last year's puja of halsibagan
হালসিবাগানের গত বারের পুজো। নিজস্ব চিত্র।
smita das
স্মিতা দাস

হারিয়ে যাওয়া লোকশিল্পগুলিকে আবার পুনরুজ্জীবিত করা, তাকে মানুষের সামনে তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়েছে ৭৪-এর হালসিবাগান সর্বজনীন। এই হারিয়ে যাওয়া লোকশিল্পকে তুলে আনার প্রয়াসে যে শুধু নিজের রাজ্যের লোকশিল্প রয়েছে তা-ই নয়, গোটা দেশ তথা সমগ্র বিশ্বের বেশ কিছু লুপ্ত প্রায় লোকশিল্প রয়েছে এই তালিকায়। তার মধ্যে রয়েছে মেদিনীপুরের লোকশিল্প, রয়েছে বিহারের মধুবনী-সহ বেশ কয়েকটি অঞ্চলের শিল্প, এমনকি রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার লোকশিল্পের নমুনাও।হালসিবাগানের এ বার ৭৪ বছরে পড়ল।

এ বছরের থিম ভাবনা আর রূপায়ণে রয়েছেন তুষারকান্তি প্রধান। তিনি নিজের হাতে দায়িত্ব তুলে নিয়েছেন ঠাকুর গড়ারও।

khutipuja of halsibagan
হালসিবাগানের খুঁটিপুজো। নিজস্ব চিত্র।

তুষারবাবু বলেন, উপকরণ হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে পোক শিল্প। অর্থাৎ বাঁশ কেটে তার ওপর খড় জড়িয়ে, তাতে মাটির প্রলেপ দিয়ে, তার ওপর ওপর রঙ চড়িয়ে তৈরি জিনিস। তা ছাড়া রয়েছে যে লোকশিল্পের জন্য ঠিক যে উপকরণ দরকার সেগুলিও।

গত বছরের থিম ছিল ‘শ্রেয়সী’। ভাবনায় নারীশক্তি।

পথনির্দেশ

নিরোদবিহারী মল্লিক রোড আর বদ্রীদাস টেম্পল স্ট্রিটের সংযোগস্থলে এই পুজো।শ্যামবাজারের দিক থেকে শিয়ালদার দিকে যাওয়ার পথে, বাস স্টপেজ বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ। এখানে নেমে বাঁ-হাতে গলির ভেতর পুজো। আবার খান্না থেকে উলটোডাঙা যাওয়ার পথে অরবিন্দ সেতুতে ওঠার আগে গৌরীবাড়িতে নেমে ডান দিকের রাস্তা ধরে কিছুটা এগোলেই মণ্ডপ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন