রেস্তোরাঁয় নয়, পুজোর ভোজন এবার ঘরে বসেই, সৌজন্যে ‘দ্য মারমেড’স মিথ’

0
1910
মৈত্রী মজুমদার

বাঙালি মানেই দুগ্‌গা পুজো। বাঙালি মানেই পেট পুজো। অতএব দুগ্‌গা পুজোয় পেট পুজোর মতো মোক্ষম আর কীই বা আছে এই দীনদুনিয়ায় !! আবার সেই মহাভোজ যদি হয় মৎস্যকন্যার হাতে বানানো? কেমন জমে যাবে বলুন তো পুজোর ক’দিন?

হ্যাঁ, সেই সুলুকসন্ধানই দেব আজ।

পুজোর দিনগুলিতে বাড়িতে বসে থাকতে কেউই চান না। আবার পুজোর ভিড়ে রেস্তোরাঁয় জায়গা পাওয়াও মুশকিল হয়। কারও কারও আবার সমস্যা হয় বাইরের খাবারের হাইজিন নিয়ে। এইসব সাতকাহন সমস্যারই এক কথায় সমাধান হল ‘দ্য মারমেড’স মিথ’ ।

রেস্তোরাঁয় পাওয়া যায় এরকম সমস্ত খাবার নিজ তত্ত্বাবধানে বানিয়ে হোম ডেলিভারি করে থাকেন এঁরা।

ধরুন আপনার বাড়িতে অনুষ্ঠান। জন্মদিন, মুখেভাত, বিবাহবার্ষিকী অথবা অফিসের পার্টি; ফোন করুন ‘দ্য মারমেড’স মিথ’-কে। আপনার পছন্দের মেনু তৈরি করে ঠিক সময়ে ওরা পৌঁছে যাবেন আপনার বাড়ি বা অফিসে।

আর পুজোর সময়েও আপনি ঘরে বসে পেয়ে যাবেন রেস্তোরাঁয় খাবার সুখ। আবার যদি চান বিলকুল ঘরোয়া হালকা রান্না, বাড়ি বসে পেয়ে যাবেন তাও।

ঠিক কী কী ধরনের খাবার পেতে পারেন ‘দ্য মারমেড’স মিথ’-এ?

ফোন নং: 9831419217/ 8961000637

নির্ভেজাল বাঙালি রান্না-  মাছের মাথা দিয়ে ডাল, চিংড়ির মালাইকারি, ইলিশের পাতুরি, মোচার ঘণ্ট, আমের টক বা পোলাও-কষা মাংস, মুরগির ঝোল। আবার বাঙালির প্রিয় মোগলাই পদগুলি, যেমন বিরিয়ানি, কাবাব, রেজালা, চাঁপ। মানে ধরে নিন পঞ্জাবি ছোলে-বাটুরে থেকে রাজস্থানি ডাল বাটি চুরমা- সবই পেতে পারেন এঁদের মেনুতে।

কিন্তু মৎস্যকন্যার বিশেষত্ব হল  ইনোভেটিভ ফুড ফিউশন। যেমন ধরুন মাছের ফিলের সাথে মুরগির কিমা মিশিয়ে স্প্যানিশ স্বাদের ‘ফিস পোলো’ বা কলাপাতায় মোড়া ধনেপাতার ফ্লেভারের ‘পাত্তা চিকেন’, বিশেষ ধরনের ম্যারিনেশনে জারিত ‘মৌতাত এ মাটন’-এর প্রত্যেকটি পদই না খেলে, মিস করবেন সত্যি।

সঙ্গে বেকড মিহিদানা, চকলেট পাটিসাপটা, ক্ষীর খাজানা-র মতো মিষ্টির খাজানাও আপনার হাতের মুঠোয় এসে যাবে।

কিন্তু এখানেই শেষ নয়। পুজোর সময় নানা ধরনের খাবার তো খেতেই হবে, তা বলে অষ্টমীর ভোগ বা নিরামিষ কি বাদ যাবে?

ফোন নং: 9831419217/ 8961000637

না না, এক্কেবারেই না। ‘দ্য মারমেড’স  মিথ’-এর কর্ণধার এষণা দে দত্ত স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিলেন, ছোট্ট বেলা থেকে বাড়িতে আম্মা(ঠাকুমা)কে ভোগ বানাতে দেখেছেন আর ঠিক সেই ভাবেই  শুদ্ধাচারে নিরামিষ খাবার আর ভোগের খাবারও সরবরাহ করে থাকেন তাঁরা। আর এই নিয়ে ভবিষ্যতেও কিছু পরিকল্পনা আছে তাঁদের।

তা হঠাৎ এই খাবারের ব্যবসা কেন?

এষণা জানালেন ছোট্ট বেলা থেকেই আম্মাকে রান্নায় সাহায্য করা ছিল ওর পড়াশোনায় ফাঁকি দেওয়ার পারফেক্ট প্ল্যান। আর সেখান থেকেই শেখা রান্না কবে যে প্রিয় শখে পরিণত হয়েছে আজ আর ঠিক মনে নেই। অন্যকে খাইয়ে আনন্দ পাওয়ার চাহিদা থেকেই পারিবারিক ব্যবসা ছেড়ে এই ব্যবসা শুরু। সঙ্গে জুটে  গেছেন পেটুক বাল্যবন্ধু অরিজিৎ রে। পেশায় উদ্যোগপতি অরিজিৎ, নেশায় খাদ্য রসিক তো বটেই আবার খাদ্য সমালোচকও । প্রত্যক্ষ ভাবে হাতা-খুন্তি না ধরলেও বিভিন্ন ধরনের রান্না ও সেগুলির পরিবেশনার বিষয়ে তাঁর আগ্রহ ও পড়াশোনা বহুদিনের। অরিজিতের মতে, ‘সুখাদ্যই অনাবিল আনন্দের মূল ভিত্তি’ তাই ‘দ্য মারমেড’স  মিথ’-এর বিপণনের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে আসলে আনন্দ বিলিয়ে চলেছেন বলেই মনে করেন তিনি।

বাজারে খাবারের ব্যবসার এত প্রতিপক্ষ, বিফলতার ভয় নেই? এই প্রশ্নের উত্তরে রীতিমত ছক্কা হাঁকালেন মৎস্যকন্যা এষণা, বললেন নিজের হাতের রান্না খাইয়ে যেদিন চির শত্রুকে পরম মিত্র বানাতে পারবেন সেদিনই পরবেন জয়ের মুকুট। এ কথা শোনার পর আর কী প্রশ্ন বাকি থাকে? সে যাই হোক আপনি শত্রু হন বা মিত্র ‘দ্য মারমেড’স  মিথস’-এর পুজোর ভোজ-এর বুকিং বন্ধ হওয়ার আগে নিজের বুকিং-টা  সেরে ফেলুন।

ফোন নং: 9831419217/ 8961000637

বিজ্ঞাপন প্রতিবেদন

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here