hari ghosh street durgapuja
হরিঘোষ স্ট্রিট সর্বজনীন। নিজস্ব চিত্র।
smita das
স্মিতা দাস

ফুল বলে ধন্য আমি, ধন্য আমি মাটির পরে।

মাটিতে জন্মে ফুল নিজেকে ধন্য মনে করলেও ফুলের স্পর্শে যে প্রাত্যহিকের অনেক কিছুই পূর্ণ হয় সে কথা আর আলাদা করে বলার অবকাশ থাকে না। ফুলের রঙে আর গুণপনায় মুগ্ধ নয় এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া ভার। সেই ফুল শুধু যে দেবীর অর্চনার কাজেই নয়, ব্যবহার করা যায় মণ্ডপসজ্জার কাজেও। মণ্ডপসজ্জার প্রধান উপকরণ হিসেবে উঠে আসতে পারে ফুল, সে কথা প্রমাণ করে দিতে চলেছে উত্তর কলকাতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ পুজো হরি ঘোষ স্ট্রিট সর্বজনীন দুর্গোৎসব।

উত্তর কলকাতা মানে যেমন হেদুয়া, কফি হাউস, টানা রিকশা, ঠিক তেমনই হরিঘোষ স্ট্রিটও। বনেদিয়ানার নাম হরি ঘোষ স্ট্রিট। তাই সাবেক ছেড়ে ঠাকুর নিয়ে থিমে মাতামাতি করতে না পারলেও মণ্ডপসজ্জায় প্রতি বছরেই থাকে নতুনের আবাহন। অর্থাৎ থিম। ৭৯তম বর্ষে এদের প্রচেষ্টার নাম – ‘মাগো তোমার চরণে দিলাম ফুল, ক্ষমা কর মোর সব ভুল’। থিমশিল্পী অঙ্কুশ চৌধুরী। প্রতি বারের মতোই এ বারেও ঠাকুরের দায়িত্বে রয়েছেন শিল্পী ভবেশ পাল।

১৫ আগস্ট স্বাধীনতা দিবসের দিন হয়ে গেল খুঁটিপুজো। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা। মণ্ডপ উদ্বোধনও হবে তাঁরই হাতে।

গত বছরে এদের থিম ছিল প্রাচীন বিশাল শিবলিঙ্গ। মণ্ডপ তৈরি করতে ব্যবহার করা হয়েছিল প্লাই, প্লাস্টার অব প্যারিস, ডেকরেটিং, আর্ট ওয়ার্কের জিনিস, আসল সিঙা, কলকে, ডুগডুগি ইত্যাদি। ছিল সানমাইকা বোর্ডের তৈরি বেলপাতাও।

পথ নির্দেশ 

হরি ঘোষ স্ট্রিটের ঠাকুর দেখতে হলে শ্যামবাজার থেকে কলেজ স্ট্রিটের দিকে যেতে হেদুয়া পার্ক বাসস্টপে নামতে হবে। নেমে উলটো দিকে বিডন স্ট্রিটের রাস্তায় ঢুকে ডান হাতের প্রথম রাস্তাটাই হরি ঘোষ স্ট্রিট। একটু এগোলেই মণ্ডপ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন