pandal of tala baroyari
টালা বারোয়ারির মণ্ডপ। নিজস্ব চিত্র।
smita das
স্মিতা দাস

‘মা’ শব্দটা শুনলে বা বললেই মন ভালো হয়ে যায়। সারা জীবনটা ‘মা’ আমাদের জন্য অর্থাৎ সন্তানের জন্য দেন। কিন্তু সেই মাকে আমরা কী ফিরিয়ে দিই?

এই প্রশ্নের উত্তর পেতে চান? উত্তর আছে টালা বারোয়ারির মণ্ডপে। ৯৭ বছরের এই টালা বারোয়ারি সর্বজনীনে এই উত্তর সাজাতে গিয়েই সাজিয়েছে গোটা মণ্ডপ। বোঝাতে চাওয়া হয়েছে ‘মা’ আসলে কী? এই ‘মা’ শব্দটার মানেই বা কী? সব কিছুর পর ‘মা’কে আমরা কী ফিরিয়ে দিই?

এ বছরের শিল্পী সৌরজিৎ ব্যানার্জি। তিনি বলেন, এই ‘মা’কে কেন্দ্র করে একটা কাহিনি তৈরি হয়েছে মণ্ডপ জুড়ে। তাতে ব্যবহার করা হয়েছে নানান রকমের ইন্সটলেশন। ব্যবহার করা হয়েছে প্রচুর আর্টওয়ার্ক। রয়েছে ভয়েসওভার। যাতে করে চোখে দেখার সঙ্গে সঙ্গে কানে শোনার কাজটাও সুস্পষ্ট ভাবে সম্পন্ন করা যায়। বিভিন্ন শিল্পের মাধ্যমকে আশ্রয় করা হয়েছে এই মণ্ডপের থিম দাঁড় করাতে। এই সবের মধ্যে দিয়ে তুলে ধরা হয়েছে জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত। ছোটো থেকে বড়ো হয়ে ওঠা পর্যন্ত। তাতে এটাও বোঝানো হয়েছে ‘আমি অনেকটা আমার মতো, বাকিটা আমার মায়ের মতো’।

আরও পড়ুন ‘বাঁধনে বাঁধা’ ৭১-এর করবাগান

উপকরণ হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছে আয়রন, মেটাল শিট, কাপড়, কাঠ, মডেলিং ক্লে ইত্যাদি। বিশাল মাতৃপ্রতিমা শান্ত রূপে বিরাজ করছেন মণ্ডপে। প্রায় ১৭ ফুটের প্রতিমা। রয়েছে মিক্সমিডিয়ার কাজও। প্রতিমাও গড়েছেন সৌরজিৎবাবু।

গত বারের ট্যাগ লাইন ছিল ‘৫০ বছর এগিয়ে’। মানে ভবিষ্যতে পুজোর চেহারা কেমন হবে, পারিপার্শ্বিকের অবস্থা কেমন হবে, তাই নিয়ে থিম হয়েছিল।

পথনির্দেশ

শ্যামবাজার থেকে ডানলপের দিকে যেতে টালা পোস্ট অফিস বাসস্টপে নেমেই উলটো পারে মণ্ডপ। অল্প হেঁটে গলির ভেতর পুজো।

 

 

 

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন