Connect with us

দুর্গা পার্বণ

করোনাকালে আড়ম্বর থাকবে না, তবুও থাকবে চমক তেলেঙ্গাবাগানের পুজোয়

এই বারের ট্যাগ লাইন, ‘মা তোমার কাছে কিছু চাই না, খালি করোনা মুক্তি ছাড়া’।

Published

on

স্মিতা দাস

৫৫তম বর্ষে তেলেঙ্গাবাগান সর্বজনীন। করোনার গ্রাসে তেলেঙ্গাবাগানে হচ্ছে না থিম। তার প্রথম ও অন্যতম কারণ হল কন্টেনমেন্ট জোনে রয়েছে এই পুজো। অনেক কঠিন পরিস্থিতি পেরিয়ে, পাড়ার বয়স্কদের বহু বারণ সত্ত্বেও আয়োজন করা হয়েছে পুজোর। তবে তার জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে বহু নিয়ম ও সচেতনতার। এই বারের ট্যাগ লাইন, ‘মা তোমার কাছে কিছু চাই না, খালি করোনা মুক্তি ছাড়া’।

ঠিক কী ভাবে হচ্ছে এই বছরের পুজো?

এই ব্যাপারে ক্লাবের অফিস সেক্রেটরি অমৃত সাউ বলেন, এই বারের মণ্ডপ একদম সাধারণ। চার দিক খোলা। ঢোকা বেরোনোর পথ আলাদা আলাদা। তবে সাবেকি ঠাকুর। প্রতিমাতেই থাকছে বিশেষ আকর্ষণ। বিশেষ করে প্রতিমার মুকুটে থাকবে চমক। দর্শকরা দেবী মূর্তি দেখে মুগ্ধ হবেনই।

চালচিত্র নিয়ে এ বারের প্রতিমার উচ্চতা ১২ ফুট। শিল্পী ভাস্কর প্রদীপ রুদ্র পাল গড়ছেন ঠাকুর।

অমৃত জানান, ঢোকার মুখেই রাস্তার ওপর থাকবে জায়েন্ট স্ক্রিন। সেখান থেকেই দর্শকরা ঠাকুর দেখতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে ভেতরে ঢোকারও দরকার পড়বে না। ফলে ভিড় এড়ানো যাবে। মাস্ক, থার্মাল স্ক্রিনিং, দূরত্ব বজায় রাখতে গোল গোল দাগ থাকবে ঢোকার রাস্তায়। মাটি থেকে দশ ফুট খোলা থাকবে মণ্ডপ।

অষ্টমীতে অঞ্জলি হবে বাড়িতে বসেই, বাড়ির ঠাকুরের সামনে। মাইক দিয়ে মণ্ডপ থেকে ঠাকুরমশাই মন্ত্র পাঠ করবেন। সেই শুনে অঞ্জলি দেবেন এলাকাবাসী। পরে সুবিধেমতো এসে মণ্ডপে রাখা ঝুড়িতে ফুল দিয়ে যাবেন। পরিবর্তন করা হয়েছে ভোগের দিন ক্ষণে। অষ্টমীতে নয়, নবমীতে হবে ভোগ।

প্রতি বছরের মতোই মানুষের কাছে বার্তা তুলে ধরা হবে। সে ক্ষেত্রে এ বছর করোনা নিয়েই বার্তা থাকবে। বাজেট ৭০% কাট করা হয়েছে। এই বারের বাজেট ৭ থেকে ৮ লক্ষ টাকা। চাকচিক্য নেই, লাইটের রমরমাও নেই।

অমৃতবাবু জানান, এখনও পর্যন্ত ব্যানার স্পনসর, স্টল ইত্যাদি নিয়ে কোনো ফোনও আসেনি। সেই নিয়ে চিন্তিত কর্মকর্তারা।

এই বছরের উদ্বোধন তৃতীয়াতে, বিসর্জন পুলিশ প্রশাসনের নির্দেশ মেনেই হবে।

গত বছরের থিম ছিল ‘পুনর্জন্ম’।

খান্না থেকে উলটোডাঙার দিকে যেতে অরবিন্দ সেতু থেকে নেমে বাঁ দিকে তৃতীয় পূজামণ্ডপ।

আরও – পশ্চিম বর্ধমানের খান্দরার বকশিবাড়ি বৈষ্ণবধারার হলেও পুজোয় বলিদান হয় দেবীরই আদেশে

Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

কলকাতা

পিতৃমাতৃহীন শিশুদের নিয়ে পুজোর দিনে ‘দুর্গা অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’-এর অভিনব উদ্যোগ

Published

on

লোহারুকা গ্রিন ওয়েসিস-এর পুজোয় ‘দুর্গা অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’-এর ছোট্ট শিশুরা।

খবরঅনলাইন ডেস্ক: উৎসব মানেই আনন্দ, আর সেই আনন্দ আরও জোরদার হয়ে ওঠে যখন সঙ্গে থাকে প্রিয়জনেরা! সেই প্রিয়জনদের খোঁজার প্রচেষ্টাতেই ‘দুর্গা অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’ (Durga and Friends) একত্রিত করেছে ছোটো ছোটো কিছু পিতৃমাতৃহীন শিশুকে, যারা এক সঙ্গে বড়ো হয়ে উঠছে এই হাউসে।

আর এই ‘দুর্গা অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’-কে সঙ্গ দিয়েছেন কিছু বন্ধু যাঁরা এই ছোট্ট বন্ধুদের তাঁদের মা-বাবার অভাব কোনো দিন বুঝতে দেননি।

লোহারুকা গ্রিন ওয়েসিস-এর পুজোয় ‘দুর্গা অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’।

এই মহৎ প্রচেষ্টার সঙ্গে যিনি নিজেকে প্রথম যুক্ত করেছেন তিনি শ্যামসুন্দর জুয়েলার্স-এর পরিচালক মাননীয় রূপক সাহা। এবং তাঁর সঙ্গে এগিয়ে এসেছেন সত্যেন্দ্রনাথ মিশ্রা, সুরজিৎ কালা সোহো প্রমুখ।

প্রতি বছর এই খুদে বন্ধুদের সঙ্গে দুর্গাপূজার একটি বিশিষ্ট দিন সকলে উপভোগ করেন অঞ্জলি দিয়ে, প্যান্ডেল ঘুরে এবং এক সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজন করে।

কিন্তু এই বছরটা একটু আলাদা! করোনার কবল থেকে বাঁচাতে এই বার এগিয়ে এল লোহারুকা গ্রিন ওয়েসিস-এর (Loharuka Green Oasis)  আবাসিকবৃন্দ। এই বছর ‘দুর্গা অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’-এর ছোট্ট বন্ধুরা আমন্ত্রিত হলেন লোহারুকা গ্রিন ওয়েসিস-এর আবাসিকদের সঙ্গে একটি দিন উপভোগ করার জন্য!

লোহারুকা গ্রিন ওয়েসিস-এ ‘দুর্গা অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’।

আবাসিক প্রাঙ্গণের দুর্গাপূজায় যোগদানের আমন্ত্রণ পেয়ে খুব খুশি ছোট্ট শিশুরা। তারা আবাসিক প্রাঙ্গণের অন্য শিশুদের সঙ্গে দিনটা কাটাল অঞ্জলি, খেলাধুলা ও খাওয়াদাওয়ার মাধ্যমে। 

আবাসিকদের তরফ থেকে সভাপতি দেবপ্রসাদ চক্রবর্তী জানালেন, পরবর্তী সময়েও  লোহারুকা গ্রিন ওয়েসিস ‘দুর্গা অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’-এর পাশে থাকবে।

শারদোৎসব মানেই যে মেলবন্ধন, সেই সত্যি আরও প্রমাণ করে দিলেন লোহারুকা গ্রিন ওয়েসিস-এর আবাসিকরা এবং ‘দুর্গা অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’।

খবরঅনলাইনে আরও পড়ুন

দুর্গাপুজোয় সচেতনতার পরীক্ষায় উতরে গেল কলকাতা

Continue Reading

কলকাতা

দুর্গাপুজোয় সচেতনতার পরীক্ষায় উতরে গেল কলকাতা

পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনেই, ঘরবন্দি থেকে বা নিদেনপক্ষে পাড়াবন্দি থেকে, এ বার দুর্গাপূজা উদযাপন করল কলকাতা

Published

on

লালাবাগান সর্বজনীনের পুজো, মহানবমীর বিকেলে।

বিশেষ প্রতিনিধি: ভালো ভাবেই পাশ করে গেল কলকাতা (Kolkata) । আশঙ্কা ছিল, বাঙালির সব চেয়ে প্রিয় উৎসব দুর্গাপুজোর টানে কোভিড সংক্রান্ত সব বিধিনিষেধ উড়িয়ে দিয়ে বেসামাল হয়ে যাবে মহানগর। ফলত আরও বাড়বে করোনা সংক্রমণ।

দুর্গাপুজোর এই পাঁচ-ছ’ দিনে করোনা সংক্রমণ বাড়ল কি না, তা বোঝা যাবে দিন কয়েক পর। তবে পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনেই, ঘরবন্দি থেকে বা নিদেনপক্ষে পাড়াবন্দি থেকে, এ বার দুর্গাপূজা (Durgapuja 2020) উদযাপন করল কলকাতা।

উত্তর কলকাতার একটি সর্বজনীন পূজামণ্ডপ।

মহানবমীর বিকেলে আরও এক দফা নগর পরিক্রমায় বেরোনো হল। গন্তব্য ছিল উত্তর কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চল সেরে দক্ষিণের প্রান্তিক এলাকা।

কলকাতার অন্যতম প্রাচীন সর্বজনীন পুজো সিমলা ব্যায়াম সমিতি বিবেকানন্দ রোডে। এই পুজো ছাড়াও এই রাস্তায় রয়েছে বিবেকানন্দ স্পোর্টিং ক্লাব, চালতাবাগান সর্বজনীনের মতো বেশ প্রাচীন বিখ্যাত সর্বজনীন পুজো।

মহানবমীর বিকেলে বিবেকানন্দ রোড।

মহানবমীর বিকেলে বিবেকানন্দ রোড আর পাঁচটা সাধারণ দিনের থেকেও শুনশান। সব মণ্ডপেই ঝুলছে প্রবেশ নিষেধ বোর্ড। হাতে গোনা কয়েক জন দর্শনার্থী মণ্ডপের বাইরে থেকেই প্রতিমা দর্শন করে চলে যাচ্ছেন। কোনো কোনো প্রতিমার দর্শন হচ্ছে গাড়িতে বসেই। যে হেতু রাস্তায় তেমন ট্রাফিক নেই, তাই পুলিশের বাধাও নেই।

মানিকতলা মোড় পেরিয়ে বাঁ হাতি রাস্তা রাজা দীনেন্দ্র স্ট্রিট। একটু যেতেই ডান দিকে পড়ল লালাবাগান সর্বজনীন। গাড়িতে বসেই এমন সুন্দর প্রতিমা দর্শন হবে ভাবাই যায়নি। ওই ব্যস্ত রাস্তায় স্বচ্ছন্দে গাড়ি দাঁড় করানো হল, প্রতিমা দর্শন হল, ছবি তোলা হল অবাধে। ভাবা যায়?

বিবেকানন্দ রোডে বিবেকানন্দ স্পোর্টিং ক্লাবের গলি, মহানবমীর বিকেলে।

একটু এগিয়ে লালাবাগান নবাঙ্কুর-এর পুজো, একটু ভিতরে। গাড়ির জন্য রাস্তা বন্ধ। গুটি গুটি পায়ে চলেছেন নামমাত্র দু’-চার জন দর্শনার্থী।

রাজা দীনেন্দ্র স্ট্রিট থেকে বেরিয়ে ডান দিকের পথ ধরা হল উলটোডাঙা মোড়ের উদ্দেশে। বাঁ দিকে পড়ে থাকল গৌরীবেড়িয়া সর্বজনীন। অরবিন্দ সেতু পেরিয়ে উলটোডাঙা মোড়গামী এই রাস্তা পুজোয় অগম্য হয়ে যায়। গাড়ি তো দূরের কথা, পায়ে হাঁটাও দায় হয়ে ওঠে।

এই রাস্তার আশেপাশের গলিতে বহু বিখ্যাত পুজো আয়োজিত হয় – কবিরাজ বাগান সর্বজনীন, করবাগান সর্বজনীন, উলটোডাঙা পল্লিশ্রী, তেলেঙ্গাবাগান, শুঁড়ির বাগান সর্বজনীন ইত্যাদি। এই পথ ধরে এই মহানবমীর বিকেলে একেবারে অবাধ যাত্রা। পথে নতুন পোশাক পরে কিছু মানুষ চলেছেন প্রতিমা দর্শনের উদ্দেশ্যে।

ব্যস্ত উলটোডাঙা মোড়ের সম্পূর্ণ ভিন্ন ছবি মহানবমীর বিকেলে।

অন্যান্য বার এই বারোয়ারি পুজোগুলো দেখার জন্য দীর্ঘ লাইন পড়ে যায় উলটোডাঙা মোড়গামী মূল সড়ক থেকেই। এক একটা পুজো দেখা সাঙ্গ করতে সময় লেগে যায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা। আর এ বার মণ্ডপের পথে ক’ জন হেঁটে চলেছেন, তা বোধহয় গুনে ফেলা সম্ভব।

উত্তরের পুজো কেমন হচ্ছে তার একটা আন্দাজ পাওয়া গেল। শহরের দক্ষিণ প্রান্তে ফেরার পথে মনে হল একবার রাসবিহারী কানেক্টরে বোসপুকুর শীতলামন্দিরের পুজো দেখে আসা যাক। উনিশ বছর আগে মাটির ভাঁড়ের পুজো করে বিখ্যাত হয়েছিল বোসপুকুর। সেই খ্যাতি তারা আজও ধরে রেখেছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে এই প্রতিমা দর্শন করতে হয়।

বোসপুকুর শীতলামন্দির, মহানবমীর বিকেলে।

সেই বোসপুকুর শীতলামন্দির অবাক করল। রাসবিহারী কানেক্টরের একেবারে মণ্ডপের সামনে গাড়ি দাঁড় করিয়ে প্রতিমাদর্শন হল, ছবিও তোলা হল, পুলিশের নজরদারিতেই।

মহাসপ্তমী ও মহানবমীতে মহানগর পরিক্রমা করে বোঝা গেল হাতে গোনা কয়েকটি বিখ্যাত পুজো ছাড়া সর্বজনীন পুজোগুলো এ বার মোটামুটি ফাঁকাই থেকেছে। কলকাতাবাসী এ বার মোটামুটি ভাবে নিজের পাড়ার পুজোটিই দেখেছেন। পাড়ার চৌকাঠ পেরিয়ে দূরে পাড়ি জমাননি। আর যতটুকু অফিস-কাছারি চলছে, পুজোয় তা-ও বন্ধ। তাই এই আনলক পিরিয়ডেও বাস যে ভিড় দেখা যায়, দুর্গাপুজোর এ ক’ দিন তা-ও দেখা গেল না। সারা দিনই বাস একেবারেই ফাঁকা, তাই বেশি রাত পর্যন্ত বাসও চলেনি।

আনলক পিরিয়ডে নানা রকম বাধানিষেধের মধ্যে চলা মেট্রো রেল যত যাত্রী পরিবহণ করেছে, পুজোর দিনগুলোতে তার অর্ধেকও করেনি। মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষের হিসেবে, সপ্তমীর দিন তাঁদের পরিষেবা ব্যবহার করেছেন ৩৪ হাজার যাত্রী। অথচ পঞ্চমীর দিন মেট্রোয় যাত্রীসংখ্যা ছিল ৮৪,৮০১ জন। মোটামুটি একই ছবি দেখা গিয়েছে, মহাষ্টমী ও মহানবমীতেও।

এ যেন বনধের চেহারা। মহানবমীর বিকেলে রাসবিহারী কানেক্টর।

মেট্রো আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ট্রেনে বা স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে কোনো ভিড়ই ছিল না। তা ছাড়া অন্যান্য বারের মতো এ বারে বেশি রাত পর্যন্ত মেট্রো চালানোও হয়নি।

কলকাতার পুজো দর্শনার্থীদের একটা বড়ো অংশ আসেন কলকাতার আশেপাশের জেলা থেকে। এ বার লোকাল ট্রেন বন্ধ থাকায় তাঁদেরও বেশির ভাগ মহানগরে আসেননি। পুজোর দিনগুলোতে শহর শুনশান থাকার এটা একটা বড়ো কারণ।

বনেদিবাড়ির পুজোও কলকাতার পুজোর একটা বড়ো আকর্ষণ। কিন্তু শহরের বেশির ভাগ বনেদিবাড়ির পুজোতেও এ বার সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার ছিল না। নিজের পরিবারের সদস্যদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল বনেদিবাড়ির পুজো।

দশমীও ম্রিয়মাণ বেশির ভাগ মণ্ডপে। নেই সিঁদুরখেলা, নেই বিসর্জনের শোভাযাত্রাও। সোমবার সকাল থেকেই বিসর্জন শুরু হয়ে গিয়েছে। কোথাও কোথাও তো মণ্ডপচত্বরেই প্রতিমাকে গলিয়ে ফেলা হচ্ছে পাইপের জলের তোড়ে। কোনো কোনো বারোয়ারি কমিটি তো মণ্ডপের সামনেই জলের ব্যবস্থা করে সেখানে প্রতিমা বিসর্জন করছে।

ছবি: শ্রয়ণ সেন

খবরঅনলাইনে আরও পড়ুন

নেই সিঁদুরখেলা, শোভাযাত্রা, কোভিডের আবহে রাজ্যে মনখারাপের দশমী

Continue Reading

দুর্গা পার্বণ

নেই সিঁদুরখেলা, শোভাযাত্রা, কোভিডের আবহে রাজ্যে মনখারাপের দশমী

Published

on

durgapuja 2020
হাওড়ার উদয়নারায়ণপুরে এক বনেদী বাড়িতে চলছে প্রতিমা বরণ। ছবি: অশোক ঘোষ

খবরঅনলাইন ডেস্ক: শারদোৎসবটা (Durgapuja 2020) এ বার এমনিতেই মন খারাপের উৎসব ছিল। কোভিড (Covid 19) কেড়ে নিয়েছে উৎসবের অর্ধেকেরও বেশি জৌলুস। শেষ কবে গোটা দুর্গাপুজোয় কলকাতার পথঘাট এত ফাঁকা গিয়েছে মনে করা যায় না। সেই মন খারাপের শারদোৎসব শেষে এক মন খারাপের দশমী।

দশমী মানে এমনিতেই মন খারাপ, বিষাদের। এ বার যেন তার মাত্রা অনেকটাই বেশি। আর সেই বিষাদকে আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে সিঁদুরখেলা বা শোভাযাত্রা না হওয়া। সোমবার সকাল থেকেই বিসর্জন শুরু হয়ে গিয়েছে। কোথাও কোথাও তো মণ্ডপ চত্বরেই প্রতিমাকে গলিয়ে ফেলা হচ্ছে পাইপের জলের তোড়ে।

অন্যান্য বছরের থেকে এ বারের দশমী একেবারেই আলাদা। আলাদা আরও অনেক ক্ষেত্রে। হাইকোর্টের নির্দেশে এ বার সিঁদুরখেলা নেই মণ্ডপে। নেই শোভাযাত্রা করে প্রতিমা নিয়ে বেরোনো। বন্ধ ডিজে এবং মাইক। এমন আবহেই সোমবার দেবীবরণের পর শহরের মণ্ডপে মণ্ডপে, গঙ্গার ঘাটে শুরু হয়েছে প্রতিমা বিসর্জন। দুপুরের পর থেকে বিসর্জন শুরু হয়ে গেলেও কলকাতার ঘাটগুলিতে প্রতিমা নিরঞ্জনের সময় ভিড়ও নেই তেমন।

এ দিন সকাল থেকেই গঙ্গার ঘাটগুলিতে পুলিশের কড়াকড়ি চোখে পড়ার মতো। তিন হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। প্রতিমা বিসর্জনের পর গঙ্গার দূষণে লাগাম টানতে পুরকর্মীরাও তৎপর। ভাসানের পর সঙ্গে সঙ্গে নদী থেকে কাঠামো-ফুল এবং অন্যন্য সামগ্রী তুলে ফেলা হচ্ছে।

বিসর্জনের সময় ঘাটে চার-পাঁচ জনের বেশি কাউকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। সর্ব ক্ষণ নজরদারি চালাচ্ছে রিভার ট্রাফিক পুলিশ, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। স্পিডবোর্ডেও চলছে নজরদারি। প্রতিমা বিসর্জনে নিয়ম মানা হচ্ছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে এ দিন দুপুরে ঘাটগুলি পরিদর্শন করেন পুর ও নগরন্নোয়মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তিনি পুলিশ এবং প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে কথাও বলেন।

এমনিতে এ বার বিসর্জনের সময়ে বেশি ভিড় যাতে না হয় সে কারণে ২৯ অক্টোবর পর বিসর্জন করা যাবে বলে জানিয়েছে রাজ্য সরকার। তবে বর্তমান পরিস্থিতি যা মনে হচ্ছে তাতে সোমবার অনেক বারোয়ারি পুজোরই ঠাকুর বিসর্জন হয়ে যাবে।

বারোয়ারি পুজো উদ্যোক্তারা ভাসানের সময় নিয়ম মানছেন কি না, প্রতিটি থানার পুলিশ আধিকারিকেরা তা খতিয়ে দেখছেন। ঘাটগুলিতে নজরদারিতে রয়েছেন ডেপুটি কমিশনার এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার পদমর্যাদার অফিসারেরাও।

খবরঅনলাইনে আরও পড়তে পারেন

‘টু প্লাস টু’ বৈঠকে ভারত-আমেরিকা, হতে পারে একাধিক প্রতিরক্ষা চুক্তি

Continue Reading

Amazon

Advertisement
বিনোদন18 mins ago

চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন না সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, আরও সংকট, জানালেন চিকিৎসক

দেশ52 mins ago

হরিয়ানায় কলেজের সামনে তরুণীকে প্রকাশ্যে গুলি করে মারার দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি, ধৃত ২

দেশ2 hours ago

সরছে না হাথরস মামলা, সিবিআই তদন্তে এলাহাবাদ হাইকোর্টকে নজরদারির দায়িত্ব দিল সুপ্রিম কোর্ট

বিদেশ3 hours ago

পাকিস্তানের মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত শিশু-সহ ৭, আহত অসংখ্য

বিনোদন4 hours ago

দেশের সব থেকে বিশ্বস্ত ব্র্যান্ড কে?

মুর্শিদাবাদ4 hours ago

দশমীতে নৌকাডুবি বেলডাঙায়, মৃত ৫ যুবক

RBI
শিল্প-বাণিজ্য5 hours ago

মোরাটোরিয়াম: সুদের উপর সুদ ছাড়ে এ বার রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নির্দেশিকা

winter 2020
রাজ্য5 hours ago

উত্তুরে হাওয়ায় হালকা শিরশিরানি, কলকাতায় পারদ একুশে, সমতলে শীতলতম পুরুলিয়া

দেশ6 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ৩৬৪৭০, সুস্থ ৬৩৪৮২

কলকাতা3 days ago

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে এ বার আর বিজয়া সম্মিলনী নয়

currency notes
শিল্প-বাণিজ্য2 days ago

মোরাটোরিয়াম: কয়েক দিনের মধ্যেই অ্যাকাউন্টে বাড়তি সুদের টাকা ফেরত পাবেন গ্রাহক

ক্রিকেট3 days ago

সুনীল-নীতীশের ব্যাট তাণ্ডবের পর বরুণের ঘূর্ণি, দিল্লি-জয় করল কলকাতা

বিনোদন2 days ago

চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন না সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, শারীরিক অবস্থার অবনতি

দুর্গা পার্বণ3 days ago

দুর্গোৎসব বাংলাদেশে: রাজধানীর সব চেয়ে বড়ো দুর্গাপূজার আয়োজন রমনা কালীমন্দিরে

ক্রিকেট2 days ago

হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরলেন কপিল দেব

কলকাতা2 days ago

বনেদিবাড়ির পুজোতেও নানা বিধিনিষেধ, সাবর্ণদের আটচালায় এ বার বন্ধ সিঁদুরখেলা কোলাকুলি

কেনাকাটা

কেনাকাটা3 weeks ago

মেয়েদের কুর্তার নতুন কালেকশন, দাম ২৯৯ থেকে শুরু

খবর অনলাইন ডেস্ক: পুজো উপলক্ষ্যে নতুন নতুন কুর্তির কালেকশন রয়েছে অ্যামাজনে। দাম মোটামুটি নাগালের মধ্যে। তেমনই কয়েকটি রইল এখানে। প্রতিবেদন...

কেনাকাটা3 weeks ago

‘এরশা’-র আরও ১০টি শাড়ি, পুজো কালেকশন

খবর অনলাইন ডেস্ক : সামনেই পুজো আর পুজোর জন্য নতুন নতুন শাড়ির সম্ভার নিয়ে হাজর রয়েছে এরশা। এরসার শাড়ি পাওয়া...

কেনাকাটা4 weeks ago

‘এরশা’-র পুজো কালেকশনের ১০টি সেরা শাড়ি

খবর অনলাইন ডেস্ক : পুজো কালেকশনে হ্যান্ডলুম শাড়ির সম্ভার রয়েছে ‘এরশা’-র। রইল তাদের বেশ কয়েকটি শাড়ির কালেকশন অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদন...

কেনাকাটা4 weeks ago

পুজো কালেকশনের ৮টি ব্যাগ, দাম ২১৯ টাকা থেকে শুরু

খবর অনলাইন ডেস্ক : এই বছরের পুজো মানে শুধুই পুজো নয়। এ হল নিউ নর্মাল পুজো। অর্থাৎ খালি আনন্দ করলে...

কেনাকাটা4 weeks ago

পছন্দসই নতুন ধরনের গয়নার কালেকশন, দাম ১৪৯ টাকা থেকে শুরু

খবর অনলাইন ডেস্ক : পুজোর সময় পোশাকের সঙ্গে মানানসই গয়না পরতে কার না মন চায়। তার জন্য নতুন গয়না কেনার...

কেনাকাটা1 month ago

নতুন কালেকশনের ১০টি জুতো, ১৯৯ টাকা থেকে শুরু

খবর অনলাইন ডেস্ক : পুজো এসে গিয়েছে। কেনাকাটি করে ফেলার এটিই সঠিক সময়। সে জামা হোক বা জুতো। তাই দেরি...

কেনাকাটা1 month ago

পুজো কালেকশনে ৬০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে চোখ ধাঁধানো ১০টি শাড়ি

খবর অনলাইন ডেস্ক: পুজোর কালেকশনের নতুন ধরনের কিছু শাড়ি যদি নাগালের মধ্যে পাওয়া যায় তা হলে মন্দ হয় না। তাও...

কেনাকাটা1 month ago

মহিলাদের পোশাকের পুজোর ১০টি কালেকশন, দাম ৮০০ টাকার মধ্যে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : পুজো তো এসে গেল। অন্যান্য বছরের মতো না হলেও পুজো তো পুজোই। তাই কিছু হলেও তো নতুন...

কেনাকাটা1 month ago

সংসারের খুঁটিনাটি সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে এই জিনিসগুলির তুলনা নেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিজের ও ঘরের প্রয়োজনে এমন অনেক কিছুই থাকে যেগুলি না থাকলে প্রতি দিনের জীবনে বেশ কিছু সমস্যার...

কেনাকাটা1 month ago

ঘরের জায়গা বাঁচাতে চান? এই জিনিসগুলি খুবই কাজে লাগবে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : ঘরের মধ্যে অল্প জায়গায় সব জিনিস অগোছালো হয়ে থাকে। এই নিয়ে বারে বারেই নিজেদের মধ্যে ঝগড়া লেগে...

নজরে