papiya mitra
পাপিয়া মিত্র

তিনি বৃদ্ধ হলেন, বনস্পতির ছায়া দিলেন সারা জীবন। সেই ছায়ায় লালিত সংসার এক প্রজন্ম থেকে অপর প্রজন্ম। শান্তির রূপক হিসেবে বটগাছ সেই বার্তাই দেয়। বিশ্বসংসারও সে কথাই বলে। বেহালা ১৪ নম্বরের পশ্চিম দিকে দেবদারু ফটক সর্বজনীন দুর্গোৎসব সেই ছবি দেখাচ্ছে। এ বছরের থিম ‘কমলেকামিনী শান্তিরূপিণী’। পদ্মের ওপরে প্রতিমার আসন। অভয়মুদ্রার ভঙ্গিতে দেবীপরিবার। ভাবনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গড়ে উঠছে মণ্ডপ। গত বছরের থিম ছিল ‘পুরাণের আদি শক্তি’।

devdaru-fatak-sarbojanin

চার দিকে অশান্তির বাতাবরণে শান্তির পরশটুকু পাওয়া যাবে দেবদারু ফটকের পুজোমণ্ডপে। চারটি স্তরে ভাবনার সৃজন। বটের শিকড় আঁকড়ে রেখেছে পুরোনো প্রাচীর। শান্তির আরও এক বাহক বাঁশি। নানা মাপের বাঁশিতে সেজেছে পরের স্তর। মূল আঙিনার প্রবেশপথে থাকছে শান্তির অপর নাম বুদ্ধ ও উড়ে যাওয়া কবুতর। শেষে থাকছেন দেবী। পদ্মের পাপড়িতে আলো ও জলের এফেক্ট আশা করি দর্শকদের ভালো লাগবে। মণ্ডপভাবনা অরিন্দম নাথের। প্রতিমাশিল্পী রঞ্জিত পাল।

তবে শুধু পুজো নিয়ে মেতে থাকেনি দেবদারু ফটক সর্বজনীন দুর্গোৎসব পুজো কমিটি। ক্লাবের প্রধান আহ্বায়ক গৌতম হালদার জানালেন, প্রতি বছরের মতো এ বছরও শরৎ সদনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল বেহালার কৃতী ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। এ ছাড়া বস্ত্রদান, রক্তদান, দৃষ্টিহীন বিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের পাশে থাকার মতো স্বেচ্ছাসেবায় সারা বছরই ক্লাব থাকে। ক্লাবের সামনে বসানো হয়েছে ফিল্টার ও কুলার এলাকার দোকানদার ও পথচলতি মানুষের জন্য।

শুভ উদ্বোধন চতুর্থী।

আরও পড়ুন : ৭৯-র বাদামতলা আষাঢ় সংঘে একটুকরো আমেরিকা

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন