Connect with us

দুর্গা পার্বণ

মল্লিকবাড়ির ঠাকুরদালানে মা সিংহবাহিনীকে দর্শন করেই শ্রীরামকৃষ্ণ হয়েছিলেন সমাধিস্থ

Published

on

শুভদীপ রায় চৌধুরী

‘সিংহস্কন্ধসমারূঢ়াং নানালঙ্কারভূষিতাম্।/চতুর্ভুজাং মহাদেবীং নাগযজ্ঞোপবীতিনীম্।।/ শঙ্খশার্ঙ্গসমাযুক্তবামপাণিদ্বয়ান্বিতাম্।/ চক্রঞ্চ পঞ্চবাণাংশ্চ দধতীং দক্ষিণে করে।।/ রক্তবস্ত্রাপরিধানাং বালার্কসদৃশীতনুম্।/ নারদাদ্যৈর্মুনিগণৈঃ সেবিতাং ভবসুন্দরীম্।।

অর্থাৎ দেবী জগদ্ধাত্রী সিংহেস্কন্ধে আরূঢ়া, নানা অলংকারে সেজে আছেন ও নাগরূপে যজ্ঞোপবীতধারিণী। দেবীর বাম দিকে রয়েছে শঙ্খ ও শার্ঙ্গধনু এবং ডান দিকে রয়েছে চক্র এবং পঞ্চবাণ। দেবী রক্তবস্ত্র ধারণ করেছেন এবং মুখমণ্ডল প্রভাতসূর্যের ন্যায় রক্তবর্ণা। নারদাদিমুণিগণ তাঁর নিত্যসেবা করে থাকেন – এ রকম বর্ণনাই করা রয়েছে দেবী জগদ্ধাত্রীর ধ্যানমন্ত্রে।

মূলত ‘জগদ্ধাত্রী’ এই শব্দটির প্রাথমিক অর্থ হল যিনি জগতকে ধারণ করে আছেন বা বলা যেতে পারে যিনি জগতের পালিকা মহাশক্তি, তিনিই জগদ্ধাত্রী। যিনি নিত্যা, শাশ্বতী এবং যিনি সৃষ্টি, স্থিতি ও লয়, এই তিন গুণের প্রকাশ। দেবী রক্তবর্ণের ও তাঁর পরিধানে রক্তবস্ত্র। তদুপরি দেবীর সিংহাসনস্থ রক্তকমলে রজোগুণের প্রভাব দেখা যায় এবং তিনি স্বয়ং রজোদীপ্ত বলেই মহাশক্তিময়ী। আবার অপর দিকে তিনি করীন্দ্রাসুর নামক এক অসুরকে বধ করেছিলেন। সে জন্য অনেকে দেবীকে করীন্দ্রাসুরনিসূদিনী নামেও ডেকে থাকেন।

ঠাকুর শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের কথায়, যিনি মনকরীকে বশ করতে পারেন তাঁর হৃদয়েই জগদ্ধাত্রীর উদয় হয়। সিংহবাহিনীর সিংহ তাই হাতিকে জব্দ করে রেখেছে। মানুষের দুর্বল মন মত্ত হস্তীর সঙ্গে তুলনীয়। আর সেই কারণেই হাতি মহিষাসুরেরই গজরূপ। সেই চঞ্চল, দুরন্ত মনকে বশ করাই দেবী জগদ্ধাত্রীর উদ্দেশ্য।

প্রচলিত ঐতিহাসিক কাহিনি অনুযায়ী বঙ্গে মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র প্রথম শুরু করেছিলেন দেবী জগদ্ধাত্রীর আরাধনা। আজও সেই কৃষ্ণনগরের রাজবাড়িতে ধুমধাম করে জগদ্ধাত্রী পুজো হয়। এ ছাড়াও চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজোও বিখ্যাত তবে আজ  এমন এক প্রাচীন জগদ্ধাত্রী আলোচ্য বিষয়, যিনি অধিক পরিচিত ‘সিংহবাহিনী’ নামেই। তিনি মল্লিক বংশের মা সিংহবাহিনী।

শক্তিধারার এক বিশেষ রূপ হলেন দেবী দুর্গা। তিনি জগদ্ধাত্রী হিসাবেও পরিচিত আপামর ভক্তসাধারণের কাছে। আবুল ফজলের ‘আইন-ই-আকবরী’ গ্রন্থে প্রায় দেড় হাজার বছরের প্রাচীন সিংহবাহিনীর উল্লেখ পাই। এ ছাড়া দেবী সিংহবাহিনীর উল্লেখ পাই বাণভট্টের ‘হর্ষচরিত’ গ্রন্থে। সেখানে উল্লেখ রয়েছে দেবী সিংহবাহিনী ছিলেন গুপ্ত সাম্রাজ্যের রাজা হর্ষবর্ধনের বড়ো ভাই রাজ্যবর্ধনের কুলদেবী। মা সিংহবাহিনীর সেই উজ্জ্বলতা এবং বিগ্রহের সাজসজ্জা প্রমাণ করে যে বিগ্রহটি বহু বছরের রাজপরিবারের ঐতিহ্য।

আরও পড়ুন: সপ্তমীতে থানকাপড়ে সিঁদুর দিয়ে কলাবউকে সাজানো হয় খড়দহের নিত্যানন্দপ্রভুর প্রতিষ্ঠিত দুর্গাপুজোয়

দেবী সিংহবাহিনীর উচ্চতা প্রায় দেড় ফুটের কাছাকাছি এবং এটি অষ্টধাতুর প্রাচীন বিগ্রহ এবং যে বিগ্রহে সোনার পরিমাণ সব চেয়ে বেশি। সিংহবাহিনীর পিছনের চালচিত্রটি রুপোর। খ্রিস্টীয় ষষ্ঠ শতকে পতন হয় গুপ্ত সাম্রাজ্যের। সেই সময় আর্যাবর্ত জুড়ে সক্রিয় হয়ে ওঠেন বিভিন্ন প্রাদেশিক শাসক। এর পর দেবী সিংহবাহিনী চলে যান জয়পুরের রাজা মানসিংহের কাছে, তিনিই তাঁকে কুলদেবী হিসাবে পুজো করতেন। কিন্তু মুঘল আক্রমণে সেই আশ্রয়ও নিরাপদ হল না, তাই বিধর্মীদের হাত থেকে দেবীকে রক্ষা করতে রাজপুরোহিত বিগ্রহ নিয়ে পালিয়ে গেলেন বহু দূরে। পূর্ব বঙ্গের চট্টগ্রামে দেবীকে লুকিয়ে রাখলেন চন্দ্রনাথ পাহাড়ের গুহায়।

সপ্তগ্রামের অন্তর্গত ত্রিবেণী নিবাসী সুবর্ণবণিক্‌ গৌতম গোত্রীয় বনমালী দে মল্লিক ১০১৪ বঙ্গাব্দে (১৬০৮ খ্রিস্টাব্দ) দেহত্যাগ করলে তাঁর পুত্র বৈদ্যনাথ দে মল্লিক ব্যবসায়িক কাজের জন্য ঢাকায় গিয়েছিলেন। তিনি স্বর্ণ ও রৌপ্যের ব্যবসা করতেন। কোন পূজারি ব্রাহ্মণের তত্ত্বাবধানে অম্বর অধিপতি রাজা মানসিংহের  কুলদেবী সিংহবাহিনী মাতার ধাতুময় বিগ্রহ থাকে তা তিনি জানতে পারেন এবং দেবীর নানান অলৌকিক কাহিনিও শোনেন।

বৈদ্যনাথ দে মল্লিক মহাশয় একদিন ভোররাতে স্বপ্নাদেশে দেখলেন, সমুদ্রের ধারে এক পাহাড়ের গুহায় পড়ে আছেন মা সিংহবাহিনী। দেবীই তাঁকে স্বপ্নাদেশে পথনির্দেশও দিয়েছিলেন। সেই সঙ্গে রাজপুরোহিতকে দেবী স্বপ্নাদেশে নির্দেশ দিয়েছিলেন যে তিনি দে মল্লিক বংশে পুনরায় স্থাপিত হবেন এবং সে জন্য বৈদ্যবংশীয় সুবর্ণবণিক্‌ বৈদ্যনাথ মল্লিকের হাতে যেন তিনি বিনা দ্বিধায় মূর্তিটি তুলে দেন।

মল্লিক মহাশয়কে মা বলেন, “তোমার ভক্তিতে আমি সন্তুষ্ট, তুমি আমাকে তোমার বাড়িতে নিয়ে গিয়ে যথাবিধি পূজার্চনা করো।” সেই স্বপ্নাদেশ পেয়ে বৈদ্যনাথ মহাশয় পরদিন বিগ্রহ আনতে গেলে রাজপুরোহিত মূর্তিটি দিলেন না। দ্বিতীয় রাত্রে দেবী আবারও পুরোহিতকে স্বপ্নে বললেন, “এ নির্জনে আমার যথাযথ পূজা হচ্ছে না। আগামী কাল প্রভাতে বৈদ্যনাথ পুনরায় আসবে, সেই সময় তুমি আমাকে অবশ্যই তাঁর হাতে সমর্পণ করবে।” দেবীর কথামতো বৈদ্যনাথ দে মল্লিকের হাতে মা সিংহবাহিনীকে তুলে দিলেন রাজপুরোহিত। মল্লিক মহাশয় সানন্দে সেই বিগ্রহ নিয়ে সপ্তগ্রামে ফিরলেন এবং দেবীকে সাড়ম্বরে স্থাপন করলেন।

সে কালে বাংলার বণিকরা প্রভূত ধনশালী ছিলেন এবং বিদেশিরা তাঁদের প্রশংসাও করতেন। সপ্তগ্রাম সে কালের ব্যবসায়ীদের কেন্দ্র ছিল। কবিকঙ্কনের চণ্ডীতে তাদের কথা লিখিত রয়েছে। তাঁরা ঘরে বসে দেশবাসী ও বিদেশি বণিকদের সঙ্গে ব্যবসা করতেন। বণিকদের মধ্যে সত্যবাদিতা ও সততার কথা শুনে সম্রাট আওরঙ্গজেব একজন বণিককে তাঁর দরবারে এনে প্রভূত সম্পত্তি প্রদান করেন এবং তাঁর পরীক্ষায় সফল হওয়ায় তিনি সেই বণিককে দশ হাজার টাকা, হাতি-সহ বিশেষ সম্পত্তি পুরস্কার দিয়েছিলেন। ইনিই দে মল্লিক বংশের কৃষ্ণদাস মল্লিক। এই কৃষ্ণদাস মল্লিকই রাজারাম মল্লিকের পিতা এবং দর্পনারায়ণ ও সন্তোষ মল্লিকের পিতামহ। কৃষ্ণদাস মল্লিক ১০৮৬ বঙ্গাব্দে (১৬৮০ খ্রিস্টাব্দ) দেহত্যাগ করেছিলেন।

জোব চার্নক রাজারাম মল্লিকের পরামর্শে সুতানুটিতে এসেছিলেন। ওই সময় মল্লিকরা কলকাতায় থাকতেন না বটে তবে ব্যবসার জন্য যাতায়াত করতেন এবং পরিশেষে কলকাতায় কুঠি স্থাপন করেন। রাজারাম মল্লিকের সঙ্গে ইংরেজদের ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল। আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পরে দে মল্লিকের বংশের উত্তরসূরিরা বর্গীদের হাত থেকে রক্ষা পেতে কলকাতার বড়োবাজার অঞ্চলে বসবাস শুরু করেন। সেই সঙ্গে সিংহবাহিনীরও পদার্পণ ঘটে এই কলকাতায়। কলকাতায় বাজার প্রতিষ্ঠা করেন রাজারাম মল্লিকের কনিষ্ঠপুত্র সন্তোষ কুমার মল্লিক।

মল্লিক বংশের প্রথম সন্তান যিনি কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি হলেন দর্পনারায়ণ মল্লিকের একমাত্র পুত্র নয়নচাঁদ মল্লিক। তাঁর জন্ম ১৭১৩ খ্রিস্টাব্দে।  বলা বাহুল্য দেবীর আগমনে মল্লিক বংশের সদস্যরা ধনবান হয়ে ওঠেন। যদিও এই পরিবারের সদস্যরা বৈষ্ণব ছিলেন, তবুও তাঁরা সম্পূর্ণ শাক্তমতেই পুজো করেন দেবীর। এই ভাবে মানসিংহর কাছ থেকে অপহৃত হয়েও স্বমহিমায় আবার প্রতিষ্ঠিত হলেন মা সিংহবাহিনী।

গত প্রায় চারশো বছর ধরে মল্লিকবাড়ির বিভিন্ন শাখায় দেবী চক্রাকারে পূজা পেয়ে আসছেন সারা বছর। মূলত জগদ্ধাত্রীর রূপকল্পে তাঁর মূর্তি রচনা হলেও বেশ কিছু বৈসাদৃশ্য দেখা যায়। যেমন মা সিংহবাহিনী সিংহপৃষ্ঠাসীনা নন, তিনি সিংহের পিঠে দণ্ডায়মানা। বাহন সিংহটি দেবীর ডান দিকে না থেকে রয়েছে বাম দিকে। সিংহের মুখটি অশ্বমুখী এবং সিংহের পদতলে একটি হস্তীমুণ্ড। শাক্ত, শৈব এবং বৈষ্ণব, হিন্দুধর্মের এই তিন ধারার অভূতপূর্ব মেলবন্ধন দেখা যায় বিগ্রহতেও। যেমন সিংহটি অশ্বমুখী, শৈব ধর্মের প্রতীক হিসাবে দেবীর সাথে সাথে দুই শিবলিঙ্গ (বাণেশ্বর ও বিশ্বেশ্বর) দেবীর সঙ্গে পূজা পেয়ে আসছেন। রাজ্যবর্ধনের সময় থেকেই দেবী সিংহবাহিনী মূলত সর্ব ধর্ম সমন্বয়ের প্রতীক হিসাবেই পরিচিত। দেবীর সেবাধিকারী মল্লিক পরিবার বৈষ্ণব হলেও ধর্মীয় গোঁড়ামিকে প্রশ্রয় না দিয়ে দেবীকে উপাসনা করে আসছেন শাস্ত্রমতেই।

শারদীয়া দুর্গাপুজোর সময়েও সিংহবাহিনীর বিশেষ সেবাপূজা হয়ে থাকে মল্লিক বংশে। দুর্গাপুজোর সূচনা ঘটে মহালয়ারও আগে কৃষ্ণানবমী তিথি থেকে। সেই দিন থেকেই চণ্ডীপাঠ শুরু হয় এবং নবমী অবধি এই চণ্ডীপাঠ চলে। তিন দিনের বিশেষ পূজা হয় সপ্তমী, মহাষ্টমী এবং মহানবমীতে। এই তিন দিন দেবী সিংহবাহিনীর দুর্গা রূপে বিশেষ পূজা হয় এবং বিশেষ প্রাচীন রীতি মেনেই আজও পুজো হয় মায়ের। সঙ্গে মায়ের ভোগদান, আরতি, শ্লোকপাঠ ইত্যাদি উপাচার তো থাকেই এই কয় দিন।

এই পুজোর সময় বাড়ির পুরুষ সদস্যরা নতুন জোড় পরেন এবং বাড়ির মহিলারা প্রাচীন গহনায় সজ্জিত হন এবং মল্লিকবাড়ির ঠাকুরদালানে সাজোসাজো রব ওঠে। দুর্গাপুজোর ষষ্ঠীর দিন মায়ের বোধন হয় সন্ধ্যায়। সপ্তমীর দিন সকালে নবপত্রিকা স্নান হয় গঙ্গার ঘাটে গিয়ে। মহাষ্টমীর দিন মায়ের বিশেষ পূজা হয় আর সন্ধিপূজায় ১০৮টি দীপদান হয়। সন্ধিপূজা শুরুর আগে বাড়ির মহিলারা ধুনো পোড়ানোয় যোগ দেন। কুমারীপুজোর রীতিও রয়েছে মল্লিকবংশে মহানবমীর দিন। মহালয়া থেকেই বাড়ির সদস্যরা সম্পূর্ণ নিরামিষ আহার করেন।

এই মল্লিকবংশের যদুলাল মল্লিকের ঠাকুরদালানে মা সিংহবাহিনীকে দর্শন করে সমাধিস্থ হয়েছিলেন শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ। দিনটা ছিল ১৮৮৩ সালের ২১ জুলাই, আষাঢ় কৃষ্ণা প্রতিপদ। সেই দিনটির বর্ণনা করে শ্রীম ‘শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত’-এ লিখেছেন, “যে-ঘরে সিংহবাহিনীর নিত্যসেবা হইতেছে ঠাকুর সেই ঘরে ভক্তসঙ্গে উপস্থিত হইলেন। মা সচন্দন পুষ্প ও পুষ্প-মালা দ্বারা অর্চিত হইয়া অপূর্ব শ্রী ধারণ করিয়াছেন। সম্মুখে পুরোহিত উপবিষ্ট। প্রতিমার সম্মুখে ঘরে আলো জ্বলিতেছে।…ঠাকুর সিংহবাহিনীর সম্মুখে হাতজোড় করিয়া দাঁড়াইয়া আছেন। পশ্চাতে ভক্তগণ হাতজোড় করিয়া দাঁড়াইয়া আছেন। ঠাকুর অনেকক্ষণ ধরিয়া দর্শন করিতেছেন। কি আশ্চর্য, দর্শন করিতে করিতে একেবারে সমাধিস্থ। প্রস্তরমূর্তির ন্যায় নিস্তব্ধভাবে দণ্ডায়মান। নয়ন পলকশুন্য!”

দুর্গা পার্বণ

করোনাকালে আড়ম্বর থাকবে না, তবুও থাকবে চমক তেলেঙ্গাবাগানের পুজোয়

এই বারের ট্যাগ লাইন, ‘মা তোমার কাছে কিছু চাই না, খালি করোনা মুক্তি ছাড়া’।

Published

on

স্মিতা দাস

৫৫তম বর্ষে তেলেঙ্গাবাগান সর্বজনীন। করোনার গ্রাসে তেলেঙ্গাবাগানে হচ্ছে না থিম। তার প্রথম ও অন্যতম কারণ হল কন্টেনমেন্ট জোনে রয়েছে এই পুজো। অনেক কঠিন পরিস্থিতি পেরিয়ে, পাড়ার বয়স্কদের বহু বারণ সত্ত্বেও আয়োজন করা হয়েছে পুজোর। তবে তার জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে বহু নিয়ম ও সচেতনতার। এই বারের ট্যাগ লাইন, ‘মা তোমার কাছে কিছু চাই না, খালি করোনা মুক্তি ছাড়া’।

ঠিক কী ভাবে হচ্ছে এই বছরের পুজো?

এই ব্যাপারে ক্লাবের অফিস সেক্রেটরি অমৃত সাউ বলেন, এই বারের মণ্ডপ একদম সাধারণ। চার দিক খোলা। ঢোকা বেরোনোর পথ আলাদা আলাদা। তবে সাবেকি ঠাকুর। প্রতিমাতেই থাকছে বিশেষ আকর্ষণ। বিশেষ করে প্রতিমার মুকুটে থাকবে চমক। দর্শকরা দেবী মূর্তি দেখে মুগ্ধ হবেনই।

চালচিত্র নিয়ে এ বারের প্রতিমার উচ্চতা ১২ ফুট। শিল্পী ভাস্কর প্রদীপ রুদ্র পাল গড়ছেন ঠাকুর।

অমৃত জানান, ঢোকার মুখেই রাস্তার ওপর থাকবে জায়েন্ট স্ক্রিন। সেখান থেকেই দর্শকরা ঠাকুর দেখতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে ভেতরে ঢোকারও দরকার পড়বে না। ফলে ভিড় এড়ানো যাবে। মাস্ক, থার্মাল স্ক্রিনিং, দূরত্ব বজায় রাখতে গোল গোল দাগ থাকবে ঢোকার রাস্তায়। মাটি থেকে দশ ফুট খোলা থাকবে মণ্ডপ।

অষ্টমীতে অঞ্জলি হবে বাড়িতে বসেই, বাড়ির ঠাকুরের সামনে। মাইক দিয়ে মণ্ডপ থেকে ঠাকুরমশাই মন্ত্র পাঠ করবেন। সেই শুনে অঞ্জলি দেবেন এলাকাবাসী। পরে সুবিধেমতো এসে মণ্ডপে রাখা ঝুড়িতে ফুল দিয়ে যাবেন। পরিবর্তন করা হয়েছে ভোগের দিন ক্ষণে। অষ্টমীতে নয়, নবমীতে হবে ভোগ।

প্রতি বছরের মতোই মানুষের কাছে বার্তা তুলে ধরা হবে। সে ক্ষেত্রে এ বছর করোনা নিয়েই বার্তা থাকবে। বাজেট ৭০% কাট করা হয়েছে। এই বারের বাজেট ৭ থেকে ৮ লক্ষ টাকা। চাকচিক্য নেই, লাইটের রমরমাও নেই।

অমৃতবাবু জানান, এখনও পর্যন্ত ব্যানার স্পনসর, স্টল ইত্যাদি নিয়ে কোনো ফোনও আসেনি। সেই নিয়ে চিন্তিত কর্মকর্তারা।

এই বছরের উদ্বোধন তৃতীয়াতে, বিসর্জন পুলিশ প্রশাসনের নির্দেশ মেনেই হবে।

গত বছরের থিম ছিল ‘পুনর্জন্ম’।

খান্না থেকে উলটোডাঙার দিকে যেতে অরবিন্দ সেতু থেকে নেমে বাঁ দিকে তৃতীয় পূজামণ্ডপ।

আরও – পশ্চিম বর্ধমানের খান্দরার বকশিবাড়ি বৈষ্ণবধারার হলেও পুজোয় বলিদান হয় দেবীরই আদেশে

Continue Reading

দুর্গা পার্বণ

পশ্চিম বর্ধমানের খান্দরার বকশিবাড়ি বৈষ্ণবধারার হলেও পুজোয় বলিদান হয় দেবীরই আদেশে

Published

on

বকশিবাড়ির দুর্গাপ্রতিমা।

শুভদীপ রায় চৌধুরী

দুর্গাপুজোয় নানা রীতি, নানা আচার পালন করা হয় বিভিন্ন বনেদিবাড়িতে। কোথাও দেবীর ভোগে অন্ন থাকে, আবার কোথাও দেবীকে লুচিভোগ দেওয়া হয়। মৃন্ময়ী মূর্তির ক্ষেত্রেও বিশেষত্ব দেখা যায়। যেমন, কোথাও তিনি ব্যাঘ্রবাহিনী আবার কোথাও তিনি সিংহবাহিনী।

বঙ্গের পুজোয় কুলাচারের নিয়ম প্রতিটি বাড়িতেই বহু বছর ধরে পালিত হয়ে আসছে এবং এটাই বঙ্গের সংস্কৃতি যা দেখতে দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসেন অগণিত ভক্ত। তেমনই পশ্চিম বর্ধমানের বকশিবাড়িতে দেবীর পদতলে বিরাজ করেন সিংহের পরিবর্তে বাঘরাজ। এই বাড়ির পুজো প্রায় ২৬২ বছরের পুরোনো।

পশ্চিম বর্ধমানের খান্দরার বকশি বংশের আদিপুরুষ কিশোরীমোহন দাস ছিলেন বৈষ্ণবভক্ত। বর্ধমানের মহারাজাদের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। নানা অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন কিশোরীবাবু। তাঁর সেই ক্ষমতা দেখে তাঁর সাধ্যমতো উপকার করার প্রতিশ্রুতিও দেন বর্ধমানের মহারাজা। এর পর কিশোরীমোহন দাস সস্ত্রীক বৃন্দাবনে যান এবং সেখানেই তাঁর স্ত্রী এক পুত্রসন্তানের জন্ম দেন। পুত্রের নাম রাখা হয় গোবর্ধন। এই গোবর্ধন দাস ছিলেন বীর যোদ্ধা এবং প্রভূত ক্ষমতার অধিকারী। বর্ধমানের মহারাজা তাঁর অসীম ক্ষমতা দেখে তাঁকে প্রধান সেনাপতির পদে নিযুক্ত করেন এবং তাঁকে বকশি উপাধি প্রদান করেন। গোবর্ধন দাসের সূত্রেই সূচনা হল বকশি বংশের।

১৭৫৭ সালের পরবর্তী সময়ে দেশীর রাজাদের সঙ্গে ইংরেজদের খণ্ডযুদ্ধ শুরু হয়। সেই সময় গোবর্ধন বকশি ছিলেন বর্ধমান মহারাজার প্রধান সেনাপতি। যুদ্ধ চলাকালীন গোবর্ধনবাবু একদিন মায়ের স্বপ্নাদেশ পান। মা তাঁর মূর্তিপূজা শুরু করতে বলেন। মা বলেন, তাঁর মূর্তিপূজা করলে তিনি তাঁকে এবং তাঁর বংশকে সকল বিপদ থেকে রক্ষা করবেন। মা স্বপ্নাদেশেই জানিয়ে দেন, তাঁর যে মৃন্ময়ীরূপের পুজো হবে, সেই রূপ তিনি দাঁইহাটের এক শিল্পীকে স্বপ্নাদেশে বর্ণনা করে দিয়েছেন। একই সঙ্গে বিজয়নগরের গাছতলায় তাঁর যে শিলামূর্তি রয়েছে, তা এনে প্রতিষ্ঠা করে পুজো শুরু করারও আদেশ দেন মা।   

মায়ের মুখ।

এর পর দেবীর আদেশানুসারে গোবর্ধন বকশি শিলামূর্তি প্রতিষ্ঠা করেন এবং দাঁইহাটের শিল্পীর সাহায্যে মূর্তি তৈরি করে শুরু করেন বংশের দুর্গাপুজো, যা আজও বংশপরম্পরায় চলে আসছে।

এই বাড়ির পুজো শুরু হয় রথের দিন মায়ের কাঠামোয় মাটি দিয়ে। এই বাড়ির মূর্তির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল দেবীর ডান পাশে থাকেন শ্রীলক্ষ্মী ও কার্তিক এবং বাঁ পাশে থাকেন দেবী সরস্বতী ও গণেশ। দেবীর দুর্গার আটটি হাত ছোটো, কাঁধে বসানো এবং বাকি দুটি হাত স্বাভাবিক। ছোটো আটটি হাতের অস্ত্র মাটির এবং ত্রিশূলটি রুপোর তৈরি। এই বকশিবাড়িতে মায়ের বাহন হলেন বাঘ।

বকশি পরিবার বৈষ্ণব হলেও দেবীর আদেশে বলিদান প্রথা পালন করা হয় বলে জানালেন পরিবারের সদস্য শুভদীপ বকশি। দুর্গাপুজোর সপ্তমী ও মহাষ্টমীতে একটি করে ছাগ এবং মহানবমীতে তিনটি ছাগ, একটি মহিষ, চালকুমড়ো এবং আখ বলিদান হয়। এই বাড়ির দেবীকে কোনো শাড়ি পরানো হয় না। পুরো সাজটাই হয় রাজস্থানী ঘাঘরা দিয়ে। মায়ের মন্দিরের ভেতরে কোনো বেদি নেই। দেবীর আদেশে মন্দিরের ভেতরের মেঝেটি পুরোটাই মাটির।

বকশিবাড়ির পুজোয় ১২০ জনেরও বেশি ঢাকি আসেন। ঢাকের লড়াই চলে গ্রামের সরকারবাড়ির সঙ্গে বকশিবাড়ির। এ এক চিরন্তন প্রথা। বকশিবাড়িতে পুজোর সময় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় – নাচ, নাটক, গান ইত্যাদি। বকশিবাড়ির খ্যাপা মাকে দর্শন করতে মানুষ ছুটে আসেন দূরদূরান্ত থেকে, জড়ো হন এ বাড়ির ঠাকুরদালানে। পুজোর চার দিন ঠাকুরদালানে ভক্তদের ভিড় দেখার মতন।

বকশিবাড়ির কুলদেবতা হলেন গোপাল। পুজোর সময় মায়ের সামনে গোপালকে রেখে তাঁর পুজো করা হয়। এই ভাবে পুজোর নানা প্রথা আঁকড়ে রেখে এবং সাবেক ঐতিহ্য মেনে আজও পুজো হয় বকশিবাড়ির খ্যাপা মায়ের।

খবর অনলাইনে আরও পড়তে পারেন

উধাও হয়ে যাওয়া শ্রীরাধারমণ বিগ্রহ ফিরে পেতেই শান্তিপুরের বড়ো গোস্বামী বাড়িতে শুরু হয় কাত্যায়নীর আরাধনা

Continue Reading

দুর্গা পার্বণ

করোনা আবহে কী ভাবে দুর্গাপুজো? উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠকে জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

মণ্ডপ, অঞ্জলি থেকে সিঁদুর খেলা- মুখ্যমন্ত্রীর একগুচ্ছ পরামর্শ।

Published

on

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল ছবি

কলকাতা: করোনা আতঙ্ক এড়িয়ে কী ভাবে দুর্গাপুজোর আয়োজন করা যাবে, তা নিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকেই জানিয়ে দিলেন করোনা আবহে কী ভাবে সতর্কতা অবলম্বন করে দুর্গাপুজো করতে হবে।

বৈঠকে উপস্থিত ক্লাব ও পুজো কমিটির প্রতিনিধিদের সঙ্গে সুরক্ষাবিধি মেনে কী ভাবে দুর্গাপুজোর ব্যবস্থা করা যাবে, তা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিশদ আলোচনা করেন।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “পুজো হবেই। সমস্ত নিয়ম মেনেই হবে। শুধু করোনার জন্যে কিছু নিয়মকানুন আমাদের মেনে চলতে হবে। খোলামেলা মণ্ডপ তৈরির পরামর্শ দিয়েছে আমাদের গ্লোবাল অ্যাডভাইজরি কমিটি”।

মুখ্যমন্ত্রী যা বললেন

চারপাশটা খোলা রেখে মণ্ডপ তৈরি করতে হবে।

যারা চারপাশ খোলা রাখতে পারবে না, তারা মাথার উপরের দিকটা খোলা রাখবে।

মণ্ডপে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

সে ক্ষেত্রে দর্শনার্থীদের জন্য নির্দিষ্ট সীমারেখা টেনে দিতে হবে।

মণ্ডপের এক অথবা আধ কিমির মধ্যে হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে। প্রত্যেক দর্শনার্থীর মুখে মাস্ক রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে উদ্যোক্তাদেরও মাস্ক রাখতে হবে।

মণ্ডপে আসা দর্শনার্থীদের সচেতন করতে নিরবচ্ছিন্ন ভাবে ঘোষণা করতে হবে।

২ অক্টোবর থেকে রেজিস্ট্রেশনের জন্য পুজো কমিটিগুলিকে আবেদন জানাতে হবে।

সকলে এক সঙ্গে অঞ্জলি দেওয়া এবং সিঁদুর খেলায় অংশ নিতে পারবেন না। একটা দলের হয়ে গেলে আর একটা দল আসবে।

দর্শনার্থী পারলে নিজেরাই অঞ্জলির জন্য ফুল-বেলপাতা নিয়ে যাবেন।

এ বারে পারলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে, ইত্যাদি।

কত পুজো হচ্ছে রাজ্যে?

মুখ্যমন্ত্রী এ দিন পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানান, রাজ্য পুলিশের আওতায় ৩৪ হাজার ৮৩৭টি পুজো রয়েছে। অন্য দিকে কলকাতা পুলিশের অধীনে রয়েছে ২ হাজার ৫০৯টি দুর্গাপুজো। ১ হাজার ৭০৬টি পুজো হচ্ছে মহিলাদের উদ্যোগে।

বিশেষ ছাড়!

মুখ্যমন্ত্রী জানান, এ বছর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে প্রতিটি পুজো কমিটি ৫০ শতাংশ ছাড় পাবে। সিইএসসি এবং রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা- উভয়ই এই ছাড় দেবে। পাশাপাশি দমকম এবং পুরসভাগুলি পুজো কমিটিগুলির থেকে কোনো ফি নেবে না।

অন্য দিকে রাজ্য সরকারের তরফে পুজো কমিটিগুলিকে দেওয়া অনুদানের পরিমাণ বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে।

আরও পড়তে পারেন: ‘দুর্গাপুজোর আনন্দ কোনো ভাবেই মাটি হবে না’, আশ্বস্ত করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

Continue Reading
Advertisement
জলপাইগুড়ি1 hour ago

‘একশো শতাংশ কাজ চাই, ঢিলেমি নয়’, উত্তরকন্যার প্রশাসনিক বৈঠকে স্পষ্ট বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

দেশ2 hours ago

ভারত এবং বিশ্বের স্বল্প ও মধ্যম আয়ের দেশগুলির জন্য বাড়তি ১০ কোটি ডোজ করোনা ভ্যাকসিন তৈরি করবে সেরাম

Mukesh Ambani
শিল্প-বাণিজ্য3 hours ago

লকডাউনের পর থেকে প্রতি ঘণ্টায় মুকেশ অম্বানির আয় ৯০ কোটি টাকা!

Mamata Banerjee
রাজ্য4 hours ago

‘গুরুপদ সিনহার মৃত্যু পশ্চিমবঙ্গের আলু ব্যবসায়ীদের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি’, শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর

দেশ4 hours ago

শেষমেশ ভারতে কাজ বন্ধ করল অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল

দেশ5 hours ago

র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের থেকে আরও দ্রুত এবং সঠিক ভাবে করোনা শনাক্ত করতে পারে ‘ফেলুদা’, বলছেন বিজ্ঞানীরা

প্রযুক্তি7 hours ago

গাড়ির কাগজ থেকে ই-চালান, নয়া মোটর ভেহিকল আইনের পরিবর্তনগুলি আপনার জেনে রাখা উচিত

InSight
বিজ্ঞান7 hours ago

মঙ্গলগ্রহের বুকে আরও তিনটে হ্রদের খোঁজ পেলেন বিজ্ঞানীরা

দেশ9 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ৭০৫৮৯, সুস্থ ৮৪৮৭৭

দেশ2 days ago

জল্পনার অবসান! নীতীশ কুমারের দলে যোগ দিলেন বিহারের প্রাক্তন ডিজি

Mamata Banerjee
রাজ্য3 days ago

১ অক্টোবর থেকে শর্তসাপেক্ষে খুলছে সিনেমা হল, চালু খেলাধুলো-সহ অন্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

north bengal rain
রাজ্য1 day ago

অতিবৃষ্টির হাত থেকে অবশেষে রেহাই পেল উত্তরবঙ্গ, আপাতত স্বস্তি

দেশ2 days ago

প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং বিজেপি নেতা জসবন্ত সিংহ প্রয়াত

কলকাতা3 days ago

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে চালু হল ‘বেহালার হেঁশেল’, ১০ টাকায় মিলবে খাবারের প্যাকেট

দেশ3 days ago

দেশবাসীকে দেওয়ার জন্য ভ্যাকসিন কেনার টাকা আছে তো কেন্দ্রের কাছে? প্রশ্ন সেরাম কর্ণধারের

বাংলাদেশ3 days ago

অবৈধ পথে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে নৌকাডুবি, বাংলাদেশি-সহ উদ্ধার ২২

কেনাকাটা

কেনাকাটা19 hours ago

পছন্দসই নতুন ধরনের গয়নার কালেকশন, দাম ১৪৯ টাকা থেকে শুরু

খবর অনলাইন ডেস্ক : পুজোর সময় পোশাকের সঙ্গে মানানসই গয়না পরতে কার না মন চায়। তার জন্য নতুন গয়না কেনার...

কেনাকাটা4 days ago

নতুন কালেকশনের ১০টি জুতো, ১৯৯ টাকা থেকে শুরু

খবর অনলাইন ডেস্ক : পুজো এসে গিয়েছে। কেনাকাটি করে ফেলার এটিই সঠিক সময়। সে জামা হোক বা জুতো। তাই দেরি...

কেনাকাটা5 days ago

পুজো কালেকশনে ৬০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে চোখ ধাঁধানো ১০টি শাড়ি

খবর অনলাইন ডেস্ক: পুজোর কালেকশনের নতুন ধরনের কিছু শাড়ি যদি নাগালের মধ্যে পাওয়া যায় তা হলে মন্দ হয় না। তাও...

কেনাকাটা7 days ago

মহিলাদের পোশাকের পুজোর ১০টি কালেকশন, দাম ৮০০ টাকার মধ্যে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : পুজো তো এসে গেল। অন্যান্য বছরের মতো না হলেও পুজো তো পুজোই। তাই কিছু হলেও তো নতুন...

কেনাকাটা1 week ago

সংসারের খুঁটিনাটি সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে এই জিনিসগুলির তুলনা নেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিজের ও ঘরের প্রয়োজনে এমন অনেক কিছুই থাকে যেগুলি না থাকলে প্রতি দিনের জীবনে বেশ কিছু সমস্যার...

কেনাকাটা2 weeks ago

ঘরের জায়গা বাঁচাতে চান? এই জিনিসগুলি খুবই কাজে লাগবে

খবরঅনলাইন ডেস্ক : ঘরের মধ্যে অল্প জায়গায় সব জিনিস অগোছালো হয়ে থাকে। এই নিয়ে বারে বারেই নিজেদের মধ্যে ঝগড়া লেগে...

কেনাকাটা3 weeks ago

রান্নাঘরের জনপ্রিয় কয়েকটি জরুরি সামগ্রী, আপনার কাছেও আছে তো?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: রান্নাঘরের এমন কিছু সামগ্রী আছে যেগুলি থাকলে কাজ করাও যেমন সহজ হয়ে যায়, তেমন সময়ও অনেক কম খরচ...

কেনাকাটা3 weeks ago

ওজন কমাতে ও রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়াতে গ্রিন টি

খবরঅনলাইন ডেস্ক : ওজন কমাতে, ত্বকের জেল্লা বাড়াতে ও করোনা আবহে যেটি সব থেকে বেশি দরকার সেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা...

কেনাকাটা3 weeks ago

ইউটিউব চ্যানেল করবেন? এই ৮টি সামগ্রী খুবই কাজের

বহু মানুষকে স্বাবলম্বী করতে ইউটিউব খুব বড়ো একটি প্ল্যাটফর্ম।

কেনাকাটা1 month ago

ঘর সাজানোর ও ব্যবহারের জন্য সেরামিকের ১৯টি দারুণ আইটেম, দাম সাধ্যের মধ্যে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ঘর সাজাতে কার না ভালো লাগে। কিন্তু তার জন্য বাড়ির বাইরে বেরিয়ে এ দোকান সে দোকান ঘুরে উপযুক্ত...

নজরে