pandal decoration of barisha sarbojanin
বড়িশা সর্বজনীনের মণ্ডপসজ্জা। নিজস্ব চিত্র।

শৌভিক পাল

প্রকৃতি মায়ের মতো আগলে রেখেছে আমাদের। প্রাকৃতিক নিয়মে আমরা সবাই আবদ্ধ। জীবকুলের মধ্যে একমাত্র মানুষই এই প্রাকৃতিক নিয়মকে উপেক্ষা করার সাহস দেখায়। প্রকৃতির উপর নানান ভাবে অত্যাচার করে আনে পৃথিবীর যাবতীয় অসুখ। মানুষ প্রকৃতিকে ক্রমাগত ধংস করলেও আজকের একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে কিছু মানুষ প্রকৃতির সঙ্গে একাত্ম হয়ে জীবন যাপন করে। আর এই প্রকৃতি-মানব আন্দামানের জারোয়াদের জীবনকাহিনি, তাদের এক টুকরো সংস্কৃতিকে এ বারের থিম-ভাবনায় স্থান দিয়েছে বড়িশা সর্বজনীনের পুজো কমিটি।

আরও পড়ুন কুমোরটুলি পার্কের মণ্ডপে মাতৃশক্তির আরাধনায় রত শ্রীকৃষ্ণ

মণ্ডপসজ্জায় ব্যবহার করা হয়েছে প্রাকৃতিক উপাদান যেমন, বাঁশ, বেত, পাটকাঠি, পাটের দড়ি। মণ্ডপের ভেতরে রয়েছে জারোয়াদের জীবন ও সংস্কৃতির টুকরো টুকরো কাহিনি। শিল্পী গৌরাঙ্গ কুইলা মণ্ডপ ও প্রতিমা সাজিয়েছেন একেবারে আন্দামান নিকোবরের মানুষের আদলে ও তাদের বসবাস সংস্কৃতির কায়দায়।

ক্লাবের সেক্রেটারি অরিজিৎ গোস্বামী ও আর এক ক্লাবকর্তা রুদ্রপ্রসাদ রায়চৌধুরী জানান, প্রকৃতির শোভা দিনে দিনে মানুষ নষ্ট করে দিচ্ছে। তাই প্রকৃতিকে বাঁচাতে হবে। এই কারণেই ২০১৮-য় তাঁদের থিম-ভাবনা ‘এখনো মানুষ’। প্রায় ৬০ লাখ টাকা খরচ করে তৈরি হয়েছে মণ্ডপ। গত বছরের ‘শূন্য থেকে শুরু, শূন্যতে শেষ’ থিম মানুষের নজর কেড়েছিল। তবে এ বছরের ভাবনা ২০১৭-কে টেক্কা দিতে পারে, এমনই আশা করছেন ক্লাবের সদস্যরা।

পথনির্দেশ

সখেরবাজার মোড় থেকে কে কে রায়চৌধুরী রোড ধরে দ্বাদশ মন্দিরের কাছেই পাওয়া যাবে আন্দামানকে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন