৭০–এ পা উলটোডাঙা করবাগানের, এ বারের থিম ত্রিমাত্রা

0
360
স্মিতা দাস

আর ৯৩ দিন। ২০১৭ সালের পুজোর হাল হদিস করতে খবর অনলাইন ময়দানে নেমে পড়েছে ১০০-র কাউন্টডাউন শুরু হতেই। চষে ফেলছে শহর। কোথায় কে কী থিম নিয়ে এ বারে পুজোর মাঠ কাঁপাতে আসছে — তারই আগাম খোঁজ দিচ্ছে পাঠকদের।

‘উলটোডাঙা করবাগান’-এর এ বার সত্তরতম বর্ষ। এই বর্ষে কী থিম নিয়ে চোখ ধাঁধিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন বাগান কর্তারা? খবর অনলাইন প্রশ্ন করেছিল করবাগানের কোষাধ্যক্ষ উজ্জ্বল চক্রবর্তীকে।

উজ্জ্বল চক্রবর্তী

উজ্জ্বলবাবু জানান, এ বছরের থিমের নাম এখনও অবধি যা ঠিক করা হয়েছে তা হল ‘ত্রিমাত্রা’। বিষয় তৃতীয় নয়ন। দেবদেবীর নয়, মানুষের তৃতীয় নয়নই হল এ বারে মণ্ডপসজ্জার বিষয়। মানুষের তৃতীয় নয়ন অর্থাৎ মানুষের টেলিপ্যাথির ক্ষমতা। তিনি বলেন, দেবদেবীরা যেমন বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে তাঁদের এই তৃতীয় শক্তি বা তৃতীয় নয়নের ব্যবহার করেন, তেমন মানুষও তাঁদের মনশ্চক্ষুর ব্যবহার করে ফেলেন নিজের অজান্তেই। সে জন্যই তো কারও কথা চিন্তা করলে হঠাৎ তাঁর সঙ্গে দেখা হয়ে যায়, বা এমন অনেক ঘটনাই বাস্তবে ঘটে যা ছিল ভাবনায়। সেটাই তো ‘টেলিপ্যাথি’। এটাই ফুটিয়ে তোলা হবে থিমে।

থিম ভাবনায় কারা — জানতে চাওয়া হলে ক্লাবের অন্যতম সদস্য গোপাল সরকার বলেন, কোনো একজনের মাথা থেকে নয়, নবীন প্রবীণের মেলবন্ধনে এই পরিকল্পনা। তাঁরা জানান, হাবড়া থেকে শিল্পী আসছেন মণ্ডপসজ্জার জন্য। শিল্পী দীপঙ্কর দে ও বনি – এই দু’ জনে সামলাচ্ছেন গোটাটা। এমনকি প্রতিমা শিল্পীও দীপঙ্করবাবু নিজেই। মণ্ডপসজ্জায় ব্যবহার করা হবে নানা ধরনের জিনিস। দড়ি, বাঁশ, কাঠ ছাড়াও প্রয়োজনমতো থাকবে আরও অন্য রকমের বিশেষ কিছু উপকরণ। থাকবে মণ্ডপ জুড়ে রঙের খেলা। তাল মিলিয়ে থাকবে নানা রকমের আলোর ব্যবহার ও আবহ।

কথায় কথায় উজ্জ্বলবাবু জানালেন, গত বছর তেমন বড়ো করে পুজো করা সম্ভব হয়নি অভ্যন্তরীণ কিছু কারণের জন্য। বলা যায় খুব সাদামাটা পুজোতেই কেটে ছিল ৬৯তম বর্ষ। কিন্তু এ বার তাঁরা ঘুরে দাঁড়াবেন। এ বারে তাঁদের লক্ষ্য আবার পুরস্কার জেতা। এর আগে করবাগান তিন তিন বার এশিয়ান পেন্টস-এর পুরস্কার জিতেছিল। আবার সেই দিন ফিরিয়ে আনতে চান তাঁরা।

তাঁরা জানান, ৯ জুলাই হবে ‘উলটোডাঙা করবাগান’-এর খুঁটি পুজো।

আরও পড়ুন: সুবর্ণ জয়ন্তীতে ‘উলটোডাঙা যুববৃন্দ’, থিম সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মা

‘উলটোডাঙা করবাগান’-এর সর্বজনীন পুজোমণ্ডপ খান্নার মোড় থেকে উলটোডাঙা স্টেশনে যাওয়ার পথে পড়ে। অরবিন্দ সেতু থেকে নেমেই একটু যেতেই দ্বিতীয় যে পুজোমণ্ডপটি পড়ে সেটাই করবাগানের মণ্ডপ। একটু এগোলেই বাঁ হাতে গলির ভেতর পুজো।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here