last year's durga idol of muktadal
মুক্তদলের গত বারের প্রতিমা। নিজস্ব চিত্র।
smita das
স্মিতা দাস

পুজোর বাকি ৪০ দিন। শুরু হয়ে গিয়েছে খবর অনলাইনের পুজো পরিক্রমা।  আমরা পৌঁছে গিয়েছি ৭০ বছরের পুরোনো পুজো মুক্তদল সর্বজনীনের প্রাঙ্গণে। মণ্ডপ তৈরির কাজ যে শুরু হয়ে গিয়েছে সে কথা বলাই বাহুল্য। শুরুতেই বলে রাখি, এদের এই বারের প্রয়াস ‘সৃষ্টি সুখের উল্লাসে’। মণ্ডপ প্রাঙ্গণে আলাপ হল এই বছরের থিম শিল্পী বাপাই সেনের সঙ্গে। তিনি রীতিমতো ব্যস্ত মণ্ডপের কাজে। নিজে হাতেই মণ্ডপের কাজ করতে করতে কথা বললেন খবর অনলাইনের সঙ্গে।

এখনই থিমের বিষয়ে সম্পূর্ণ আলোকপাত না করলেও বাপাইবাবু জানালেন, দিনে আর রাতে মুক্তদলের রূপ হবে সম্পূর্ণ আলাদা। গোটাটা জুড়ে থাকবে একটা আলো-আঁধারি ব্যাপার। যাঁরা সকালে দেখবেন তাঁরাই রাতে এলে মণ্ডপটাকে আর মেলাতে পারবেন না আগের বারে দেখা মণ্ডপের সঙ্গে, দাবি করেন বাপাই সেন।

আরও পড়ুন বেড়াতে চলুন ‘চলো বেড়াই’ এবং ‘সুহানা সফর’-এর সঙ্গে
theme artist bapai sen
কাজের নির্দেশ দিচ্ছেন থিমশিল্পী বাপাই সেন। নিজস্ব চিত্র।

বাপাইবাবু বলেন, মূলত তিনটি স্তর পেরিয়ে পৌঁছোনো যাবে মূল মাতৃপ্রতিমার সামনে। প্রথমেই থাকছে বিশেষ পদ্ধতিতে হাতে তৈরি মায়ের মূর্তি। সঙ্গে মেটালের কাজ। তার পর ফাইবারের কারুকার্যের একটা অন্য রকম জগৎ। এর পর আসবে বাঁশের কাজের একটা বিশেষ জোন। সেখানে অসম আর বিহারের মেলবন্ধন। অর্থাৎ অসমের বাঁশের ওপর বিহারের মধুবনী কাজ করা হবে। অসমের বাঁশ অনেকটাই আলাদা রকমের। বলা যায় অনেক বেশি দৃষ্টিনন্দন। তাই এই বিশেষ ধরনের বাঁশকে বেছে নিয়েছেন তিনি। তা ছাড়া থাকবে বাঁশ দিয়ে তৈরি প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ রকমের জিনিসপত্র।

তবে থাকবে না প্রতিমার ওপর কোনো রকম পরীক্ষানিরীক্ষা। মায়ের চিন্ময়ী রূপই থাকবে মণ্ডপের ভেতরে।

আলো আর থিমসঙের ব্যাপারে বাপাইবাবু বলেন, তাঁর কাজে যোগ্য সহযোগী হল মৃত্যুঞ্জয় লাইট। আর থিমসঙে রয়েছেন স্বয়ং মল্লার ঘোষ।

কমিটির কোষাধ্যক্ষ দেবজ্যোতি ঘোষ জানান, প্রতি বারের মতোই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই উদ্বোধন হবে মণ্ডপের। তবে তারিখ এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না।

গত বছরের থিম ছিল ‘নারী শক্তি মহামায়া’।

পথ নির্দেশ

হরিশ মুখার্জি রোড ও কালীঘাট রোডের সংযোগস্থলে, নেতাজি ভবন বা যতীন দাস পার্ক মেট্রো স্টেশন থেকে হাঁটা পথে মণ্ডপ।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন