smita das
স্মিতা দাস

গত বছর প্রতিমা জলে পড়া থেকেই শুরু হয়েছিল কাউন্টডাউন। সেই গুনতি এখন শেষ পর্যায়ে। এক রকম তখন থেকেই অনেক পুজো কমিটিতে ঠিক হতে শুরু করেছিল পরের বছরের থিম কী হবে। কে থিম করবেন ইত্যাদি। সেই পুজোই এ বার দরজায় কড়া নাড়ছে। মাস পেরোলেই পুজো।

হিসাবমতো আর এক মাসও গোটা হাতে নেই। পাড়ায় পড়ায় প্যান্ডেলের কাজ চলছে জোরকদমে। খবর অনলাইনও শুরু করে দিয়েছে তাদের পুজো পরিক্রমা।

এই বছরে ৮০তম বর্ষে পা দিল হরিঘোষ স্ট্রিট সর্বজনীন দুর্গোৎসব। ৮০তম বর্ষে তাঁরা স্মরণ করছেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয়কে।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ২০০তম বর্ষ পূর্তির কথা মাথায় রেখে হরিঘোষ স্ট্রিটের এই বছরের থিম ‘বর্ণপরিচয়’। বর্ণপরিচয়ের প্রথম দিকের যে বইটি ছিল, সেটি এখন আর দেখা যায় না। সেই প্রাথমিক স্তরের চেহারা কেমন ছিল তা তুলে ধরা হচ্ছে এই থিমের কাজে। থাকছে বর্ণমালা নিয়ে কাজ। বিদ্যাসাগর তো থাকছেনই।

এই বছরের থিমের কাজ চলছে

থিমশিল্পী সুজয় কাঠারি জানান, মণ্ডপসজ্জায় ব্যবহার করা হচ্ছে শোলা, টিন, বাঁশ, নানান ধরনের রঙ, সিমেন্ট ইত্যাদি। থিমের সঙ্গে তাল মিলিয়ে থাকবে গানের ব্যবস্থাও, যাকে বলে থিম সং। এটিও তৈরি করছেন সুজয়। গোটা মণ্ডপের আলোক সজ্জার দায়িত্বে রয়েছে শম্পা ইলেকট্রিক।

মণ্ডপে থিম থাকলেও প্রতি বছর হরি ঘোষ স্ট্রিটের প্রতিমা হয় সাবেক ধরনের। এই বারও তাই হচ্ছে। সাবেক প্রতিমাটি গড়ছেন অয়ন দত্ত।  

উল্লেখ্য গত বছরের থিম ছিল ‘ফুল বলে ধন্য আমি’।  ফুল কত রকমের কাজে লাগতে পারে, প্রাত্যহিক জীবনে ফুলের ব্যবহার তুলে ধরা হয়েছিল এই থিমের সাহায্যে।

এই বছরে মণ্ডপ দর্শকদের জন্য খুলে দেওয়া হবে চতুর্থীর দিন। এ দিন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন শশী পাঁজা এবং অন্য ব্যক্তিত্বরাও।  

কলেজ স্ট্রিটের দিকে যেতে বিধান সরণিতে হেদুয়া পার্ক বাসস্টপে নেমে উলটো দিকে বিডন স্ট্রিটে ঢুকে ডান হাতের প্রথম গলি হরি ঘোষ স্ট্রিট। একটু এগোলেই মণ্ডপ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here