padmapukur youth association
smita das
স্মিতা দাস

দেবী দুর্গা বাহুবলী বজরায় আবির্ভূতা, পদ্মপুকুর ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশনের ৪৭তম বর্ষের মণ্ডপে। অর্থাৎ কলকাতার জলের ঠাকুর। ৩০ ফুট জলের মাঝখানে তৈরি হয় এই বিশাল মণ্ডপ। এটাই এই পুজোর বিশেষত্ব।

সাধারণ সম্পাদক দেবরাজ বোস বললেন, কলকাতায় অনেক মণ্ডপই বাহুবলীকে থিম হিসেবে নামাতে চাইবে। কিন্তু বজরা তৈরি করতে গেলে জলাশয় থাকা দরকার। সেটা এখানে থাকায় একটা সুবিধে হয়েছে। ছোটোদের মধ্যে দারুণ উৎসাহ এই থিম নিয়ে।

বজরা ছাড়াও রয়েছে মাহিসমতি রাজবাড়ির বিশাল দরজা, সিংহাসন।

থিম-ভাবনা এলাকার কাউনসিলার, পুজোর প্রেসিডেন্ট অসীম কুমার বসুর। ভাবনা রূপায়ণে আর প্রতিমা তৈরিতে ছিলেন উত্তম ব্যানার্জি।

বজরা তৈরির ক্ষেত্রে শোলা ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু আগুনে যাতে পুড়ে না যায় তার জন্য তাতে একটা বিশেষ উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে। তা ছাড়া প্লাইউড, প্লাস্টার অব প্যারিস ইত্যাদি রয়েছে। এখানে বাচ্চাদের ভিড় খুব বেশি হয়। তাই নিরাপত্তার দিকটায় বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। আগুন লাগা বা যে কোনো বিপদ এড়ানোর জন্য সব রকম ব্যবস্থা আছে বলে জানান দেবরাজবাবু।

দেবরাজবাবু বলেন, আগের বছর হয়েছিল মছলিবাবার ঘাট। সে বার সন্দীপ রায়ের ভাবনায় করা হয়েছিল এই ঘাট। তবে শুধু ঘাটই নয় ছিল সোনার কেল্লা, গুপী গাইন বাঘা বাইনের বিভিন্ন বিষয়ও। সত্যজিৎ রায়ের গোটা পরিবারই ব্যক্তিগত ভাবে এই পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে। সে বারও শিল্পী ছিলেন উত্তম ব্যানার্জি।

বাজেট নিয়ে কিছুটা সমস্যায় পড়তে হয়েছে জিএসটির কারণে। এই জন্য বেশ কিছু জিনিস বাদ দেওয়া হয়েছে। বাহুবলীর শিল্পীদের কাউকে আনার কথা ছিল। সেটাও করা সম্ভব হয়নি, জানান তিনি।

শরৎ বসু অ্যাভিনিউয়ে পদ্মপুকুর বাসস্টপ। মেট্রোয় গেলে নামতে হয় নেতাজি সদনে। সেখান থেকে বাঁ দিকে যদুবাবুর বাজারের পাশ দিয়ে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here