ধনতেরাস পুজো-পাঠের পদ্ধতি কী জানেন?

0

ধনতেরাস হল ধন ও সমৃদ্ধির কারক। কার্তিক মাসের কৃষ্ণ পক্ষের ত্রয়োদশী তিথিতে উদযাপিত হয় ধনতেরাস। তাই একে ধনত্রয়োদশী বা ধন্বন্তরী জয়ন্তীও বলা হয়ে থাকে। 

পুরাণ অনুসারে, দেব ও অসুরের মধ্যে সমুদ্র মন্থনের সময় ভগবান ধন্বন্তরি এই দিনে হাতে অমৃতের জার নিয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন, তাই এই দিনে মানবজাতির উন্নতির জন্য আয়ুর্বেদের দেবতাদের উপাসনা করা হয় এবং অসুস্থতা ও কষ্ট থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

ধনতেরাসের আগে পুরো বাড়ি খুব ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হয়। এরপর ধনতেরাসের দিন পুরো বাড়ি, বিশেষ করে মূল প্রবেশ পথের ওপর রঙ্গোলী দিতে হয়। এছাড়াও লাল রঙের রঙ্গোলী গুঁড়ো দিয়ে লক্ষ্মী দেবীর পা আঁকতে হয়। এরপর নিজের মতো করে লক্ষ্মী দেবীকে পুজো করতে হয়।

প্রথমে একটি লাল রঙের কাপড় নিতে হয়। এরপর একটি ঘট বা বাটি নিতে হয়। মনে রাখতে হবে, এই পাত্রটি যেন ধনতেরাসের জন্য নতুন কেনা হয়। এরপরে ওই পাত্রের মধ্যে চাল দিতে হয়। এছাড়াও, পাঁচটি সুপারি এবং ২১ টি পদ্মবীজ দিতে হয়। সেই সঙ্গে আরও একটি ঘটিতে গঙ্গাজল ভরে, তারমধ্যে চিনি এবং সোনা বা রূপোর পয়সা দিতে হয়। আর জলের ওপরে ফুল বা মালা দিতে হয়।

প্রসঙ্গত, ঘরে যে লক্ষ্মী দেবী এবং গণেশের মূর্তি বা কয়েন আছে, তার ডানদিকে নতুন কেনা সোনা বা রূপোর গয়না রাখতে হবে। যদি নতুন কোনও গয়না না কিনে থাকেন, তাহলে পুরনো যে কোনও গয়না, মূর্তি বা কয়েনের পাশে রাখতে পারেন। কেউ কেউ টাকাও মূর্তির পাশে রাখেন। নতুন প্রদীপ জ্বালাতে হবে। মনে রাখবেন, প্রদীপ যেন টানা দুই ঘণ্টা ধরে জ্বলে। এছাড়াও ভগবানকে উৎসর্গ করে কিছু মিষ্টি এবং নৈবেদ্য দিতে হয়।

আরও পড়ুন:

ধনতেরাস কেন পালন করা হয়? জানুন আসল কারণ

ভূত চতুর্দশীতে চোদ্দশাক খাওয়ার নেপথ্যে আসল কারণ কী জানেন?

ভূত চতুর্দশীতে ১৪ প্রদীপ কেন জ্বালানো হয়? জেনে নিন

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন