধ‍্যায়। ধ্বনি সুরঝঙ্কার (বোলপুর), অনুষ্ঠান পরিকল্পনায় গৌতম ভৌমিক ও অগ্নি মাইতি।

‘আকাশ আমায় ভরলো আলোয়’, ‘দখিন হাওয়া জাগো জাগো’, ‘যদি তারে নাই চিনি’, ‘ঝরা পাতা গো’, ‘মধুর বসন্ত এসেছে’, ‘দে তোরা আমায় নূতন করে দে’, ‘এই উদাসী হাওয়ার পথে পথে’-সহ নানা গানে বসন্তের ডালি ভরে উঠেছিল। সাগরিকা মজুমদার, কৃষ্ণেন্দুদের ‘ও আমার চাঁদের আলো’, ‘পুষ্পবনে পুষ্প নাহি, আছে অন্তরে’ — অপূর্ব নিবেদন ছিল।

তবে শুধু গান নয়। ঊর্মিমালা দত্তগুপ্তর নৃত‍্যের সঙ্গে দর্পনারায়ণ চট্টোপাধ‍্যায়ের ‘যদি তারে নাই চিনি গো চিনি’ গানটি ছিল যথাযথ।

সম্মেলক গানে প্রগতি চট্টোপাধ‍্যায়ের পরিচালনায় ‘ঐকতান’, জ‍্যোতিকণা দাশগুপ্তের পরিচালনায় ‘শতভিষা সংগীত বিতান’, সোমা মিত্রের পরিচালনায় ‘সুরঙ্গম’ (দুর্গাপুর), দর্পনারায়ণ চট্টোপাধ‍্যায়ের পরিচালনায় ‘পুনশ্চ’ এবং শান্তা মুখোপাধ‍্যায়ের পরিচালনায় ‘বনবাণী’র নিবেদন প্রেক্ষাগৃহে অন‍্য মাত্রা এনে দিয়েছিল। সম্মেলক গানে ‘বসন্তে ফুল গাঁথল’, ‘রাঙিয়ে দিয়ে যাও’, ‘বসন্তে কি শুধু কেবল ফোটা ফুলের মেলা’ ও ‘মাধবী হঠাৎ কোথা হতে এল’ শ্রোতাদের মন আকৃষ্ট করে।

উপস্থিত ছিলেন মাননীয় অতিথি কবি সৈয়দ হাসমত জালাল। তাঁর কণ্ঠে শোনা যায় স্বরচিত দু’টি কবিতা।

বিশ্বভারতীর অধ‍্যাপক মলয়শঙ্কর চট্টোপাধ‍্যায়ের কণ্ঠে শোনা যায় ‘চরণরেখা তব যে পথে দিলে লেখি’ গানটি। সংগীত ভবনের অধ্যাপক প্রশান্ত ঘোষ এবং অধ্যাপক সুরজিৎ রায় পর পর পরিবেশন করলেন ‘পথ দিয়ে কে যায় গো চলে’ ও ‘একটুকু ছোঁয়া লাগে’।

যাঁদের সহযোগিতায় সমগ্র অনুষ্ঠানটি প্রাণ পেয়েছিল তাঁরা হলেন কীবোর্ডে অনিমেষ চন্দ, তবলায় কমলেশ রায় ও এসরাজে সৌগত দাস।

Continue Reading
Advertisement
Advertisement
ক্রিকেট34 mins ago

IPL 2021: স্পিনের জালে জড়িয়ে মুম্বইয়ের কাছে আত্মসমর্পণ করল হায়দরাবাদ

বাংলাদেশ45 mins ago

ভক্ত-সতীর্থদের চোখের জলে শেষ বিদায় কিংবদন্তি অভিনেত্রীকে

Remdesivir
দেশ4 hours ago

মধ্যপ্রদেশের সরকারি হাসপাতাল থেকে চুরি গেল কোভিডরোগীর চিকিৎসায় ব্যবহৃত রেমডেসিভির

Covid situation kolkata
রাজ্য4 hours ago

Bengal Corona Update: হুহু করে বাড়ছে সংক্রমণ, তার মধ্যেও সামান্য কমল সংক্রমণের হার

দঃ ২৪ পরগনা4 hours ago

গুজরাত রেল পুলিশ ক্যানিং থেকে উদ্ধার করল ৮ কেজি চোরাই সোনার গয়না

রাজ্য5 hours ago

Bengal Polls 2021: ভোটের শেষ লগ্নে অসুস্থ মদন মিত্র

দেশ6 hours ago

করোনায় নাভিশ্বাস দশা রাজ্যের, ‘বাংলায় ব্যস্ত’ প্রধানমন্ত্রীকে ফোনে পেলেন না মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে

বাংলাদেশ7 hours ago

বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তির বিদায়, বনানী কবরস্থানে সমাহিত কবরী

রাজ্য12 hours ago

Bengal Polls Live: পৌনে ৬টা পর্যন্ত ভোট পড়ল ৭৮.৩৬ শতাংশ

পয়লা বৈশাখ
কলকাতা2 days ago

মাস্ক থাকলেও কালীঘাট-দক্ষিণেশ্বরে শারীরিক দুরত্ব চুলোয়, গা ঘেষাঘেঁষি করে হল ভক্ত সমাগম

রাজ্য3 days ago

স্বাগত ১৪২৮, জীর্ণ, পুরাতন সব ভেসে যাক, শুভ হোক নববর্ষ

শিক্ষা ও কেরিয়ার1 day ago

ICSE And ISC Exams: দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা পিছিয়ে দিল আইসিএসই বোর্ড

কোচবিহার3 days ago

Bengal Polls 2021: শীতলকুচির গুলিচালনার ভিডিও প্রকাশ্যে, সত্য সামনে এল, দাবি তৃণমূলের

গাড়ি ও বাইক2 days ago

Bajaj Chetak electric scooter: শুরু হওয়ার ৪৮ ঘণ্টা পরেই বুকিং বন্ধ! কেন?

ক্রিকেট1 day ago

IPL 2021: দীপক চাহরের বিধ্বংসী বোলিং, চেন্নাইয়ের সামনে মুখ থুবড়ে পড়ল পঞ্জাব

ক্রিকেট3 days ago

দুর্নীতির অপরাধে ক্রিকেট থেকে ৮ বছরের জন্য বহিষ্কৃত জিম্বাবোয়ের কিংবদন্তি হিথ স্ট্রিক

ভোটকাহন

কেনাকাটা

কেনাকাটা4 weeks ago

বাজেট কম? তা হলে ৮ হাজার টাকার নীচে এই ৫টি স্মার্টফোন দেখতে পারেন

আট হাজার টাকার মধ্যেই দেখে নিতে পারেন দুর্দান্ত কিছু ফিচারের স্মার্টফোনগুলি।

কেনাকাটা2 months ago

সরস্বতী পুজোর পোশাক, ছোটোদের জন্য কালেকশন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সরস্বতী পুজোয় প্রায় সব ছোটো ছেলেমেয়েই হলুদ লাল ও অন্যান্য রঙের শাড়ি, পাঞ্জাবিতে সেজে ওঠে। তাই ছোটোদের জন্য...

কেনাকাটা2 months ago

সরস্বতী পুজো স্পেশাল হলুদ শাড়ির নতুন কালেকশন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সামনেই সরস্বতী পুজো। এই দিন বয়স নির্বিশেষে সবাই হলুদ রঙের পোশাকের প্রতি বেশি আকর্ষিত হয়। তাই হলুদ রঙের...

কেনাকাটা3 months ago

বাসন্তী রঙের পোশাক খুঁজছেন?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সামনেই আসছে সরস্বতী পুজো। সেই দিন হলুদ বা বাসন্তী রঙের পোশাক পরার একটা চল রয়েছে অনেকের মধ্যেই। ওই...

কেনাকাটা3 months ago

ঘরদোরের মেকওভার করতে চান? এগুলি খুবই উপযুক্ত

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ঘরদোর সব একঘেয়ে লাগছে? মেকওভার করুন সাধ্যের মধ্যে। নাগালের মধ্যে থাকা কয়েকটি আইটেম রইল অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদন লেখার...

কেনাকাটা3 months ago

সিলিকন প্রোডাক্ট রোজের ব্যবহারের জন্য খুবই সুবিধেজনক

খবরঅনলাইন ডেস্ক: নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী এখন সিলিকনের। এগুলির ব্যবহার যেমন সুবিধের তেমনই পরিষ্কার করাও সহজ। তেমনই কয়েকটি কাজের সামগ্রীর খোঁজ...

কেনাকাটা3 months ago

আরও কয়েকটি ব্র্যান্ডেড মেকআপ সামগ্রী ৯৯ টাকার মধ্যে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: আজ রইল আরও কয়েকটি ব্র্যান্ডেড মেকআপ সামগ্রী ৯৯ টাকার মধ্যে অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদন লেখার সময় যে দাম ছিল...

কেনাকাটা3 months ago

রান্নাঘরের এই সামগ্রীগুলি কি আপনার সংগ্রহে আছে?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: রান্নাঘরে বাসনপত্রের এমন অনেক সুবিধেজনক কালেকশন আছে যেগুলি থাকলে কাজ অনেক সহজ হয়ে যেতে পারে। এমনকি দেখতেও সুন্দর।...

কেনাকাটা3 months ago

৫০% পর্যন্ত ছাড় রয়েছে এই প্যান্ট্রি আইটেমগুলিতে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: দৈনন্দিন জীবনের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলির মধ্যে বেশ কিছু এখন পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৫০% বা তার বেশি ছাড়ে। তার মধ্যে...

কেনাকাটা3 months ago

ঘরের জন্য কয়েকটি খুবই প্রয়োজনীয় সামগ্রী

খবরঅনলাইন ডেস্ক: নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় ও সুবিধাজনক বেশ কয়েকটি সামগ্রীর খোঁজ রইল অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদনটি লেখার সময় যে দাম ছিল তা-ই...

নজরে