দশমহাবিদ্যা কারা? দেখুন ছবিতে

0
dashamahabidya
দশমহাবিদ্যা

ওয়েবডেস্ক: শাক্তরা বিশ্বাস করেন, তাঁদের মেনে চলা সত্যের একটি মূল বিষয় ১০টি ভিন্ন রূপে প্রকাশ পায়। তা হল ‘দিব্য জননী’র ১০টি রূপ। এই ১০টি রূপই হল দশমহাবিদ্যা। এই মহাবিদ্যার ধারণা বা বিষয়টি আসলে তান্ত্রিক প্রকৃতির।

কালী: সর্বসংহারকারিণী, জন্ম ও শক্তির দেবী। কালীকুলের ও সম্প্রদায়ের সর্বোচ্চ দেবী হলেন এই কালী।

তারা : পথপ্রদর্শক ও রক্ষাকারিণী দেবী হলেন তারা। তিনি তারিণী দেবীও। তিনি বিশ্বের উৎস হিরণ্যগর্ভের শক্তি এবং মহাশূন্যের প্রতীক।

ত্রিপুরাসুন্দরী : এই দেবী পূর্ণতা ও পূর্ণাঙ্গতার স্বরূপ। স্রীকুল সম্প্রদায়ের সর্বোচ্চ দেবী তিনি। তান্ত্রিক পার্বতী নামে পরিচিতা। তিনি আবার ললিত ত্রিপুরাসুন্দরী বা ষোড়শী নামেও পরিচিত।

ভুবনেশ্বরী : অর্থাৎ বিশ্বজননী। পার্থিব জগতের শক্তিসমূহের প্রতীক তিনি।

ভৈরবী : ভৈরবী হলেন দেবীর ভয়ংকরী রূপ। কামনা ও প্রলোভনের স্বরূপ যা মৃত্যুর দিকে টেনে নিয়ে যায়।

ছিন্নমস্তা : এই রূপে দেবীর উলঙ্গিনী মূর্তি। তিনি স্বহস্তে নিজ মস্তক ছিন্ন করে নিজ রক্ত পান করেন। তিনি এই রূপে চক্রপথে আত্মধ্বংস ও আত্মপুনরুজ্জীবনের মাধ্যমে সৃষ্ট জগতের অবিরাম বিদ্যমানতা শক্তির প্রতীক।

ধূমাবতী : বিধবা দেবীমূর্তি। অগ্নির দ্বারা জগৎ ধ্বংসের পর ভস্মরাশির মধ্য থেকে যে ধূম নির্গত হয়, তার স্বরূপ হলেন এই ধূমাবতী। তিনি কখনও কখনও আবার অলক্ষ্মী বা জ্যেষ্ঠাদেবী নামেও অভিহিতা হন।

বগলামুখী : শত্রুনিষ্ক্রিয়কারিনী দেবী হিসাবে পূজিতা। ঈর্ষা, ঘৃণা ও নিষ্ঠুরতার মতো মানবচরিত্রের অন্ধকার দিক নিয়ন্ত্রণ করেন তিনি। তাঁকে সারস-মুণ্ড রূপেও কল্পনা করা হয়।

মাতঙ্গী : কর্তৃত্ব শক্তির দেবী মাতঙ্গী। ইনি তান্ত্রিক সরস্বতী।

কমলাকামিনী : বরাভয় প্রদায়িনী শুদ্ধ চৈতন্যের দেবী কমলাকামিনী। ভাগ্যদেবী লক্ষ্মীর অন্যরূপ কমলাকামিনী। ইনি তান্ত্রিক লক্ষ্মী নামেও অভিহিতা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.