Connect with us

দুর্গা পার্বণ

পলাশির যুদ্ধে জয় উদযাপন করতে নবকৃষ্ণ দেব বাড়িতে বসিয়ে ছিলেন দুর্গাপুজোর আসর

শোভাবাজার রাজবাড়িতে মা দুর্গা গানবাজনা শুনতে আসেন, তাই তিনি এখানে আমোদিনী।

Published

on

শুভদীপ রায় চৌধুরী

শারদীয়া দুর্গাপুজো বাঙালির সাংস্কৃতিক জীবনের এক অতি পরিচিত অঙ্গ। বঙ্গের বহু বনেদি পরিবারে দুর্গাপুজো অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে ধারাবাহিক ভাবে, প্রাচীন রীতি মেনে। দেবীপ্রতিমার গঠনে এবং রঙে নানা বৈচিত্র্য লক্ষ করা যায়। কোথাও দেবীর রঙ অতসীপুষ্পবর্ণা আবার কোথাও তিনি রক্তবর্ণা। কোথাও তিনি দশভূজা মহিষাসুরমর্দিনী আবার কোথাও তিনি দ্বিভূজা শিবনন্দনী। এই শারদীয়া উৎসবে শুধু দেশ কেন, বলা যেতে পারে ভারতের বাইরে থেকেও পর্যটকরা আসেন কলকাতার বিভিন্ন বনেদিবাড়ির পুজো দেখতে ও উপভোগ করতে।

কলকাতার বনেদিবাড়ির মধ্যে অন্যতম হল উত্তর কলকাতার শোভাবাজারের রাজবাড়ি। এই বাড়ির দুর্গাপুজো শুরু হয়েছিল ১৭৫৭ সালে। পুজো শুরু করেছিলেন শোভাবাজার রাজবাড়ির প্রতিষ্ঠাতা রাজা নবকৃষ্ণ দেব পলাশির যুদ্ধের পরে। সেই বাড়ির ইতিহাস এবং ঐতিহ্য আজও বাঙালিকে মুগ্ধ করে। দূরদূরান্ত থেকে অগণিত দর্শনার্থী ছুটে আসেন এই বাড়ির পুজো দেখতে। বলা যায় যে শোভাবাজারের রাজবাটীর পুজো না দেখলে কলকাতার পুজো দেখা সম্পূর্ণ হয় না।

এই বংশের আদি পূর্বপুরুষ বিজয় শ্রীহরিদেব জন্মগ্রহণ করেছিলেন দাক্ষিণাত্যের কোলাচলের ত্রিভুবননগরে বর্তমানে যা তেলঙ্গানার ওয়ারাঙ্গল জেলা নামে পরিচিত। বিজয় শ্রীহরিদেবের ‘দেব’ সম্প্রদায় কেন ওয়ারাঙ্গল ছেড়ে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ডেরা বাঁধলেন, কী ভাবে পরবর্তীকালে তাঁরা বিভিন্ন গোত্রের গোষ্ঠীতে ভাগ হলেন, কী ভাবে একটি গোত্রের উত্তরপুরুষরা কলকাতায় এলেন, সে এক দীর্ঘ ইতিহাস। সেই ইতিহাসের সঙ্গে শোভাবাজার দেব রাজবাড়ির পুজোর খুব একটা সম্পর্ক নেই বলে তা এখানে না-বলাই থাকল।

রাজা নবকৃষ্ণ দেব – প্রাচীন অঙ্কন।

এই দেব সম্প্রদায়ের মৌদগল্য গোত্রধারীদের উত্তরপুরুষ রাজা নবকৃষ্ণ দেব ১৭৩২ সালে গোবিন্দপুরে জন্মগ্রহণ করেন। নবকৃষ্ণ দেব ছোটোবেলা থেকেই পণ্ডিত ছিলেন এবং ফারসি, বাংলা, উর্দু, আরবি, ইংরাজি ইত্যাদি ভাষায় পারদর্শী ছিলেন। ষোলো বছর বয়স থেকেই নবকৃষ্ণের সুচারুতা, শিষ্টাচারিতা, কঠিন অধ্যবসায় প্রভৃতি বহুবিধ গুণের কথা চার দিকে ছড়িয়ে পড়ে।

১৭৫০ সালে ওয়ারেন হেস্টিংসকে ফারসি ভাষা শেখাতে শুরু করেন নবকৃষ্ণ দেব। ১৭৫৬ সালে মুর্শিদাবাদের কয়েক জন সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি ড্রেক সাহেবের কাছে ফারসি ভাষায় একখানি পত্র লেখেন এবং জানিয়ে দেন যে কোনো মুসলিম মুনশির দ্বারা পত্রটি পাঠ করা চলবে না। সেই সময় নবকৃষ্ণ দেব দক্ষতার সাথে ইংরেজিতে পত্রটির ব্যাখ্যা করেন ও ফারসিতে উত্তরও লিখে দেন। তাঁর কাজে খুশি হয়ে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি তাঁকে মুনশি পদে নিয়োগ করে মাসিক ষাট টাকা বেতন দেন।

বলা বাহুল্য কর্নেল ক্লাইভ এর পর নবকৃষ্ণকে বহু গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক কাজ দেন যা বিদেশে সচিবের সমতুল্য। দ্বিতীয় বার কলকাতা আক্রমণের জন্য সিরাজদৌল্লা যখন হালসিবাগে ছাউনি ফেলেন তখন বহু উপঢৌকন নিয়ে নবকৃষ্ণকে তাঁর কাছে পাঠানো হয়। বাদশা শাহ আলম ও অযোধ্যার নবাব সুজা-উদ্-দৌল্লার সাথে চুক্তি সম্পাদনের জন্য নবকৃষ্ণকে নিয়োগ করা হয়েছিল। বিহারের সিতাব রায় এবং বারাণসীর মহারাজা বলবন্ত সিংহের সাথে বন্দোবস্তের ব্যবস্থা নবকৃষ্ণ করেছিলেন। 

পলাশির যুদ্ধে সিরাজদৌল্লার বিরুদ্ধে যুদ্ধজয়ে ব্রিটিশদের অকুণ্ঠ সাহায্য করেছিলেন রাজা নবকৃষ্ণ দেব। পলাশির যুদ্ধে রবার্ট ক্লাইভের জয় উদযাপন করতে নবকৃষ্ণ দেবের বাড়িতে বসল দুর্গাপুজোর আসর। বছরে একবারই মেয়ে আসেন তাঁর বাপের বাড়িতে, তাই ঘরের মেয়ের বিনোদনে কবির লড়াই, তরজা, টপ্পা, বাঈনাচ সহ থাকত এলাহি আয়োজন।

শোভাবাজার রাজবাড়ী।

বলা যেতে পারে শোভাবাজার রাজবাড়িতে মা দুর্গা গানবাজনা শুনতে আসেন, তাই তিনি এখানে আমোদিনী। এমন জাঁকজমকপূর্ণ দুর্গাপুজোর আয়োজন আগে দেখেনি তিলোত্তমা কলকাতা। প্রধান অতিথিদের মধ্যে ছিলেন রবার্ট ক্লাইভ-সহ তাঁর সঙ্গীরা। শুধু ক্লাইভই নয়, এই রাজবাড়িতে পরে এসেছিলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, স্বামী বিবেকানন্দ, বিদ্যাসাগর, গান্ধীজির মতন বিশিষ্ট মানুষেরা। মূলত রাজা নবকৃষ্ণ পুজো শুরু করেছিলেন ক্লাইভের জয়কে উদযাপন করতেই। তাই সাহেবদের মন জয় করতে বিনোদনের অভাব ছিল না রাজবাড়িতে। এত কিছু থাকলেও নবকৃষ্ণ ছিলেন অপুত্রক, তাই তিনি তাঁর ভাইয়ের ছেলে গোপীমোহনকে দত্তক নেন। তার পর নবকৃষ্ণের নিজের ছেলে হয়, তাঁর নামকরণ করা হয় রাজকৃষ্ণ। দুই সন্তানের মধ্যে সম্পত্তি ভাগ করে রাজা নবকৃষ্ণ আরও একটি প্রাসাদ নির্মাণ করেন রাজকৃষ্ণের জন্য। সেই বাড়িতেও দুর্গাপুজো শুরু হয় ১৭৯০ সালে। শোভাবাজার রাজবাড়ির এই দুই পুজো বড়ো তরফ ও ছোটো তরফ নামেই পরিচিত। বড়ো তরফের কাঠামোপুজো হয় সোজা রথের দিন ও ছোটো তরফের কাঠামোপুজো হয় উল্টোরথের দিন।

এই বাড়ির মেয়ে আমোদিনী হলেও বনেদিবাড়িতে সে থাকে চিকের আড়ালে। প্রতিমার সামনে ঝোলে ছোটো ছোটো অভ্র টুকরোর আবরণ। এই ভাবেই আড়ালে থাকেন উমা রাজবাড়ির ঠাকুরদালানে। আগে আমোদিনীর সাথে বাড়ির মহিলারাও চিকের আড়ালে থাকতেন, চিকের আড়াল থেকেই তাঁদের চোখে ধরা পড়ত বিনোদনের চাকচিক্য।

সেই সময় রাজবাড়ির প্রতিমায় জাঁকজমকের সাজ ডাকযোগে বিদেশ থেকে আসত। সেই পুরাতনী সাজ আসা বন্ধ হয়ে গেছে বর্তমানে। কৃষ্ণনগরের শিল্পীরা আসেন মাকে সাজাতে। অন্যান্য বনেদিবাড়ির থেকে এই বাড়িতে সাজসজ্জায় পার্থক্য দেখা যায়। দেবীকে সাজানো হয় বিভিন্ন প্রাচীন অলংকারে। অতীতে দেবীর বাহন সিংহের আবরণ ছিল খাঁটি রুপো, বিদেশ থেকে সেই রুপো আসত। বিসর্জনের সময় রুপোর আবরণ সহ বিসর্জন হত। তবে বর্তমানে সেই প্রথা বন্ধ। ১৯৪০ সালে শেষ বসেছিল বাঈনাচের আসর রাজবাড়ির দালানে। সে বার গহরজানের নাচে যেন বেশ ঝলমলে হয়ে উঠেছিল চার পাশের পরিবেশ।

কৃষ্ণানবমীতিথিতে বোধন শুরু হয় এই বাড়িতে, এই বাড়িতে দেবীকে কন্যা রূপে পুজো করা হয়। ছোটো তরফের কুলদেবতা শ্রীশ্রীগোপীনাথ জিউ পুজোর ক’টা দিন মাকে আসন ছেড়ে দিয়ে দোতলায় উঠে আসেন এবং একমাস থাকেন সেখানে। দুর্গাপুজোর ষষ্ঠীর দিন বেলবরণ, আমন্ত্রণ ও অধিবাস। প্রতিমার সামনে ঘট স্থাপন করা হয় এবং প্রতিমায় সোনার টিপ ও নথ পরানো হয়।

সপ্তমীতে হঙ্গার ঘাটে কলাবৌ স্নান।

দুর্গাপুজোর সপ্তমীর দিন সকালে কলাবৌ স্নান করানো হয়। শোভাযাত্রা করে বাগবাজারে রাজা নবকৃষ্ণের জোড়া ঘাটে গিয়ে কলাবউ স্নান হয়। আগে সোনার ছাতা, রুপোর লাঠি, বল্লম নিয়ে যাওয়া হত। সে যুগে ফোর্ট উইলিয়াম থেকে ২০০ জন স্কট হাইল্যান্ডার আসত। এখন অবশ্য এত জৌলুস নেই তবে শোভাযাত্রার সাথে রাজবাড়ির কলাবউ স্নান হয়। অষ্টমীর সন্ধিপূজায় প্রতিমার সামনে ১০৮টি সোনার প্রদীপ মালার মতন করে সাজিয়ে দেওয়া হয়। সন্ধিপুজোর শুরু আর শেষের সময় কামানের ধ্বনিতে ভরে উঠত সুতানুটি। এখন বাড়ির ছেলেরাই বন্দুকে ব্ল্যাঙ্ক ফায়ার করে সেই বিশেষ সন্ধিক্ষণকে চিহ্নিত করেন।

রাজা রাধাকান্ত দেব বাহাদুরের সময়ে তাঁর বাড়িতে পাঁঠাবলি প্রথা বন্ধ হয়ে যায়। এটি রাজা রাধাকান্ত দেবের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। বলিদানের সময় ছাগশিশুটি পালিয়ে গিয়ে রাধাকান্ত দেবের কাছে আশ্রয় নেন, তখন রাজা বাহাদুর ঘোষণা করেন যে, ‘যে আমার শরণাগত তাকে রক্ষা করা আমার কর্তব্য, তাই অন্য কিছু বলি দেওয়া হোক’। সেই থেকেই রাজা রাধাকান্ত দেবের বাড়িতে (বড়ো বাড়িতে) পাঁঠাবলি বন্ধ হয়েছে। পরবর্তীকালে শোভাবাজার বড়ো তরফে মাগুরমাছ বলি দেওয়া হয়। তবে ছোটো তরফের বলিদান বন্ধ হয়নি।

এই বাড়িতে ভিয়েন বসিয়ে আজও মিষ্টান্ন তৈরি করা হয়, যা রাজবাড়ির এক বিশেষ বৈশিষ্ট্য। এই মিঠাই তৈরিতে বহু ব্রাহ্মণ মানুষ একসাথে ভোগ রান্না করেন। দরবেশ, মতিচুর, মিঠে গজা, জিবেগজা, ছোলার ডালের শিঙাড়া, জিলিপি, পেরাকী, মুগের নাড়ু, লবঙ্গলতিকা, পূর্ণ চন্দ্রপুলি-সহ হরেক রকম মিষ্টি।  

শোভাবাজার রাজবাড়ির বিশেষ নিয়ম হল দশমীর দিন বাড়ির মহিলারা কেউই সিঁদুরখেলায় মেতে ওঠেন না, কারণ সিঁদুর খেলার জিনিস নয় বলেই মনে করা হয়। কাজেই এই রাজবাড়িতে সিঁদুরখেলা নেই। দশমীর দিন কনকাঞ্জলি নিয়ে মেয়েকে বিদায় জানানোর পালা। রাজবাড়ির সব চেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠা সধবা মহিলা বেনারসি আর সোনার গহনা পরে আঁচল পেতে মায়ের পিছনে গিয়ে দাঁড়ান। পুরোহিত রুপোর থালায় সোনার মোহর, সিঁদুরকৌটো, ধান, দুর্বা, চন্দন নিয়ে ঠাকুরের সামনে মই নিয়ে উঠে পিছনে ফেলে দেন।

এখনও এই বাড়িতে কাঁধে করে বিসর্জন দেওয়ার রীতি রয়েছে। আগে নীলকণ্ঠপাখি ওড়ানো হত, প্রতিমার শোভাযাত্রা শুরুর সময়ে আর নৌকা ছাড়ার সময় দ্বিতীয় বার। তবে বর্তমানে আইন করে এই প্রথা বন্ধ করা হলেও মাটির নীলকণ্ঠ পাখি তৈরি করে তাতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং গঙ্গায় বিসর্জনের সময় বিসর্জন দেওয়া হয়। বিসর্জনের পর বাড়ির সদস্যরা দালানে ফিরে এলে সকলে মিলে শান্তির জল নেন এবং কুলদেবতা শ্রীগোপীনাথকে প্রণাম করেন। সেই সময়ে পুরোহিত গোপীনাথের ব্যবহৃত ধুতি ছেলেদের মাথায় ও মেয়েদের হাতে বেঁধে দেন শান্তির প্রতীক হিসাবে। এর পর মিষ্টি, সিদ্ধি, কোলাকুলি – বাঙালির ট্রাডিশনাল বিজয়া শুরু হয়। এই ভাবে আজও রীতিনীতিকে অক্ষুণ্ণ রেখে রাজবাড়ির দুর্গাপুজো হয়, যা দেখতে আপনাকে আসতেই হবে শোভাবাজারের নবকৃষ্ণের বাড়িতে।

দুর্গা পার্বণ

উধাও হয়ে যাওয়া শ্রীরাধারমণ বিগ্রহ ফিরে পেতেই শান্তিপুরের বড়ো গোস্বামী বাড়িতে শুরু হয় কাত্যায়নীর আরাধনা

দেবীর বাহন সিংহ ঘোটকাকৃতি। প্রতিমার দশটি হাতের মধ্যে দুটি হাত বড়, আটটি হাত ছোটো।

Published

on

বড়ো গোস্বামী বাড়ির দুর্গাপূজা।

শুভদীপ রায় চৌধুরী

শান্তিপুরের প্রাচীন ঐতিহ্যের মধ্যে অন্যতম এই অঞ্চলের দুর্গাপুজো, যা বহু বছর ধরে হয়ে আসছে বিভিন্ন বনেদিবাড়িতে। বৈষ্ণব এবং শৈব ধারার পাশাপাশি এখানে শাক্তমতের আড়ম্বরও লক্ষ করা যায়, ধুমধাম করে পালিত হয় দুর্গাপুজো, কালীপুজো।

এই অঞ্চলের একটি প্রাচীন পরিবারে রাস উৎসবের পাশাপাশি সাড়ম্বর পালিত হয় দুর্গাপুজো। শান্তিপুরনাথ অদ্বৈতাচার্যের পুত্র বলরাম মিশ্রের পুত্র মথুরেশ গোস্বামীর প্রথম পুত্র রাঘবেন্দ্র গোস্বামী থেকেই বড়ো গোস্বামী বাড়ির সৃষ্টি। এই বাড়িতে আজও নিত্য পূজিত হন অদ্বৈতাচার্যের সেবিত শালগ্রামশিলা এবং আরও অনেক দেবদেবী।

বড়ো গোস্বামী বাড়ির পূর্বপুরুষ মথুরেশ গোস্বামী তাঁর পিতার কাছ থেকে শ্রীশ্রীরাধামদনমোহন, প্রভু সীতানাথ, সীতামাতা ও অচ্যুতানন্দের সেবাভার পেয়েছিলেন। মথুরেশ গোস্বামী বাংলাদেশের যশোহর থেকে এনেছিলেন শ্রীরাধারমণকে  এবং সেই বিগ্রহ সেবা পান শান্তিপুরের বড়ো গোস্বামী বাড়িতে।

এই রাধারমণ একবার বাড়ির মন্দির থেকে রহস্যজনক ভাবে উধাও হয়ে যান। সেই বিগ্রহ ফিরে পেতেই বাড়ির মহিলারা ব্রত রাখলেন দেবী কাত্যায়নীর। কারণ বৃন্দাবনে গোপীরা যেমন কাত্যায়নীব্রত করে লীলাপুরুষোত্তমকে পেয়েছিলেন ঠিক তাঁদেরও তেমন বিশ্বাস ছিল যে তাঁরাও তাঁদের রাধারমণকে ফিরে পাবেন দেবীর ব্রতপূজা করলে। এবং পুজোর সময় স্বপ্নাদেশে জানতে পারা গেল, বাড়ি থেকে কিছুটা দূরেই রয়েছেন রাধারমণ। তখন বড়ো গোস্বামী বাড়ির সদস্যরা তাঁকে নিয়ে আসেন। এ ভাবেই প্রায় সাড়ে তিনশো বছর আগে বড়ো গোস্বামী বাড়িতে শুরু হয় কাত্যায়নী তথা মা দুর্গার আরাধনা, যা আজও নিষ্ঠার সঙ্গে পালিত হয়ে আসছে।

বড়ো গোস্বামী বাড়িতে মা দুর্গার আরাধনা।

প্রত্যেক বনেদিবাড়ির দুর্গাপ্রতিমায় যেমন কিছু বৈশিষ্ট্য থাকে, বড়ো গোস্বামী বাড়িও তার ব্যতিক্রম নয়। এই বাড়িতে দেবীর বাহন সিংহ ঘোটকাকৃতি। প্রতিমার দশটি হাতের মধ্যে দুটি হাত বড়, আটটি হাত ছোটো। কার্তিক, গণেশ, লক্ষ্মী এবং সরস্বতী থাকে বিপরীত দিকে। দেবীর ডান দিকে থাকে কার্তিক ও লক্ষ্মী এবং বাঁ দিকে গণেশ ও সরস্বতী। এই পরিবারের পুজো হয় পূর্বপুরুষদের তৈরি করা বিশেষ পুথি দেখে এবং মহানবমীতে হয় বিশেষ প্রার্থনা।

এই বাড়িতে ভোগরান্না করেন বাড়ির দীক্ষিত মহিলারা। ভোগরান্নায় অন্য কারও অধিকার নেই। এই বাড়ির পুজোয় ৩৬ রকমের পদ দিয়ে ভোগ দেওয়া হয়। ভোগে থাকে সাদা ভাত, খিচুড়ি, নানা রকমের ভাজা, শুক্তানি, তরকারি, পোলাও, ধোঁকার তরকারি, ছানার ডালনা ইত্যাদি।

দশমীর দিন শান্তির জল দেওয়া হয়। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকেন এলাকার মানুষেরাও। সব থেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল এখানে মায়ের সকালবেলায় বিসর্জন হয়ে যায়। কারণ মা যতক্ষণ না বিসর্জিত হন ততক্ষণ বড়ো গোস্বামী বাড়ির ইষ্টদেবতা শ্রীশ্রীরাধারমণ জিউয়ের ভোগ রান্নার কাজ শুরু হয় না। মা চলে যাওয়ার পরেই তা শুরু হয়।

দশমীর দিন মায়ের বিসর্জনের আগেই রাসের খুঁটি পুঁতে রাস উৎসবের শুভ সূচনা হয়। এ ছাড়াও শ্রীশ্রীআগমেশ্বরী মায়ের পাটপুজো দেখে তার পর মা বিসর্জনে যান। বিসর্জনের পরে ঘাটে উপস্থিত প্রায় ৩০০-৪০০ জনকে মিষ্টিমুখ করানো হয়।

খবরঅনলাইনে আরও পড়তে পারেন

বড়িশার আটচালায় কলকাতার প্রথম দুর্গাপুজো শুরু করলেন লক্ষ্মীকান্ত

Continue Reading

দুর্গা পার্বণ

দুর্গোৎসব বাংলাদেশে: সাংবাদিক বৈঠক ও মানববন্ধন করে ৩ দিন ছুটির দাবি

বর্তমানে বিজয়া দশমীর দিনে ছুটি রয়েছে। সঙ্গে অষ্টমী ও নবমী যোগ করে ৩ দিনের ছুটির দাবি জানান তাঁরা।

Published

on

press conference by hindu mahajot
সাংবাদিক বৈঠকে বক্তব্য রাখেছেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের সভাপতি ড. প্রভাস চন্দ্র রায়।

ঋদি হক: ঢাকা

উৎসব মানেই প্রাণের মিলনমেলা। বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এমন স্বপ্নই দেখতেন। বঙ্গবন্ধু কোনো দিনই ধর্ম হিসেবে কাউকে আলাদা করে দেখেননি। এই মহান মানুষটির দৃষ্টি জুড়ে ছিল ‘আমার বাঙলার মানুষ’। তাই তিনি ‘গণনায়ক’ হয়ে উঠতে পেরেছিলেন। বাঙালিকে যে ঐক্যের মন্ত্র তিনি শিখিয়ে গিয়েছেন, যে পথ তিনি দেখিয়ে গিয়েছেন, সেই পথই অনুসরণ করে চলেছেন তাঁর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা বরাবরই বলে আসছেন, অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের আরাধনা শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রধান বৈশিষ্ট্য। দুর্গাপূজা শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের উৎসবই নয়, এটি বাংলাদেশের বুকে সার্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের নিরাপদ আবাসভূমি। তিনি এই উৎসব সম্পর্কে বলেন, “’আমার প্রত্যাশা, ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’ এ মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে আমরা সবাই একসাথে উৎসব পালন করব।” শেখ হাসিনা শারদ উৎসবে শুভেচ্ছা জানিয়ে বাণী দিয়ে থাকেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “সকলে মিলে যুদ্ধ করে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছি। তাই এই দেশ আমাদের সকলের। আমাদের সংবিধানে সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষের সমানাধিকার সুনিশ্চিত করা হয়েছে।”

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই বাণীর রেশ ধরেই সনাতন ধর্মাবলম্বীরা আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব পালনে তিন দিনের ছুটি দাবি করেছেন। শুক্রবার রাজধানীর ঢাকার সেগুনবাগিচায় এক সাংবাদিক বৈঠক ডেকে এই দাবির কথা তুলে ধরেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের নেতৃবৃন্দ।

তাঁরা বলেন, সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমী উপলক্ষ্যে দিনরাত পুজো নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করতে হয়। বর্তমানে বিজয়া দশমীর দিনে ছুটি রয়েছে। সঙ্গে অষ্টমী ও নবমী যোগ করে ৩ দিনের ছুটির দাবি জানান তাঁরা। ছুটির দাবিতে আগামী ২৩ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদানের কর্মসূচিও ঘোষণা করে সংগঠনটি। একই দিনে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা প্রশাসকের কাছেও স্মারকলিপি প্রদানেরও কর্মসূচি রয়েছে।

সাংবাদিক বৈঠকে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি ড. প্রভাস চন্দ্র রায়, প্রধান সমন্বয়কারী প্রকৌশলী শ্যামল কুমার রায়, সিনিয়র সহসভাপতি ডি সি রায়, মুক্তিযোদ্ধা রনজিৎ মৃধা, মহাসচিব এবং মুখপাত্র পলাশকান্তি দে প্রমুখ।

বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের অপর অংশের মহাসচিব গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিকের নেতৃত্বে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন।

একই দাবিতে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের অপর অংশ এ দিন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধনের আয়োজন করে। সংগঠনের মহাসচিব আইনজীবী গোবিন্দ্র চন্দ্র প্রামাণিক বলেন, তাঁরা তিন দিনের ছুটির দাবিতে আগেও কর্মসূচি পালন করেছেন। এ ব্যাপারে তাঁদের সাংবিধানিক অধিকারের কথাও তুলে ধরেন। তাঁদের আশা, শেখ হাসিনা অবশ্যই তাঁদের নিরাশা করবেন না।

করোনাকালীন সময়েও বাংলাদেশে প্রায় ৩২ হাজার মণ্ডপে দুর্গোৎসব উদযাপনের আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। আয়োজনও চলছে পুরোদমে। কোথাও কোথাও প্রতিমা গড়ার কাজ সম্পন্ন। বাকি রয়েছে রঙ-তুলির আঁচড়।

পূজো উপলক্ষ্যে সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়া হয়ে থাকে। পূজো শুরুর সপ্তাহখানেক আগে থেকেই আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর তরফে মণ্ডপ পরিদর্শন, অস্থায়ী ক্যাম্প বসানো ছাড়াও পূজা উদযাপন পর্ষদের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন। ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, রমনা কালীমন্দির ও মা আনন্দময়ী আশ্রম, সিদ্ধেশ্বরী  কালীমন্দির, বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দির-সহ বিভিন্ন মন্দিরে পুলিশ ও র‌্যাবের অস্থায়ী ক্যাম্প বসানো হয়ে থাকে।

ঢাকা মহানগর সার্বজনীন পূজা উদযাপন পরিষদের দফতর সম্পাদক বিপ্লব দে  বলেন, ৫ দিনব্যাপী দুর্গোৎসবের শেষ দিন অর্থাৎ বিজয়া দশমীর দিন মাত্র এক দিনের ছুটি রয়েছে। কিন্তু অষ্টমীর দিন উপোসের নিয়ম ছাড়াও নবমীর দিন মায়ের বিদায়ের আয়োজনে ব্যস্ত সময় কাটাতে হয়। এ কারণে মোট তিন দিনের ছুটির দাবি তাঁদের।

খবরঅনলাইনে আরও পড়তে পারেন

ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির পরিদর্শনে বিএসএফ-এর ডিজি রাকেশ আস্থানা

Continue Reading

দুর্গা পার্বণ

‘দুর্গাপুজোর আনন্দ কোনো ভাবেই মাটি হবে না’, আশ্বস্ত করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

…মহালয়ায় আমি আপনাদের নিশ্চিত করছি, কেউ দুর্গাপুজোর আনন্দ থেকে বঞ্চিত হবেন না”, বললেন মুখ্যমন্ত্রী।

Published

on

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল ছবি

কলকাতা: কোভিড-১৯ মহামারির মধ্যেও আসন্ন দুর্গাপুজোর আনন্দ কোনো ভাবেই মাটি হবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এ দিন টুইটারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, “মহালয়ার শুভক্ষণে প্রত্যেককে শুভেচ্ছা জানাই। করোনার কারণে বিভিন্ন ধরনের বিধিনিষেধ থাকলেও দুর্গাপুজোর আনন্দ কোনো ভাবেই মাটি হবে না। মহালয়ায় আমি আপনাদের নিশ্চিত করছি, কেউ দুর্গাপুজোর আনন্দ থেকে বঞ্চিত হবেন না”।

একই সঙ্গে তিনি লিখেছেন, “আমি সবাইকে এগিয়ে আসার অনুরোধ করছি, অভাবগ্রস্তদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন এবং সর্বত্র আনন্দ ছড়িয়ে দিন”।

এ বার মহালয়ার দিনেই বিশ্বকর্মা পুজো। শুভেচ্ছা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, “শ্রমিক ভাই ও বোনেদের এবং তাঁদের পরিবার-পরিজনদের বিশ্বকর্মাপুজোর শুভেচ্ছা জানাই। তাঁরা আমাদের গর্ব। সমাজের উন্নয়নের জন্য তাঁরা নিরলস ভাবে পরিশ্রম করেন”।

আরও পড়তে পারেন: কোভিড রুখতে অনলাইন মাধ্যমকে হাতিয়ার করছে কলকাতার একাধিক পুজো

উল্লেখ্য, করোনার ত্রাসে নাজেহাল সকলেই, ক্রমশ বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। কিন্তু এর মধ্যেই আসছে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। আর মাত্র মাসদেড়েকের অপেক্ষা। করোনা আবহের কারণে সামান্য কিছু বিধিনিষেধ থাকতে পারে এ বারের দুর্গাপুজোয়। বিস্তারিত পড়ুন এখানে: ২০২০-তে দুর্গাপুজো নয়, এ কথা আমরা বলেছি প্রমাণ করুন, ১০০ বার ওঠবোস করব: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

Continue Reading
Advertisement
আইপিএল6 hours ago

সুপার ওভারে পঞ্জাবকে হারিয়ে জয় ছিনিয়ে নিল দিল্লি

Md. Shami
আইপিএল8 hours ago

পঞ্জাবকে ১৫৮ রানের টার্গেট দিল দিল্লি

শিল্প-বাণিজ্য8 hours ago

জিএসটি ক্ষতিপূরণ: ২১টি রাজ্য বেছে নিল প্রথম বিকল্প, দ্বিতীয়টি পছন্দ নয় কারও

রাজ্য9 hours ago

রাজ্যে সুস্থতার হার ৮৭ শতাংশের উপর, তেমন কোনো হেরফের নেই দৈনিক সংক্রমণে

দেশ10 hours ago

সোমবার থেকে স্কুল খোলা বাধ্যতামূলক নয়, দেখে নিন কোন রাজ্য কী সিদ্ধান্ত নিল

corona
দেশ11 hours ago

৫টি রাজ্যেই মোট সক্রিয় কোভিডরোগীর ৬০ শতাংশ!

রাজ্য11 hours ago

বঙ্গোপসাগরে তৈরি নিম্নচাপের জেরে বৃষ্টি, হলুদ সর্তকতা জারি করল আবহাওয়া দফতর

দেশ12 hours ago

৬ বিধায়ক, ৩ সাংসদ এবং প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি-সহ আর যে সব ‘ভিভিআইপি’ করোনার শিকার

দেশ19 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ৯২৬০৫, সুস্থ ৯৪৬১২

শিল্প-বাণিজ্য3 days ago

এসবিআই এটিএমে টাকা তোলার নিয়ম বদলে গেল! দেখে নিন ওটিপি-ভিত্তিক পদ্ধতির খুঁটিনাটি বিষয়

কলকাতা3 days ago

কয়েকটি স্টেশনে ই-পাসের সংখ্যা বাড়াচ্ছে কলকাতা মেট্রো

Shreyas Iyer
ক্রিকেট2 days ago

আইপিএলের অন্যতম সেরা বোলিং লাইনআপ কি দিল্লি ক্যাপিটাল্‌সের?

দেশ10 hours ago

সোমবার থেকে স্কুল খোলা বাধ্যতামূলক নয়, দেখে নিন কোন রাজ্য কী সিদ্ধান্ত নিল

MS Dhoni
ক্রিকেট3 days ago

চেন্নাই সুপারকিংসের আদর্শ লাইনআপে কত নম্বরে ব্যাট করতে পারেন মহেন্দ্র সিংহ ধোনি?

ishan porel mohammad shami
ক্রিকেট2 days ago

কিংস ইলেভেন পঞ্জাবের হয়ে নতুন বলে বাংলার দুই পেসার?

শরীরস্বাস্থ্য3 days ago

কোভিড-১৯: স্কুল খোলার আগে নিজের সন্তানকে এই ৫টি তথ্য অবশ্যই জানাবেন

কেনাকাটা

কেনাকাটা2 days ago

সংসারের খুঁটিনাটি সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে এই জিনিসগুলির তুলনা নেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিজের ও ঘরের প্রয়োজনে এমন অনেক কিছুই থাকে যেগুলি না থাকলে প্রতি দিনের জীবনে বেশ কিছু সমস্যার...

কেনাকাটা4 days ago

ঘরের জায়গা বাঁচাতে চান? এই জিনিসগুলি খুবই কাজে লাগবে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : ঘরের মধ্যে অল্প জায়গায় সব জিনিস অগোছালো হয়ে থাকে। এই নিয়ে বারে বারেই নিজেদের মধ্যে ঝগড়া লেগে...

কেনাকাটা1 week ago

রান্নাঘরের জনপ্রিয় কয়েকটি জরুরি সামগ্রী, আপনার কাছেও আছে তো?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: রান্নাঘরের এমন কিছু সামগ্রী আছে যেগুলি থাকলে কাজ করাও যেমন সহজ হয়ে যায়, তেমন সময়ও অনেক কম খরচ...

কেনাকাটা2 weeks ago

ওজন কমাতে ও রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়াতে গ্রিন টি

খবরঅনলাইন ডেস্ক : ওজন কমাতে, ত্বকের জেল্লা বাড়াতে ও করোনা আবহে যেটি সব থেকে বেশি দরকার সেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা...

কেনাকাটা2 weeks ago

ইউটিউব চ্যানেল করবেন? এই ৮টি সামগ্রী খুবই কাজের

বহু মানুষকে স্বাবলম্বী করতে ইউটিউব খুব বড়ো একটি প্ল্যাটফর্ম।

কেনাকাটা3 weeks ago

ঘর সাজানোর ও ব্যবহারের জন্য সেরামিকের ১৯টি দারুণ আইটেম, দাম সাধ্যের মধ্যে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ঘর সাজাতে কার না ভালো লাগে। কিন্তু তার জন্য বাড়ির বাইরে বেরিয়ে এ দোকান সে দোকান ঘুরে উপযুক্ত...

কেনাকাটা4 weeks ago

শোওয়ার ঘরকে আরও আরামদায়ক করবে এই ৮টি সামগ্রী

খবর অনলাইন ডেস্ক : সারা দিনের কাজের পরে ঘুমের জায়গাটা পরিপাটি হলে সকল ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। সুন্দর মনোরম পরিবেশে...

kitchen kitchen
কেনাকাটা1 month ago

রান্নাঘরের এই ৮টি জিনিস কাজ অনেক সহজ করে দেবে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: আজকাল রান্নাঘরের প্রত্যেকটি কাজ সহজ করার জন্য অনেক উন্নত ব্যবস্থা এসে গিয়েছে। তা হলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কষ্ট...

care care
কেনাকাটা1 month ago

চুল ও ত্বকের বিশেষ যত্নের জন্য ১০০০ টাকার মধ্যে এই জিনিসগুলি ঘরে রাখা খুবই ভালো

খবরঅনলাইন ডেস্ক : পার্লার গিয়ে ত্বকের যত্ন নেওয়ার সময় অনেকেরই নেই। সেই ক্ষেত্রে বাড়িতে ঘরোয়া পদ্ধতি অনেকেই অবলম্বন করেন। বাড়িতে...

কেনাকাটা2 months ago

ঘর ও রান্নাঘরের সরঞ্জাম কিনতে চান? অ্যামাজন প্রাইম ডিলে রয়েছে ৫০% পর্যন্ত ছাড়

খবরঅনলাইন ডেস্ক : অ্যামাজন প্রাইম ডিলে রয়েছে ঘর আর রান্না ঘরের একাধিক সামগ্রিতে প্রচুর ছাড়। এই সেলে পাওয়া যাচ্ছে ওয়াটার...

নজরে