siddheshwari kali, thanthania
প্রতীকী ছবি

কলকাতা: খাস কলকাতায় সবরীমালা! এমন একটি কালীপুজো, যেখানে মহিলাদের কোনো প্রবেশাধিকার নেই। ৩৪ বছর ধরে এমনই হয়ে আসছে এই পুজোয়।

এই ধারা বহন করে চলেছে দক্ষিণ কলকাতার চেতলা প্রদীপ সংঘের পুজো। ৩৪ বছর আগে তারাপীঠের পুরোহিতদের নিয়ে এসে এই পুজোর সূচনা করেন ক্লাবের সদস্যরা। তার পরেই মহিলাদের এই পুজোয় প্রবেশে বাধা।

মহিলারা প্রবেশ করলে কোনো অঘটন ঘটে যেতে পারে, এমনই বিশ্বাস এই ক্লাবের সদস্যদের। ক্লাবের সহসচিব শৈবাল গুহ বলেন, “মহিলারা এই পুজোয় ঢুকলে কোনো দুর্ঘটনা হতে পারে, এমনই বিশ্বাস এখানে। ৩৪ বছরের এই ঐতিহ্য আমরা ভাঙতে পারি না।” পুজোর সব কাজকর্মই পুরুষ সদস্যরা করেন এই ক্লাবে।

এই ধরনের নিয়মে আপত্তি নেই ক্লাবের মহিলা সদস্যদেরও। এমনই এক সদস্য সবিতা দাস বলেন, “কুড়ি বছর আগে আমার পরিবারে পুত্রবধূ হয়ে এই পাড়ায় এসেছিলাম। তখন থেকেই দেখছি এই নিয়ম পালন করা হয়। আমি এই নিয়ম ভাঙতে চাই না।”

এই দিকে, এই ধরনের নিয়মের তীব্র বিরোধিতা করেছেন ভারততত্ত্ববিদ নৃসিংহ প্রসাদ ভাদুড়ি। পুরুষতন্ত্রের অত্যন্ত জঘন্য উদাহরণ বলে এই ঘটনাটিকে ব্যাখ্যা করেছেন তিনি। তিনি বলেন, “কোনো নিয়মই মহিলাদের মন্দিরের ভেতরে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে না।” এমনই মত শম্ভুনাথ কৃত্ব নামক প্রবীণ এক পুরোহিতেরও।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here