সুবর্ণ জয়ন্তীতে ‘উলটোডাঙা যুববৃন্দ’, থিম সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মা

0
স্মিতা দাস

২০১৭ সালের পুজোর ঢাকে কাঠি পড়তে বাকি আর মাত্র তিনটি মাস। ১০০ দিনের কাউন্টডাউনও শুরু হয়ে গিয়েছে। খবর অনলাইনও পুজোর ময়দানে নেমে পড়েছে। চষে ফেলছে শহর, কে কী থিম নিয়ে এ বারে মাঠে নামতে চলেছে তারই আগাম হদিস দিচ্ছে পাঠকদের।

‘উলটোডাঙা যুববৃন্দ’-এর এ বার সুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষ। এই সুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষে তাদের কী পরিকল্পনা সে সম্পর্কে কথা হচ্ছিল ক্লাব সদস্য স্নেহাশিস রায়ের সঙ্গে।

স্নেহাশিসবাবু জানালেন, সুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষে আকর্ষণ সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মা। থিম প্যান্ডেলের আনাচকানাচ থাকবে ব্রহ্মাময় হয়ে। ব্রহ্মার নানা অবয়ব, কার্যকলাপ ফুটে উঠবে প্যান্ডেলসজ্জায়। আর ঠাকুরের থিম শক্তি আর তার আরাধনা। ঠাকুরের থিমে দেবী শক্তিরূপিনীর বন্দনায় মাতবে যুববৃন্দ। শিল্পী চন্দন পাল থাকছেন প্যান্ডেল আর দেবীপ্রতিমার রূপায়ণে। গোটা থিম-ভাবনাও তাঁরই মস্তিষ্কপ্রসূত। মণ্ডপ সজ্জায় থাকছে দড়ি, কাপড়, চট, ফাইবার-সমেত আরও অন্য শিল্পসামগ্রী।

কথায় কথায় স্নেহাশিসবাবু জানালেন, গত বছর প্রাক সুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষে তাঁদের পুজো একাধিক পুরস্কার পেয়েছিল। এ বারে তাঁদের লক্ষ্য আরও অনেক বেশি পুরস্কার। ৫০ বছর উদযাপনে পুজোর তিন দিনই থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আর থাকবে ছোটো বড়ো সকলের জন্য নানান প্রতিযোগিতা। জুলাই-এর প্রথম সপ্তাহে হবে খুঁটিপুজো।

গত বছরের থিম কী ছিল সে সম্পর্কে স্নেহাশিসবাবুর কাছে জানতে চেয়েছিলাম। তিনি বললেন, গত বছরের থিম-ভাবনায় ছিল ‘অঞ্জলি’। মণ্ডপসজ্জায় ব্যবহার করা হয়েছিল পুজোর নানা উপকরণ, মায়ের চরণ, হংসপক্ষ মুদ্রায় দেবীর হাত ইত্যাদি। এই সব কিছু বানাতে ব্যবহার করা হয়েছিল ফাইবার, কাগজের মণ্ডও। সঙ্গে ছিল মানানসই আবহ সংগীত। পরিবেশকে আরও মনোগ্রাহী করার জন্য। সনাতন পাল ছিলেন প্রতিমাশিল্পী। বিরাট বড় আসনের নীচে দিয়ে প্রবেশ করতে হয়েছিল মণ্ডপের ভেতর।

‘উলটোডাঙা যুববৃন্দ’-এর সর্বজনীন পুজোমণ্ডপ খান্নার মোড় থেকে উলটোডাঙা স্টেশনে যাওয়ার পথে পরে। অরবিন্দ সেতু থেকে নেমেই প্রথম যে পুজোমণ্ডপটি পড়ে সেটাই যুববৃন্দের মণ্ডপ। একটু এগোলেই বাঁ হাতে গলির ভেতর পুজো।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন