last year's puja of hatkhola
গত বছর হাটখোলার পুজো। নিজস্ব চিত্র।
smita das
স্মিতা দাস

আজকাল মানুষের সঙ্গে মানুষের যোগাযোগের, দেখা হওয়ার পরিসরটা খুবই ছোটো হয়ে গিয়েছে। আবার এক সঙ্গে পাশাপাশি থেকেও কথা হওয়ার সময়টাও কমে গিয়েছে। এর অন্যতম কারণ হিসাবে দায়ী করাই যায় বর্তমানে মানুষের ব্যস্ততম জীবনযাত্রাকে। সঙ্গে যে কারণটাকে বাদ দেওয়া যায় না তা হল ইন্টারনেট। অবশ্য এই ইন্টারনেট মানুষের ব্যস্ত জীবনযাত্রারই একটা অঙ্গ। মানুষকে মানুষের কাছে থেকে ক্রমশ দূরে সরিয়ে দিচ্ছে এই ভার্চুয়াল রিয়ালিটি। সেই বিষয়টিকেই কেন্দ্রে রেখে পুজোমণ্ডপ তৈরি করছে হাটখোলা গোঁসাইপাড়া। সঙ্গে আছে জীবনের ঘোড়দৌড়ে শৈশব হারিয়ে যাওয়ার মতো একটা অতি জটিল ব্যাপারও। এ বারে তাদের থিম ‘সময় আছে তো সম্পর্ক রাখার মতো?’

এই ভাবনাটাকে ঘিরেই তৈরি হচ্ছে গোটা মণ্ডপ। ভাবনা ও রূপায়ণ অঙ্কুশ ও সুমন। তবে প্রতিমা থাকবেন সাবেকি রূপেই। এ বারেও শিল্পী স্বপন পাল।

আরও পড়ুন এই বছরে টেক্সস্টাইলে মন দিয়েছে ৬৬ পল্লি

মণ্ডপের উপকরণ হিসাবে থাকছে কাঠ দড়ি ইত্যাদি। কাঠের ওপর দড়ি দিয়ে কাজ করে তার ওপর রং করে একটা বিশেষ ধরনের শিল্পকর্ম তৈরি করা হবে। তা ছাড়া মণ্ডপে ঢোকার আগে থাকবে বেশ কয়েকটি মাচা। যার ওপর বিশেষ ভঙ্গি আর অর্থবহ কিছু মডেল।

কমিটির কোষাধ্যক্ষ সুরিজিৎ সাহা জানান, উদ্বোধন হবে তৃতীয়া বা চতুর্থীতে।

পথনির্দেশ

শোভাবাজার মেট্রোর সামনে থেকে লঞ্চঘাটের দিকে কিছুটা যেতেই ‘হাটখোলা গোঁসাইপাড়া’র পুজোমণ্ডপ। ল্যান্ডমার্ক হিসেবে রয়েছে বি কে পাল অর্থাৎ বটকৃষ্ণ পালের বাড়ি। তার ঠিক উলটো দিকেই দু’টি গলি রয়েছে। প্রথমটা মেডিক্যাল ব্যাঙ্কের গলি, আর দ্বিতীয় গলিতেই হাটখোলা গোঁসাইপাড়ার পুজো।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন