last year's puja of samajsebi sangha
সমাজসেবী সংঘের গত বারের পুজো। নিজস্ব চিত্র।
smita das
স্মিতা দাস

৭৩তম বর্ষে দৃষ্টিহীনদের নিয়ে কাজ করছে বালিগঞ্জ সমাজসেবী সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি। ‘স্পর্শ অনুভবের দুর্গাপুজো’ এই শিরোনামের আড়ালে ঠিক কী করতে চাইছেন বালিগঞ্জ সমাজসেবী। আসলে দৃষ্টিহীনদের আনন্দ দেওয়ার জন্য এই থিম পরিকল্পনা করেছে তারা।

এদের এই বছরের শিল্পী সুমি ও শুভদীপ। প্রতিমা শিল্পী পরিমল পাল। আবহে গৌতম ব্রহ্মের মিউজিকের সঙ্গে থাকছে অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের কণ্ঠ। ভাষ্য লিখেছেন দেবদূত ঠাকুর। দুর্গোৎসবকে ঘিরে দৃষ্টিহীনদের আনন্দ দেওয়ার পেছনে যে ভাবনাটা কাজ করেছে তা হল – মূলত স্পর্শ, ঘ্রাণ, শব্দ এই মাধ্যমের মধ্য দিয়েই তো তারা জগতকে চেনে জানে দেখে। তাই তারা যাতে এখানে এসে মায়ের দর্শন করতে পারে তাঁদের স্পর্শ দিয়ে, ঘ্রাণ আর শব্দ দিয়ে সেই ব্যবস্থাই থাকবে গোটা মণ্ডপ জুড়ে। মণ্ডপে থাকবে ব্রেইলে লেখা মাতৃস্তোত্র, মন্ত্র, আগমন আর গমনের যাবতীয় তথ্য। মায়ের রূপ বর্ণনা ইত্যাদি। সঙ্গে ভাষ্যপাঠের মধ্যমে থাকবে তাদের জন্যই অসাধরণ উপস্থাপনা। তবে হ্যাঁ থাকছে না মায়াকান্না বা করুণার অবকাশ। সবটাই তাদের সাফল্যকে ঘিরে। তাদের সৃজনশীল ক্ষমতাকে তুলে ধরা হবে।

উপকরণ হিসাবে থাকছে বাঁশ, সুতোর কাজ। এই দিয়ে গড়া হবে কল্পনার জগৎ। এখানে এসে সাধারণেরাও অনুভব করবেন দৃষ্টিহীনদের উপলব্ধির পদ্ধতিটা কী।

সাধারণ সম্পাদক অরিজিৎ মৈত্র জানান, এ বছর মায়ের পুজোর সঙ্গে মরণোত্তর চক্ষুদানের শিবিরও করা হবে। গোটা কলকাতার দৃষ্টিহীনদের সব ক’টি স্কুলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

গত বছরের থিম ছিল ‘সবুজের অভিযান’। বিষয় হারিয়ে যাওয়া শৈশব।

পথ নির্দেশ

দেশপ্রিয় পার্ক থেকে গড়িয়াহাটের দিকে যেতে দেশপ্রিয় পার্কের পরের স্টপে নেমে উলটো দিকের রাস্তায় একটু গেলেই মণ্ডপ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন