Connect with us

উঃ ২৪ পরগনা

চিনে নিন পশ্চিমবঙ্গের তিন সুপ্রসিদ্ধ সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির

দীপান্বিতার প্রাক-পর্বে এই বঙ্গের তিন সুপ্রসিদ্ধ সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দিরের সঙ্গে পাঠকদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া যাক।

Published

on

ঠনঠনিয়া কালীবাড়িতে মায়ের বিগ্রহ।

শুভদীপ রায় চৌধুরী

কালীপুজোর প্রস্তুতি এখন তুঙ্গে। এ বছর করোনাভাইরাসের কারণে বিভিন্ন মন্দিরে দীপান্বিতা অমাবস্যার দিন ভক্তদের ভিড় তেমন হবে না হয়তো, কিন্তু বিধি মেনে চলবে পুজো, দর্শনও হবে নানা বিধিনিষেধ মেনে। দীপান্বিতার প্রাক-পর্বে এই বঙ্গের তিন সুপ্রসিদ্ধ সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দিরের সঙ্গে পাঠকদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া যাক।

Loading videos...

শান্তিপুরের সিদ্ধেশ্বরী

শান্তিপুর বৈষ্ণব ও শাক্তদের মেলবন্ধনের পীঠস্থান। বহু প্রাচীন বিগ্রহ ও মন্দির রয়েছে এই শান্তিপুরে। এখানকার সব থেকে উল্লেখযোগ্য দেবী হলেন তন্ত্রসিদ্ধ কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশের আগমেশ্বরী, যাঁর পুজো দেখতে দূর দূর থেকে ছুটে আসে ভক্তকুল। তেমনই শান্তিপুরের প্রাচীন সিদ্ধেশ্বরী মন্দিরও এক উল্লেখযোগ্য স্থান।

শান্তিপুরের সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দিরের বয়স ৪০০ বছরের বেশি, প্রতিষ্ঠাকাল ১৬০৬ খ্রিস্টাব্দ। কৃষ্ণনগরের তৎকালীন রাজা ভবানন্দ মজুমদার (বিখ্যাত রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের ঠাকুরদাদা) মন্দির প্রতিষ্ঠা করে এর দায়িত্ব তুলে দেন পার্বতীচরণ মুখোপাধ্যায়, মতান্তরে ফকিরচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের হাতে। এই মুখোপাধ্যায়দের আদি পদবি ওঝা, বাংলায় রামায়ণ রচয়িতা কৃত্তিবাস ওঝার বংশধর।

সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দিরের সামনে পরবর্তী কালে নাটমন্দির তৈরি করা হয়। তৈরি করেছিলেন শান্তিপুরের সরকার পরিবার। আগে সিদ্ধেশ্বরী কালীমূর্তি ছিল মাটির, পরবর্তী কালে (১৩৮৭ বঙ্গাব্দে) তা হয় পাথরের। কাশী থেকে নিয়ে আসা হয়েছিল এই মূর্তি।  

শান্তিপুরের সিদ্ধেশ্বরী।

সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দিরে মূল বার্ষিক পূজা হয় দীপান্বিতায়। ওই দিন এখানে পুজো শুরু হওয়ার পর শান্তিপুরের অন্যান্য কালীপুজো শুরু হয়। দীপান্বিতার রাতে  পুজো শুরু হয় রাত ১১.৪০ মিনিটে, শেষ হয় ভোর ৪টেয়। অতীতে বলিদানপ্রথা থাকলেও বর্তমানে তা বন্ধ। ৫০ কেজি বা তারও বেশি চালের ভোগ নিবেদন করা হয় দেবী সিদ্ধেশ্বরীকে। মাকে পোলাও, খিচুড়ি, সাদা ভাত, পায়েস, লুচি, সুজি, নানা রকমের ভাজা, তরকারি, মাছ, চাটনি ইত্যাদি নিবেদন করা হয়। দীপাবলিতে হোমও হয়ে থাকে। সেই দিন রাত্রে মাকে রাজবেশে সাজানো হয়। পরের দিন সকালে ভোগ বিতরণ করা হয় এবং এক হাজার ভক্ত মায়ের প্রসাদ পান। ঐতিহ্য ও আভিজাত্য আজও অটুট শান্তিপুরের সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির।

হালিশহরের সিদ্ধেশ্বরী

হালিশহরের সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দিরের বাৎসরিক পূজা হয় রাখিপূর্ণিমার দিন।

একাদশ শতাব্দীর শেষ দিকে ১০৮২ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ বেদগর্ভের বংশধরগণ বর্ধমান জেলার কাটোয়া থানার প্রাচীন জনপদ আমাটিয়া বা আমাথিতে বসবাস শুরু করেন। এই বংশের নবম পুরুষ শৌরীই প্রথম আমাথিতে আসেন।

এক সময়ে বর্ধমানের আমাটিয়ার বাস ত্যাগ করে সাবর্ণ গোত্রীয় বংশধরগণ অধুনা হুগলি জেলার ত্রিবেণীর কাছে ভাগীরথীর পশ্চিম তীরে গোহট্ট (বর্তমানে গোপালপুর) গ্রামে চলে আসেন। সাবর্ণ গোত্রীয় পঞ্চানন গঙ্গোপাধ্যায় সম্রাট হুমায়ুনের আমলে বঙ্গের এই অঞ্চলে মোঘল সেনাপতি ছিলেন। সম্রাট হুমায়ুন তাঁকে ‘সখত্ খাঁ’ বা ‘শক্তি খান’ উপাধি দেন এবং ভাগীরথীর পূর্ব তীরে ৪৫টি গ্রাম বিশিষ্ট হাভেলিশহর পরগণার জায়গির দেন। পঞ্চানন গঙ্গোপাধ্যায় ‘পাঁচুশক্তি খান’ নামে পরিচিত হন।  

সেনাবাহিনীর কাজ থেকে অবসরগ্রহণের পর পঞ্চানন গঙ্গোপাধ্যায় হাভেলিশহর পরগণায় বসবাস শুরু করে নতুন সমাজ গড়ে তুললেন। পূর্ববঙ্গের বিক্রমপুর থেকে বৈদ্যদের এনে হাভেলিশহরে বসতি তৈরি করে দিলেন। হাভেলিশহরে প্রচুর চতুষ্পাঠী ছিল। আর সেই সব টোলে ছিল বহু কমবয়সি ছাত্র, দেখে মনে হত হাভেলিশহরে যেন কুমারদের হাট বসেছে। এই ভাবেই হাভেলিশহরের নাম হল কুমারহট্ট। আর সেই থেকে এই অঞ্চল পরিচিত হয়ে উঠল কুমারহট্ট হাভেলিশহর বা কুমারহট্ট হালিশহর নামে।

সাবর্ণ চৌধুরীদের ২১তম পুরুষ জীয়া গঙ্গোপাধ্যায় ১৫৩৫ থেকে ১৫৪৮ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে কোনো এক বছরে গোহট্ট-গোপালপুরে জন্মগ্রহণ করেন। পরবর্তী কালে শিক্ষালাভের জন্য তিনি হালিশহরে এসেছিলেন। এই জীয়া গঙ্গোপাধ্যায়ই পরে কামদেব ব্রহ্মচারী নামে প্রসিদ্ধ হন। পণ্ডিত জীয়া গঙ্গোপাধ্যায়ের পুত্র হলেন লক্ষ্মীকান্ত গঙ্গোপাধ্যায়, যিনি ১৬০৮ সালে মানসিংহের কাছে থেকে ৮টি পরগণার বিশাল জায়গির পান এবং পাশাপাশি পান রায়, চৌধুরী উপাধিও। রায় লক্ষ্মীকান্ত মজুমদার চৌধুরীর জ্যেষ্ঠপুত্র রামকান্ত রায় চৌধুরী কুমারহট্ট হালিশহরে বসতি স্থাপন করেন। তাঁর পুত্র জগদীশ রায় চৌধুরী (১৬২০-১৬৯০ খ্রিস্টাব্দ) ধার্মিক পুরুষ ছিলেন। জগদীশের জ্যেষ্ঠপুত্র তথা ২৫তম বংশপুরুষ বিদ্যাধর রায় চৌধুরী (১৬৪০-১৭২০ খ্রিস্টাব্দ) হালিশহরে বহু কর্মনিদর্শন রেখে গিয়েছেন।

কথিত আছে, বিদ্যাধর রায় চৌধুরী সকালে গঙ্গাস্নান করতে গিয়ে একটি কষ্টিপাথর পেয়েছিলেন। স্বপ্নাদিষ্ট হয়ে এক অন্ধ ভাস্করকে দিয়ে কষ্টিপাথর থেকে নির্মাণ করিয়ে ছিলেন কালী, শিব এবং শ্যামরায়। সেই মূর্তিত্রয় হালিশহরেই প্রতিষ্ঠা করা হয়। বাজারপাড়ার গঙ্গাতীরে কালিকা, চৌধুরীপাড়ায় শ্যামরায় এবং শিবের গলিতে বুড়োশিব প্রতিষ্ঠিত হন। কালিকাদেবীর নামানুসারে বাজারপাড়া পরিচিত হয় কালিকাতলা হিসাবে।

ইংরেজ ও পর্তুগিজদের মধ্যে প্রচণ্ড যুদ্ধে কালিকাতলার মন্দিরটি ধ্বংস হয়ে যায়, যদিও তার চিহ্ন রয়েছে আজও। পরে স্বপ্নাদিষ্ট হয়ে সাবর্ণ চৌধুরীদের আরও এক অধস্তন পুরুষ যোগেশচন্দ্র রায় চৌধুরী কালিকাদেবীর মূর্তিটিকে ‘দেবী সিদ্ধেশ্বরী’ নাম দিয়ে বলদেঘাটায় স্থানান্তরিত করেন। একটি দালানঘরে ওই মূর্তি স্থাপন করা হয় (আনুমানিক ১৮৫০-৫৫ খ্রিষ্টাব্দ)। পরবর্তী কালে ১৩২৩ বঙ্গাব্দে যোগেশচন্দ্রের সহধর্মিণী বসন্তকুমারী দেবী সিদ্ধেশ্বরী মন্দির ও তার সামনের নাটমন্দির সংস্কার করেন। বর্তমানে যে মন্দিরটি রয়েছে তা একেবারেই নতুন। এই মন্দিরের দ্বার খোলে ১৯৯৮ সালের ৮ আগস্ট। মন্দিরের সামনে দক্ষিণ দিকে নাটমন্দির।

পরবর্তীকালে বলদেঘাটার চট্টোপাধ্যায় পরিবারকে সাবর্ণরা দেবোত্তর সম্পত্তি দানপত্র করেছিলেন দেবীর সেবার জন্য এবং সব কিছু ব্যয়ভার বহনের জন্য। দেখভাল করার জন্য বর্তমানে কমিটি তৈরি হয়েছে। ১৯৬৪ সালে মায়ের মূর্তিটি চুরি হয়ে যায় এবং পায়ের পাতাটি ভেঙে যায়। এরপর ওই ভাঙা পায়ের নিত্যসেবা হয় এখনও। এর পর ১৯৯৮ সালে মায়ের বিগ্রহ পুনঃপ্রতিষ্ঠা হয়।

মন্দিরের গর্ভগৃহে রয়েছে উন্নতমানের অমূল্য কষ্টিপাথরে তৈরি ছ’ ফুট উচ্চতার চতুর্ভূজা সিদ্ধেশ্বরীমাতার অপূর্ব বিগ্রহ। শ্বেতপাথরের শিবের ওপর মা দণ্ডায়মান। হাতে খড়গ নিয়ে নৃমুণ্ডমালিনী মা বরাভয় আর অভয়দান করছেন।

হালিশহরের সিদ্ধেশ্বরী

রাখিপূর্ণিমার দিন এই মন্দিরে বাৎসরিক উৎসব হয়। বাৎসরিক উৎসবে সকালে থেকে মায়ের বিশেষ পূজা হয়। বেনারসী শাড়ি এবং বিভিন্ন গহনা দিয়েই মাকে সাজানো হয়, সঙ্গে থাকে ফুলের সাজ (গোলাপের মালা, পদ্মের মালা ইত্যাদি)। এইভাবে আজও প্রাচীন মন্দিরে মা সিদ্ধেশ্বরীর নিত্যসেবা হয়, এবং হালিশহরের ঐতিহ্যপূর্ণ মন্দিরগুলির মধ্যে অন্যতম এই সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির।

ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি

বহু বছর ধরেই পুজো হয়ে আসছে এই কালীবাড়িতে, পুজো হয় নিষ্ঠার সঙ্গে। ৩১৭ বছরেরও প্রাচীন এই মন্দির। আজও সেই প্রাচীন রীতিনীতি মেনেই পুজো হয় ঠনঠনিয়াতে। সকালবেলায় মায়ের মঙ্গলারতির মাধ্যমে পুজো শুরু হয়। তার পর মায়ের পুজো হয় নৈবেদ্য সহকারে। দুপুরবেলা অন্নভোগ দেওয়া হয় মাছ সহযোগে। সন্ধ্যায় সন্ধ্যারতি।

এই ঠনঠনিয়া কালীবাড়ির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল ফলহারিণী কালীপুজো ও কার্তিক মাসের অমাবস্যার কালীপুজো, এই দুই দিন রাত্রে মায়ের নিরামিষ ভোগ হয়। নিরামিষ ভোগের মধ্যে থাকে লুচি, কচুরি, পাঁচ রকমের ভাজা, ছানার তরকারি, পনিরের তরকারি, ধোঁকার তরকারি, মিষ্টান্ন ইত্যাদি। দীপাবলির অমাবস্যা তিথিতে রাতের বিশেষ পূজায় ফল, নতুন বাসন, কাপড়, সাজসজ্জা, সমস্ত কিছুই নিবেদন করা হয়। ঠনঠনিয়া কালীবাড়িতে অমাবস্যার পুজোয় দুটি নৈবেদ্য নিবেদন হয় যা সেই প্রাচীন কাল থেকেই হয়ে আসছে – একটি মায়ের নৈবেদ্য ও একটি অমাবস্যার নৈবেদ্য।

ঠনঠনিয়া কালীবাড়ির দেবী মৃন্ময়ী। প্রত্যেক বছর পুজোর আগে মায়ের অঙ্গরাগ করা হয়। সব থেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ এই ঠনঠনিয়া কালীবাড়িতে আসতেন, পুজো করতেন। শুধুমাত্র রামকৃষ্ণদেবই নন, তাঁর পরিবারের বহু সদস্যই আসতেন মায়ের কাছে। এই ঠনঠনিয়া কালীবাড়ির মন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন শঙ্কর ঘোষ মহাশয় (১৭০৬ সাল), কিন্তু মৃন্ময়ীকে প্রতিষ্ঠা করেন উদয়নারায়ণ ব্রহ্মচারী ১৭০৩ সালে। তখন এই ঠনঠনিয়া ছিল সুতানুটি মহাশ্মশান। সেই সময় উদয়নারায়ণ ব্রহ্মচারী মায়ের যে মৃন্ময়ী প্রতিমা, যে ঘট প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, সেই মূর্তি ও দেবীঘট আজও বর্তমান ঠনঠনিয়াতে।

দেবীর আদেশে উদয়নারায়ণ ব্রহ্মচারী মায়ের মন্দির ও সেবাকাজ দিয়ে গিয়েছিলেন শঙ্কর ঘোষ মহাশয়কে। সেই থেকে এই পরিবার মায়ের সেবাকাজ করে আসছেন বংশপরম্পরায়। বহু ভক্তের সমাগম হয় কালীপুজোর দিন।

কলকাতার প্রাচীন কালীমন্দিরের মধ্যে এই মন্দির অন্যতম। কালীপুজোর দিন এই মন্দিরে ষোড়শোপচারে দেবীর পুজো ও আরতি করা হয়। বলিদান হয়, ভোগ নিবেদন করা হয় প্রাচীন রীতি মেনেই। কালীপুজোর পরের দিন মায়ের মন্দির থেকে দেবীর ভোগপ্রসাদ বিতরণ করা হয়। মহাসমারোহে এবং নিষ্ঠার সঙ্গে দেবী পূজিতা হয়ে আসছেন ঠনঠনিয়া কালীবাড়িতে।

খবরঅনলাইনে আরও পড়ুন

মুর্শিদাবাদ ও বীরভুমে রাজা রামজীবন রায়ের উত্তরপুরুষদের এখন ১৯টি কালীপুজো

Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

উঃ ২৪ পরগনা

‘আমাকে যত রুখবেন, তত ভিতরে ঢুকব’, গোঁফে তা দিয়ে রোড শো মাতালেন মিঠুন চক্রবর্তী

“আমাকে ভয় দেখিয়ে লাভ নেই, হিংসার আঁতুড়ঘরে জন্ম আমার”, হুঙ্কার মিঠুন চক্রবর্তীর।

Published

on

খবর অনলাইন ডেস্ক: বৃহস্পতিবার বেহালায় রোড শোয়ের অনুমতি মেলেনি প্রশাসনের তরফে। তবে শুক্রবার বরানগরের বিজেপি প্রার্থী পার্নো মিত্রের সমর্থনে রোড শোয়ে অংশ নিয়ে জমিয়ে দিলেন মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। সঙ্গে হুঁশিয়ারি-“আমাকে যত রুখবেন, তত ভিতরে ঢুকব”।

এ দিন সকাল ৯টা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও আড়াই ঘণ্টা পরে সিঁথি সার্কাস ময়দানের কাছ থেকে রোড শো শুরু হয় মিঠুনের। গাড়ি থেকে কর্মী-সমর্থক, পথচলতি মানুষ এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশে মিঠুনের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমা যথেষ্ট নজর কাড়ে। হাত নাড়লেন, হাওয়ায় চুমু ছুঁড়লেন আবার মাঝেমধ্যে গোঁফে তা দিয়ে যুদ্ধজয়ের প্রস্তুতির ইঙ্গিতও বিলোলেন।

Loading videos...

গতকাল বেহালায় তাঁর রোড শো আটকে দেওয়া হয়েছিল। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মিঠুনের হুঙ্কার, -“আমাকে রুখতে পারবেন না। আমাকে যত রুখবেন, তত ভিতরে ঢুকব। যত আমাকে ভয় দেখাবেন, তখন আরও ভিতরে ঢুকব। আমাকে ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। হিংসের আঁতুড়ঘরে জন্ম আমার”।

তিনি আরও বলেন, “এই মিছিল, রাগের মিছিল। মানুষ বেরিয়ে আসছে। তাদের রাগের বহির্প্রকাশ ঘটছে। এ বারের ভোটে পরিষ্কার, মানুষ এই সরকারকে চাইছে না”।

উল্লেখ্য, এ দিন সিঁথির মোড় থেকে গোপাল ঠাকুর রোড হয়ে ডানলপে শেষ হওয়ার কথা ছিল রোড শোয়ের। কিন্তু বনহুগলি মোড়ে এসে হঠাৎ মিঠুন গাড়ি থেকে নেমে তাঁর নিজস্ব গাড়ি করে হাত নাড়তে নাড়তে চলে যান। হতাশ হলেন পথের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষজন।

আরও পড়তে পারেন: Mithun Chakraborty roadshow: ডঙ্কা আছে, ঢাক নেই, ভোট প্রচারের ভোলবদল বরানগরে

Continue Reading

উঃ ২৪ পরগনা

Mithun Chakraborty roadshow: ডঙ্কা আছে, ঢাক নেই, ভোট প্রচারের ভোলবদল বরানগরে

‘রথ’ দেখলেও ‘পথ’ যে অন্য হতে পারে তারও ইঙ্গিত মিলল!

Published

on

নিজস্ব প্রতিনিধি: শালা, মারব এখানে, লাশ পড়বে শ্মশানে…

পিছন থেকে সমর্থকদের উল্লাস- ‘জিও গুরু’!

Loading videos...

শুক্রবার বরানগরে বিজেপির ‘তারকা’ প্রার্থী পার্নো মিত্রর সমর্থনে ‘মহাতারকা’ মিঠুন চক্রবর্তীর রোড শো শুরু হল ডিজে বক্সের এমনই কিছু গরমাগরম সংলাপে। তবে শুধু এটাই নয়, রাজনৈতিক ভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বরানগর কেন্দ্রের ভোট প্রচারের আঙ্গিকে যুক্ত হল আরও বেশ কিছু চমকদার উপকরণ। কার্যত মিঠুন চক্রবর্তীর রোড শো ঘিরে ভোট প্রচার সংস্কৃতির ভোলটাই যেন বদলে গেলো!

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় এ দিন শুরু হওয়ার কথা ছিল ‘মিঠুন’দার রোড শো। কিন্তু ঘড়ির কাঁটা এগারোটা ছুঁলেও কর্মী-সমর্থক তো দূরের কথা, নেতৃত্বের কাছেও জবাব নেই, কখন শুরু হবে। সিঁথির মোড় সার্কাস ময়দান নাগোয়া কাশীনাথ দত্ত রোড তখন ডিজে বক্স লাগানো একাধিক গাড়ি, প্রচারের গাড়ি, ডঙ্কা পার্টি, শ’খানেক পুলিশ কর্মী, সংবাদমাধ্যমের গাড়ি এবং দলের কর্মী-সমর্থকে ছয়লাপ।

ঢাক বাজছে তবে ঢাকি নেই। মাইকে দর্শক ডাকছে ঢাকের বাদ্যি। তৃণমূল, সিপিএমের মতো অন্যান্য রাজনৈতিক দল বাংলার সংস্কৃতিকে আঁকড়ে ধরে ভোটের প্রচারে ঢাকিদের ব্যবহার করছে। কিন্তু বিজেপির এ দিনের প্রচারে দেখা গেল ডঙ্কা পার্টিকে। জানা গেল, ডঙ্কা, কুড়কুড়ি, ঝুনঝুনি বাজনদার সাত জনের এই দলকে ভাড়া করা হয়েছে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে। বাজাতে হবে ঘণ্টা পাঁচেক। কিন্তু বাংলা সংস্কৃতির অঙ্গ ঢাক বিজেপির এই জমকালো কর্মসূচিতে মাইক-বন্দি! সোনার বাংলা গড়ার ডাক দিয়েছে বিজেপি, অথচ বাংলার ঢাককে মাইক-বন্দি করে ঢাকি নেই কেন?

বরানগর বিজেপির এক নম্বর মণ্ডলের এক নেতা বললেন, “উপর থেকে যা নির্দেশ এসেছে তেমন ভাবেই আয়োজন”। অদূরে ডিজে বক্সে হিন্দিতে বাজছে রাম ভজন। তাতে চলছে মহিলা সমর্থকদের যেমন খুশি তেমন নাচো। কখনো বেজে উঠছে ‘আমি মিঠুন চক্রবর্তী, জলঢোঁড়াও নই, বেলেবোড়া নই, জাত গোখরো…’। ডিজে কণ্ঠে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি তো রয়েইছে।

কর্মীদের জন্য বিলি হচ্ছে বিজেপির স্লোগান লেখা টি শার্ট। সেটা চাহিদার তুলনায় যে অনেক কম সে কথা জানালেন বণ্টনকারী এক নেতা। বললেন, সবাই চাইছে কিন্তু দেওয়া যাচ্ছে না। কাড়াকাড়ি পড়ে যাচ্ছে। শুধু টি-শার্ট নয়, বিলি হল পদ্ম ছাপ উত্তরীয়, টুপি, ব্যাজ এবং মোদী মুখোশ।

রাজনৈতিক মহলের মতে, বরানগর কাশীপুর গণহত্যার সাক্ষী, রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রয়াত জ্যোতি বসুকে ছ’বার বিধানসভায় পাঠানো বরানগরের মানুষ বরাবরই রাজনৈতিক সচেতন। তবে এ বারের ভোটে বিজেপির সৌজন্যে এখানে ভোটযুদ্ধে জুড়েছে গ্ল্যামার। প্রার্থী টলিউড অভিনেত্রী, আর তাঁর প্রচারে বলিউড অভিনেতা। এক রত্তি শিশুকে কোলে নিয়ে রোড শো-এ অংশ নেওয়া মহিলাকে দেখে মনে হতেই পারে রাজনৈতিক ডাককে ছাপিয়ে যাচ্ছে সেলিব্রিটি দর্শনের তাগিদ। ভোটের বাক্সে প্রভাব ফেলবে তো?

জবাবে বরানগর বিজেপির তিন নম্বর মণ্ডলের এক নেতা বললেন, “অবশ্যই, মিঠুন চক্রবর্তী বাংলার সন্তান। তাকে ফাঁসানো হয়েছিল। অপমান করা হয়েছিল। এ বারের ভোটে মানুষ তার যোগ্য জবাব দেবে। রাজ্যের সমস্ত অবাঙালিরা পরিবর্তন চাইছেন, বাঙালিরাও একই কথা বলছেন। মিঠুন চক্রবর্তীর ডাক তাঁদের সবার কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। বরানগরের ১০০ জনের মধ্যে ৮০ জন ভোটারই মিঠুনের ডাকে সাড়া দিয়ে বিজেপিকে ভোট দেবেন”।

অবশেষে সাড়ে ১১টা নাগাদ সুসজ্জিত গাড়িতে দেখা গেল মিঠুনকে। রোড শো তখন গোপাললাল ঠাকুর রোড ধরে ডানলপের দিকে এগোচ্ছে। দোকান ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসা এক দোকানদারকে প্রশ্ন- কেমন দেখলেন?

উত্তর, “বলতে গেলে আমার জীবন ধন্য হয়ে গেল মহাগুরুকে এত কাছ থেকে দেখে”।

আর ভোটটা?

– সেটা তো অন্য কথা। সিনেমার পর্দায় মিঠুনকে দেখে বড়ো হয়েছি, আজকে একেবারে কাছ থেকে দেখলাম। ভোট কাকে দেব, না দেব সেটা অন্য বিষয়।

তার মানে ‘রথ’ দেখলেও ‘মত’ যে অন্য পথে যেতে পারে, তেমন ইঙ্গিতও মিলল রাস্তার পাশে দাঁড়ানো একাধিক দর্শনার্থীর সঙ্গে কথা বলে।

তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে এ দিন মিঠুনের রোড শো যে সিঁথি সার্কাস ময়দান থেকে শুরু হয়, সেখানেই রয়েছে বরানগর কাশীপুর গণহত্যার শহিদদের উদ্দেশে ‘অমর শহিদ স্তম্ভ’। গায়ে গা লাগানো তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের কার্যালয়। জানতে চাওয়া হল, মিঠুনকে দিয়ে রোড শো করাচ্ছে বিজেপি। তাঁকে দেখার জন্য রাস্তায় দাঁড়িয়ে মানুষ। ভোটে কতটা প্রভাব পড়বে?

প্রশ্ন শেষ না হতেই কার্যালয়ের ভিতর থেকে সপাটে জবাব- “মিছিল কোথায়? আমরা কিছুই দেখিনি”!

Continue Reading

উঃ ২৪ পরগনা

Bengal Polls 2021: মনোনয়ন জমাকে ঘিরে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষে রণক্ষেত্র ব্যারাকপুর, গুলি চালানোর অভিযোগ

যদিও গুলি চালনা এবং অস্ত্র উদ্ধারের অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ।

Published

on

খবরঅনলাইন ডেস্ক: মনোনয়নপত্র জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ব্যারাকপুরে তৃণমূল-বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষ বাধল। ঘটনায় গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতি সামলাতে লাঠিচার্জ করতে হয়েছে পুলিশকে। ঘটনাস্থল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে বলেও খবর। এক জনকে গ্রেফতারও করেছে পুলিশ।

বুধবার ব্যারাকপুরের মহকুমা শাসকের কার্যালয়ে তৃণমূল প্রার্থী রাজ চক্রবর্তী মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর সেখানে মনোনয়ন জমা দিতে গিয়েছিলেন বীজপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভ্রাংশু রায়। তখনই দু’ পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়। ধাক্কাধাক্কি, হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন দু’দলের সমর্থকরা।

Loading videos...

বিজেপির অভিযোগ, এই গণ্ডগোলের সময়ই শুভ্রাংশুর লোকেদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। তাদের আরও অভিযোগ, শুভ্রাংশুকে খুন করার চেষ্টা করেছিল তৃণমূল। যদিও হামলা এবং গুলি চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংহ বলেন, “শুভ্রাংশ রায়ের লোকেদের উপর গুলি চালানো হয়। পুলিশের সামনেই এই ঘটনা ঘটেছে। এর থেকে নিন্দনীয় ঘটনা আর কী হতে পারে।”

শুভ্রাংশু বলেন, “মনোনয়ন দিয়ে বেরোচ্ছি যখন জানতে পারি তৃণমূলের গুন্ডারা আমাদের ছেলেকে মার দেয়। আমার এলাকার তৃণমূলের গুন্ডারা অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে। প্রতিবাদ করতেই ইট, লাঠি নিয়ে আক্রমণ করে। পুলিশ নীরব দর্শকের মতোই দাঁড়িয়েছিল। আক্রমণ থেকে বাঁচাতে পারত। আমার ঘাড়ে লেগেছে। ১৫ জন হাসপাতালে ভর্তি। তাঁদের মধ্যে ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।”

অন্য দিকে নৈহাটির তৃণমূল নেতা পার্থ ভৌমিকের পাল্টা দাবি, “আমাদের ৩ জন কর্মী গুলিতে আহত হয়েছেন। অনুরোধ করব শুভ্রাংশু রায়কে এই ঘৃণ্য রাজনীতি বন্ধ করুন। মানুষকে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে দিন।”

তবে পুলিশ কিন্তু গুলি চালনার ঘটনা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। এমনকি কোনো অস্ত্রও উদ্ধার হয়নি বলে দাবি করেছেন ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার। গোটা ঘটনাটি নিয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

খবরঅনলাইনে আরও পড়তে পারেন

Bengal Polls 2021: হুগলিতেও তৃণমূলনেত্রীর নিশানায় সেই পূর্ব মেদিনীপুরের শুভেন্দু

Continue Reading
Advertisement
Advertisement
বাংলাদেশ4 hours ago

Bengali new year: সবার আগে মানুষের জীবন, পয়লা বৈশাখের আনন্দ ঘরে বসে উপভোগ করুন: শেখ হাসিনা

রাজ্য7 hours ago

West Bengal Corona Update: ভোটের আবহে ভয়াবহ আকার নিচ্ছে কোভিড পরিস্থিতি, নতুন সংক্রমণ ৫ হাজারের দিকে

রাজ্য8 hours ago

নির্বাচনে জেতার জন্য তৃণমূল, বামফ্রন্ট বহিরাগতদের উপর নির্ভরশীল: অমিত শাহ

রাজ্য8 hours ago

Bengal Polls 2021: এ বার অনুব্রত মণ্ডলকে শোকজ নোটিশ নির্বাচন কমিশনের

দেশ9 hours ago

অভিবাসী শিশুদের অবস্থা জানাতে রাজ্যগুলিকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

রাজ্য10 hours ago

Bengal Polls 2021: শুভেন্দু অধিকারীকে সতর্ক করল নির্বাচন কমিশন

রাজ্য11 hours ago

নজরে বিধানসভা/বরানগর: দেখে নিন ইতিহাস এবং সাম্প্রতিক তথ্য

দার্জিলিং11 hours ago

Bengal Polls 2021: এনআরসি নিয়ে বড়ো ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের

ধর্মকর্ম2 days ago

অন্নপূর্ণাপুজো: উত্তর কলকাতার পালবাড়ি ও বালিগঞ্জের ঘোষবাড়িতে চলছে জোর প্রস্তুতি

ভিডিও2 days ago

Bengal Polls 2021: বিধাননগরে মুখোমুখি টক্কর সুজিত বসু-সব্যসাচী দত্তর, ময়দানে জোট প্রার্থী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

ক্রিকেট1 day ago

IPL 2021: কাজে এল না সঞ্জু স্যামসনের মহাকাব্যিক শতরান, পঞ্জাবের কাছে হারল রাজস্থান

প্রবন্ধ2 days ago

First Man In Space: ইউরি গাগারিনের মহাকাশ বিজয়ের ৬০ বছর আজ, জেনে নিন কিছু আকর্ষণীয় তথ্য

দেশ2 days ago

Kumbh Mela 2021: করোনাবিধিকে শিকেয় তুলে এক লক্ষ মানুষের সমাগম, আজ কুম্ভের প্রথম শাহি স্নান হরিদ্বারে

Rahul Gandhi at Maldah rally
রাজ্য2 days ago

Bengal Polls 2021: পঞ্চম দফার ভোটের আগে রাজ্যে আসছেন রাহুল গান্ধী

বিনোদন2 days ago

ভার্চুয়ালি সাধ খেলেন ‘মম টু বি’ শ্রেয়া ঘোষাল, দেখুন মিষ্টি কিছু মুহূর্ত

রাজ্য2 days ago

Bengal Corona Update: নমুনা পরীক্ষার সঙ্গেই তাল মিলিয়ে বাড়ল বাংলার দৈনিক করোনা সংক্রমণ

ভোটকাহন

কেনাকাটা

কেনাকাটা3 weeks ago

বাজেট কম? তা হলে ৮ হাজার টাকার নীচে এই ৫টি স্মার্টফোন দেখতে পারেন

আট হাজার টাকার মধ্যেই দেখে নিতে পারেন দুর্দান্ত কিছু ফিচারের স্মার্টফোনগুলি।

কেনাকাটা2 months ago

সরস্বতী পুজোর পোশাক, ছোটোদের জন্য কালেকশন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সরস্বতী পুজোয় প্রায় সব ছোটো ছেলেমেয়েই হলুদ লাল ও অন্যান্য রঙের শাড়ি, পাঞ্জাবিতে সেজে ওঠে। তাই ছোটোদের জন্য...

কেনাকাটা2 months ago

সরস্বতী পুজো স্পেশাল হলুদ শাড়ির নতুন কালেকশন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সামনেই সরস্বতী পুজো। এই দিন বয়স নির্বিশেষে সবাই হলুদ রঙের পোশাকের প্রতি বেশি আকর্ষিত হয়। তাই হলুদ রঙের...

কেনাকাটা3 months ago

বাসন্তী রঙের পোশাক খুঁজছেন?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সামনেই আসছে সরস্বতী পুজো। সেই দিন হলুদ বা বাসন্তী রঙের পোশাক পরার একটা চল রয়েছে অনেকের মধ্যেই। ওই...

কেনাকাটা3 months ago

ঘরদোরের মেকওভার করতে চান? এগুলি খুবই উপযুক্ত

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ঘরদোর সব একঘেয়ে লাগছে? মেকওভার করুন সাধ্যের মধ্যে। নাগালের মধ্যে থাকা কয়েকটি আইটেম রইল অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদন লেখার...

কেনাকাটা3 months ago

সিলিকন প্রোডাক্ট রোজের ব্যবহারের জন্য খুবই সুবিধেজনক

খবরঅনলাইন ডেস্ক: নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী এখন সিলিকনের। এগুলির ব্যবহার যেমন সুবিধের তেমনই পরিষ্কার করাও সহজ। তেমনই কয়েকটি কাজের সামগ্রীর খোঁজ...

কেনাকাটা3 months ago

আরও কয়েকটি ব্র্যান্ডেড মেকআপ সামগ্রী ৯৯ টাকার মধ্যে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: আজ রইল আরও কয়েকটি ব্র্যান্ডেড মেকআপ সামগ্রী ৯৯ টাকার মধ্যে অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদন লেখার সময় যে দাম ছিল...

কেনাকাটা3 months ago

রান্নাঘরের এই সামগ্রীগুলি কি আপনার সংগ্রহে আছে?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: রান্নাঘরে বাসনপত্রের এমন অনেক সুবিধেজনক কালেকশন আছে যেগুলি থাকলে কাজ অনেক সহজ হয়ে যেতে পারে। এমনকি দেখতেও সুন্দর।...

কেনাকাটা3 months ago

৫০% পর্যন্ত ছাড় রয়েছে এই প্যান্ট্রি আইটেমগুলিতে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: দৈনন্দিন জীবনের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলির মধ্যে বেশ কিছু এখন পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৫০% বা তার বেশি ছাড়ে। তার মধ্যে...

কেনাকাটা3 months ago

ঘরের জন্য কয়েকটি খুবই প্রয়োজনীয় সামগ্রী

খবরঅনলাইন ডেস্ক: নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় ও সুবিধাজনক বেশ কয়েকটি সামগ্রীর খোঁজ রইল অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদনটি লেখার সময় যে দাম ছিল তা-ই...

নজরে